Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    বুধবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ১০ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    সরকারের ঋণ সাড়ে ১৩ লাখ কোটি টাকা

    ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৩ ৪:৪৩ পূর্বাহ্ণUpdated:ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৩ ৪:৪৩ পূর্বাহ্ণ7
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে ঝুঁকিমুক্ত থাকলেও সর্বশেষ হিসাবে দেশে মোট ঋণের পরিমাণ প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ কোটি টাকা। এটি জাতীয় বাজেটের প্রায় দ্বিগুণ। এই ঋণের বিপরীতে গেল অর্থবছরে ৭৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে সুদ পরিশোধে।

    চলতি অর্থবছরেও সুদ খাতে গুনতে হবে ৭৩ হাজার কোটি টাকার বেশি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব ও ডলারের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি। ফলে বৈদেশিক ঋণের কিস্তি ও সুদ ব্যয় আরও উসকে দিয়েছে। যা এক ধরনের চাপের মুখে ফেলছে অর্থনীতিকে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঋণসংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ঋণ ও সুদ ব্যয়ের তথ্য।

    সূত্রমতে, মোট ঋণের মধ্যে বৈদেশিক ঋণ ৪ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ ঋণ ৮ লাখ ৪৭ হাজার ৯৩০ কোটি টাকা।

    এদিকে প্রতিবছরই ঋণের আকার বাড়ছে। অর্থাৎ ২০২০-২১ অর্থবছরে মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ১১ লাখ ৪২ হাজার ৯৪৮ কোটি টাকা। এক বছরের ব্যবধানে ২ লাখ ৭৭৬ কোটি টাকা বেড়েছে ঋণ। এর আগে ২০১৯-২০ অর্থবছরে ঋণের অঙ্ক ছিল ১০ লাখ ৬ হাজার ২০২ কোটি টাকা। এখানেও এক বছরের ব্যবধানে ঋণ বেড়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৭৪৬ কোটি টাকা।

    কোভিড-১৯ আঘাত হানার পর ঋণের বহর বেড়েছে বেশি। কোভিডের ফলে রাজস্ব আদায় কমে যাওয়া, অতিরিক্ত খরচ, আর্থিক বৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়াও এর অন্যতম একটি কারণ।

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) মানদণ্ডে একটি দেশ তার মোট জিডিপির ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবে। সেটি ঝুঁকি মুক্ত হিসাবে গণ্য হবে। সে হিসাবে বাংলাদেশের ঋণের পরিমাণ মোট জিডিপির ৩৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ।

    একইভাবে বৈদেশিক ঋণের ক্ষেত্রে জিডিপির ৫৫ শতাংশ ঋণ নেওয়া নিরাপদ। সেখানে বৈদেশিক ঋণের অনুপাত জিডিপির ১২ দশমিক ৪৭ শতাংশ। ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে এখনও ঝুঁকিমুক্ত বাংলাদেশ এমনটি বলা হয় সেখানে।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাবেক সিনিয়র অর্থ সচিব মাহবুব আহমেদ বলেন, ঋণের মোট অঙ্কের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে মোট জিডিপির বিপরীতে ঋণের অনুপাত কত। তাহলে প্রকৃত চিত্র পাওয়া যাবে। তবে সমপর্যায়ের দেশগুলোর তুলনায় এখনো ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে দেশের অবস্থান ভালো।

    এই মুহূর্তে ভারত সরকারের ঋণের পরিমাণ জিডিপির ৫৪ দশমিক ৩ শতাংশ, পাকিস্তানের ৭৪ দশমিক ৯ শতাংশ। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের ঋণের পরিমাণ জিডিপির ৩৫ দশমিক ৫ শতাংশ। এরপরও কিছু বিষয় আছে তা হচ্ছে ঋণ ও সুদসহ পরিশোধের অঙ্ক। কারণ ইতোমধ্যে ঋণের বড় কিস্তিগুলো পরিশোধ শুরু হয়েছে। আগামীতে আরও বাড়বে। ফলে এখন হুট করে যে কোনো ক্ষেত্রে ঋণ নেওয়া যাবে না। এক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। যেসব প্রকল্পে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হবে সেখানেই ঋণ নেওয়া যুক্তিযুক্ত হবে।

    সারা বছরের আয় ও ব্যয় করতে বাজেট প্রণয়ন করে সরকার। এই বাজেটের একটি অংশ ঘাটতি থাকে। এই ঘাটতি পূরণে দেশের ভেতর ব্যাংকিং খাতসহ অন্যান্য উৎস ও বিদেশ থেকে ঋণ গ্রহণ করা হয়। ঋণ গ্রহণ ও পরিশোধের পর যে পরিমাণ অর্থ সরকারের কাছে পাওনা আছে সেটি নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে অর্থ বিভাগ।

    মূলত ২০২১-২২ অর্থবছরের হিসাব ধরে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়। চলতি অর্থবছরের গত ৭ মাসে আরও ঋণ গ্রহণ ও পরিশোধ করা হয়েছে। তবে প্রকৃত ঋণের হিসাবটি করা হয় অর্থবছরের শেষে। যে কারণে চলতি অর্থবছরের প্রকৃত হিসাব পেতে জুন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ফলে আগস্ট থেকে দেশের অভ্যন্তরীণ ও আইএমএফসহ বৈদেশিক ঋণ এখানে যুক্ত হয়নি।

    ঋণ হিসাবে দেখা গেছে, ব্যাংকিং খাত থেকে এ পর্যন্ত যে পরিমাণ ঋণ গ্রহণ এবং বিপরীতে পরিশোধ করা হয়েছে এরপরও ঋণ আছে ৪ লাখ ১৯ হাজার ৬২৭ কোটি টাকা। এটি দেশের মোট ঋণের ৩১ শতাংশ। দ্বিতীয় ঋণের খাত হচ্ছে সঞ্চয়পত্র। এ খাত থেকে ৩ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ নেওয়া আছে। এটি মোট ঋণের ২৭ দশমিক ২০ শতাংশ।

    ঋণের তৃতীয় খাত হচ্ছে ট্রেজারি বন্ড। এখান থেকে নেওয়া হয় ৩ লাখ ২৪ হাজার ৬০৩ কোটি টাকা। এভাবে পর্যায়ক্রমে ট্রেজারি বিল থেকে ৭৭ হাজার কোটি টাকা, সুকুক বন্ডের ঋণের পরিমাণ ১৮ হাজার কোটি টাকা এবং সরকারি চাকরিজীবীদের সাধারণ ভবিষ্যৎ তহবিল (জিপিএফ) থেকে নেওয়া হয়েছে ৬২ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা। এসব ঋণ আগামীতে সরকারকে পরিশোধ করতে হবে।

    সূত্র জানায়, কোভিড-১৯ মোকাবিলায় জরুরিভাবে স্বাস্থ্য খাতের ব্যবস্থাপনা, টিকা দেওয়া কার্যক্রমসহ অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে একদিকে প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। অপরদিকে বৈদেশিক সহায়তা পাওয়ার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করে সরকার। ফলে ২০১৯-২০ অর্থবছরে বিদেশ থেকে ২৪০ কোটি মার্কিন ডলার, ২০২০-২১ অর্থবছরে ৬৫৫ কোটি ডলার এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে ঋণ পাওয়া গেছে ৪৫৯ কোটি ডলার।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারের ঋণের বিপরীতে প্রতিবছরই বড় অঙ্কের সুদ পরিশোধ করা হচ্ছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে ব্যাংক ঋণের বিপরীতে সুদ পরিশোধে গেছে ২৪ হাজার ৩৮৮ টাকা, সঞ্চয়পত্রের বিপরীতে সুদ পরিশোধ ব্যয় হয় ৪০ হাজার ৮ কোটি টাকা এবং বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশোধে ব্যয় হয় ৪২৩৫ টাকা। সাধারণ ভবিষৎ তহবিলের ঋণের বিপরীতে ৭ হাজার ১২৮ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।

    অকা/প্র/সকাল, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    সরকারের ঋণ সাড়ে ১৩ লাখ কোটি টাকা

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.