Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    আন্তর্জাতিক লেনদেনে ডলারের বিকল্প মুদ্রা কতটা সম্ভব

    সেপ্টেম্বর ২১, ২০২২ ৫:৩১ পূর্বাহ্ণUpdated:সেপ্টেম্বর ২১, ২০২২ ৫:৩১ পূর্বাহ্ণ1
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    আন্তর্জাতিক লেনদেনে ডলারের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে বিকল্প মুদ্রা নিয়ে ভাবছে বাংলাদেশ। ইউরো বিকল্প হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। এখন চীনা মুদ্রা ইউয়ান, রাশিয়ান রুবল এবং ভারতীয় রুপি নিয়ে চিন্তা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এরইমধ্যে চীনা মুদ্রায় এলসি খোলার অনুমতি দিয়েছে।  বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকে চীনা মুদ্রার ক্লিয়ারিং অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে। তারা বিদেশে প্রতিনিধিত্বকারী শাখায়ও একাউন্ট খুলতে পারবে।

    কিন্তু প্রশ্ন হলো এটা কতটা সম্ভব হবে এবং কতটা কাজে আসবে? বিশ্লেষকেরা বলছেন, বিকল্প মুদ্রা ব্যবহারে  তেমন  বাধা নেই। তবে এটা কতটা কাজে আসবে সেটা নিয়ে সন্দেহ আছে। যমুনা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নুরুল আমিন মনে করেন, আমরা যেহেতু রফতানির চেয়ে আমদানি বেশি করি তাই চীনা বা ভারতীয় মুদ্রা আমাদের কাছে তো তেমন থাকবে না। 

    ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং সেন্টার ফর পলিসি রিচার্স ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, বিকল্প মুদ্রা থেকে আমাদের তো আবার ডলারেই কনভার্ট করতে হবে। তাতে তো তেমন লাভ হবে না।

    বাংলাদেশের মোট আমদানির ৪০ শতাংশই হয় চীন এবং ভারত থেকে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, মোট রফতানির ২৬ শতাংশ এবং আমদানির সাড়ে ৩ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে। মোট রফতানির ৫৬ শতাংশ এবং আমদানির ৮ শতাংশ হয় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে। কোন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের আমদানি ও রফতানি বাণিজ্যের অবস্থা কী সেটা বিবেচনায় রেখে কাজ করছে সরকার।

    যমুনা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নুরুল আমিন বলেন ইউএস ডলারের মধ্যস্থতা থেকে বের হওয়ার জন্য বিকল্প মুদ্রা ব্যবহারে উদ্যোগ ভালো। এতে ডলার নির্ভরতা কিছুটা হলেও কমবে। কিন্তু এটা কতটা সফল হবে তা অনেকটাই নির্ভর করছে দেশের সক্ষমতার ওপর । তিনি বলেন, আমরা একটি আমদানি নির্ভর দেশ। ভারত থেকে আমরা আমদানি করি সাত-আট বিলিয়ন ডলারের পণ্য। কিন্তু রফতানি করি এক বিলিয়ন ডলারের পণ্য। চীনে রফতানি করি এক বিলিয়নের নিচে। কিন্তু আমদানি করি এর চেয়ে অনেক বেশি। ফলে আমাদের কাছে চীনা মুদ্রা ইউয়ান পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকবেনা। প্রচুর ভারতীয় রুপি থাকবেনা।  আর গোল্ড কেন মানুষ রাখে, কারণ এটার দাম তেমন কমবে না বলে মানুষের আস্থা আছে। ডলারের ওপরও তেমনি মানুষের আস্থা আছে। এখন দুই দেশের মুদ্রার ওপরে পরস্পরের আস্থা কতটুকু তাই আসল কথা।

    ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, আমি যদি চীনে রফতানি করে ডলার পাই। সেই ডলার দিয়ে তুলা আমদানির বিল মিটাতে পারি।  তুলা আনতে হবে অ্যামেরিকা থেকে।তাহলে আমার জন্য ডলারটা লাভজনক। এখন ইউয়ান যদি ডলারে কনভার্ট করি তাহলে তো এখানে কিছুটা লোকসান হবে। আবার একই ব্যক্তি কিন্তু আমদানি ও রফতানি করছেন না।

    বিশ্লেষকেরা জানান, বিশ্বের পাঁচটি দেশের মুদ্রা নিয়ে এখন ইন্টারন্যাশনাল কারেন্সি বাস্কেট করা হয়েছে। ইউএস ডলার, ব্রিটিশ পাউন্ড, ইউরো, জাপানি ইয়েন এবং চীনা ইউয়ান। এশিয়ান ক্লিয়ারিং সিষ্টেমের (আকু) মাধ্যমে এশিয়ার দেশগুলো তাদের আমদানি রফতানি দায় পরিশোধ করে। সেখানে ডলার মধ্যস্থতাকারী মুদ্রা। কিন্তু সেটা থাকলেও এর অধীনেই দুই দেশ তাদের নিজস্ব মুদ্রা ব্যবহার করতে পারে। আবার চীন ক্রসবর্ডার ইন্টারব্যাংক পেমেন্ট সিস্টেম গড়ে তুলেছে। এশিয়া আফ্র্রিকার ৩০-৩৫টি দেশ এই সিস্টেমের মধ্য দিয়ে লেনদেন করে । এটার কারেন্সি হচ্ছে চীনা ইউয়ান। কিন্তু বিশ্ব অর্থনীতি ডলারের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে চাইলেও তা খুব ধীর গতিতে হচ্ছে বলে মনে করেন ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেন, এখনো ৫৯ শতাংশ রিজার্ভ হলো ইউএস ডলারে। ইউরো প্রায় ২০ ভাগ। আর সব মুদ্রা মিলিয়ে বাকি ২০ শতাংশ। ইউয়ান ২.২৫ শতাংশ। বিকল্প মুদ্রার ক্ষেত্রে ইউয়ান কিছুটা ভূমিকা রাখতে পারে। ভারতীয় রুপিও হয়তো হবে। কিন্তু রুবল সম্ভব নয়।

    যেসব দেশ তাদের দুই দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে একাউন্ট খুলবে তারা ডলার এড়িয়ে নিজস্ব মুদ্রায় লেনদেন করতে পারে। এটা ইউয়ান, ভারতীয় রুপি, রাশিয়ান রুবল সব ক্ষেত্রেই হতে পারে। তবে যাদের রফতানি বেশি তাদের সুবিধা। কারণ তাদের কাছে মুদ্রা জমা থাকবে। নুরুল আমিন বলেন, তবে বিষয়টি নির্ভর করে ওই মুদ্রার ওপর কতটা আস্থা আছে তার ওপর। কারেন্সি পাওয়া কোনো সমস্যা হয়না যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ওই কারেন্সির অ্যাকাউন্ট থাকে। কারেন্সি পাওয়ার আরো একটি পথ আছে। সেটা হলো ইন্টারন্যাশনাল কনভার্সন। পাউন্ড কে ডলারের কনভার্ট করা যায়। তবে মুদ্রার মান কত হবে সেটা যে কোনো মুদ্রার ক্যাপাসিটির ওপর নির্ভর করে। ক্রস কারেন্সি মান প্রতিদিন নির্ধারণ হয় বাজারের ওপর। এটা সাধারণ মানুষের কাজ নয়।

    আহসান এইচ মনসুর বলেন, আমাদের এইটুকু লাভ হতে পারে যে আমরা চীন ও ভারতে রপ্তানি করে তাদের যে মুদ্রা পাব তা ব্যবহার করতে পারব। তবে সেটা যদি কেউ বিক্রি করতে চান অন্যরা নাও কিনতে চাইতে পারে। এটা ব্যক্তির লাভের উপর নির্ভর করে। এখানে আমদানির ক্ষেত্রে ডলার বাঁচবে। কিন্তু রপ্তানির ক্ষেত্রে তো আর সেটা হবেনা। আসলে অর্থনৈতিক সক্ষমতা অর্জনই আসল কথা।

    বাংলাদেশের মোট আমদানির ২৬ শতাংশ চীন এবং ১৪ শতাংশ ভারত থেকে আসে। ওই দুই দেশে মোট রপ্তানির তিন শতাংশ করে হয়। বাংলাদেশে এখন রিজার্ভের পরিমাণ ৩৭.১৩ বিলিয়ন ডলার। আর ব্যাংকে এক ডলারের বিনিময় হার ৯৬ টাকা, খোলা বাজারে ১০৬ টাকা। গত এক বছরে ডলারের দাম বেড়েছে ১২ শতাংশ।

    #

    অকা/প্র/ দুপুর, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    আন্তর্জাতিক লেনদেনে ডলারের বিকল্প মুদ্রা কতটা সম্ভব

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.