Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    নামমাত্র বরাদ্দে জিইয়ে রাখা ৪৫টি দীর্ঘসূত্র প্রকল্প

    মে ২৫, ২০২৫ ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ2
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত ৪৫টি দীর্ঘসূত্র প্রকল্পে মাত্র এক লাখ টাকা করে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের সময়সীমা এক দশক কিংবা তারও বেশি সময় পার করে ফেললেও এগুলোর অগ্রগতি নেই বললেই চলে। কিছু কিছু প্রকল্পে ইতোমধ্যে শতকোটি টাকা ব্যয় হয়েছে, কিন্তু বাস্তব সুবিধা জনগণের কাছে পৌঁছায়নি। পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, এসব প্রকল্পের বেশিরভাগই দ্বিতীয় থেকে চতুর্থবারের মতো সংশোধনের মধ্য দিয়ে গেছে, তারপরও সময়মতো বাস্তবায়ন হয়নি।
    এই ধরনের নামমাত্র বরাদ্দ প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে—রেলওয়ের পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের লেভেলক্রসিং পুনর্বাসন প্রকল্প, আখাউড়া-লাকসাম ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন, টেলিটকের নেটওয়ার্ক উন্নয়ন, শিশু পার্ক, নদী তীর সৌন্দর্যবর্ধন, সেতু নির্মাণ, চরাঞ্চলে গবাদিপশু উন্নয়নসহ আরও নানা প্রকল্প। এদের মধ্যে অনেক প্রকল্প ১০ বছর ধরে চলমান, কোনোটি ১৩ বছরের পুরোনো। অথচ নতুন বাজেটে তাদের বরাদ্দ মাত্র এক লাখ টাকা। এতে প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাবনা যেমন প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে, তেমনি আগামীতে মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির ঝুঁকিও বেড়েছে।
    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের প্রকল্প কেবল ‘ফাইল সচল’ রাখার কৌশল মাত্র। বাজেট বইয়ে প্রকল্পকে বাঁচিয়ে রেখে ভবিষ্যতে সময় ও অর্থ বাড়ানোর সুযোগ খোঁজা হয়। ফলে প্রকল্পগুলো একদিকে যেমন বাস্তবায়ন বিলম্বিত হচ্ছে, অন্যদিকে জনগণের টাকায় দীর্ঘমেয়াদি অপচয় ঘটছে। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস)-এর সাম্প্রতিক এক পর্যালোচনাতেও দেখা গেছে, প্রকল্প বাস্তবায়নে দেরি হলে গড় ব্যয় অন্তত ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়।
    বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, এটি বাজেট প্রণয়নের এক প্রকার অব্যবস্থাপনা। সামান্য অর্থ দিয়ে প্রকল্প বাঁচিয়ে রাখার পেছনে জনগণের কোনো উপকার নেই, বরং এটি একটি ‘ফিসকাল ব্যাড হ্যাবিট’। তিনি বলেন, পরিকল্পিতভাবে প্রকল্প বন্ধ করার সংস্কৃতি তৈরি না হলে ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে।
    পরিকল্পনা সচিব ইকবাল আব্দুল্লাহ হারুন এ বিষয়ে বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই এবং এটি একটি সম্মিলিত টিমওয়ার্কের কাজ। তবে কেন এক লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তা খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
    এদিকে সরকার ঘোষিত ‘মাধ্যমমেয়াদি বাজেট কাঠামো’তে যে প্রকল্পগুলোকে উচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে অনেকগুলোকেও এই এক লাখ টাকার তালিকায় রাখা হয়েছে—যা নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এডিপির ভেতরের বৈষম্য নিয়ে এরই মধ্যে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
    নামমাত্র বরাদ্দ পাওয়া প্রকল্পগুলোর মধ্যে আছে কুষ্টিয়ার গড়াই নদীর ওপর সেতু নির্মাণ, খুলনার ভৈরব নদীর তীর সৌন্দর্যবর্ধন, জামালপুর নকশিপল্লী প্রকল্প, শেখ হাসিনা স্পেশালাইজড জুট টেক্সটাইল মিলস, বিএমআর অব কেরু অ্যান্ড কোং, চর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট প্রজেক্টসহ বহু প্রকল্প। প্রকল্পগুলো কতদিন চলবে বা কখন শেষ হবে—সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোও নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে পারছে না।
    অন্যদিকে, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্র বলছে, কয়েকটি প্রকল্পে বিদেশি ঋণ অনুমোদিত হলেও কার্যকর হতে দেরি হওয়ায় বা প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট জমা না দেওয়ার কারণে প্রকল্প থেমে আছে। অথচ বাজেট বইয়ে সেগুলোকে জীবিত রেখে সামান্য বরাদ্দ দেখিয়ে রাখা হয়েছে।
    এ বিষয়ে সাবেক পরিকল্পনা সচিব মামুন-আল-রশীদ বলেন, অনেক সময় ইচ্ছাকৃতভাবে এমন বরাদ্দ রাখা হয় যাতে সময় ও প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ভবিষ্যতে প্রকল্প পুনরায় সক্রিয় করা যায়। এর মাধ্যমে কিছু ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ হলেও জাতীয় স্বার্থে তা ব্যয়বহুল।
    বিশ্লেষকদের মতে, প্রকল্প বাতিল বা সংযুক্তির আগে সময়মতো মূল্যায়ন ও প্রকল্প কার্যকারিতার পর্যালোচনা জরুরি। প্রয়োজনে ‘ডেড প্রজেক্ট’ তালিকা প্রকাশ করে জনগণের সামনে স্বচ্ছতা আনা উচিত।
    সরকার ইতোমধ্যে জাতীয় উন্নয়ন কাঠামোতে (National Development Framework 2041) সময়মতো ও দক্ষ প্রকল্প বাস্তবায়নের উপর গুরুত্বারোপ করেছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এডিপির ভেতরে বহু প্রকল্প বছরের পর বছর ধরে শুধু কাগজে-কলমে চলমান, বাস্তব মাঠে তাদের অস্তিত্ব প্রায় শূন্য। এখন সময় এসেছে এই পুরনো প্রকল্প সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে এসে প্রকল্পভিত্তিক জবাবদিহিতা ও নিরীক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার। ●
    অকা/প্র/ই/ সকাল/২৫ মে, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.