Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    বুধবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ১০ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি ১২ দশমিক ৫৪ শতাংশ

    সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৩ ৪:০২ পূর্বাহ্ণ1
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে দেশের খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি। আগস্টে এ হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৫৪ শতাংশে, যা মে মাসে ছিল ৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এক মাসের ব্যবধানে বেড়েছে ২ দশমিক ৭৪ শতাংশীয় পয়েন্ট। এটি এযাবৎকালের সর্বোচ্চ বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। আলু, চাল, পেঁয়াজ, মরিচ, ডিমসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়া এবং প্রাকৃতিকগত কারণে এমনটি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই মাসে (গত আগস্ট) সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৯ দশমিক ৯২ শতাংশ, যা এর আগের মাসে ছিল ৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ। তবে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৯৫ শতাংশে, যা এর আগের মাসে ছিল ৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ। রোববার ‘কনজুমার প্রাইস ইনডেক্স (সিপিআই)’ শীর্ষক এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। এদিকে মূল্যস্ফীতির এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে দিয়েছে। সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষ দুর্বিষহ দিন কাটাচ্ছেন।

    জানতে চাইলে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, আলু, ডিমসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় এর প্রভাব পড়েছে খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে। সেই সঙ্গে বন্যা এবং অতিবৃষ্টির কারণে আগস্টে পণ্যের সরবরাহ চেইন ব্যাহত হয়েছে। এ কারণে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। তিনি আরও বলেন, দেশে যেসব পণ্য আমদানি করা হয়, সেগুলোর একটা শক্তিশালী সিন্ডিকেট আছে। অল্প কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠান এই বাজার নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে তাদের হাতে বন্দি থাকে পণ্যের দাম। এই সিন্ডিকেট ভাঙার চেষ্টা অব্যাহত আছে।

    বিবিএস-এর গত কয়েক বছরের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০২২ সালের আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এছাড়া ২০২১ সালের একই মাসে ছিল ৫ দশমিক ১৬ শতাংশ, ২০২০ সালের আগস্টে ছিল ৬ দশমিক ০৮ শতাংশ এবং ২০১৯ সালের আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫ দশমিক ২৭ শতাংশ। এছাড়া চলতি বছরের গত ছয় মাসে দেশের খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় ছিল। গত জুনে এ হার ছিল ৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ, মে মাসে ৯ দশমিক ২৪, এপ্রিলে ৮ দশমিক ৮৪ এবং মার্চে ৯ দশমিক ০৯ শতাংশ।

    বিবিএস-এর মহাপরিচালক মো. মতিয়ার রহমান বলেন, মূল্যস্ফীতি হিসাব করতে দেশের ১৫৪টি বাজার থেকে ৭২২টি পণ্যের (আইটেমের) তথ্য সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। এই বাজার নির্দিষ্ট করা হয় যেখানে মানুষের সংখ্যা বেশি, সেখানে বাজারও নেওয়া হয়েছে বেশি। সেজন্য ঢাকা ও চট্টগ্রামে বাজারের সংখ্যা বেশি। তবে বাজার ও পণ্য কোনোটিই বিবিএস এককভাবে নির্ধারণ করেনি। আইএমএফ, আইএলও-সহ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে তাদের সঙ্গে নিয়ে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এসব নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিশ্বের কোথাও ফুড ও ননফুড আলাদা করে মূল্যস্ফীতি হিসাব করে না। আমরা ঐতিহ্যগতভাবে এটা করে আসছি। খাদ্য আলাদা হিসাব করার কারণে প্রধান কয়েকটি পণ্যের দাম বেড়ে গেলেই মূল্যস্ফীতিতে ব্যাপক প্রভাব পড়ে। তবে সব মিলিয়ে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের ঘর পেরিয়ে যায়নি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গত বছরও আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়েছিল। এ সময়টায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ থাকে। সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংকট এখনো কাটেনি। তবে অনেকে বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমেছে। কিন্তু এই কমার প্রভাব দেশের বাজারে পড়তে কিছুটা সময় নেয়। ফলে আগস্টে খাদ্যসহ সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়েছে।

    বিবিএস জানায়, গত আগস্টে গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশে, যা এর আগের মাসে ছিল ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ১২ দশমিক ৭১ শতাংশ, যা এর আগের মাসে ছিল ৯ দশমিক ৮২ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৩৮ শতাংশে, যা এর আগের মাসে ছিল ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ। এছাড়া শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ, যা মে মাসে ছিল ৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ১১ শতাংশে, যা এর আগের মাসে ছিল ৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ। তবে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশে, যা এর আগের মাসে ছিল ৯ দশমিক ২০ শতাংশ।

    রাজধানীর শেওড়াপাড়ার বাসিন্দা ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, বাজারে গেলে মাথা গরম হয়ে যায়। যেভাবে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে, সেভাবে আমাদের বেতন তো বাড়ছে না। তাহলে আমরা কী করব। মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা জুনা মিয়া বলেন, আমি একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কাজ করি। বেতন যা পাই, তা দিয়ে সন্তানদের পড়ালেখা ও সংসার চালানো কঠিন হয়ে গেছে। নিজের বাসায় থাকি বলে ভাড়া দিতে না হলেও খাদ্য ও নিত্যপণ্যের দামের কাছে অসহায় হয়ে পড়েছি। মিরপুর ১৩ নম্বর সেকশনের বাসিন্দা মো. রাসেল বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ৫ জনের সংসার চালানো দায় হয়ে পড়েছে। বাধ্য হয়ে সঞ্চয় যা ছিল, তা ভেঙে সংসারে জোগান দিয়ে যাচ্ছি। জানি না, আগামী দিনে কী হবে। কুড়িগ্রামের বেসরকারি একটি স্কুলের শিক্ষক মির্জা মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, সরকার প্রণোদনা হিসাবে বেতনের সঙ্গে যা দিয়েছে, এতে মাত্র এক হাজার টাকা বেড়েছে মাসিক আয়। কিন্তু অন্যসব পণ্যের দামই বেড়েছে কয়েক গুণ। এ টাকায় দুর্বিষহ দিনযাপন করছি। এদিকে জমিতে চাষাবাদ করতেও সার, তেল, সেচ, দিনমজুরসহ সবদিকেই খরচ বেড়েছে। ফলে জমিতে ফসল চাষ করেও লাভ পাওয়া যাচ্ছে না। সবদিক থেকেই আমাদের মতো নির্দিষ্ট আয়ের মানুষের অবস্থা খুব খারাপ।

    সূত্র জানায়, আগস্টে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে হয়েছে ৯ দশমিক ৯২ শতাংশ, যা গত বছরের আগস্টে ছিল ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ। ২০২১ সালের আগস্টে ছিল ৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এদিকে কয়েক মাস ধরেই দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি ওঠানামার মধ্য দিয়েই যাচ্ছে। এর মধ্যে চলতি বছরের জুলাইয়ে ছিল ৯ দশমিক ৬৯, জুনে ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং মে মাসে ব্যাপক বেড়ে হয়েছিল ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

    এদিকে গত আগস্টে মজুরি হার সামান্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৫৮ শতাংশে, যা জুলাইয়ে ছিল ৭ দশমিক ৫২ শতাংশ, জুনে ৭ দশমিক ৩৯ এবং মে মাসে ছিল ৭ দশমিক ৩২ শতাংশ। আগস্টে কৃষি খাতে মজুরি বাড়লেও কমেছে শিল্প ও সেবা খাতে। এক্ষেত্রে দেখা যায়, কৃষি খাতে আগস্টে মজুরি হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৮৯ শতাংশে, জুলাইয়ে ছিল ৭ দশমিক ৭২ শতাংশ। এছাড়া ২০২২ সালের আগস্টে এ হার ছিল ৬ দশমিক ৭৩ শতাংশ। কিন্তু শিল্প খাতে আগস্টে মজুরি হার কমে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৯০ শতাংশে, যা জুলাইয়ে ছিল ৬ দশমিক ৯৬ শতাংশ। এছাড়া ২০২২ সালের আগস্টে ছিল ৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ। এদিকে সেবা খাতে মজুরি কমে হয়েছে ৮ দশমিক ১০ শতাংশ, যা জুলাইয়ে ছিল ৮ দশমিক ১৪ শতাংশ। এছাড়া ২০২২ সালের আগস্টে এ হার ছিল ৭ শতাংশ।

    বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন বলেন, মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের ব্যয় বাড়ছে। সেই ব্যয় বৃদ্ধিটা সমস্যা হতো না, যদি একই হারে আয়টা বাড়ত। বাস্তবতা হচ্ছে-মূল্যস্ফীতি যে হারে বাড়ছে, সেই হারে আয় বাড়ছে না। ১৮ মাস ধরে দেশে এ অবস্থা বিরাজ করছে। এক্ষেত্রে মানুষ টিকে থাকার জন্য সঞ্চয় ভেঙে অথবা ঋণ করে খাচ্ছে। কিন্তু যারা দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করেন, তাদের তো কোনো সঞ্চয় নেই। কিংবা কেউ ধারও দেয় না। এ অবস্থায় তারা কী করছে। প্রথমত, সন্তানের পড়ালেখা বন্ধ করে দেন। এরপরও না হলে চিকিৎসা খরচ বন্ধ করেন বা কমিয়ে দেন। তখনও যদি সংকুলান না হয়, তাহলে খাবার খরচ কমিয়ে দেন। এক্ষেত্রে পরিবারে এক বেলা ৫টি ডিম লাগলে দুটি দিয়েই পাঁচজন খেয়ে নেন। তিন বেলার পরিবর্তে এক বেলা পেট পুরে খেয়ে দিন-রাত পার করেন। এসব করার কারণে একদিকে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে, অন্যদিকে কম খাওয়ার কারণে অপুষ্টি বাড়ছে।

    অকা/প্র/ সকাল, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি ১২ দশমিক ৫৪ শতাংশ

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.