Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    বুধবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ১০ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের ধাক্কা লেগেছে বৈদেশিক অর্থায়নে

    এপ্রিল ৬, ২০২৩ ৪:২৯ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের ধাক্কা লেগেছে বৈদেশিক অর্থায়নে। এ জন্য আগামী অর্থবছরে (২০২৩-২৪) বৈদেশিক সহায়তার অংশ খুব বেশি বাড়ছে না। ওই অর্থবছরে খরচ করা হবে ৯৪ হাজার কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে যা ছিল ৯৩ হাজার কোটি টাকা। এ হিসাবে তুলনামূলক বাড়ছে মাত্র এক হাজার কোটি টাকা।

    কিন্তু অন্য বছরগুলোতে বৃদ্ধির এই হার ছিল অনেক বেশি। টানা চারদিনের বৈঠক শেষে লক্ষ্যমাত্রা চূড়ান্ত করেছে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) তৈরির জন্য মঙ্গলবার এ হিসাব পাঠানো হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পরিকল্পনা সচিব সত্যজিৎ কর্মকার বলেন, বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে আগামী অর্থবছর প্রকল্পভিত্তিক বরাদ্দে কড়াকড়ি করা হয়েছে। অর্থাৎ যেসব প্রকল্প প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ও অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ হবে সেগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে যেসব প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে সরাসরি অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে না সেগুলোতে বৈদেশিক সহায়তা ও সরকারি তহবিলের অর্থ বরাদ্দে প্রাধান্য পাবে না। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সংকটকালীন সময় আমরা বলছি না। তবে এখনও পৃথিবীর অনেক দেশের তুলনায় আমরা ভালো আছি।

    পরিকল্পনা কমিশনের দায়িত্বশীল একাধিক কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ইআরডি থেকে পাঠানো বৈদেশিক সহায়তার তথ্য হাতে পেয়েছেন তারা। এখন সেটি নিয়ে এডিপি তৈরির জন্য পরবর্তী কার্যক্রম চালাচ্ছেন।

    বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) সূত্র জানায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের এডিপিতে বৈদেশিক সহায়তার অংশ ছিল ৬০ হাজার কোটি টাকা। এর পরের বছর অর্থাৎ ২০১৯-২০ অর্থবছরে সেটি বেড়ে দাঁড়ায় ৭১ হাজার ৮০০ কোটিতে। এক্ষেত্রে বেড়েছিল ১১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। তবে ২০২০-২১ অর্থবছরে করোনা মহামারির চূড়ান্ত পর্যায় থাকা সত্ত্বেও বৈদেশিক অংশ ধরা হয়েছিল ৭০ হাজার ৫০২ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে আগের অর্থবছরের তুলনায় কম ধরা হয় মাত্র ৭০২ কোটি টাকা। কিন্তু অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ঘুরে দাঁড়াতে থাকায় ২০২১-২২ অর্থবছরের এডিপিতে বৈদেশিক সহায়তা ধরা হয় ৮৮ হাজার ২৪ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে বেশি ধরা হয়েছিল ১৭ হাজার ৫২২ কোটি টাকা। সেখান থেকে পরবর্তীতে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে চলতি অর্থবছর ধরা হয় ৯২ হাজার ৩০ কোটি টাকা। পরবর্তীতে এই ব্যয় আবারও বাড়িয়ে ধরা হয়েছিল ৯৩ হাজার কোটি টাকা। তবে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত এডিপির সঙ্গে তুলনা করলে আগামী অর্থবছর বাড়ছে সাড়ে ১৯ হাজার কোটি টাকা।

    ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইএনএম) নির্বাহী পরিচালক ড. মোস্তফা কে. মুজেরী বলেন, সংশোধিত এডিপির তুলনায় আগামী অর্থবছরে যে আকার ধরা হয়েছে সেটিও অনেক বেশি। যদিও মূল এডিপির তুলনায় কম বাড়ানো হয়েছে। চলতি অর্থবছর বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, যা আছে আগামীতে ভালো না হয়ে আরও খারাপও হতে পারে। সেক্ষেত্রে ব্যবহার না হলে পাইপলাইনে পড়ে থাকবে ঋণের অর্থ। তবে লক্ষ্য যাই ধরা হোক বড় প্রশ্ন হলো এই অর্থের কার্যকর ব্যবহার। সঠিক সময়, সঠিকভাবে ঋণের টাকা খরচ করা না গেলে সেটি বোঝা হয়ে দাঁড়াতে পারে। প্রকল্প বাস্তবায়নের সক্ষমতা ও দক্ষতা বাড়াতে হবে। তাহলেই বৈদেশিক ঋণের অর্থছাড় বেশি হবে। সেদিকে নজর না দিলে লক্ষ্যমাত্রা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থাকবে।

    ইআরডির একাধিক কর্মকর্তা জানান, আগামী অর্থবছর বৈদেশিক সহায়তা নির্ধারণের ক্ষেত্রে গত ১৯-২৩ মার্চ পর্যন্ত মাঝে একটি দিন বাদ দিয়ে চার দিনের টানা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তাদের চাহিদা ও গুরুত্ব বিবেচনায় বৈদেশিক সহায়তার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে আগামী অর্থবছরের বরাদ্দ নির্ধারণে সতর্কতা অবলম্বন করা হয়। কেননা চলতি অর্থবছর সংশোধিত এডিপিতে মূল এডিপি থেকে ১৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা কাটছাঁট করতে হয়েছে। সেজন্য প্রকল্পগুলোর বর্তমান অবস্থা এবং বাস্তবায়নের গতি প্রকৃতি বিবেচনায় নতুন এডিপির জন্য খুব বেশি বরাদ্দ ধরা হয়নি। ইআরডির টানা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছিলেন সংস্থাটির সচিব শরিফা খান। এসব বৈঠকের মধ্যে ১৯ মার্চ অংশ নেন ১০টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তারা। এগুলো হলো-বিদ্যুৎ বিভাগ, কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, পরিবেশ-বন ও জলবায়ূ পরিবর্তন, খাদ্য, পানি সম্পদ ও ভূমি মন্ত্রণালয়। এছাড়া সংসদ সচিবালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ২০ মার্চ অনুষ্ঠিত বৈঠকে অংশ নেন নয়টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তারা।

    এগুলো হলো-স্থানীয় সরকার বিভাগ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। আরও আছে আইন ও বিচার বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ। ২২ মার্চ অংশ নেন ১৩টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার কর্মকর্তারা। ২৩ মার্চ অংশ নেন ১৫টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার কর্মকর্তারা।

    ড. মোস্তফা কে. মুজেরী বলেন, সংশোধিত এডিপির তুলনায় আগামী অর্থবছরে যে আকার ধরা হয়েছে সেটিও অনেক বেশি। যদিও মূল এডিপির তুলনায় কম বাড়ানো হয়েছে। চলতি অর্থবছর বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, যা আছে আগামীতে ভালো না হয়ে আরও খারাপও হতে পারে। সেক্ষেত্রে ব্যবহার না হলে পাইপলাইনে পড়ে থাকবে ঋণের অর্থ। তবে লক্ষ্য যাই ধরা হোক বড় প্রশ্ন হলো এই অর্থের কার্যকর ব্যবহার। সঠিক সময়, সঠিকভাবে ঋণের টাকা খরচ করা না গেলে সেটি বোঝা হয়ে দাঁড়াতে পারে। প্রকল্প বাস্তবায়নের সক্ষমতা ও দক্ষতা বাড়াতে হবে। তাহলেই বৈদেশিক ঋণের অর্থছাড় বেশি হবে। সেদিকে নজর না দিলে লক্ষ্যমাত্রা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থাকবে।

    ইআরডির একাধিক কর্মকর্তা জানান, আগামী অর্থবছর বৈদেশিক সহায়তা নির্ধারণের ক্ষেত্রে গত ১৯-২৩ মার্চ পর্যন্ত মাঝে একটি দিন বাদ দিয়ে চার দিনের টানা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তাদের চাহিদা ও গুরুত্ব বিবেচনায় বৈদেশিক সহায়তার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে আগামী অর্থবছরের বরাদ্দ নির্ধারণে সতর্কতা অবলম্বন করা হয়। কেননা চলতি অর্থবছর সংশোধিত এডিপিতে মূল এডিপি থেকে ১৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা কাটছাঁট করতে হয়েছে। সেজন্য প্রকল্পগুলোর বর্তমান অবস্থা এবং বাস্তবায়নের গতি প্রকৃতি বিবেচনায় নতুন এডিপির জন্য খুব বেশি বরাদ্দ ধরা হয়নি। ইআরডির টানা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছিলেন সংস্থাটির সচিব শরিফা খান। এসব বৈঠকের মধ্যে ১৯ মার্চ অংশ নেন ১০টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তারা। এগুলো হলো-বিদ্যুৎ বিভাগ, কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, পরিবেশ-বন ও জলবায়ূ পরিবর্তন, খাদ্য, পানি সম্পদ ও ভূমি মন্ত্রণালয়। এছাড়া সংসদ সচিবালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ২০ মার্চ অনুষ্ঠিত বৈঠকে অংশ নেন নয়টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তারা। এগুলো হলো-স্থানীয় সরকার বিভাগ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। আরও আছে আইন ও বিচার বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ। ২২ মার্চ অংশ নেন ১৩টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার কর্মকর্তারা। ২৩ মার্চ অংশ নেন ১৫টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার কর্মকর্তারা।

    অকা/প্র/ সকাল, ০৬ এপ্রিল, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের ধাক্কা লেগেছে বৈদেশিক অর্থায়নে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.