Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    পণ্য রফতানির নতুন সম্ভাবনা

    ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৫ ৫:১৪ পূর্বাহ্ণ1
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    কানাডা, মেক্সিকো ও চীনের পণ্যে ট্রাম্প প্রশাসন বাড়তি শুল্ক আরোপ করায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পণ্য রফতানির নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলবে। এ সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

    অবশ্য রফতানিমুখী শিল্পে উপযুক্ত নীতিসহায়তা না দেওয়া হলে রফতানি সম্ভাবনার পুরোটাই পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের দখলে চলে যেতে পারে। এর কারণ, ভারত সরকার ইতোমধ্যে রাজ্যভেদে বস্ত্র খাতে বড় অঙ্কের কর রেয়াত, নগদ সহায়তাসহ নীতিসহায়তার ঘোষণা দিয়ে রেখেছে। অর্থনীতিবিদ এবং এ খাতের কয়েকজন ব্যবসায়ী এমন মন্তব্য করেছেন।

    যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পৃথক ৩টি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে কানাডা ও মেক্সিকোর পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ এবং চীনের পণ্যে বর্তমান হারের অতিরিক্ত আরও ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন। এতদিন বাণিজ্যচুক্তির আওতায় কানাডা ও মেক্সিকো আমেরিকায় বিনা শুল্কে বা কম শুল্কে পণ্য রফতানি করতে পারত। এর আগে প্রথম মেয়াদেও ট্রাম্প চীনের পণ্যে বাড়তি শুল্ক আরোপ করে।

    বাংলাদেশ নিট পণ্য প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশ তৃতীয় অবস্থানে আছে। ট্রাম্প প্রশাসন কানাডা, মেক্সিকো ও চীনের পণ্যে শুল্ক বাড়ানোয় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন হয়েছে। এ সুযোগ নিতে এখনই সরকারকে সময়োপযোগী নীতি গ্রহণ করা উচিত। দেরি করলে বিনিয়োগ-ব্যবসা সবই পার্শ্ববর্তী দেশে চলে যাবে।

    কারণ, ভারত ইতোমধ্যে বস্ত্র খাতে মেগা পরিকল্পনা নিয়ে এ বাজার ধরতে মাঠে নেমেছে। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের রফতানি আরও বাড়াতে কূটনীতিকদের সোচ্চার হতে হবে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চাহিদা মেটাতে গার্মেন্টস মালিকরা যাতে উৎপাদন অব্যাহত রাখতে পারেন, সেজন্য নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি এবং এলসি খোলার প্রয়োজনীয় ডলারের সংস্থান করতে হবে।

    বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, আমেরিকা-চীন-কানাডা-মেক্সিকোর বাণিজ্যযুদ্ধে বাংলাদেশের লাভবান হওয়া এবং বিনিয়োগ আকর্ষণের খুব সম্ভাবনা ছিল। বিশেষত চীন জুতার কারখানাগুলো স্থানান্তরের উদ্যোগ ইতোমধ্যে গ্রহণ করেছে। এ কারখানাগুলোর একমাত্র গন্তব্য বাংলাদেশ হতে পারত।

    কিন্তু সরকার তো বাংলাদেশের কারখানাগুলোরই জোগান দিতে পারছে না। টাকার অবমূল্যায়নের কারণে রফতানিমুখী কারখানাগুলোর ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল দ্বিগুণ করা দরকার ছিল। কিন্তু সেটা আরও কমানো হয়েছে। এ কারণে নসিবে থাকার পরও বাংলাদেশের সুবর্ণ সুযোগ হারিয়ে যাচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায় নীতিসহায়তা দিতে সরকার একটি কমিটি করেছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, বস্ত্র খাত বাংলাদেশের প্রধানতম শিল্প খাত হলেও এ খাতের কাউকে সরকারি কমিটিতে রাখা হয়নি। তাহলে সরকার কীভাবে নীতিসহায়তা দেবে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের ৫ আগস্ট পতনের পর বস্ত্র খাত ঘিরেই সব চক্রান্ত হয়েছে। নাশকতাও করতে চেয়েছিল দুর্বৃত্তরা। এসব কারণে এ খাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    অন্যদিকে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আব্দুল্লাহ হিল রাকিব বলেন, বাণিজ্যযুদ্ধে বাংলাদেশের রফতানি বৃদ্ধির যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। তবে যতই সম্ভাবনা থাকুক না কেন, সেটা কাজে লাগানো যাবে না, কেননা নীতিনির্ধারকরা চান না সেই ব্যবসা বাংলাদেশে আসুক।

    এর যুক্তি হিসাবে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের পরামর্শে সরকার যেসব নীতি গ্রহণ করেছে, এর পুরোটাই ব্যবসা-বাণিজ্যকে সংকুচিত করবে। গ্যাসের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, অস্বাভাবিক হারে বাড়ানো হয়েছে শ্রমিকদের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট, বাড়ানো হয়েছে ব্যাংক ঋণের সুদহার, খেলাপি ঋণের সংজ্ঞায় পরিবর্তন আনা হয়েছে, ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সংকুচিত করা হয়েছে-এসব সিদ্ধান্তের কোনোটাই ব্যবসাবন্ধব নয়। এসব সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি। তাই বাণিজ্যযুদ্ধের সুফল বাংলাদেশ নিতে চায় কি না, সেটি আগে সরকারকে ঠিক করতে হবে। তারপর সে অনুযায়ী নীতি গ্রহণ করতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, বাণিজ্যযুদ্ধের আঁচ করতে পেরে গত বছরই ভারত টেক্সটাইল খাতে বিশাল অঙ্কের বিনিয়োগ প্যাকেজ ঘোষণা দিয়েছে। রাজ্যভেদে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা দিয়ে দিচ্ছে, জমি অধিগ্রহণে ব্যবসায়ীদের সহায়তা করছে। আর বাংলাদেশ করছে ঠিক এর উলটোটা।

    প্রসঙ্গত, গত সেপ্টেম্বরে ভারত তাদের বস্ত্রশিল্পের জন্য একটি রোডম্যাপ তৈরি করে। সেখানে ২০৩০ সালের মধ্যে বস্ত্র খাতে বিনিয়োগ ৩৫ হাজার কোটি ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা জানান দেশটির বস্ত্রমন্ত্রী গিরিরাজ সিং। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কার্যক্রমের আওতায় ভারত এ সময়ের মধ্যে বস্ত্রশিল্পে সাড়ে চার কোটি থেকে ছয় কোটি কর্মসংস্থান তৈরির পরিকল্পনা করেছে। পরিকল্পনার অংশ হিসাবে রাজ্যভেদে ভারত টেক্সটাইল শিল্প স্থাপনে প্রণোদনা দিচ্ছে।

    যেমন মহারাষ্ট্রে নতুন শিল্প স্থাপনে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ এবং শিল্প সম্প্রসারণে ১৫ শতাংশ মূলধন সহায়তা দেওয়া হয়। আর গুজরাটে ৩০ শতাংশ এবং অন্ধ্রপ্রদেশে গ্রিন কারখানা স্থাপনে ৫০ শতাংশ দেওয়া হয়। আবার গুজরাটে ১০ বছরের জন্য ব্যাংক ঋণের সুদ ৭ শতাংশ, অন্ধ্রপ্রদেশে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়া হয়। গুজরাটে টেক্সটাইল পার্কে বিনিয়োগ করলে ২৫ শতাংশ বিশেষ সহায়তা দেওয়া হয়। একইভাবে গুজরাটে বিদ্যুতে ইউনিটপ্রতি ২ রুপি, অন্ধ্রপ্রদেশে ১-২ রুপি এবং বিহারে ২ রুপি অনুদান হিসাবে দেওয়া হয়। জমি অধিগ্রহণে অন্ধ্রপ্রদেশে মোট প্রকল্পের ৫ শতাংশ বা জমির মূল্যের ৫০ শতাংশ, মহারাষ্ট্রে স্ট্যাম্প ডিউটি মওকুফ, তামিলনাড়ুতে জমির দামে ৫০ শতাংশ প্রণোদনা হিসাবে দেওয়া হয়।

    ভারতে কোনো টেক্সটাইল মিল ৫ কোটি ডলার রফতানি করলে শুধু সহায়তা (রোডট্যাপ, ডিউটি ড্র ব্যাক, ফ্রেইট গ্রান্ট) হিসাবে ৩২ লাখ ডলার সাবসিডি হিসাবে পায় এবং বিদ্যুতে প্রণোদনা পায় ৯০ লাখ রুপি।

    অন্যদিকে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি এক্সচেঞ্জের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মাশরুর রিয়াজ বলেন, ট্রাম্পের শুল্কযুদ্ধে বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। চীনের তৈরি পোশাকের ওপর শুল্ক বাড়ানোয় স্বল্পমেয়াদে বিদেশি ক্রেতারা এবং চীনের পোশাক উৎপাদকরাও বাংলাদেশের দিকে ঝুঁকতে পারেন। মধ্যমেয়াদে চীনের পোশাক উৎপাদকরা বাংলাদেশে কারখানা স্থাপন করতে পারেন। যেমনটি তারা করেছিল ২০২০ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়া ‘যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা চুক্তির ফলে। এ চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শূন্য শুল্ক সুবিধা ভোগ করতে চীনা উদ্যোক্তারা মেক্সিকোর টেক্সটাইল ও পোশাক খাতে বিশাল অঙ্কের বিনিয়োগ করেন।

    নতুন বিনিয়োগ পেতে বাংলাদেশকে সংস্কারের মাধ্যমে বিনিয়োগ পরিবেশ তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি তৈরি পোশাক ব্যতীত অন্য শিল্পের সক্ষমতা প্রমাণ দিতে হবে। অবশ্য বাণিজ্যযুদ্ধ দীর্ঘমেয়াদে চলতে থাকলে সেটি পুরো বিশ্বের জন্যই ক্ষতিকর হবে বলে মনে করেন এই অর্থনীতিবিদ।

    রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যমতে, একক দেশ হিসাবে বাংলাদেশ আমেরিকায় সবচেয়ে বেশি পণ্য রফতানি করে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আমেরিকায় বাংলাদেশ প্রায় ৭৬০ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি করেছে, যা বাংলাদেশের মোট রফতানি আয়ের ১৭ শতাংশের বেশি। আমেরিকায় বাংলাদেশ তৈরি পোশাক বেশি রফতানি করে থাকে।

    অন্যদিকে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব কমার্সের আওতাধীন অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলের (অটেক্সা) হালনাগাদ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে ৬৭৬ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রফতানি করে। এ সময় চীন যুক্তরাষ্ট্রে ১ হাজার ৫২২ কোটি ডলারের পোশাক রফতানি করে। ●
    অকা/প্র/ই/ সকাল, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.