Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    একক দেশনির্ভরতা পণ্যের দাম স্থিতিশীলতায় বড় বাধা

    এপ্রিল ২৭, ২০২২ ৪:৩৩ পূর্বাহ্ণUpdated:এপ্রিল ২৭, ২০২২ ৪:৩৩ পূর্বাহ্ণ1
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ● নিত্যপণ্য আমদানিতে একক দেশ নির্ভরতায় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার ক্ষেত্রে বড় বাধা তৈরি করেছে। কোনো পণ্য শুধু একটি দেশ থেকে আমদানি করে দেশের চাহিদা মেটানো এখন চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছে। এ ক্ষেত্রে এখন নানা সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

    কোনো দেশ তাদের অভ্যন্তরীণ কারণে রপ্তানি বন্ধ করে দিলে বা উৎপাদন কম হলে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বাজারে। সংশ্লিষ্ট পণ্যের বাজার বেসামাল হয়ে পড়ছে। এতে পণ্যের দাম চলে যাচ্ছে নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তখন পরিস্থিতি সরকারের পক্ষেও সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

    সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়া পাম অয়েল রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দিলে আন্তর্জাতিক বাজারে এর দাম দুদিনে ৩৮ শতাংশ বেড়ে যায়। দেশের বাজারেও ভোজ্যতেলে দাম বাড়তে থাকে। ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করলে একই অবস্থা দেখা দেয়। পেঁয়াজের কেজি ৩০০ টাকা ছাড়িয়ে যায়।

    এ ঝুঁকি কমাতে আমদানি নির্ভর পণ্যগুলো কোনো একক দেশের ওপর নির্ভর না করে বেশ কয়েকটি দেশ থেকে আমদানি করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাজার বিশ্লেষকরা। তারা বলেছেন, নানা কারণে কোনো একটি দেশের উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। একই সঙ্গে বিভিন্ন কারণে রপ্তানিও বন্ধ করতে পারে। এতে করে দেশের বাজারে কোনো সমস্যা সৃষ্টি না হয় সেজন্য বিভিন্ন দেশ থেকে একই পণ্য আমদানির উদ্যোগ নিতে হবে। এতে কোনো দেশ থেকে আমদানিতে সমস্যা হলে বিকল্প দেশগুলো থেকে কিছু কিছু করে আমদানি বাড়িয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হবে। এক্ষেত্রে খরচ বেশি হলেও তবুও নিত্যপণ্য আমদানিতে এ ধরনের বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়াটা জরুরি।

    কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, খাদ্য আমদানির ক্ষেত্রে একক দেশ নির্ভরতা পরিহার করেও একাধিক দেশ থেকে পণ্য আমদানির উদ্যোগ নিতে হবে। এতে কোনো দেশে সমস্যা হলে অন্য দেশ থেকে আমদানি বাড়ানো সম্ভব হবে। সংকটে হঠাৎ করে নতুন করে কোনো দেশ থেকে আমদানি কঠিন হয়ে পড়তে পারে। এজন্য আগে থেকেই আমদানির বিকল্প ব্যবস্থা রাখার প্রস্তাব করেছে সংস্থাটি।

    সূত্র জানায়, ইন্দোনেশিয়া পাম অয়েল রপ্তানি বন্ধ করে দিলে দেশের বাজারে সয়াবিন তেলসহ পাম অয়েলের দাম হু হু করে বেড়ে যায়। সরকারের নির্ধারিত দাম অনুযায়ী প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১৬০ টাকা ও পাম অয়েল ১৩০ টাকা করে বিক্রি করার কথা। কিন্তু প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ২০০ টাকা ও পাম অয়েল ১৭৫ টাকা লিটার বিক্রি হচ্ছে। ইন্দোনেশিয়ার ওই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারেও এর দাম বেড়ে যায়।

    বিশ্বব্যাপী পাম অয়েলের ৩৯ শতাংশই রপ্তানি করে ইন্দোনেশিয়া। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর সয়াবিন তেলের দাম বাড়ার কারণে ইন্দোনেশিয়ার বাজারে ভোজ্যতেলের দাম হু হু করে বেড়ে যায়। তাদের দেশের বাজারে তেলের দাম স্থিতিশীল রাখতে পাম অয়েল রপ্তানি বন্ধ করেছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় রপ্তানিকারক যখন রপ্তানি বন্ধ করল তখন বিশ্ববাজারেই এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

    দেশে বছরে শিল্প ও খাদ্য মিলে সাড়ে ২৪ লাখ টন ভোজ্যতেলের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে ২০ লাখ টন ব্যবহৃত হয় খাদ্য হিসাবে। বাকি সাড়ে ৪ লাখ টন ব্যবহৃত হয় শিল্প খাতে। দেশে মোট চাহিদার ৬৭ শতাংশই পাম অয়েল দিয়ে মেটানো হয়। বাংলাদেশ প্রতিবছর গড়ে ১৬ লাখ টন পাম অয়েল ও সাড়ে ৮ লাখ টন সয়াবিন তেল আমদানি করে। অর্থাৎ সয়াবিনের প্রায় দ্বিগুণ পাম অয়েল আমদানি হয়। এর মধ্যে ইন্দোনেশিয়া থেকে ৯ লাখ টন এবং মালয়েশিয়া ২ লাখ টন, সিঙ্গাপুর থেকে ৭ হাজার টন ও চীন থেকে ২৭০ টন পাম অয়েল আমদানি করে। ইন্দোনেশিয়া থেকে দেড় হাজার টন পাম অয়েল আমদানি এখনও অনিষ্পন্ন রয়েছে। এগুলো এখন আর আমদানি করা যাবে না।

    এদিকে বাণিজ্যি মন্ত্রণালয় থেকে ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর থেকে পাম অয়েল আমদানিরও প্রচেষ্টা চলছে। তবে সিঙ্গাপুরেও এর দাম বেড়ে গেছে। আগে সিঙ্গাপুরের বাণিজ্যিক রপ্তানিকারকরা (মালয়েশিয়া বা ইন্দোনেশিয়া থেকে কিনে সিঙ্গাপুরে পাইকারিভাবে বিক্রি করে) প্রতি টনে ৪০ ডলার ছাড় দিতেন। রোববার থেকে এ ছাড় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    পেঁয়াজ আমদানিতে বাংলাদেশ এককভাবে ভারতের ওপর নির্ভরশীল। দেশে পেঁয়াজের নিট উৎপাদন হয় ২৮ লাখ টন। এর বাইরে আরও ৬-৮ লাখ টন আমদানি করা হয়। এর মধ্যে ভারত থেকেই আমদানি করা হয় ৫-৭ লাখ টন। বাকি ১ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করে মিয়ানমার, মিসর, তুরস্ক থেকে। কিন্তু ভারতে পেঁয়াজের উৎপাদন কমে গেলে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। তখনই দেশে পেঁয়াজের দাম লাফিয়ে বাড়তে থাকে। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করলে এর দাম কেজিতে ৩০০ টাকায় উঠে। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরেও ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করছিল। ওই সময়েও দেশের পেঁয়াজের বাজার অস্থির হয়ে উঠে। দুই বছরই ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করলে মিয়ানমার, তুরস্ক থেকে আমদানি করা হয়। কিন্তু তাৎক্ষনিকভাবে ওইসব দেশ থেকে আমদানি করা জটিল হয়ে উঠে। আমদানির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ২-৩ মাস লেগে যায়। তত দিনে দেশি পেঁয়াজ বাজারে চলে আসে। ভারত প্রতিবেশী দেশ হওয়ায় এ দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির খরচ কম। মিয়ানমার থেকেও আমদানি খরচ কম। কিন্তু মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য খুবই কম। এছাড়া রোহিঙ্গা সংকটকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের শীতলতা থাকায় স্থল বাণিজ্য বন্ধ। খুবই সীমিত আকারে নৌপথে কিছু বাণিজ্য হচ্ছে। তুরস্ক থেকে আমদানিতে খরচ বেশি পড়ে।

    গমের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। বেশিরভাগ গম আমদানি করে রাশিয়া ও উইক্রেন থেকে। ওইসব দেশে গমের উৎপাদন কম হলেই আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়ে যায়। সাম্প্রতিক রাশিয়া ও উইক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ বাধায় আন্তর্জাতিক বাজারে গমের দাম বেড়ে গেছে। এর প্রভাবে বেড়েছে দেশের আটার দাম। ৩২ টাকা দামের আটা এখন বিক্রি হচ্ছে ৪২ টাকা কেজি। অথচ অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, আজেন্টিনাতেও গমের উৎপাদন ভালো। ওইসব দেশ থেকে গম আমদানিতে খরচ বেশি হওয়ায় সেসব দেশ থেকে পণ্যটি আমদানি করে না উদ্যোক্তারা।

    #

    অকা/প্র/দুপুর, ২৭ এপ্রিল, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    একক দেশনির্ভরতা পণ্যের দাম স্থিতিশীলতায় বড় বাধা

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.