Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    রেমিট্যান্সে মধ্যস্বত্বভোগীদের থাবা

    আগস্ট ৬, ২০২২ ৫:৩৮ পূর্বাহ্ণ1
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে থাবা বসিয়েছে মধ্যস্বত্বভোগীরা। দেশি-বিদেশি কিছু এক্সচেঞ্জ হাউস প্রবাসী কর্মীদের বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ে অন্যত্র বিনিয়োগ করে মুনাফা নিচ্ছে। ফলে সময়মতো দেশে টাকা আসছে না। অর্থ দেরিতে আসায় অনেক প্রবাসী হুন্ডির দ্বারস্থ হচ্ছেন। এতে দেশ বঞ্চিত হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রা থেকে। এ ছাড়া ভিসা ব্যবসার আড়ালেও রেমিট্যান্সের অর্থ আটকে যাচ্ছে হুন্ডিবাজদের হাতে। সব মিলে রেমিট্যান্সের একটি বড় অংশই চলে যাচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগীদের কব্জায়। এসব প্রতিষ্ঠানই একটি চক্রের মাধ্যমে অর্থ অন্য খাতে স্থানান্তর করছে। 

    সূত্র জানায়, বিদেশে কিছু বৈধ ও অবৈধ এক্সচেঞ্জ হাউস প্রবাসীদের কাছ থেকে রেমিট্যান্স সংগ্রহের পর ব্যাংকে জমা দিচ্ছে না। তারা প্রবাসীদের এ অর্থ বিদেশে বিনিয়োগ করে মুনাফা নিচ্ছে।এজন্য বিদেশের মানি মার্কেটে ওভার নাইট বা এক দিন, এক সপ্তাহ, এক মাস বা তিন মাসের জন্য বহুমুখী বিনিয়োগের সুবিধা আছে। এক্সচেঞ্জ হাউজ ও হুন্ডিবাজরা প্রবাসীদের কাছ থেকে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করে ওইসব খাতে বিনিয়োগ করছে। এ খাতে প্রায় ১৫০ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স বিদেশে আটকে রয়েছে। এগুলো দেশে আনার জন্য ব্যাংকগুলোকে তাগাদা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 

    প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, রেমিট্যান্স এক্সচেঞ্জ হাউসে জমার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওই দেশের ব্যাংকে নষ্ট্রো অ্যাকাউন্টে (বাংলাদেশি ব্যাংকের হিসাবে) জমা করে। এতে অর্থ জমা হলেই তা বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট ব্যাংক পেয়ে যাবে। এরপর বাংলাদেশের ব্যাংক প্রবাসীর হিসাবে তা টাকায় স্থানান্তর করে। কিন্তু এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো তা না করে রেমিট্যান্সের অর্থ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করে। বিদেশের সব জায়গায় বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর মতো ব্যাংকিং সুবিধা নেই। এ কারণে অনেক প্রবাসী বাধ্য হয়ে হুন্ডির মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠায়। এটা করতে গিয়ে অনেকেই ফেঁসে যাচ্ছেন। এ প্রবণতা রোধে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো বিদেশে এক্সচেঞ্জ হাউস খুলতে থাকে। এছাড়া বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউসের সঙ্গেও দেশের ব্যাংকগুলো রেমিট্যান্স পাঠানোর চুক্তি করে। এ সুযোগে বৈধ এক্সচেঞ্জ হাউজের পাশাপাশি গড়ে উঠে অনেক বেআইনি হাউস।

    সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী তার নিজের একটি গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছেন, দেশে মোট রেমিট্যান্সের ৪১ শতাংশই আসছে হুন্ডিতে। গত অর্থবছরে দেশে রেমিটেন্স এসেছে ২ হাজার ১০৩ কোটি ডলার। এ হিসাবে হুন্ডিতে এসেছে ৮৬২ কোটি ডলার। মোট রেমিট্যান্স দাঁড়াচ্ছে ২ হাজার ৯৬৫ কোটি ডলার। কিন্তু হুন্ডির ওই রেমিট্যান্স থেকে দেশ বঞ্চিত হয়েছে। ওইসব বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আসেনি। 

    ২০০৩ সালে প্রথমবারের মতো বিদেশে বাংলাদেশের ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো পরিদর্শন করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ের কয়েকটি পরিদর্শক দল যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আবর আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশে সরেজমিনে যান। সেখানে দেখেন, প্রবাসীরা রেমিট্যান্সের অর্থ জমা দিলেও তা বাংলাদেশে আসছে ২ থেকে তিন মাস বা আরও পড়ে। ওইসব অর্থ ট্রানজিট হিসাবে অন্য খাতে বিনিয়োগের তথ্য পান। মাঝে সেই প্রবণতা কমলেও এখন আবার বেড়েছে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এরপরও কয়েকটি বিদেশি ব্যাংকের শাখা পরিদর্শন করা হয়েছে। সেখানেও এ ধরনের অনিয়ম পাওয়া গেছে। 

    এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, হুন্ডি বন্ধ করতে হলে সরকারের সদিচ্ছা লাগবে। এখন বিশ্বব্যাপী মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন যেভাবে প্রয়োগ হচ্ছে তাতে হুন্ডি বন্ধ করা খুব বেশি কঠিন নয়। এজন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংককে বেশি সক্রিয় হতে হবে। এছাড়া ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হারের ক্ষেত্রে ব্যাংক ও খোলাবাজারের মধ্যে সমন্বয় আনতে হবে। এজন্য যা জরুরি তা হলো অর্থপাচার ও কর ফাঁকি বন্ধ করা। এ দুটি করলে খোলাবাজারে ডলারের চাহিদা অনেকটাই কমে যাবে। তখন দামও কমবে। খোলাবাজার থেকে ডলারের বড় অংশই বিদেশে পাচার হয়। 

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানায়, বিদেশে যেখানে বাংলাদেশিরা রয়েছে সেখানের আনাচে-কানাচে বেআইনিভাবে অনেক এক্সচেঞ্জ হাউস গড়ে উঠেছে। সেগুলোর মাধ্যমে হুন্ডিতে অনেকেই রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন। এদের অনেকেই প্রতারিত হচ্ছেন। বাংলাদেশের রেমিট্যান্সের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আসে সৌদি আরব থেকে অর্থাৎ ২১ শতাংশ। সৌদি আরবে এ ধরনের এক্সচেঞ্জ হাউসের ব্যবসা অবৈধ।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে সে দেশের পুলিশ এমন বেশ কিছু এক্সচেঞ্জ হাউস বন্ধ করেছে। তারপরও চোর-পুলিশ খেলায় সেগুলো আবার চালু হচ্ছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসে মোট রেমিট্যান্সের ৯ শতাংশ। সেখানে সিলেট ইনভেস্টমেন্ট নামে একটি বেআইনি এক্সচেঞ্জ হাউস খুলে প্রবাসীদের মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অনলাইনে এ প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাজ্য থেকেও রেমিট্যান্স সংগ্রহ করছে বলে জানা গেছে। মোট রেমিট্যান্সের ১২ শতাংশ আসছে যুক্তরাজ্য থেকে। 

    পর্তুগালেও এমন অনেক বেআইনি এক্সচেঞ্জ হাউস রয়েছে। তারা প্রবাসীদের কাছ থেকে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করলেও দেশে পাঠাচ্ছে না। এ নিয়ে গত কুরবানির ঈদের আগে প্রবাসীরা সেখানে বিক্ষোভ করলে বাংলাদেশ ব্যাংক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়। ফলে ওই দেশ থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ স্বাভাবিক হয়েছে। 

    বাংলাদেশের মোট রেমিট্যান্সের ৫২ শতাংশ আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে। ব্যাগেজ রুলের আওতায় স্বর্ণ আমদানির সুযোগ দেওয়ায় ওইসব দেশে থেকে ব্যাপকভাবে স্বর্ণ আসছে। এ খাতে রেমিট্যান্সের অর্থ ব্যয় হচ্ছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যত কর্মী কাজ করে সে তুলনায় রেমিট্যান্স আসছে কম। গত অর্থবছরে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে রেমিট্যান্স কমেছে ১৬ শতাংশ। 

    মধ্যপ্রাচ্য ও মালয়েশিয়া ভিসা ব্যবসা বেশ জমজমাট। ভুয়া নাম-ঠিকানা দিয়ে ভিসা সংগ্রহের পর সেগুলো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে দালালদের কাছে। বাড়তি লাভের বিনিময়ে প্রবাসীদের কাছ থেকে রেমিট্যান্স নিয়ে দালালরা সেগুলো কিনছে। একটি ভিসা আড়াই থেকে তিন লাখ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পরে ওইসব ভিসা দেশে আরও বেশি দামে বিক্রি হয়। এভাবেও মোটা অঙ্কের রেমিট্যান্স পাচার হচ্ছে। 

    মোট রেমিট্যান্সের যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৬ শতাংশ, কুয়েত থেকে ৮ শতাংশ, ওমান থেকে ৪ শতাংশ, মালয়েশিয়া থেকে ৫ শতাংশ, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৯ শতাংশ, অন্যান্য দেশ থেকে ২৭ শতাংশ আসে। ওইসব দেশেও হুন্ডি চক্র সক্রিয়। বিশেষ করে মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশি হুন্ডিবাজরা বেশি তৎপর। যে কারণে মালয়েশিয়া থেকে এখন রেমিট্যান্স বেশি কমেছে। গত অর্থবছরে মালয়েশিয়া থেকে রেমিট্যান্স কমেছে প্রায় ৪২ শতাংশ। সিঙ্গাপুর থেকে কমেছে ৩২ শতাংশ। করোনার সময় হুন্ডি বন্ধ থাকায় ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স আসত। এখন হুন্ডি সক্রিয় হওয়ায় রেমিট্যান্স কমেছে।

    #
    অকা/প্র/ দুপুর, ৬ আগস্ট, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    রেমিট্যান্সে মধ্যস্বত্বভোগীদের থাবা

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.