Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    বুধবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ১০ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    রেকর্ড মূল্যস্ফীতি পার করছে বাংলাদেশ

    মার্চ ২১, ২০২৩ ৫:০১ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে রেকর্ড মূল্যস্ফীতি পার করছে বাংলাদেশ। দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতেই হিমশিম খাচ্ছে সাধারণ মানুষ। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যাংকে থাকা সঞ্চয়ও ভেঙে ফেলতে হচ্ছে। এর বিরূপ প্রভাব দেখা যাচ্ছে ব্যাংক আমানতে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান বলছে, দেশের ব্যাংক খাতে শ্লথ হয়ে এসেছে আমানতের প্রবৃদ্ধি। বিশেষ করে শহরাঞ্চলের তুলনায় গ্রামে ব্যাংকের আমানত কমছে সবচেয়ে বেশি।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, দেশের ব্যাংক খাতে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট আমানত ছিল ১৫ লাখ ৭৬ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৩ লাখ ৪১ হাজার ৬৬৭ কোটি টাকা ছিল গ্রামীণ আমানত, কিন্তু ডিসেম্বরে এসে এর পরিমাণ ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৩৭৩ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। অর্থাৎ মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে ব্যাংকগুলোর গ্রামীণ আমানত কমে গেছে ৪ হাজার ২৯৪ কোটি টাকা। গতকাল প্রকাশিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শিডিউলড ব্যাংকস স্ট্যাটিসটিকসে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

    ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, পরিস্থিতি খারাপ না হলে দেশের ব্যাংক খাতে আমানত সবসময়ই প্রবৃদ্ধির ধারায় থাকে। আবার অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ালেও ব্যাংকগুলোর আমানতের প্রবৃদ্ধি বাড়তে থাকে। কিন্তু এবারের পরিস্থিতি একেবারেই ভিন্ন। গ্রামে ব্যাংকের আমানত না বেড়ে উল্টো কমে যাওয়ার ঘটনা নজিরবিহীন।

    গ্রামাঞ্চল থেকে ব্যাংকের আমানত সংগ্রহের প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এজেন্ট ব্যাংকিং। বিশেষ ধরনের এ সেবা চালুর পর থেকেই প্রবৃদ্ধির ধারায় ছিল গ্রামীণ আমানত। কিন্তু গত বছরের শেষ তিন মাসে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের আমানত স্থিতি ৫০৫ কোটি টাকা কমে গেছে। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে এজেন্টদের মাধ্যমে ৩০ হাজার ৬৬৩ কোটি টাকা ব্যাংকের আমানত সংগ্রহ হয়। ডিসেম্বর শেষে সেটি ৩০ হাজার ১৫৭ কোটি টাকায় নেমে আসে। এজেন্ট ব্যাংকিং আমানতের ৭৯ শতাংশই গ্রামাঞ্চলের।

    দেশে গত বছরের শুরু থেকেই দ্রব্যমূল্য ছিল ঊর্ধ্বমুখী। এর মধ্যে আগস্টের প্রথম সপ্তাহে পেট্রল, অকটেন, ডিজেলসহ জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে দেয় সরকার। হঠাৎ করে জ্বালানির অপ্রত্যাশিত মূল্যবৃদ্ধির ফলে দেশে প্রতিটি পণ্য ও সেবার দামও অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। সরকারি হিসাবেই গত বছরের আগস্টে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ। আর ডিসেম্বরে হয়েছে ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। যদিও বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজারে প্রতিটি পণ্যের দাম ২৫ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক পণ্যের দাম বেড়েছে ১০০ শতাংশেরও বেশি।

    জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ার প্রভাব গ্রামের মানুষের সঞ্চয়ের ওপর পড়েছে বলে মনে করেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, ‘আগে রেমিট্যান্সের অন্তত ২০ শতাংশ অর্থ ব্যাংক হিসাবে আমানত হিসেবে জমা থাকত। কিন্তু এখন রেমিট্যান্সের ৫ শতাংশ অর্থও ব্যাংকে আমানত হিসেবে থাকছে না। বিদেশ থেকে অর্থ আসার সঙ্গে সঙ্গেই গ্রাহক পুরো টাকাই তুলে নিচ্ছেন। জীবনধারণের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এমনটি হচ্ছে বলে মনে করছি।’

    দেশের সর্ববৃহৎ ব্যাংকের এ শীর্ষ নির্বাহী জানান, ইসলামী ব্যাংকে এমন অনেক গ্রাহক আসছেন, যারা তাদের দীর্ঘদিনের সঞ্চয় ভেঙে ফেলছেন। অনেকে মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই দীর্ঘমেয়াদি আমানত (ফিক্সড ডিপোজিট/ডিপিএস) তুলে নিতে আসছেন। কারণ জিজ্ঞাসা করলে বলছেন, দৈনন্দিন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সঞ্চয় ভেঙে ফেলতে হচ্ছে। তবে অল্প কিছু গ্রাহক আতঙ্কিত হয়েও আমানত তুলে নিয়েছেন।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, দেশের মোট ব্যাংক আমানতের ৭৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ শহরাঞ্চলের। বাকি ২১ দশমিক ২৫ শতাংশ এসেছে ব্যাংকের গ্রামীণ শাখাগুলোর মাধ্যমে। গত বছরের শেষ তিন মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) দেশের ব্যাংক খাতে মোট আমানত বেড়েছে ১১ হাজার ৬৪০ কোটি টাকা। ওই সময় শহরাঞ্চলে ১৫ হাজার ৯৩৪ কোটি টাকা বাড়লেও গ্রামে ৪ হাজার ২৯৪ কোটি টাকার আমানত কমে গেছে। আবার অন্যসব শ্রেণীর ব্যাংকে আমানত বাড়লেও গত বছরের শেষ তিন মাসে ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলোয় কমেছে ১০ হাজার ৬২৭ কোটি টাকা। সূচনালগ্ন থেকে এই প্রথম ইসলামী ব্যাংকিংয়ের আমানত কমেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

    ব্যাংকে আমানত কমলে সঞ্চয়পত্র বিক্রি বাড়ার কথা। কিন্তু এতেও ভাটার টান। গত জানুয়ারিতে মাত্র ৩৭ কোটি টাকার নিট সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি পর্যন্ত সঞ্চয়পত্র বিক্রির চেয়ে নগদায়নই হয়েছে বেশি। এ সাত মাসে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি কমেছে ৩ হাজার ৬৯ কোটি টাকার। জানুয়ারি শেষে সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের ঋণের পরিমাণ ৩ লাখ ৬০ হাজার ৯৪০ টাকায় নেমে এসেছে। গত জুন শেষে সঞ্চয়পত্র বিক্রি থেকে সরকারের ঋণ ছিল ৩ লাখ ৬৪ হাজার ১০ কোটি টাকা।

    মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে নিজস্ব আয় দিয়ে সাধারণ মানুষ দৈনন্দিন ব্যয় নির্বাহ করতে পারছে না। এ কারণে মাস শেষে হাতে কোনো সঞ্চয়ও থাকছে না। অনেকে তাই ব্যাংকে থাকা সঞ্চয় ভেঙে ফেলছে। ব্যাংক আমানতের প্রবৃদ্ধিতে এর বিরূপ প্রভাব দৃশ্যমান। আমানতের মুনাফার ওপর সরকার বাড়তি কর আরোপ করেছে। ব্যাংক খাতে আমানত কমে যাওয়ার পেছনে এর ভূমিকাও আছে।’

    অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে দেশের ব্যাংক খাতের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থাহীনতা বেড়েছে। এ কারণে গত বছরের জুন থেকেই ব্যাংক থেকে নগদ টাকা তুলে নেয়ার প্রবণতা অস্বাভাবিক বেড়ে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নতুন নোট ইস্যু করতেও বাধ্য হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ব্যাংকের বাইরে থাকা নগদ অর্থের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯৯২ কোটি টাকা। ডিসেম্বরে এর পরিমাণ ছিল আরো বেশি।

    তারল্য সংকটে পড়লে দেশের বেসরকারি ব্যাংকগুলো রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংক থেকে অর্থ ধার করত। কিন্তু এক বছর ধরে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোই তারল্য সংকটে ভুগছে। তাদেরই এখন প্রতিনিয়ত মুদ্রাবাজার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ধার করে চলতে হচ্ছে। তারল্য সংকটের কারণে কলমানি বাজারে সুদহার রেকর্ড উচ্চতায় উঠেছে। গতকাল একদিন মেয়াদি কলমানির সুদহার ছিল ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। আর সাতদিন মেয়াদি আমানতের সুদহার ৯ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে।

    আমদানি দায়ের পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি খাতের বিদেশী ঋণের কিস্তি পরিশোধের জন্য অব্যাহতভাবে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত অর্থবছরে রিজার্ভ থেকে প্রায় সাড়ে ৭ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করা হয়। চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে বিক্রি করা হয়েছে প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলার। এর মাধ্যমে শুধু চলতি অর্থবছরেই ১ লাখ ১০ হাজার কোটিরও বেশি টাকা বাজার থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চলে গেছে। দেশের ব্যাংক খাতে আমানত ও তারল্য সংকটের পেছনে বৈদেশিক বাণিজ্যের ভারসাম্যহীনতারও ভূমিকা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

    অকা/প্র/সকাল, ২১ মার্চ, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    রেকর্ড মূল্যস্ফীতি পার করছে বাংলাদেশ

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.