Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    বুধবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ১০ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    দুই অঙ্ক ছুঁইছুঁই করছে দেশের মূল্যস্ফীতি

    এপ্রিল ৪, ২০২৩ ৫:১৭ পূর্বাহ্ণ2
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    দুই অঙ্ক ছুঁইছুঁই করছে দেশের মূল্যস্ফীতি। এতে ক্রয় ক্ষমতা কমে যাওয়ায় দুর্বিষহ দিন কাটাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। ফেব্রুয়ারিতে এক ধাপ বৃদ্ধির পর রোজার আগে আরও এক ধাপ বেড়েছে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি। সেই সঙ্গে বেড়েছে খাদ্যপণ্যেও। মার্চে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশে, যা ফেব্রুয়ারি মাসে ছিল ৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ। এছাড়া খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৯ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ। তবে সামান্য কমে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ, যা তার আগের মাসে ছিল ৯ দশমিক ৮২ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ‘ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই)’ শীর্ষক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য।

    প্রতিবেদনটি আজ মঙ্গলবার উপস্থাপন করা হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামনে। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করবেন বলে জানা গেছে।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিবিএসের মহাপরিচালক মোহাম্মদ মতিয়ার রহমান বলেন, মূল্যস্ফীতি কত হয়েছে সেটি প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপনের আগে আমার বলার কোনো সুযোগ নেই। তবে কেন বাড়ছে সেটি বলা যায়। এক্ষেত্রে আমরা যখন বাজার থেকে তথ্য সংগ্রহ করি তখন রোজার মাস শুরুর সময়টা। এ সময় সাধারণত মানুষ ব্যাপক কেনাকাটা করে। বিশেষ করে ফুড আইটেমের বিক্রি বেড়ে যায়। এরই প্রভাব পড়েছে মূল্যস্ফীতির ক্ষেত্রে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রোজার আগে হওয়ার পরও তথ্য সংগ্রহের সময় বদলানো হয়নি। কেননা আমরা চেয়েছি বাজারের প্রকৃত চিত্রটা উঠে আসুক। মার্চের হিসাবে সেটারই প্রতিফলন ঘটেছে।

    বিবিএসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মূল্যস্ফীতির সঙ্গে বেড়েছে মজুরি হারের সূচকও। এক্ষেত্রে মার্চ মাসে মজুরি সূচকের শতকরা হার দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ১৮, যা ফেব্রুয়ারি মাসে ছিল ৭ দশমিক ১১। এক্ষেত্রে এক মাসের ব্যবধানে মজুরি বেড়েছে শূন্য দশমিক ৫৮ শতাংশ।

    গত বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকে মূলস্ফীতির হার কমতে শুরু করে জানুয়ারি পর্যন্ত টানা পাঁচ মাস ধারাবাহিকভাবে কমেছে। কিন্তু ফেব্রুয়ারিতে এসে হঠাৎ করেই বাড়তে শুরু করে মূল্যস্ফীতি। এবার মার্চেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। তবে এর পেছনে নানা কারণ তুলে ধরেছেন অর্থনীতিবিদরা। ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইএনএম) নির্বাহী পরিচালক ড. মোস্তফা কে. মুজেরী যুগান্তরকে বলেন, প্রধানত তিনটি কারণে হঠাৎ করে বাড়ছে দেশের মূল্যস্ফীতি। এগুলো হলো-রমজান মাসের কারণে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে নিয়েছেন। বাজার ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং সিন্ডিকেটের জন্য তারা ইচ্ছেমতো দাম বাড়িয়ে নিতে পেরেছেন। এবার বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকটের দোহাই দিয়ে দাম বাড়ানোর আরও সুযোগ পান তারা। এটা মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির একটি বড় কারণ। এছাড়া সার্বিকভাবে বিশ্ব পরিস্থিতি এখনো অনেক ক্ষেত্রে অনুকূল নয়। অনিশ্চয়তা রয়েই গেছে। সেই সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে অস্থিরতা চলছে। বিশেষ করে ডলারের চাহিদা ও সরবরাহে ঘাটতি আছে। তাই সরবরাহে ঘাটতি মূল্যস্ফীতিতে ইন্ধন জুগিয়েছে।

    সূত্র জানায়, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে গত বছরের আগস্ট মাসে এক যুগের মধ্যে দেশে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি হয়েছিল। মাসভিত্তিক সার্বিক মূল্যস্ফীতির দাঁড়ায় ৯ দশমিক ৫ শতাংশে। যেটি ছিল তার আগের ১২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। সেপ্টেম্বরে তা সামান্য কমে দাঁড়িয়েছিল ৯ দশমিক ১ শতাংশে। এর আগে ২০১০-১১ অর্থবছরে দেশের গড় মূল্যস্ফীতির হার ছিল ১০ দশমিক ৯২ শতাংশ। এরপর আর এত বেশি ওঠেনি এই হার। গত ৫ আগস্ট সরকার জ্বালানি তেলের দাম ৪২ থেকে ৫১ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করে। ডিজেলের দাম লিটারে ৩৪ টাকা, অকটেনের দাম লিটারে ৪৬ টাকা ও পেট্রোলের দাম লিটারে ৪৪ টাকা বাড়ানো হয়। এটি ছিল একবারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির রেকর্ড। এর পরপরই সব ধরনের পরিবহণ ভাড়াও বাড়ানো হয়। এরই প্রভাব পড়ে দেশের অন্যান্য পণ্যের দামের ওপর। এরপর গত ২৯ আগস্ট দাম সমন্বয়ের নামে জ্বালানি তেলের দাম ৫ টাকা কমায় সরকার। সব কিছু মিলিয়ে তখন মূল্যস্ফীতির বৃদ্ধি স্বাভাবিক বলেই মনে করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু এখন আন্তর্জাতিক বাজারে সব ধরনের পণ্যের দাম কমে গেলেও বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি আবার ঊর্ধ্বমুখী ধারায় ফিরে আসায় আগামী মাসগুলোতেও মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির শঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

    বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন বলেন, মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে জোগান ও চাহিদা উভয় ক্ষেত্রই দায়ী। অর্থাৎ গত জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে সরকার তিন দফায় বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। সেই প্রভাব নিত্যপণ্যে পড়তে কিছুটা সময় লাগে। চট করে তো পড়বে না। ফলে এখন পণ্যমূল্য বেড়ে মূল্যস্ফীতি বাড়াচ্ছে। এই ধারাবাহিকতা এপ্রিলেও থাকতে পারে। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম কমলেও সরকার নিয়ন্ত্রিত পণ্যমূল্য সমন্বয় করা হয়নি। যেমন জ্বালানি তেলের দাম আগে যা ছিল এখনো তাই আছে। সেই সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমায় আমদানি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। ফলে জোগানের ওপর প্রভাব পড়ছে। এদিকে চাহিদা ক্ষেত্রে দেখা যায়, সরকার বাজেট ঘাটতি কমাতে পারেনি। বরং এই ঘাটতি আরও বেড়েছে। ঘাটতি পূরণের ক্ষেত্রে এর অর্থায়ন পদ্ধতিও ঠিক নেই। সরকার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ব্যাপক ধার নিচ্ছে। ফলে টাকা ছাপানোর মতো অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এই অর্থ বাজারে প্রভাব ফেলছে। পাশাপাশি নতুন রিফাইন্যান্সিং স্কিমে সরকার প্রায় ৫০-৭০ হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে। সস্তায় দেওয়া এই অর্থ বাজারে প্রভাব ফেলছে। যেটি মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে।

    অকা/প্র/ সকাল, ০৪ এপ্রিল, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    দুই অঙ্ক ছুঁইছুঁই করছে দেশের মূল্যস্ফীতি

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.