Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    এডিপি অর্থ ব্যয়ে গতি আসেনি

    নভেম্বর ২৫, ২০২৪ ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের চার মাসেও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অর্থ ব্যয়ে গতি আসেনি। বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিবি) অর্থ খরচ হয়েছে ২১ হাজার ৯৮৭ কোটি টাকা। যা মোট এডিপি বরাদ্দের ৪.৭৫ শতাংশ। এডিপি বাস্তবায়নের এই হার প্রায় ১৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

    গত অর্থবছরের একই সময়ে ব্যয় হয়েছিল ৩১ হাজার ৩৫৮ কোটি টাকা,যা ওই অর্থবছরে মোট এডিপি বরাদ্দের ১১.৫৮ শতাংশ। অর্থাৎ, গত অর্থবছরের চেয়ে ৯ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা কম ব্যয় হয়েছে চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে।

    আইএমইডির ওয়েবসাইটে ২০১০-১১ অর্থবছর পযন্ত তথ্য পাওয়া যায়। দেখা গেছে, পূর্বের বছরগুলোতে ১২ থেকে ১৩ শতাংশ হারে এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে। আজ রোববার (২৪ নভেম্বর) আইএমইডি এডিপি বাস্তবায়নের হালানাগদ তথ্য প্রকাশ করে।

    চলতি অর্থবছরে সরকারের এডিপি বরাদ্দ ছিল ২ লাখ ৭৮ হাজার ২৮৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

    আইএমইডির প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই- অক্টোবর মাসে সরকারি তহবিল থেকে ব্যয় হয়েছে ১১ হাজার ৮৯৮ কোটি টাকা, যা সরকারি তহবিলের বরাদ্দের ৭.১৫ শতাংশ। এর আগে কোনো অর্থবছরে জুলাই-অক্টোবর মাসে সরকারি তহবিলেরও এত কম অর্থ ব্যয় হয়নি। গত অর্থবছরের একই সময়ের টাকা অংকে ব্যয় হয়েছিল ১৮ হাজার ৮১৩ কোটি টাকা, যা ওই অর্থবছরের এডিপিতে সরকারি তহবিলের বরাদ্দের ৭.৪২ শতাংশ।

    অন্যদিকে বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান চলতি অর্থবছরে যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, সেখানে জুলাই-অক্টোবর মাসে ব্যয় হয়েছে ৮.২১ শতাংশ বা ৮ হাজার ২১০ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে বৈদেশিক তহবিল থেকে ব্যয় হয়েছিল ১১ হাজার ৮৬৪ কোটি টাকা বা ৭.৯৮ শতাংশ।

    বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন ‍বলেন, "নতুন সরকার সব প্রকল্প পর্যালোচনা করছে। যাচাই-বাছাইয়ের পর অনেক অগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবে সরকার। এ কারণে এই মুহূর্তে অনেক প্রকল্পে অর্থছাড়ও কম হচ্ছে। এর প্রভাবে এডিপি বাস্তবায়নেও ধীর গতি দেখা দিয়েছে। তবে আশা করা হচ্ছে খুব শিগগিরই উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ প্রবাহ বাড়বে।"

    আইএমইডির কর্মকর্তারা জানান, জুলাই মাসজুড়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বাংলা ব্লকেড ও অযোহযোগ আন্দোলনের প্রভাবও এডিপি বাস্তবায়নে পড়েছে। একই পরিস্থিতি ছিল আগষ্ট মাসে। আগষ্ট মাসে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান, এর তিন দিন পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়। কিন্তু, আগষ্ট মাসজুড়ে প্রশাসনে অস্থিরতা দেখা যায়। এতে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড-ও স্থবির হয়ে পড়ে।

    আবার দেশী-বিদেশী অনেক প্রকল্পের ঠিকাদার প্রকল্প এলাকায় না থাকার কারণে প্রকল্প বাস্তবায়ন ব্যাহত হয়। এছাড়া নতুন করে এডিপি অর্থছাড়ও কম করছে। সরকার শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে অর্থছাড় করছে।

    অন্যদিক সরকার পাইপলাইনে থাকা প্রস্তাবিত প্রকল্পের পাশপাশি চলমান প্রকল্পও নতুন করে পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে চলমান অনেক প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাবও আটকে গেছে। সব মিলিয়ে এডিপি বাস্তবায়নও স্থবি্র হয়ে গেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

    আইএমইডির তথ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া ১৫ মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর মধ্যে প্রথম চার মাসে সেতু বিভাগ ব্যয় করছে মাত্র ১.১৪ শতাংশ অর্থ। এছাড়া স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ব্যয় করছে বরাদ্দের ২.৪২ শতাংশ, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ ব্যয় করছে ২.০১ শতাংশ। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এডিপি বাস্তবায়ন হার ২.৯৩ শতাংশ, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের ৪.৯৩ শতাংশ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ৫.৭৩ শতাংশ, এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ৬.৭৯ শতাংশ অর্থ ব্যয় করেছে।

    বেশি বরাদ্দ পাওয়া মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ ব্যয় করছে ১৩.৯০ শতাংশ, বিদ্যুৎ বিভাগ ১০.৪৪ শতাংশ, রেলপথ মন্ত্রণালয় ১২.৯০ শতাংশ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ৯.৬৫ শতাংশ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ১০.৯১ শতাংশ এবং কৃষি মন্ত্রণালয় ১১.৫৮ শতাংশ অর্থ ব্যয় করেছে। ●
    অকা/প্র/ই/ সকাল, ২৫ নভেম্বর ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    দুই হাজার টাকার চামড়ার দাম ৫০০ টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.