Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ক্ষুদ্রঋণে তহবিল সংকট দূর হচ্ছে

    অক্টোবর ৪, ২০২২ ৪:৩৯ পূর্বাহ্ণUpdated:অক্টোবর ৪, ২০২২ ৪:৩৯ পূর্বাহ্ণ1
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    ক্ষুদ্রঋণ খাতে তহবিল সংকট দূর হচ্ছে। বিধি পরিবর্তন করে দেয়া হয়েছে অবারিত সুযোগ। আগে প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট সঞ্চয়ের ১৫ ভাগ ব্যাংকে রাখার বাধ্যবাধকতা ছিল। তহবিল বাড়াতে এই নিয়ম শিথিল করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)। এখন ১০ ভাগ তারল্য রাখলেই চলবে।

    মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি-২০১০ এর বেশকিছু ধারায় সংশোধনী এনে গেজেট জারি করা হয়েছে। তহবিলের জোগান ছাড়াও চারটি ধারায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের সুবাদে ক্ষুদ্রঋণ খাতে তহবিল কেনার ব্যয় কমবে দশমিক ২ শতাংশ। আর আগের চেয়ে তহবিলের জোগান বাড়বে ১৫ শতাংশ।

    এমআরএর এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান মো. ফসিউল্লাহ বলেন, ‘বিধিমালায় পরিবর্তন আনাটা দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। নতুন এই সিদ্ধান্তে ক্ষুদ্রঋণ খাতে বড় পরিবর্তন আসবে।’

    প্রান্তিক মানুষদের অর্থায়নে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে মনে করেন এনজিওদের জোট ক্রেডিট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরামের (সিডিএম) নির্বাহী পরিচালক আব্দুল আউয়াল। তিনি বলেন, তহবিল স্বল্পতায় কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় ঋণ দেয়ার সক্ষমতা ছিল না। এমন সিদ্ধান্তে সেই খরা কিছুটা হলেও কাটবে।

    এমআরএ আইনের বিধিমালায় পরিবর্তন এনে ২৫ সেপ্টেম্বর গেজেট জারি করেছে সরকার।

    বিধিমালার ২২(২) অনুচ্ছেদে আগে ছিল, ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের নামে স্থাবর সম্পত্তি কিনতে হবে। তাতে পরিবর্তন এনে করা হয়েছে পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদনক্রমে, ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের নামে স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি কেনা ও বিক্রি করা যাবে।

    বিধি ২৪ (৩)-এ আগে ছিল উদ্যোগ ঋণের পরিমাণ প্রতিষ্ঠানের মোট ঋণস্থিতির অর্ধেকের বেশি হবে না। এমআরএ মূলত প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করে তার ঋণস্থিতির ওপর। এতে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটা কত বড় বা ছোট।

    আগে বলা ছিল, উদ্যোগ ঋণের পরিমাণ মোট পোর্টফলিওর অর্ধেকের বেশি হবে না। এ ক্ষেত্রে এখন ৫০ ভাগের পরিবর্তে ৬০ ভাগ পর্যন্ত ঋণ নেয়ার সুযোগ দেয়া হয়েছে।

    ক্ষুদ্রঋণের আকার এখন সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা। এর বেশি ঋণ দিলে তাকে বলে উদ্যোগ ঋণ। অথচ গ্রাহকরা বড় অঙ্কের ঋণ বেশি চায়।

    উপবিধি-৬ এ একটি পরিবর্তন এনেছে এমআরএ। সাপ্তাহিক, পাক্ষিক এবং মাসিক ভিত্তিতে ঋণ ফেরত দেয় গ্রাহক। তবে এখন গ্রাহক ইচ্ছা করলে একটা ঋণ ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে ফেরত দিতে পারবে। আবার চাইলে সে ছয় মাস ভিত্তিতে পরিশোধ করতে পারবে। এককালীন পরিশোধেরও সুযোগ থাকবে।

    ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমে তিন ধরনের আমানত নেয়ার সুযোগ দেয়া হয়েছে। তা হলো- বাধ্যতামূলক বা সাধারণ আমানত, স্বেচ্ছা আমানত ও মেয়াদি আমানত।

    বিধি-২৮ সংশোধন করে এই বিধিতে স্বেচ্ছা আমানতের সুযোগ দেয়া হয়েছে। আগে বলা ছিল, কোনো প্রতিষ্ঠান যদি গ্রাহকের কাছ থেকে স্বেচ্ছা আমানত নিতে চায় তাহলে প্রতিষ্ঠানের বয়স হতে হবে ৫ বছর এবং শেষ তিন বছর প্রতিষ্ঠান লাভজনক হতে হবে।

    এখন প্রতিষ্ঠানের বয়স ৫ বছর হলেই সে স্বেচ্ছা আমানত নিতে পারবে। যদি তিন বছর দুর্যোগকালীন হয় অথবা জাতীয় কোনো সংকট হয়, তাহলে প্রতিষ্ঠান সংকটকালীন সময় বা বছর বাদ দিয়ে হিসাব করতে পারবে।

    স্বেচ্ছা আমানত হচ্ছে এমন ধরনের আমানত যেটা গ্রাহক যখন খুশি দেবে এবং যখন খুশি উত্তোলন করতে পারবে। যতদিন এই অর্থ জমা থাকবে, ততদিন নির্ধারিত হারে সুদ পরিশোধ করতে হবে।

    বিধি-ঙতে বলা ছিল, গ্রাহক স্বেচ্ছা আমানত নিতে পারবে পুঁজির ২৫ ভাগ। এখন ৪০ ভাগ পর্যন্ত নেয়ার সুযোগ দেয়া হয়েছে।

    পুঁজি বলতে যেটা বোঝায়, প্রতিষ্ঠানের ক্রমপুঞ্জিভূত উদ্বৃত্ত বা সংরক্ষিত তহবিল। অর্থাৎ তার ভালো ঋণের ১ ভাগ। তারপর তার ক্যাপিটাল ডোনেশন এবং প্রতিষ্ঠানের চাঁদা।

    বিধি ২৯-এ স্বেচ্ছা আমানতের মতো মেয়াদি আমানত নেয়ার জন্য শর্তের পরিবর্তন আনা হয়েছে। বলা হয়েছে, একটি প্রতিষ্ঠানের বয়স হতে হবে ১০ বছর। তবে ১০ বছরের মধ্যে শেষ ৫ বছর তাকে লাভজনক হতে হবে।

    ৫ বছরের লাভের ক্ষেত্রে দুর্যোগের বিষয় নির্দিষ্ট করা ছিল না। এখন এই এটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মেয়াদি আমানত নেয়ার ক্ষেত্রে ২৫ ভাগের পরিবর্তে ৫০ ভাগ করা হয়েছে।

    তহবিল বাড়ানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এনেছে এমআরএ। আগে একটি প্রতিষ্ঠানকে তার মোট সঞ্চয়ের ১৫ ভাগ ব্যাংকে জমা রাখতে হতো। এখন তারল্য হিসেবে ১০ ভাগ টাকা ব্যাংকে রাখলেই চলবে। বাকি ৯০ ভাগ টাকা ক্ষুদ্রঋণে ব্যবহার করা যাবে।

    ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমে তহবিল সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। দুটি উৎস থেকে মূলত তহবিলের জোগান দেয়া হয়- ব্যাংক এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন বা পিকেএসএফ।

    এমআরএ বিধিতে সংশোধন আনায় তহবিল বাড়বে। বলা হচ্ছে, এই সুযোগ সৃষ্টির ফলে তহবিল কেনার ব্যয় কমবে দশমিক ২ ভাগ। আগের চেয়ে তহবিল জোগান বাড়বে ১৫ ভাগ।

    ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত দেশের তিন কোটি ৩০ লাখ মানুষ। গ্রামীণ অর্থনীতির ৭৪ ভাগ অর্থের জোগান দেয় ক্ষুদ্রঋণ বা এমএফআই প্রতিষ্ঠানগুলো। মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিতে এই খাতের অবদান প্রায় ১৫ ভাগ। তহবিলের জোগান বাড়লে চাঙা হবে গ্রামীণ অর্থনীতি।

    ক্রেডিট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরাম বা সিডিএমের নির্বাহী পরিচালক আব্দুল আউয়াল বলেন, ‘এনজিওগুলোর তহবিল জোগানের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে ব্যাংক, তবে সবসময় ব্যাংক অর্থের জোগান দেয় না। এতে চাহিদার বিপরীতে ঋণ দেয়া যেত না। এখন তহবিল বাড়লে ঋণ দেয়ার সুযোগ বাড়বে। এতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের অর্থের খরা কিছুটা হলেও কাটবে।’

    এনজিও কোস্ট ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম বলেন, ‘কোনো এনজিওতে গ্রাহকের এক লাখ টাকা সঞ্চয় হলে সেই গ্রাহক ৫ লাখ টাকা ঋণ দাবি করে, কিন্তু সেই চাহিদা এনজিওগুলো কীভাবে পূরণ করবে? এ ক্ষেত্রে কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।’

    মো. ফসিউল্লাহ জানান, ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমে বর্তমানে প্রতিদিন ৭০০ কোটি টাকার লেনদেন হয়। বছরে লেনদেনের পরিমাণ দুই লাখ কোটি টাকা। আর ক্ষুদ্রঋণে সঞ্চয়ের পরিমাণ ৫০ হাজার কোটি টাকা। নতুন এ সিদ্ধান্তে এই খাত আরও সম্প্রসারিত হবে।
    #

    অকা/প্র/ সকাল, ৩ অক্টোবর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    ক্ষুদ্রঋণে তহবিল সংকট দূর হচ্ছে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.