অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকার অন্যতম উপকরণ হচ্ছে ডিম। বাজারে মুরগির ডিমের পাশাপাশি হাঁসের ডিমের দামও বেড়েছে। একেকটি হাঁসের ডিম বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ১৭ টাকায়! প্রতি হালি ৭০ টাকা আর ডজন বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। এর আঁচ এসে পড়েছে ফার্মের মুরগির ডিমেও। দুর্মূল্যের বাজারে পরিবারের খাবার খরচ কমাতে যারা ডিম খাচ্ছিলেন, তাদের ঘাড়ের বোঝাটাও আরেকটু ভারী হয়েছে। দুই-তিন দিনের ব্যবধানে মুরগির প্রতি ডজন ডিমের দাম খুচরায় ১০ টাকা বেড়ে ১১৫ টাকা হয়েছে। পাইকারি বাজারেও দাম উঠেছে ১১০ টাকায়। আর একপিস কিনতে লাগছে ১০ টাকা।
শান্তিনগর বাজারে দীর্ঘদিন ডিম বিক্রি করেন ফরিদ উদ্দিন। তিনি বলেন, এখন ডিমের দাম সর্বোচ্চ। জীবনে কখনো এত দামে হাঁসের ডিম বিক্রি করিনি।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, সাধারণত শীতকালে ডিমের চাহিদা বাড়ায় দাম বাড়ে। এ কারণেই মাস ধরে ডিমের দাম বাড়ছে। তবে এ বছর মূল্য বৃদ্ধির হার অস্বাভাবিক।
বিক্রেতারা বলছেন, মাসখানেক আগেও প্রতি হালি ডিমের দাম ছিল ৫০ টাকার মধ্যে। এর আগে কখনো কোনো ডিমের দাম এত বেশি হয়নি।
মালিবাগ কাঁচাবাজারে ডিম কিনতে আসা গৃহিণী রাবেয়া আক্তার বলেন, কয়েকদিনের মধ্যে এক হালি ডিমের দাম ২০ টাকা বেড়ে গেছে! এত দামে আমি কখনো হাঁসের ডিম কিনিনি। সাশ্রয়ী দামে এই একটি খাবারই ছিল। সেটাও এখন অস্বাভাবিক চড়া।
বিক্রেতা বাবুল মিয়া বলেন, আগে কখনো ডিমের দাম এত বেশি ছিল না। এ কারণে হাঁসের ডিম কিনতে আসা প্রায় প্রত্যেক ক্রেতার সঙ্গে দাম নিয়ে বাগবিতণ্ডা হচ্ছে। দাম শুনে ফিরে যাচ্ছেন বেশিরভাগই।
তিনি বলেন, আমরা কী করবো? পাইকারি বিক্রেতার একদাম-এককথা। নিলে নেন, না নিলে নাই।
#
অ/পবা/ বিকাল, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে
