Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    বুধবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ১০ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    সর্বজনীন পেনশনের অর্থ বিনিয়োগ নিরাপদ খাতেই

    আগস্ট ৩০, ২০২৩ ৪:১৩ পূর্বাহ্ণUpdated:আগস্ট ৩০, ২০২৩ ৪:১৩ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির চাঁদার অর্থ নিরাপদ খাতেই বিনিয়োগ করা হবে। প্রাথমিকভাবে সরকারের ট্রেজারি বিল ও বন্ডে এ অর্থ বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান কবিরুল ইজদানী খান।

    কবিরুল ইজদানী খান বলেন, জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের অধীনে দুটি তহবিল থাকবে। একটি তহবিলে সরকার সরাসরি অর্থ দেবে। সেই অর্থ দিয়েই জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং অফিসের ব্যয় বহন করা হবে। অন্য তহবিলে জমা হবে পেনশনের চাঁদার অর্থ। সেই অর্থ কোথায় বিনিয়োগ হবে, সেটি নির্ধারণ করবে তহবিল ব্যবস্থাপনা কমিটি। সেই কমিটিতে ব্যাংকার, অর্থনীতিবিদ, নাগরিক সমাজ ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিসহ অনেকে থাকবেন। প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত ও নিরাপদ জায়গায় বিনিয়োগ করা হবে, যাতে করে এ অর্থ সুরক্ষিত থাকে এবং মুনাফাও হয়। ভবিষ্যতে একসময় এই তহবিলে অর্থ জমা অনেক বেড়ে যাবে। তখন প্রয়োজনে দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর মতো বড় প্রকল্পে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের পরিকল্পনাও আছে।

    ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের সংগঠন মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি বা এমসিসিআইয়ের রাজধানীর মতিঝিল কার্যালয়ে গতকাল মঙ্গলবার আয়োজিত সর্বজনীন পেনশন নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন কবিরুল ইজদানী খান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এমসিসিআইয়ের সভাপতি মো. সায়ফুল ইসলাম। এতে বেসরকারি খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    সর্বজনীন পেনশন নিয়ে উপস্থিত অনেকের প্রশ্নের জবাব দেন কবিরুল ইজদানী খান। সরকার পরিবর্তন হলে এই পেনশন কর্মসূচি থাকবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সরকার পরিবর্তন, সরকারের দীর্ঘস্থায়িত্ব ও সরকারের উন্নয়ন একটি প্রেক্ষিত। আরেকটি প্রেক্ষিত হচ্ছে, জনগণ কী চায়। জনগণ তাঁর আয়ের নিশ্চয়তা চান। পেনশন কর্মসূচির বড় বিষয় হচ্ছে আস্থা। সাধারণ মানুষ স্বেচ্ছায় অংশ নিচ্ছেন; কেউ বাধ্য করছে না। সরকার উদ্যোগ নিয়ে এটি চালু করেছে। যাঁরা পেনশনের চাঁদা জমা দিচ্ছেন, সেটি তাঁদের ব্যাংক হিসাবে জমা হচ্ছে। সেই অর্থ পেনশন কর্তৃপক্ষের কাছে যাচ্ছে না। কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব হচ্ছে, জমাকৃত অর্থ সঠিক জায়গায় বিনিয়োগ করে মুনাফাসহ ফেরত দেওয়া।’

    মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে কবিরুল ইজদানী খান বলেন, ‘পেনশন হচ্ছে সুরক্ষা, সম্পত্তি নয়। পেনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে বর্তমানের আয় থেকে একটা নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থ জমা করলে অবসরকারকালে ভাতা পাওয়া যাবে, যা বৃদ্ধ বয়সের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। ফলে জমিজমা কিংবা অন্য কোনো সম্পদের সঙ্গে পেনশনকে তুলনা করা ঠিক হবে না। পেনশনের অর্থের হেফাজতকারী হচ্ছে সরকার। তবে চাঁদাদাতার নামেই অর্থ জমা হবে। পেনশন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা জমার চেয়ে পাবেন বেশি। এই হিসাব-নিকাশে মূল্যস্ফীতিও আছে। তিনি আরও বলেন, বাজারে সঞ্চয়ের অনেক পণ্য আছে। যেটি ভালো সেটি গ্রহণ করবেন। পেনশন কর্মসূচিতে কোনো ত্রুটি থাকলে তুলে ধরবেন। আমরা এটিকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে চাই।’

    সরকারি কর্মচারীরা অবসরে গেলে পেনশনের একটি অংশ এককালীন তুলতে পারেন। তবে সেই সুযোগ থাকবে না সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে। যদিও চাঁদাদাতা ব্যক্তি চাইলে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসা, বাড়ি নির্মাণ বা মেরামত ও সন্তানের বিয়ের খরচের জন্য পেনশন বাবদ জমাকৃত অর্থের ৫০ শতাংশ ঋণ হিসেবে নিতে পারবেন। যা পেনশন কর্তৃপক্ষের ধার্য করা ফিসহ সর্বোচ্চ ২৪ কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে।

    এমসিসিআইয়ের আলোচনায় পেনশন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা এমনটাই জানান। তাঁরা আরও জানান, বর্তমানে চারটি কর্মসূচি বা স্কিমের মাধ্যমে পেনশন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া যাচ্ছে। তার মধ্যে এখন পর্যন্ত প্রগতি কর্মসূচিতে (বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য) বেশি সাড়া মিলছে। স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য চালু হওয়া সমতা কর্মসূচিতে চাঁদাদাতা দেবেন ৫০০ টাকা। বাকি ৫০০ টাকা দেবে সরকার। যাঁদের বার্ষিক আয় ৬০ হাজার টাকার কম, তাঁরা এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারবেন। তবে সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির অধীনে থাকা ১ কোটি ৮০ লাখ মানুষ যাঁরা বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতাসহ বিভিন্ন ভাতা পাচ্ছেন, তাঁরা এই সমতা কর্মসূচির বাইরে থাকবেন আপাতত।

    পেনশন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানান, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোনো ব্যক্তি প্রগতি কর্মসূচিতে (স্কিম) চাঁদা প্রদান শুরুর পর যদি কখনো ব্যবসা শুরু করেন, তখন তিনি আবার সুরক্ষা কর্মসূচিতে স্থানান্তরিত হতে পারবেন। অন্য কর্মসূচির ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য। এমনকি মাসে পাঁচ হাজার টাকা চাঁদা দিয়ে আসা কোনো চাঁদাদাতা যদি চাঁদার হার কম বা বেশি করতে চান, তা–ও করতে পারবেন। মূলত চাঁদাদাতার ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত যে অর্থ জমা হবে, তার সঙ্গে মুনাফা যুক্ত করে মাসিক ভিত্তিতে আজীবন পেনশন দেবে কর্তৃপক্ষ।

    অন্যদিকে প্রবাসীদের জন্য চালু হওয়া প্রবাস কর্মসূচিতে বর্তমানে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডধারী প্রবাসী বাংলাদেশিরা এই কর্মসূচিতে নিবন্ধন ও চাঁদা দিতে পারছেন। ভবিষ্যতে অন্যরাও পারবেন। মার্কিন ডলারে পেনশনের চাঁদা দেওয়ায় আড়াই শতাংশ প্রণোদনা পাবেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। কখনো যদি তাঁরা স্থায়ীভাবে দেশে ফিরে আসেন, তাহলে পেনশন কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। তাহলে তিনি টাকায় কিস্তি পরিশোধ করতে পারবেন।

    কবিরুল ইজদানী খান বলেন, সঞ্চয়পত্রের মুনাফার অর্থ যেভাবে গ্রাহকদের ব্যাংক হিসাবে পৌঁছে যায়, একইভাবে পেনশনের অর্থ মাসে মাসে চাঁদাদাতার ব্যাংক হিসাবে চলে যাবে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তার কর্মীদের পেনশন কর্মসূচিতে যুক্ত করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে কর্মীরা তাঁদের জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি দিয়ে নিবন্ধন করবে। ভবিষ্যতে অন্য কোনো কোম্পানিতে চাকরি নিলেও সংশ্লিষ্ট কর্মীর পেনশন কর্মসূচি বহাল থাকবে।

    স্বাগত বক্তব্যে এমসিসিআইয়ের সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের জন্য ভবিষ্য তহবিল ও গ্র্যাচুইটি চালু আছে। তারা চাইলে এসবের পাশাপাশি পেনশন কর্মসূচি চালু করতে পারে। সরকার এখানে জিম্মাদার হিসেবে রয়েছে। অনেক কোম্পানিতে ভবিষ্য তহবিল ও গ্র্যাচুইটির অর্থ পাওয়া নিয়ে অবিশ্বাস আছে। এ ক্ষেত্রে সর্বজনীন পেনশন অনন্য; কারণ, এটির দায়দায়িত্ব সরকারের।

    পেনশনের টাকা পেতে জুতার তলা ক্ষয় হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য সচিব মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, জুতার তলা ক্ষয় হওয়ার দিন শেষ। এখন আঙুল ক্ষয় করতে হবে। কারণ, টাকা ও বিতরণ অনলাইনেই হবে।

    অকা/প্র/ সকাল, ৩০ আগস্ট, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    সর্বজনীন পেনশনের অর্থ বিনিয়োগ নিরাপদ খাতেই

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.