Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    বুধবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ১০ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ঠকবাজদের নানা কৌশলে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন ভোক্তা

    মার্চ ১৫, ২০২৩ ৪:৪০ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    পাল্টেছে ভোক্তা ঠকানোর ধরন। ঠকবাজদের নানা কৌশলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন ভোক্তা। তবে আইনের কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে অপরাধীকে যথাযথ শাস্তির আওতায় আনতে পারছে না জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। ফলে অধিদপ্তরে অভিযোগ করেও অনেক সময় প্রতিকার মিলছে না। আবার কোনো কোনো সেবা খাতে প্রতারিত হয়েও অভিযোগ করার সুযোগ থাকে না। এমনকি মামলার সুযোগও থাকে না।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অর্থদণ্ডের বদলে অপরাধীদের কারাদণ্ড দিতে হবে। সে জন্য আইন সংশোধন জরুরি। একই সঙ্গে বাড়াতে হবে  অধিদপ্তরের জনবল ও প্রশাসনিক ক্ষমতা।

    টাকার বিনিময়ে মানসম্পন্ন নিরাপদ ও ভেজালমুক্ত পণ্য এবং সেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে ভোক্তার। একই সঙ্গে অধিকার রয়েছে পণ্যের উৎপাদান, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, বিক্রয়মূল্য, পণ্যের মান ও কার্যকারিতা বিষয়ে জানার। তবে বেশিরভাগ মানুষ এসব সেবা থেকে বঞ্চিত। বিশেষ করে খাদ্য, ভোগ্যপণ্য, ওষুধ, চিকিৎসা, গণপরিবহন, ওজনে কারচুপির শিকার হচ্ছেন ভোক্তারা।

    ভোক্তাদের অধিকার রক্ষায় ২০০৯ সালে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ নামে একটি আইন হয়। আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো, ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণ ও উন্নয়ন, ভোক্তা অধিকারবিরোধী কাজ প্রতিরোধ, অধিকার লঙ্ঘনজনিত বিরোধ নিষ্পত্তি, নিরাপদ পণ্য ও সঠিক সেবা নিশ্চিত করা, ক্ষতিগ্রস্ত ভোক্তাকে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা, পণ্য ও সেবা ক্রয়ে প্রতারণা রোধ ও গণসচেতনতা তৈরি করা।

    তবে যথেষ্ট প্রচার-প্রচারণার অভাবে মানুষ এ আইন ও এর সুফল সম্পর্কে জানে না। অন্যদিকে, অভিযোগ এলেও অধিদপ্তরে প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। অনেক মামলার সুরাহা করা যাচ্ছে না ভোক্তা অধিকার আইনের সীমাবদ্ধতার কারণে।

    লক্ষ্মীপুরের মামুনুর রশিদ নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘আমি একটা লাইফ ইন্স্যুরেন্স করেছি। মেয়াদ শেষে বীমা দাবি পরিশোধের জন্য আবেদন করেছি। তবে গত পাঁচ মাসে বারবার তাগিদ দেওয়ার পরও জমা টাকা ফেরত পাচ্ছি না। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে ভোক্তা অধিদপ্তরে যোগাযোগ করলেও আইনের সীমাবদ্ধতার কারণে অভিযোগ করতে পারিনি।’

    সংশ্লিষ্টরা বলেন, আইনে ভোক্তার সঙ্গে প্রতারণা করলে মামলা করা যাবে বলা আছে। তবে সুস্পষ্টভাবে বলা নেই, কীভাবে বা কোন পদ্ধতিতে মামলা করা যাবে। এ ছাড়া অভিযোগকারী সরাসরি আদালতে মামলা করতে পারবেন না। তাঁকে অধিদপ্তরে মামলা করতে হবে। আইনটি প্রায় ১৪ বছর আগের। ওই সময়ের চেয়ে এখন অপরাধের মাত্রা যেমন বেড়েছে, তেমনি অপরাধের ধরনও পাল্টেছে। তবে নতুন নতুন অপরাধের বিষয়গুলো আইনে যুক্ত না হওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয় না। যেমন– এক যুগ আগে ই-কমার্স ছিল না। এটি তখন আইনে যুক্ত হয়নি। ফলে ২০২১ সালের জুনের পর থেকে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে হাজার হাজার অভিযোগ জমা পড়ে। আইনের সীমাবদ্ধতায় অনেক মামলার সুরাহা করা যাচ্ছে না। যেমন– ই-কমার্স খাতে এখনও ১২ হাজার মামলা ঝুলে আছে। ভোক্তারাও প্রতিকার পাচ্ছেন না।

    দ্রুত আইন সংশোধনের পরামর্শ ক্যাবের: এ ব্যাপারে কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, আইনের প্রথম অধ্যায়ের ২২ নম্বর ধারায় ব্যাংক-বীমা, মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইনে কেনাকাটা, আর্থিক লেনদেনসহ অন্যান্য আর্থিক ‘সেবা’ এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। এ ছাড়া বোর্ডিং, বাসা বা স্থান ভাড়া, ইন্টারনেট, ইলেকট্রনিক ও বৈদ্যুতিক আইটেম, ই-কমার্স, ডাক, কুরিয়ার সার্ভিসসহ কয়েকটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত হয়নি। এভাবে বেশ কয়েকটি ধারায় দুর্বলতা রয়েছে। এগুলোর সংশোধন জরুরি।

    তিনি বলেন, বাজারে অভিযান জোরদার করার পাশাপাশি ভোক্তাদের সচেতনতায় প্রচারণা বাড়াতে হবে। আইন সংশোধনের পাশাপাশি বাড়াতে হবে অধিদপ্তরের লজিস্টিক সহায়তা ও জনবলের সক্ষমতা। বর্তমানে এক কর্মকর্তাকে একাধিক জেলায় অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।
    আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান। তিনি বলেন, বিদ্যমান আইনে যেসব সংশোধনীর প্রস্তাব করা হয়েছে, সেগুলো মন্ত্রিপরিষদে পর্যালোচনার পর অধিদপ্তরে এসেছে। আরও কিছু সংযোজন-বিয়োজনের পর চূড়ান্ত করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। আইন সংশোধন করা হলে সেখানে ই-কমার্স নামে একটি আলাদা অধ্যায় রাখা হবে। এ ছাড়া সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকার জরিমানার বিধান রয়েছে। তবে অপরাধের মাত্রার চেয়ে জরিমানা নগণ্য। তাই জরিমানার পরিমাণ বাড়িয়ে প্রায় দ্বিগুণ করা হচ্ছে।

    মামলার ব্যাপারে তিনি বলেন, মামলা করতে হয় ফৌজদারি আইনে। সিটি করপোরেশন বা মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরে নিজস্ব ইন্সপেক্টর রয়েছে। তাঁরা মামলা করতে পারেন। তবে ভোক্তা অধিদপ্তর সেটি করতে গেলে সমস্যা আছে। কারণ যিনি বিচার করবেন, তিনি কীভাবে মামলা করবেন। অধিদপ্তর তো বিচার করার জন্য গঠন করা হয়েছে। তবে ভোক্তা অধিদপ্তরের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ৫৩টি মামলা করেছে। এ ছাড়া ডিমের দামে কারসাজি করায় অধিদপ্তর নিজেই সিআইডিতে একটি মামলা করেছে। তবে মাত্র ২১৬ জন লোকবল দিয়ে ১৭ কোটি ভোক্তার অধিকার নিশ্চিত করা কঠিন।

    ২০১০ সালের ৬ এপ্রিল থেকে বাজার পর্যবেক্ষণ, অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তি শুরু করে অধিদপ্তর। ওই সময় থেকে গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৮৮ হাজার ৯১৮টি অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। এর সিংহভাগই হলো অনলাইনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ই-কমার্স ও এফ-কমার্সের বিরুদ্ধে। মোট অভিযোগ নিষ্পত্তি হয়েছে ৮৩ হাজার ৭৯৮টি। অনিষ্পন্ন রয়েছে ১৭ হাজার ১২০টি। অভিযোগের ভিত্তিতে ৮ হাজার ৩২৮টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৫ কোটি ৮৫ লাখ ৮ হাজার ৮০৮ টাকা জরিমানা করা হয়। এর মধ্যে ২৫ শতাংশ হিসাবে অভিযোগকারীদের দেওয়া হয় ১ কোটি ৪৩ লাখ ৬৫ হাজার ৫৭৭ টাকা। বাকি ৭৫ শতাংশ অর্থ সরকারের কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

    অভিযোগ ছাড়াও সংস্থাটি স্বউদ্যোগে বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালায়। এ পর্যন্ত ৬২ হাজার ৯টি অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬০টি প্রতিষ্ঠানকে আইনের আওতায় আনা হয়।

    যেভাবে করবেন অভিযোগ: ভুক্তভোগীকে অবশ্যই অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ করতে হবে। ফ্যাক্স, ই-মেইল, ওয়েবসাইট বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমেও অভিযোগ জানানো যায়। অভিযোগের সঙ্গে অবশ্যই সেবা বা পণ্য কেনার রসিদ যুক্ত করতে হবে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (http://dncrp.portal.gov.bd) ‘জাতীয় ভোক্তা অভিযোগ কেন্দ্র’ বক্স থেকে নির্ধারিত অভিযোগ ফরম ডাউনলোড করে নেওয়া যায়। এ ছাড়া যে কোনো স্থান থেকে ১৬১২১ নম্বরে ফোন করে জানানো যাবে অভিযোগ।

    অকা/প্র/সকাল, ১৫ মার্চ, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    ঠকবাজদের নানা কৌশলে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন ভোক্তা

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.