Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ডলার সংকট ও রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে বৈদেশিক ঋণের দিকে নজর

    জুলাই ২৮, ২০২২ ৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    ঘাটতি বাজেট মেটাতে সরকার বৈদেশিক ঋণের দিকে নজর দিচ্ছে বেশি। ডলার সংকট ও রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কেননা এই ঋণের পুরো অর্থ মিলবে ডলারে। এছাড়া এ মুহূর্তে ব্যাংকিং খাত থেকে বেশি ঋণ নিলে মূল্যস্ফীতি আরও বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

    পাশাপাশি সুদ খাতে বিপুল পরিমাণ ব্যয় সাশ্রয় করতে সঞ্চয়পত্র থেকে কম ঋণ নেওয়া হবে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও ঋণের সুদ পরিশোধ ব্যয় কমিয়ে আনতে অর্থ বিভাগ এ ধরনের পথে হাঁটছে। যে কারণে বিদেশি ঋণ পেতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন দাতা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।

    সূত্রমতে, চলতি (২০২২-২৩) বাজেট সহায়তা হিসেবে এ মুহূর্তে দাতা সংস্থাগুলোর সঙ্গে ৬৭০ কোটি মার্কিন ডলার নিয়ে আলোচনা চলছে। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৬৪ হাজার কোটি টাকা (এক ডলার সমান ৯৪.৮৩ টাকা)। তবে সরকারের ঘাটতি বাজেট মেটাতে চলতি অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণের প্রয়োজন প্রায় এক হাজার ২শ কোটি মার্কিন ডলার বা ১ লাখ ১২ হাজার ৪৫৮ কোটি টাকা। বাজেট ঘোষণার সময় এই ঘাটতি ঋণ নিয়ে পূরণ করার কথা বলা হয়।

    জানতে চাইলে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ মিশনের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, ‘আইএমএফ, বিশ্বব্যাংকসহ দাতা সংস্থাগুলোর কাছে বাজেট সহায়তা হিসেবে ঋণ চাইছে সরকার। এখন আমাদের রিজার্ভ বাড়ানো দরকার। এমন প্রেক্ষিতে দাতা সংস্থা থেকে বাজেট সহায়তা হিসেবে ঋণ গ্রহণে কোনো সমস্যা সৃষ্টি হবে না।

    তিনি আরও বলেন, ‘আইএমএফ ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে শর্ত হিসাবে কিছু সংস্কারের কথা বলবে। এর মধ্যে রাজস্ব খাতে অটোমেশন চালু, আর্থিক খাতে ঋণ ও আমানতের সুদের হারের ওপর আরোপিত ক্যাপ তুলে নেওয়া, জ্বালানি তেলের মূল্য একটি ফর্মুলায় এনে ঘোষণা করা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে বাজেট থেকে আলাদা করা। তবে এসব শর্ত ও সংস্কার আমাদের এমনিতেই করা উচিত। ফলে দাতা সংস্থার এসব শর্ত আমাদের নতুন করে কোনো সমস্যায় ফেলবে না।’

    দাতা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে ঋণ নেওয়া হলে ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্র থেকে কম ঋণ নিতে হবে। এতে সরকারের ঋণ ব্যয় কমবে-এমনটি মনে করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ এমকে মুজেরি। তিনি যুগান্তরকে বলেন, ‘দেশে এখন বৈদেশিক মুদ্রার সংকট আছে। আমাদের প্রয়োজন তাদের ঋণ সহায়তার। এই ঋণ পাওয়া গেলে বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ে অনিশ্চয়তাও কাটবে।’

    প্রসঙ্গত, চলতি সপ্তাহে ঋণ সহায়তা চেয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলকে (আইএমএফ) চিঠি দিয়েছে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তবে আইএমএফের কাছে ঋণের অঙ্ক তুলে ধরা হয়নি। সেটি আলোচনার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে। প্রাথমিকভাবে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে এই সংস্থার কাছে ৪৫০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তা চাওয়া হবে। বাংলাদেশ প্রাধিকার অঙ্কে ৭শ কোটি ডলার পর্যন্ত ঋণ চাইতে পারবে।

    এছাড়া বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এবং জাপানের সাহায্য সংস্থা জাইকার কাছ থেকেও বাজেট সহায়তা নেওয়ার আলোচনা শুরু করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। দাতা সংস্থা এডিবির সঙ্গে ১০০ কোটি ডলারের বাজেট সহায়তা নিয়ে আলোচনা চলছে। সামাজিক নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার-এই দুই খাতে অর্থ খরচ করা হবে।

    অন্যদিকে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৭০ কোটি ডলারের বাজেট সহায়তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এদিকে চলতি সপ্তাহে জাইকার সঙ্গে বৈঠক করেছেন অর্থমন্ত্রী। ওই বৈঠকে তিনি সংস্থারটি কাছ থেকে বাজেট সহায়তা হিসাবে ৫০ কোটি মার্কিন ডলার চেয়ে অনুরোধ করেছেন। এ নিয়ে ঢাকা সফররত জাইকা প্রেসিডেন্ট আকিহিকো তানাকা গত সোমবার বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে।

    সাধারণত প্রতিবছর ঘাটতি বাজেট পূরণ করা হয় দুইভাবে। এর মধ্যে একটি দেশের ভেতর (ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্র) থেকে ঋণ নিয়ে আর দ্বিতীয় হচ্ছে বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে। এ বছর ব্যাংকিং খাত থেকে সরকার ঋণ গ্রহণ কম করার পরিকল্পনা নিয়েছে। যদিও এ খাত থেকে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। কয়েকটি কারণে ব্যাংক থেকে কম ঋণ নেওয়া হবে।

    প্রথমত, করোনার পর দেশের ভেতর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুরোপুরি চালু হয়েছে। এ সময় সরকার ব্যাংক থেকে বেশি ঋণ করলে ওই টাকা বাজারে আসবে। এক পর্যায়ে এটি মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দিতে পারে। এমনিতেই গত ৯ বছরের রেকর্ড অতিক্রম করছে বর্তমান মূল্যস্ফীতির হার। এমন শঙ্কা কাজ করছে সরকারের সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।

    দ্বিতীয়ত, সঞ্চয়পত্রে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি সুদ দেওয়া হচ্ছে। ফলে এ খাত থেকে ঋণ গ্রহণ করলে সুদ বাবদ বড় অঙ্কের টাকা ব্যয় করতে হবে। সরকার বৈশ্বিক সংকটের কারণে ব্যয় নানাভাবে সাশ্রয় করছে। এর ফলে এ খাত থেকেও কম ঋণ নেওয়ার পথে এগোচ্ছে। অপরদিকে ডলার সংকট বিরাজমান আছে। এতে এক ধরনের রিজার্ভের ওপর চাপ পড়েছে। ফলে সব দিক বিবেচনায় এবার ঘাটতি বাজেট মেটাতে বৈদেশিক ঋণই এখন উপযুক্ত বলে মনে করছেন অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্টরা।

    ঋণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত অর্থ বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, বাজেট সহায়তা হিসাবে বৈদেশিক ঋণকে এ বছর বেশি প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। বর্তমান ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে সৃষ্ট বৈশ্বিক সংকটের প্রভাব বাংলাদেশের ওপর এসে পড়েছে। বিশ্ববাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি পায়। এতে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের মে পর্যন্ত বিদেশ থেকে পণ্য আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ৮১৫ কোটি মার্কিন ডলার। এটি আগের বছরের তুলনায় ৩৯ শতাংশ বেশি। এছাড়া ভোজ্যতেল, জ্বালানি তেল, ইউরিয়া সারসহ ৯টি পণ্য আমদানিতে অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে ৮২০ কোটি মার্কিন ডলার। একই সময়ে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণও কমেছে। এতে বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ।

    উল্লেখ করা যেতে পারে, গত বছর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৪৫০০ কোটি মার্কিন ডলারের (৪৫ বিলিয়ন) কাছাকাছি ছিল। কিন্তু বর্তমানে এটি নেমে এসে দাঁড়িয়েছে ৩৯৭০ কোটি ডলারে (৩৯.৭ বিলিয়ন)।

    #

    অকা/প্র/ দুপুর, ২৮ জুলাই, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    ডলার সংকট ও রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে বৈদেশিক ঋণের দিকে নজর

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.