Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    জীবিকার সংকটে দেশের অর্থনীতি

    মে ৭, ২০২২ ৪:৫৩ পূর্বাহ্ণ1
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    দীর্ঘসময় ধরে চলা করোনার কারণে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হয়। এতে বিনিয়োগে এক ধরণের স্থবিরতা চলে আসে। আগের অনেক ব্যবসা-বাণিজ্য সংকুচিত হয়েছে। নতুন করে কমেছে প্রসার। কাজের নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টি হওয়ার সুযোগও হ্রাস পেয়েছে। অনেকেই চাকরিচ্যুত হয়েছেন। কমেছে বেতন-ভাতা। নতুন কাজের সুযোগ তৈরি করা এবং বর্তমান কাজটি ধরে রাখাই এখন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সব মিলে জীবিকার সংকটে পড়েছে দেশের অর্থনীতি। দেশের পাশাপাশি বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও জীবিকার সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে।

    ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ‘গোবাল রিস্ক রিপোর্ট ২০২২’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ এসেছে। এতে বলা হয়েছে, ‘২০২২ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হচ্ছে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জীবিকার সংকট। এ সংকট থেকে উত্তরণ ঘটাতে হলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির কোনো বিকল্প নেই।

    এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, কোন খাতে কেমন দক্ষতা প্রয়োজন, আগামী ২০ বছর কোন খাতের বিকাশ কেমন হবে, তার ভিত্তিতে শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা জরুরি। তা না হলে বেসরকারি খাতের চাহিদা অনুযায়ী কর্মীও জোগান দেয়া যাবে না। এখনই দক্ষ শ্রমিক ও উচ্চ পর্যায়ের কর্মীর অভাব রয়েছে। ব্যাংকে ভালো এমডি পাওয়া যায় না। এসব বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষিত জনগোষ্ঠীকে পরিকল্পিতভাবে কর্মের উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। এজন্য দরকার আগাম সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা। তিনি বলেন, কর্মসংস্থানের গতি কমে যাওয়ায় অর্থনীতিতে জীবিকার সংকট হয়েছে। এ সংকট থেকে আগে উত্তরণ ঘটাতে হবে। এজন্য বিনিয়োগ বাড়ানো, ছোট ও কুটির শিল্পে বিকাশ ঘটাতে হবে।

    সূত্র জানায়, করোনার কারণে আগের কর্মসংস্থান যেমন অনেকে ধরে রাখতে পারেননি, তেমনি নতুন কর্মসংস্থানও হচ্ছে না। এতে শ্রমের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ২০২০ ও ২০২১ সালে করোনার কারণে বেসরকারি খাতে নতুন কোনো কর্মসংস্থান হয়নি বললেই চলে। উলটো চাকরি হারিয়েছেন অনেকে। সরকারি খাতেও খুবই কম চাকরির সংস্থান হয়েছে। প্রতিবছর গড়ে ২৬ থেকে ২৭ লাখ লোক নতুন করে শ্রমের বাজারে আসে।

    এ হিসাবে দুই বছরে এসেছে ৫২ থেকে ৫৪ লাখ লোক। এদের বেশিরভাগেরই কর্মসংস্থান হয়নি। আইএলওর হিসাবে আগে সাড়ে ৩ কোটি লোক বেকার ছিল। সব মিলে এখন বেকারের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ৪ কোটি টাকা। এছাড়া নতুন করে অনেকে চাকরি হারিয়েছেন। গত দুই বছরে স্বাস্থ্য ক্যাডারে বেশ কিছু পদে নিয়োগ হয়েছে। খুব সীমিত আকারে ব্যাংক ও অন্যান্য সরকারি খাতে কিছু নিয়োগ হয়েছে। যা চাহিদার তুলনায় একেবারেই কম।

    সর্বশেষ শ্রমশক্তি জরিপ হয়েছিল ২০১৬ সালে। ২০১৭ সালে ফল প্রকাশ করা হয়। ওই জরিপ অনুযায়ী মোট শ্রমশক্তির মধ্যে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী ৬ কোটি ৩৫ লাখ। এর মধ্যে কাজ করেন ৬ কোটি ৮ লাখ নারী-পুরুষ। বাকি ২৭ লাখ বেকার। ৬ বছর ধরে এ জরিপ হচ্ছে না। অথচ মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি দুই বছর পরপর জরিপ হওয়ার কথা।

    এদিকে বিবিএসের এই তথ্য অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। কেননা বিবিএস কৃষি শ্রমে যারা নিয়োজিত তাদেরও কর্মে নিয়োজিত বলে দেখিয়েছে। অথচ এদের বড় অংশই বেশিরভাগ সময় বেকার থাকে। তারা মৌসুমি শ্রমিক হিসাবে কাজ করে।

    আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনার কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বেকারত্ব বেড়েছে। দেশের কর্মক্ষম তরুণদের এক-চতুর্থাংশই হচ্ছে বেকার। ২০২২ সালে এদের কর্মসংস্থান করাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক সায়মা হকের নেতৃত্বে ২০২১ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে জরিপ চালানো হয়। এতে দেখা গেছে, করোনায় দেশে চাকরিচ্যুতি এবং কর্মহীনতা বেড়েছে। মহামারির প্রথম কয়েক মাসে দেশে অনেক মানুষ চাকরি হারিয়েছেন। এদের অনেকেই নতুন করে চাকরির বাজারে ঢুকতে পারেননি, অনেকে স্থায়ীভাবে শহর ছেড়ে গ্রামে ফেরত গেছেন।

    পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, মোট কর্মসংস্থানে সরকারি চাকরিতে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বেসরকারি চাকরি ১৪ দশমিক ২ শতাংশ, অপ্রাতিষ্ঠানিক ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে ৬০ দশমিক ৯ শতাংশ এবং অন্যান্য খাতে ২১ দশমিক ১ শতাংশ।

    অর্থনীতি সমিতির সাবেক সভাপতি ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ মইনুল ইসলাম বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। দেশ থেকে যে টাকা পাচার হয়ে যায় সেগুলো স্থানীয়ভাবে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। দেশ থেকে পুঁজি নিয়ে বিদেশে বিনিয়োগের যে সুযোগ দেওয়া হয়েছে তা না করে সেই পুঁজি দেশেই বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। এতে কর্মসংস্থান বাড়বে। বেকারত্ব কমবে। আগে দেশের বেকারত্ব নিরসন না করে বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়াটা ঠিক হয়নি। এতে অর্থনৈতিক বৈষম্য আরও বাড়বে।

    বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) জরিপে দেখা গেছে, দেশে উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে বেকারত্বের হার ৩৪ শতাংশ, আর স্নাতক পর্যায়ে এই হার ৩৭ শতাংশ। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী দশ বছরে কোন শিল্প খাতে কেমন কর্মী দরকার হবে এবং কী ধরনের দক্ষতা প্রয়োজন পড়বে-এই প্রজেকশন না থাকলে, শিল্প খাতের চাহিদা অনুযায়ী কর্মী জোগান দেওয়া সম্ভব হবে না। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে অনেক গ্রাজুয়েট তৈরি হবে, কিন্তু চাহিদামতো কর্মী তৈরি করা সম্ভব হবে না।

    দেশের শ্রমশক্তি জরিপের বেকারত্বের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, ১৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের এমন ব্যক্তিকে বেকার বিবেচনা করা হয়েছে, যে সক্রিয়ভাবে কাজের সন্ধান করে বা কাজের জন্য তৈরি থাকা সত্ত্বেও কোনো কাজ পাননি।

    ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) মতে, বাংলাদেশে শিক্ষিত বেকারের হার সবচেয়ে বেশি। প্রতি ১০০ জন স্নাতক ডিগ্রিধারীর মধ্যে ৪৭ জনই বেকার। অর্থাৎ প্রতি দুজনে একজন বেকার। এ মুহূর্তে ১৮-২৮ বছর বয়সি যে সংখ্যক যুবক আছেন, তাদের তিনজনে একজন বেকার। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের চেয়ে বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের হার কম।

    আইএলও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশে বেকারের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৩ কোটি। করোনার কারণে ক্ষতি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব না হলে কয়েক বছরে তা দ্বিগুণ হয়ে ৭ কোটিতে দাঁড়াবে। কেননা প্রতিবছর শ্রমবাজারে যারা আসছেন তাদেরও কর্মসংস্থান হচ্ছে না।

    এদিকে করোনার পর থেকে চাকরির বিজ্ঞাপন বহুলাংশে কমে গেছে। করোনার পর চাকরির বিজ্ঞাপন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ কমে যায়। তবে এ বছরের মার্চের পর থেকে বাড়ছে। সেটা এখনো আগের তুলনায় ৫০ শতাংশ কম।

    বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানার বহু শ্রমিক করোনার আঘাতে চাকরি হারিয়েছেন। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) গবেষণা অনুযায়ী যার সংখ্যা তিন লাখ ৫৭ হাজার, যা মোট শ্রমিকের ১৪ শতাংশ। এদের অনেকে কাজে ফিরে যেতে পারেননি।

    বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, গার্মেন্টে চাহিদা অনুযায়ী কর্মী পাওয়া যাচ্ছে না। যে কারণে গার্মেন্টে এখন অনেক বিদেশি কর্মী উচ্চ পদে কাজ করে। উচ্চপদে নিয়োগ দেওয়ার জন্য অভিজ্ঞ কর্মী তৈরি করাটা এখন জরুরি।

    #

    অকা/প্র/দুপুর, ৭ মে, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    জীবিকার সংকটে দেশের অর্থনীতি

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.