Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    নিত্য পণ্যমূল্যবৃদ্ধিতে দরিদ্র হয়েছে আরও ২১ লাখ মানুষ

    জুন ৭, ২০২২ ৬:২৩ পূর্বাহ্ণ1
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    বাজারে পণ্যমূল্য অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় দেশের ২১ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়েছে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, দুই বছরের মহামারি করোনার ধাক্কায় দেশে ৩ কোটির বেশি মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়ে পড়েছিল। করোনার প্রকোপ কমায় এ সংখ্যা কমে যায়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় ২১ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়ে পড়েছে।

    বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) এবং ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স স্টাডিজের (বিআইজিডি) গবেণায় এ তথ্য পাওয়া গেছে।

    গবেষণা প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, করোনার পর বাংলাদেশ অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে না। নতুন দরিদ্র মানুষের পরিস্থিতির উন্নয়ন হচ্ছে না। দরিদ্র মানুষ টিকে থাকার চেষ্টা করছে স্বশোষণ করে। খাওয়া কমিয়ে, কাজের সময় বাড়িয়ে এ প্রচেষ্টা চলছে।

    করোনা সংক্রমণের পরপরই ২০২০ সালের জুন মাসে ২১ দশমিক ২৪ শতাংশ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয় বলে এই দুই প্রতিষ্ঠানের জরিপে বলা হয়েছিল। এ পরিমাণ গত বছরের মার্চ মাসে ১৪ দশমিক ৭৫ শতাংশে নেমে আসে। কিন্তু এখন এ হার ১৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

    এ হিসাবে দেখা যাচ্ছে, এখনও ৩ কোটি ৯ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়ে আছে। তাদের পরিস্থিতির উত্তরণ হয়নি, তথ্য দেন হোসেন জিল্লুর।

    দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়া দেয় ২০২০ সালের মার্চ মাসে। এরপর নি¤œ আয়ের মানুষের ওপর করোনার প্রকোপ নিয়ে চার দফা জরিপ করে পিপিআরসি ও বিআইজিডি। ২০২০ সালের এপ্রিল, জুন ও জুলাই মাসে, ২০২১ সালের মার্চ এবং আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে চার দফায় সাধারণ মানুষের ওপর করোনার প্রভাবসংক্রান্ত জরিপ করা হয়।

    মূল্যস্ফীতি, খাপ খাওয়ানো ও পুনরুদ্ধারের প্রতিবন্ধকতা শীর্ষক পঞ্চম দফার ফল প্রকাশ করা হয়। এ দফার জরিপের কাজ চলে গত ১৪ থেকে ২১ মে পর্যন্ত। এ জরিপে অংশ নেয় গ্রাম ও শহরের ৩ হাজার ৯১০ জন মানুষ।

    সবশেষ জরিপে করোনার শুরু থেকে এ পর্যন্ত সময়ে গ্রাম ও শহরের নিম্ন আয়ের মানুষের আয় কমা-বাড়া, খাদ্যপণ্যের দামের ওঠানামা, কর্মসংস্থান, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে খাপ খাওয়ানোর জন্য মানুষের প্রচেষ্টা, পেশার পরিবর্তনসহ নানা বিষয় উঠে আসে। দুই পর্বে জরিপের ফলাফল তুলে ধরা হয়। প্রথম দফায় বিআইজিডির পরিচালক ইমরান মতিন সাম্প্রতিক সময়ের প্রভাবগুলো তুলে ধরেন।

    গবেষণার তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, করোনার আগে ২০১৭ সালে দরিদ্র মানুষের মাথাপিছু আয় ছিল ১১৭ টাকা। প্রথম লকডাউনের পর এ আয় কমে হয় ৬৫ টাকা। পরে এ আয় বেড়ে ১০৩ টাকা হয়। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে তা আরও বেড়ে হয় ১০৫ টাকা; কিন্তু এখন তা নেমে গেছে ৯৯ টাকায়। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত ৬ শতাংশ আয় কমে গেছে।

    জরিপের তথ্য অনুযায়ী, মানুষের আয় করোনাপূর্ব সময়ের চেয়ে এখনো ১৫ শতাংশ কম। শহরে এ হার অনেক বেশি, ২৫ শতাংশ। গ্রামে তা ১ শতাংশ।

    জরিপে দেখা যায়, গ্রামের চেয়ে শহরের মানুষের আয় কমেছে অনেক বেশি হারে। পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে শহরের যেখানে আয় কমে যাওয়ার হার ৮, গ্রামে তা ৩ শতাংশ।

    ইমরান মতিন বলেন, করোনার পর অর্থনৈতিক কর্মকা- চালু হলে পরিস্থিতির উন্নতি হয় কিছুটা। কিন্তু দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাওয়ার কারণে মানুষের আয় আবার কমে যায়।

    গ্রাম ও শহরের কৃষি ও পরিবহন খাতের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে অনেকটা খাপ খাইয়ে নিতে পেরেছেন। কিন্তু রিকশাচালক, কারখানাশ্রমিক ও গৃহকর্মীর ওপর এর প্রভাব মারাত্মক।

    জরিপে বলা হয়, দ্রব্যের মূল্য বেড়ে যাওয়ার কারণে নারীরা নতুন করে কর্মক্ষেত্রে ঢোকার চেষ্টা করছেন। তবে করোনাকালের কাজ হারানো ৩৬ শতাংশ নারী এখনো কর্মক্ষেত্রে ঢুকতে পারেননি।

    নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ পণ্য কেনা কমিয়ে দিয়েছে, নি¤œমানের পণ্য কিনছে বা একেবারে বাদ দিয়েছে। দেখা গেছে, ২৭ শতাংশ পরিবার কম পরিমাণ চাল কিনছে। আগের চেয়ে নি¤œমানের চাল কিনছে ৩৬ শতাংশ পরিবার। কোনো পরিবার একেবারে চাল কিনছে না, তেমনটা দেখা যায়নি। তবে পুষ্টির জন্য দরকারি মাছ, মাংস, দুধ কম কেনা বা একেবারে বাদ দিয়েছে।

    জরিপে দেখা গেছে, ৪৭ শতাংশ ক্ষেত্রে দুধের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে। মান কমিয়ে দিয়েছে ২৫ শতাংশ। আর একেবারে বাদ দেওয়া সংখ্যা ২০ শতাংশের মতো পরিবার। ৭৩ শতাংশ ক্ষেত্রে মানুষ মাছ কেনার পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে। কম কিনছে ৫৬ ভাগ।

    মাসে অন্তত এক দিন শহরের বস্তিবাসীর ৫ শতাংশ মানুষ তাদের আর্থিক দুরাবস্থায় সারা দিন অভুক্ত থেকেছে। গ্রামে এ অবস্থা ৩ শতাংশ। অন্তত একবেলা কম খেয়েছে, এমন পরিবারের সংখ্যা শহরে ২১ এবং গ্রামে ১৩ শতাংশ।

    এই যে জিনিসের দাম বাড়ছে, তার পেছনে নানা কারণকে তুলে ধরেছে মানুষ। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৬২ শতাংশ মনে করছে দুর্বল ব্যবস্থাপনার জন্যই এমনটা ঘটছে। এর পাশাপাশি সরবরাহের ঘাটতি, জনসংখ্যা বৃদ্ধিকেও কারণ বলে মনে করেন অনেকে।

    এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের ব্যবস্থা হিসেবে সর্বোচ্চ ৬৯ ভাগ মনে করে, ব্যবস্থাপনা বা সুশাসন ফিরিয়ে আনতে হবে। সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির বিস্তারের কথা বলেছে ৩৬ শতাংশ।

    করোনার সময় এবং পরে আর্থিক অনটনের সঙ্গে লড়াইয়ে মানুষ কী উপায় বেছে নিচ্ছে, তার চিত্রও উঠে আসে জরিপে। সেখানে গত বছরের আগস্টের সঙ্গে সাম্প্রতিক জরিপের তুলনা করা হয়। দেখা যায়, করোনার সময় যে আর্থিক ও অন্যান্য সুবিধা ছিল দুই সময়েই তা কমে গেছে। আগস্ট মাসে ৯১ ভাগ মানুষ নিজের আয়ের ওপরই নির্ভর করে চলত। এখন তা বেড়ে হয়েছে ৯৩ শতাংশ। আগে দোকানে বাকি রেখে বা ঋণ নেওয়ার সুযোগ থাকলেও এখন তা কমে যাচ্ছে।

    গত আগস্টে ১৭ শতাংশ মানুষ ঋণ নিয়ে চলতে পারত। এখন তা হয়েছে ৭ শতাংশ। পরিস্থিতি এখন এমন হয়ে গেছে যে মানুষ আর ঋণ নিতে চায় না। এর কারণ, তা পরিশোধ তারা করতে পারবে না। শহরের বস্তির ৩১ শতাংশের ঋণ দরকার হলেও তারা তা নিতে পারছে না। ৫১ শতাংশ বলেছে, তারা আর ঋণ চায় না।ইমরান মতিন বলেন, সন্তানের পড়াশোনার ব্যয় কমানো এবং ওষুধ না কেনার মতো উদ্যোগের বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব আছে।

    নিম্ন আয়ের মানুষ অবস্থা থেকে উত্তরণে ন্যায্যমূল্যে চাল, ১০ টাকার চাল এবং টিসিবির পণ্য কেনার দিকে ঝুঁকেছে। দেখা গেছে, গত বছরের আগস্টে দারিদ্র্যসীমার উপরে থাকা ১৮ শতাংশ মানুষ ন্যায্যমূল্যের চাল কিনত। এখন ২৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে এ সংখ্যা। এই গোষ্ঠীর মানুষের মধ্যে গ্রামে ১০ টাকার চাল কেনার মানুষের সংখ্যা আগস্টে ছিল ৪ শতাংশ। এটি গত মে মাসে এসে দাঁড়িয়েছে ১০ শতাংশে। আগস্টে ১৫ শতাংশ মানুষ টিসিবির পণ্য কিনত; কিন্তু মে মাসে এর হার দাঁড়িয়েছে ৩১। টিসিবির পণ্য কেনা ৬১ শতাংশ মানুষ চায় পণ্যের পরিমাণ বাড়ুক।

    করোনাকালের আগে যে পরিমাণ মানুষ কর্মহীন ছিল, এখন তা আরও বেড়ে গেছে বলে উঠে আসে এ জরিপে। দেখা গেছে, করোনার আগে শহরের ৬ শতাংশ মানুষ কর্মহীন ছিল, এখন তা ১০ শতাংশ। গ্রামে করোনার আগে কর্মহীন মানুষের সংখ্যা ছিল ৮ শতাংশ। এখন ৯ শতাংশ।

    করোনা সংক্রমণের পরপরই ২০২০ সালের জুন মাসে ২১ দশমিক ২৪ শতাংশ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয় বলে এই দুই প্রতিষ্ঠানের জরিপে বলা হয়েছিল। এ পরিমাণ গত বছরের মার্চ মাসে ১৪ দশমিক ৭৫ শতাংশে নেমে আসে। কিন্তু এখন এ হার ১৮ দশমিক ৫৪।

    এ প্রসঙ্গে হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, এখনো ৩ কোটি ৯ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়ে আছে। তাদের এ পরিস্থিতির উত্তরণ হয়নি।

    #

    অকা/প্র/দুপুর, ৭ জুন, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    নিত্য পণ্যমূল্যবৃদ্ধিতে দরিদ্র হয়েছে আরও ২১ লাখ মানুষ

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.