Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    বুধবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ১০ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বিদেশি ঋণপ্রবাহে ভাটা

    ডিসেম্বর ২৮, ২০২২ ৪:২১ পূর্বাহ্ণ3
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গত ২০২১-২২ অর্থবছরে ১০ বিলিয়ন (১ হাজার কোটি) ডলারের বেশি বিদেশি ঋণ পেয়েছিল বাংলাদেশ, যা ছিল আগের বছরের চেয়ে ২৬ শতাংশ বেশি। আড়াই বছরের করোনা মহামারির পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় চাপে পড়া অর্থনীতিকে সামাল দিতে কম সুদের বিশাল অঙ্কের এই ঋণ বেশ অবদান রেখেছিল।

    কিন্তু সেই জোয়ার আর নেই। বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভের অন্যতম উৎস বিদেশি ঋণপ্রবাহে ভাটা পড়েছে। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) বিভিন্ন দাতা দেশ ও সংস্থার কাছ থেকে ২৪৬ কোটি ২৫ লাখ (২ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন) ডলারের ঋণ-সহায়তা পেয়েছে বাংলাদেশ। এই অঙ্ক গত ২০২১-২২ অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ২০ দশমিক ৩০ শতাংশ কম। গত বছরের এই পাঁচ মাসে ৩০৮ কোটি ৯৫ লাখ (৩ দশমিক শূন্য ৯ বিলিয়ন) ডলার এসেছিল।

    যুদ্ধের ধাক্কায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিও বেশ চাপে পড়েছে। অর্থনীতির প্রধান সূচকগুলোর পাশাপাশি রিজার্ভও কমছে; নেমে এসেছে ৩৪ বিলিয়ন ডলারে। এই চাপ সামাল দিতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এখন কম সুদের বিদেশি ঋণ-সহায়তা। কিন্তু তেমনটি না হয়ে উল্টো কমছে।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সম্প্রতি বিদেশি ঋণপ্রবাহের হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যায়, গত অর্থবছরের ধারাবাহিকতায় বিদেশি ঋণপ্রবাহের উল্লম্ফন নিয়ে শুরু হয়েছিল ২০২২-২৩ অর্থবছর। প্রথম মাস জুলাইয়ে প্রায় ৪৯ কোটি ডলারের বিদেশি ঋণ-সহায়তা এসেছিল, যা ছিল গত জুলাইয়ের চেয়ে ৪৮ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি। কিন্তু দ্বিতীয় মাস আগস্টে এসে হোঁচট খায়। ওই মাসে ৩৭ কোটি ৬৩ লাখ ডলারের ঋণ ছাড় করে দাতারা, যা ছিল আগের মাস জুলাইয়ের চেয়ে প্রায় ২৩ শতাংশ কম।

    পরের দুই মাস সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে অবশ্য কিছুটা বেড়েছে। সেপ্টেম্বরে আসে ৪৮ কোটি ৪৯ লাখ ডলার। আর সব শেষ অক্টোবরে এসেছে ৬২ কোটি ১৪ লাখ ডলার। সবশেষ নভেম্বর মাসে তা কমে ৪৯ কোটি ডলারে নেমেছে। সব মিলিয়ে পাঁচ মাসের (জুলাই-নভেম্বর) হিসাবে গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২০ দশমিক ৩০ শতাংশ বিদেশি ঋণ কম এসেছে দেশে।

    ‘এই মুহূর্তে কম সুদের বিদেশি ঋণ খুবই প্রয়োজন’ মন্তব্য করে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর অর্থনীতির বিশ্লেষক আতিউর রহমান বলেন, ‘আমাদের রিজার্ভ চাপের মধ্যে আছে। এই চাপ সামলাতে বিশ্বব্যাংক, এডিবি, জাইকাসহ বিভিন্ন দাতা সংস্থার ঋণ প্রয়োজন। এসব সংস্থার পাইপলাইনে যেসব ঋণ আছে, সেগুলো দ্রুত আনতে পদক্ষেপ নিতে হবে। সুখের খবর হচ্ছে, আইএমএফ ঋণ দিতে রাজি হয়েছে। বিশ্বব্যাংক, এডিবিসহ অন্যরাও আশ্বাস দিয়েছে। এসব ঋণ যত দ্রুত পাওয়া যাবে, ততই মঙ্গল। তাতে সরকার সহজেই সংকট মোকাবিলা করতে পারবে। আমার বিশ্বাস, ২০২৩ সাল থেকেই সরকার সাহস সঞ্চার করে ঘুরে দাঁড়াবে। অর্থনীতিও আগের অবস্থায় ফিরে আসবে।’

    অর্থনীতির আরেক গবেষক আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, ‘বৈশ্বিক কারণে পৃথিবীর অনেক দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিও বেশ চাপের মধ্যে পড়েছে। এ চাপ সামলাতে এই মুহূর্তে কম সুদের বেশি বেশি বিদেশি ঋণের খুব দরকার ছিল। কিন্তু উল্টো কমে যাচ্ছে। সরকারকে চাপমুক্ত হতে বেগ পেতে হচ্ছে। যুদ্ধের ধাক্কা সামাল দিতে বাংলাদেশের মতো অনেক দেশকে দাতাদের সহায়তা করতে হচ্ছে। সে কারণে এবার ঋণটা একটু কম আসছে। তবে ফেব্রুয়ারিতে যদি আমরা আইএমএফের ঋণের প্রথম কিস্তিটা পেয়ে যাই, তাহলে কিন্তু আমাদের সংকট অনেকটাই কেটে যাবে। রিজার্ভ কমার যে ধারা রয়েছে, সেটা আর থাকবে না।’

    এই অর্থবছরে বিদেশি ঋণ কমার কারণ ব্যাখ্যা করে দীর্ঘদিন আইএমএফের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করে আসা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান মনসুর বলেন, ‘দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলা মহামারি করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে গত অর্থবছরে বিশ্বব্যাংক, এডিবিসহ বিভিন্ন দাতা দেশ ও সংস্থার কাছ থেকে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি ঋণ-সহায়তা পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু এখন তো আর কোভিডের ঋণ পাওয়া যাচ্ছে না। অস্থির বিশ্ব পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশকে ঋণ নিতে হচ্ছে দাতা সংস্থাগুলোকে। সে কারণেই বিদেশি ঋণ কমছে। আমার মনে হচ্ছে, এবার গতবারের চেয়ে ঋণ বেশ খানিকটা কম আসবে।’

    ইআরডির তথ্যে দেখা যায়, জুলাই-নভেম্বর সময়ে দাতাদের কাছ থেকে যে ২৪৬ কোটি ২৫ লাখ ডলারের ঋণ-সহায়তা পাওয়া গেছে, তার মধ্যে প্রকল্প সাহায্য এসেছে ২৩৫ কোটি ৬৯ লাখ ডলার। আর অনুদান পাওয়া গেছে ১০ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে প্রকল্প সাহায্য পাওয়া গিয়েছিল ৩০১ কোটি ৩৩ লাখ ডলার। অনুদান এসেছিল ৭ কোটি ৬২ লাখ ডলার।
    তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২০-২১ অর্থবছরে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ৭৯৫ কোটি ৭৫ লাখ ৬০ হাজার (৭ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন) ডলার ঋণ-সহায়তা পেয়েছিল বাংলাদেশ। তার আগে ২০১৯-২০ অর্থবছরে এসেছিল ৭৩৮ কোটি (৭ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন) ডলার।

    বাংলাদেশে বিদেশি ঋণ বাড়তে থাকে ২০১৭-১৮ অর্থবছর থেকে। ওই বছরই এক লাফে অর্থ ছাড় ৩০০ কোটি থেকে ৬৩৭ কোটি ডলারে উন্নীত হয়। তারপর ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আসে ৬৫৪ কোটি ডলার।

    ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ে সবচেয়ে বেশি অর্থ ছাড় করেছে জাপান, ৭৪ কোটি ২৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার। এ হিসাবে দেখা যাচ্ছে, এই পাঁচ মাসে মোট বিদেশি ঋণের ৩০ দশমিক ১৬ শতাংশই দিয়েছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন সহযোগী জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)।

    চীনের কাছ থেকে পাওয়া গেছে ৪৬ কোটি ৮৭ লাখ ডলার। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) দিয়েছে ২৪ কোটি ৭ লাখ ডলার। বিশ্বব্যাংক ছাড় করেছে ৪২ কোটি ৫৪ লাখ ডলার। ভারত দিয়েছে ১৪ কোটি ৯১ লাখ ডলার। এ ছাড়া রাশিয়ার কাছ থেকে পাওয়া গেছে প্রায় ২০ কোটি ডলার। এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (এআইআইবি) দিয়েছে ১ কোটি ৫৪ লাখ ১০ হাজার ডলার।

    ইআরডির তথ্য বলছে, জুলাই-নভেম্বর সময়ে দাতাদের ঋণ-সহায়তার প্রতিশ্রুতি তলানিতে নেমে এসেছে। ২০২১-২২ অর্থবছরের এই পাঁচ মাসে ৩৯৩ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ঋণ-সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল দাতারা। এই বছরের জুলাই-নভেম্বরে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে মাত্র ৪৬ কোটি ১৩ লাখ ১০ হাজার ডলারের। এ হিসাবে দেখা যাচ্ছে, গত অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে এই বছরের একই সময়ের চেয়ে সাড়ে ৮ গুণের বেশি প্রতিশ্রুতি পাওয়া গিয়েছিল।

    জুলাই-নভেম্বর সময়ে আগে নেয়া ঋণের আসল ও সুদ বাবদ ৮৮ কোটি ৪ লাখ ৬০ হাজার ডলার পরিশোধ করেছে সরকার। গত বছরের একই সময়ে সুদ-আসল বাবদ ৮৬ কোটি ৮২ লাখ ৫০ হাজার ডলার শোধ করা হয়েছিল। এ হিসাবে এই পাঁচ মাসে গত বছরের একই সময়ের চেয়ে সুদ-আসল পরিশোধ বাবদ ১ দশমিক ৪০ শতাংশ বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে সরকারকে। #

    অকা/প্র/দুপুর, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    বিদেশি ঋণপ্রবাহে ভাটা

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.