Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে রফতানি খাত

    জুলাই ১, ২০২৪ ১:৪৪ অপরাহ্ণUpdated:জুলাই ১, ২০২৪ ১:৪৪ অপরাহ্ণ3
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতি হিসাবে রফতানি খাতে প্রণোদনা সর্বনিম্ন ২০ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ কমানো হয়েছে। এতে অনেক খাতের প্রণোদনা কমেছে অর্ধেক। হ্রাসের এই হার আজ ১ জুলাই থেকে  কার্যকর হবে। আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত তা বহাল থাকবে।

    এদিকে রফতানিকারকরা বলেছেন, বৈশ্বিক মন্দা ও দেশীয় অর্থনীতিতে মন্দা চলছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রণোদনা অর্ধেক কমানোর ফলে রফতানি খাত বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। এমন কি দেশের রফতানি বাজার অন্য দেশেও চলে যতে পারে বলে তারা সতর্ক করেছেন। প্রণোদনা কমালে বিকল্প নীতি সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন তারা।

    রফতানির বিভিন্ন খাতে সরকারের দেওয়া নগদ সহায়তা বা প্রণোদনার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়। এতে দেখা যায়, সরকার রফতানির ৪৩টি খাতে বিভিন্ন হারে প্রণোদনা প্রদান করে। সব খাতেই প্রণোদনার হার কমানো হয়েছে। এর মধ্যে পোশাক খাতে সবচেয়ে বেশি প্রণোদনা দেওয়া হয়। এ খাতে প্রণোদনা কমানো হয়েছে অর্ধেক। কৃষি ও চামড়া খাতেও প্রণোদনা কমানো হয়েছে। এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারি প্রণোদনার হার আরও একদফা কমানো হয়েছিল। ৫ মাসের ব্যবধানে প্রণোদনা আরও কমানো হলো।

    সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হবে। ওই তালিকা থেকে বের হলে রফতানি খাতে কোনো প্রণোদনা দেওয়া যাবে না। এ কারণে আগে থেকেই রফতানি খাতে প্রণোদনার হার কমানো হচ্ছে। যাতে ২০২৬ সালের মধ্যে রফতানি খাত প্রণোদনা ছাড়াই স্বনির্ভর হতে পারে। এছাড়া আইএমএফের শর্ত রয়েছে রফতানিতেও প্রণোদনা কমানোর জন্য। সব মিলে সরকার প্রণোদনা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠানো প্রতিবেদনের আলোকে তারা এ সার্কুলার জারি করেছে।

    এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ফেব্রুয়ারিতে একদফা প্রণোদনা কমানো হয়েছে। এখন আরও কমানো হলো। দুই দফায় প্রণোদনা কমানোর পর রফতানি খাত বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। এমনিতেই সুদের হার, জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ার কারণে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে গেছে। তারপর বৈশ্বিক মন্দা তো আছেই। এত প্রতিক‚ল অবস্থায় প্রণোদনা কমানো ভালো লক্ষণ নয়।

    তিনি বলেন, প্রণোদনা কমানোর বিপরীতে রফতানিকারকদের বিভিন্ন ধরনের নীতি সহায়তা দিতে পারে সরকার। বিষয়টি নিয়ে সরকারের  উচ্চপর্যায়ে আলোচনা করা হবে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়, রফতানিমুখী দেশীয় বস্ত্র খাতে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র ব্যাকের পরিবর্তে বিকল্প নগদ সহায়তা ৩ শতাংশের পরিবর্তে এখন দেওয়া হবে দেড় শতাংশ। এ খাতে প্রণোদনা কমেছে অর্ধেক বা ৫০ শতাংশ। ইউরো অঞ্চলে বস্ত্র খাতে রফতানিকারকদের জন্য আগে অতিরিক্ত ৩ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হতো। এখন তা কমিয়ে দেড় শতাংশ করা হয়। এ খাতে আগে প্রণোদনা দেওয়া হতো ১ শতাংশ। এখন তা কমিয়ে দশমিক ৫০ শতাংশ করা হয়েছে। এ খাতেও অর্ধেক কমেছে প্রণোদনা।

    তৈরি পোশাকের নিট ওভেন ও সোয়েটার খাতে সব ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে অতিরিক্ত সুবিধা ৪ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হতো। এখন তা কমিয়ে ৩ শতাংশ করা হয়েছে।

    নতুন পণ্য বা নতুন বাজারে রফতানির ক্ষেত্রে বস্ত্র খাতের সহায়তা সম্প্রসারণের আওতায় আমেরিকা, কানাডা ও ইউরোপ ব্যতীত অন্যান্য অঞ্চলে ৩ শতাংশের পরিবর্তে এখন থেকে ২ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হবে। তৈরি পোশাক খাতে বিশেষ নগদ সহায়তা দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে দশমিক ৩০ শতাংশ করা হয়েছে। পাটজাত বিভিন্ন পণ্য রফতানিতেও প্রণোদনা কমানো হয়েছে। বৈচিত্র্যকৃত পাটপণ্যে ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ, পাটজাত চূড়ান্ত পণ্যে ৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ এবং পাটসুতা রফতানিতে ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করা হয়েছে।

    চামড়াজাত পণ্য রফতানিতে প্রণোদনা ১২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ, ঘরে তৈরি পণ্য হোগলা, খড়, আখের বা নারিকেলের ছোবড়া, গাছের পাতা, গার্মেন্ট ঝুট রফতানিতে ৮ শতাংশের পরিবর্তে প্রণোদনা কমিয়ে ৬ শতাংশ করা হয়েছে। গরু-মহিষের নাড়ি-ভুঁড়ি, শিং, রগ, রফতানিতে ৮ শতাংশের পরিবর্তে ৬ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হবে।

    হিমায়িত চিংড়ি রফতানিতে আচ্ছাদিত বরফের হার অনুযায়ী আগে ৯ শতাংশ থেকে ৬ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হতো। এখন দেওয়া হবে ৮ থেকে ৪ শতাংশ। অন্যান্য মাছ রফতানিতে বরফ আচ্ছাদনের হার অনুযায়ী আগে ৪ থেকে ২ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হতো। এখন দেওয়া হবে সাড়ে ৩ থেকে দেড় শতাংশ।

    কৃষি পণ্য শাকসবজি-ফলমূল রফতানিতে আগে ১৫ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হতো। এখন দেওয়া হবে ১০ শতাংশ। এ খাতে কমেছে ৩৩ শতাংশ। আলু রফতানিতে আগে ১৫ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হতো এখন দেওয়া হবে ১০ শতাংশ।

    হালকা প্রকৌশল পণ্য রফতানিতে আগে ১২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। হালাল মাংস বা হালাল প্রক্রিয়াজাত মাংস রফতানিতে আগে ১৫ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হতো। এখন তা কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে।

    চামড়া খাতেও এ হার কমানো হয়েছে। সাভার চামড়া শিল্প নগরীতে অবস্থিত চামড়া শিল্প নগরী ও এর বাইরে অবস্থিত চামড়া শিল্পগুলোর মধ্যে যাদের নিজস্ব বর্জ্য পরিশোধন ব্যবস্থা আছে এমন সব কারখানায় উৎপাদিত ক্রাস্ট লেদার রফতানিতে আগে কোনো প্রণোদনা দেওয়া হতো না। এখন দেওয়া হবে ৬ শতাংশ। ফিনিশড লেদারে আগে ৭ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হতো। এখন তা কমিয়ে ৬ শতাংশ করা হয়েছে।

    পেট বোতল ফ্লেক্স রফতানিতে প্রণোদনা ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬ শতাংশ এবং এ ধরনের বোতল থেকে উৎপাদিত পলিইস্টার স্টাপল রফতানিতে প্রণোদনা ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬ শতাংশ করা হয়েছে।

    জাহাজ রফতানিতে প্রণোদনা ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬ শতাংশ করা হয়েছে। পাটকাঠি থেকে উৎপাদিত কার্বন ও জুট পার্টিকেল বোর্ড রফতানিতে ১০ শতাংশের পরিবর্তে এখন দেওয়া হবে ৮ শতাংশ। শস্য ও শাকসবজির বীজ রফতানিতে প্রণোদনা ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৮ শতাংশ করা হয়েছে।

    ফার্নিচার রফতানিতে প্রণোদনা ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৮ শতাংশ, প্লাস্টিক পণ্য রফতানিতে প্রণোদনা ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬ শতাংশ করা হয়েছে। দেশে উৎপাদিত কাগজ ও কাগজ জাতীয় পণ্য রফতানিতে ৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬ শতাংশ করা হয়েছে। আগর ও আতর জাতীয় পণ্যে ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৮ শতাংশ করা হয়েছে।

    ওষুধ খাতের উপকরণ ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ দেওয়া হবে।

    এ্যাকুমেলেটেড ব্যাটারি রফতানিতে প্রণোদনা ১২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ, সিন্থেটিক ও কাপড় দিয়ে তৈরি ব্যাগ ও জুতা রফতানিতে প্রণোদনা ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৮ শতাংশ, সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার রফতানিতে ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬ শতাংশ করা হয়েছে।

    তথ্যপ্রযুক্তি পণ্য রফতানিতে আগে ফ্রিল্যান্সারদের দেওয়া হতো ৩ শতাংশ প্রণোদনা। এখন দেওয়া হবে আড়াই শতাংশ।

    ফার্মাসিউটিক্যাল খাতে যথা সার্জিকেল ও মেডিকেল পণ্যে ৮ শতাংশ পরিবর্তে এখন দেওয়া হবে ৬ শতাংশ। মোটরসাইকেলে ৮ শতাংশের পরিবর্তে ৬ শতাংশ, ফটোভোলাটিক মডিউলে ৮ শতাংশের পরিবর্তে দেওয়া হবে ৬ শতাংশ, রেজর ও রেজর ব্লেডে ৮ শতাংশের পরিবর্তে ৬ শতাংশ, সিরামিক পণ্যে ৮ শতাংশের পরিবর্তে ৬ শতাংশ, টুপিতে ৯ শতাংশের পরিবর্তে ৭ শতাংশ, কাঁকড়া-কেঁচোর বিপরীতে ৮ শতাংশের পরিবর্তে ৬ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হবে।

    গ্যালভানাইজিং শিল্পে ৮ শতাংশের পরিবর্তে এখন দেওয়া হবে ৬ শতাংশ, রাসায়নিক পণ্যে ৭ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ, ইলেকট্রনিকক্স, ইলেট্রিক্যাল হোম কিচেন পণ্যে ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬ শতাংশ করা হয়েছে। 

    চাল রফতানিতে ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করা হয়েছে। এখন চাল রফতানি বন্ধ রয়েছে। চা রফতানিতে ৩ শতাংশের পরিবর্তে ২ শতাংশ, স্টিল পণ্যে ৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করা হয়েছে।

    সাইকেল ও এর যন্ত্রাংশ খাতে সাড়ে ৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করা হয়েছে। সিমেন্ট শিটে সাড়ে ৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করা হয়েছে।  বিশেষায়িত শিল্প অঞ্চলগুলো থেকে উৎপাদিত পণ্য রফতানিতে আগে ৩ শতাংশ থেকে দশমিক ৫ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হতো। এখন দেওয়া হবে ২ থেকে দশমিক ৩০ শতাংশ। ●

    অকা/প্র/সৈই/সকাল/১ জুলাই, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    দুই হাজার টাকার চামড়ার দাম ৫০০ টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.