Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়ার কারণে নিত্যপণ্যের দাম কমেছে

    এপ্রিল ২৯, ২০২৫ ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ1
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    গত বছর আলু ও পেঁয়াজের দাম বেশি থাকায় কৃষকরা এবার এ দুটি পণ্যের আবাদ বাড়িয়েছেন। কিন্তু এবার তারা আশানুরূপ দাম পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন এসব কৃষি পণ্য উৎপাদক ও বিপণন সংশ্লিষ্টরা। প্রায় একই চিত্র ডিমের ক্ষেত্রেও। খামারিরা বেশি দামের আশায় ডিমের উৎপাদনও বাড়িয়েছেন। কিন্তু বাজারের দামে এর প্রতিফলন দেখা যায়নি।
    অর্থনীতিবিদ ও বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, এবারের পণ্যমূল্য বিশ্লেষণ করে এটা দেখা যাচ্ছে যে, উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়ার কারণে নিত্যপণ্যের দাম কমে। আবার চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ঘাটতি হলে দাম বেড়ে যায়। নিত্যপণ্যের বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, গত বছর এসব নিত্য পণ্যের দাম বেশি ছিল। কিন্তু কোনো অনুসন্ধান ছাড়াই সরকারের পক্ষ থেকে দাম বাড়ার জন্য তাত্ক্ষণিকভাবে তথাকথিত সিন্ডিকেটকে দায়ী করেছিলেন। এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে কৃষক ও খামারিরা জানিয়েছেন যে, গরম আবহাওয়া ও বন্যার কারণে উৎপাদন কমে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহ কমায় দাম বেড়েছে। তাদের মতে, এটা স্পষ্ট যে, সরবরাহ তারতম্যের ভিত্তিতে দামের কমা বা বাড়া নির্ভর করে।
    কিছুদিন আগে রাজশাহী অঞ্চলের বেশ কয়েক জন কৃষকের সঙ্গে এ প্রতিবেদকের কথা হয়। তারা জানান, গত বছর এসব কৃষিপণ্যে বেশি দাম পেয়ে এবারও তারা বাড়তি উৎপাদনে উৎসাহিত হয়েছিলেন। কিন্তু পণ্য সংরক্ষণ সংকটে বিক্রির চাপ বাড়ার কারণে ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না।
    সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট আমিনুল ইসলাম গত ছয় বছর ধরে নিজ এলাকা নাটোরের বাগাতিপাড়ার কৃষিখামার করছেন। গত বছরের মতো বেশি দাম পাওয়ার আশায় নিজের জমির সঙ্গে আরও ১০ বিঘায় পেঁয়াজ, আলু ও রসুন বুনেছিলেন। আমিনুল ইসলাম জানান, আগের বছরের চেয়ে পাঁচ বিঘা বেশি জমিতে পেঁয়াজ করেছি, কিন্তু আশানুরূপ ফলন ও দাম কোনোটাই পাওয়া যায়নি। উৎপাদন ও সরবরাহ বেশি হওয়ার কারণে এবার পেঁয়াজের দাম ব্যাপক কমেছে। আগের মৌসুমে বিঘা প্রতি পেঁয়াজ চাষে গড়ে ১ লাখ টাকার বেশি লাভ হতো। এবার লাভ করা কঠিন হবে। তবে অচিরেই উৎপাদিত ফসলের দাম বাড়বে বলে তিনি আশা করছেন।
    রাজশাহীর মোহনপুরের কৃষক মো. ওবায়দুল ইসলামও এ অঞ্চলের অন্যান্য কৃষকের মতো আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণ জমিতে আলু আবাদ করেছেন। তিনি জানান, কৃষক ভেদে প্রতি কেজি আলুর উৎপাদন খরচ ২০ থেকে ২২ টাকা হলেও এবার বাজারদর কম। অনেক কৃষক আট টাকা দরেও আলু বিক্রি করেছেন। কোল্ড স্টোরেজে স্থানসংকুলান না হওয়ায় নিরুপায় হয়ে অনেক কৃষক আলু বাড়িতে স্তূপ করে রেখেছেন।
    মোহনপুরের ভিমপাড়ার খামারি মো. আলম শেখের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, গত বছর প্রতি কেজি আলুর গড় উৎপাদন খরচ ছিল ১১ থেকে ১২ টাকা। আর বিক্রি করেছি গড়ে ৩০ টাকা দরে। মজুত করা আলু ৪৮ থেকে ৫০ টাকা দরেও বিক্রি করেছি। এবারও ভালো দামের আশায় উৎপাদন বাড়িয়েছি। কিন্তু এবার দাম না পাওয়ায় আবার ভবিষ্যতে আলুর উৎপাদনে ভাটা পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
    পণ্যের বাজার দর বাড়া বা কমার কারণ সম্পর্কে বেশ কয়েক জন কৃষকের সঙ্গে আলাপ করলে তারা জানান, মূলত উৎপাদন ও সরবরাহ-ভাটায় কৃষিপণ্যের দাম বাড়ে। আবার উৎপাদন বেশি হলে দাম কমে যায়। কারণ দেশের হাজার হাজার কৃষক এক হয়ে দরকষাকষি করতেও পারে না। তারা দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, কৃষিপণ্যের বাজারে সিন্ডিকেট শব্দটি একেবারেই হাস্যকর। এ ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।
    কৃষিপণ্যের সাম্প্রতিক দরপতন সম্পর্কে কাজী ফার্মসের পরিচালক কাজী জাহিন হাসান বলেন, গত বছর বন্যার কারণে অনেক কৃষিপণ্যের ঘাটতি দেখা দিয়েছিল, ফলে দামও বেড়েছিল। আগের বছর ভালো দর পেয়ে উৎসাহিত কৃষকরা এবার বেশি উৎপাদন করেছেন। এতে পণ্যের দাম কমে গেছে। এ ধরনের দাম বিপর্যয়ের কারণে ভবিষ্যতে আবার উৎপাদন কমে যাওয়ার ইঙ্গিতও তিনি দিয়েছেন।
    কাজী জাহিন হাসানের মতে, সরকারি সংস্থাগুলো দুর্ভাগ্যবশত বুঝতে পারে না যে, সরবরাহ ও চাহিদা কীভাবে কাজ করে। যখন দাম বেশি ছিল, তখন অনেক সরকারি কর্মকর্তা ডিম, পেঁয়াজ ও আলুর উৎপাদকদের বিরুদ্ধে সিন্ডিকেট করার অভিযোগ তুলেছিলেন। কিন্তু দাম যদি সিন্ডিকেট দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, তাহলে এখন দাম কেন কমেছে? পণ্যের বাজারদর যে আসলে সরবরাহ ও চাহিদা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, তা পুরোপুরি স্পষ্ট।
    রাজশাহীর পবার কাটাখালীর এলাকার পোল্ট্রি খামারি মো. সাইফুল ইসলামের খামারে প্রতিদিন ডিমের উৎপাদন হয় ১০ হাজার। তিনি জানান, শীত মৌসুম ও রোজার কারণে প্রতি বছরের মতো এবারও বাজারে ডিমের চাহিদা কম হওয়ায় ডিমের দাম উৎপাদন খরচের নিচে নেমে গেছে। ডিম সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় খরচের তুলনায় দাম কম হলেও খামারিরা ডিম বিক্রি করতে বাধ্য হন। এতে করে অনেক খামারি পোল্ট্রি ব্যবসা ছেড়ে দেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
    ডিমের বাজারদর প্রসঙ্গে রাজশাহীর পবার মেসলেমের মোড় এলাকার ডিম পাইকার আনোয়ার হোসেন জানান, সাম্প্রতিক সময়ে ডিমের উৎপাদন কমপক্ষে ২৫ শতাংশ বেড়েছে। গড়ে প্রতিদিন ৫০ হাজার ডিম সরবরাহকারী আনোয়ার বলেন, বাজারদর কমে যাওয়ায় খামারিদের উৎপাদন খরচ তুলে আনাও চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে।
    গত বছর অক্টোবর-নভেম্বর যখন নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে গিয়েছিল, তখনকার প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রূশাদ ফরিদী বলেন, বন্যায় কৃষিখামারে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণে বাজারে পণ্য সরবরাহ কমে যায়। ফলে অর্থনীতির মৌলিক নীতি অনুসারে দাম বাড়ে। একই ভাবে মে মাস থেকে উচ্চ তাপপ্রবাহ এবং পরে বন্যার কারণে পোল্ট্রি খাতেও বিরূপ প্রভাব পড়ে। যার ফলে বাজারে সরবরাহ ঘাটতি দেখা দেয় এবং অনিবার্যভাবে দামও বাড়ে। ●
    অকা/প্র/ই/সকাল, ২৯ এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.