Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    চিনি আমদানিতে নির্ধারিত শুল্ক কমানের পদক্ষেপকে ব্যর্থ করে দিয়ে দাম বেড়েছে

    মার্চ ৩, ২০২৪ ৪:৫৬ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    মূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য সরকার সম্প্রতি নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য চিনি আমদানিতে নির্ধারিত শুল্ক কমিয়েছে। কিন্তু সরকারের এ পদক্ষেপকে ব্যর্থ করে দিয়ে দাম বেড়েছে চিনির।

    নির্ধারিত শুল্ক প্রতি কেজিতে ৫০ পয়সা কমানোকে ন্যূনতম বলে উল্লেখ করে আমদানিকারকেরা বলছেন, তাদের এখনও ৪২ টাকা শুল্ক দিতে হয়।

    ২২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন কর্তৃক উৎপাদিত লাল চিনির (ব্রাউন সুগার) দাম প্রতি কেজি ২০ টাকা বাড়ানোর ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর শিল্প মন্ত্রণালয় সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। দাম না বাড়ানো হলেও এ ঘোষণা এবং সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দোলাচলে চিনির দাম কেজিতে ৪–৫ টাকা বেড়ে গেছে।

    ব্যবসায়ীদের তথ্যমতে, গত সপ্তাহে দেশের বৃহত্তম পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে প্রতি মণ চিনির দাম (৩৭ দশমিক ৩২ কেজি) ১২০ থেকে ১৪০ টাকা বেড়েছে। প্রতি মণ চিনির গড় দাম গতকাল (২ মার্চ) ছিল পাঁচ হাজার থেকে পাঁচ হাজার ২০ টাকা। একই পরিমাণ চিনি গত এক সপ্তাহ আগে চার হাজার ৮৮০ থেকে চার হাজার ৯০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

    এর প্রভাবে খুচরা পর্যায়ে চিনির দাম বেড়েছে কেজিতে পাঁচ টাকা। চট্টগ্রাম নগরীর কাজীর দেউড়ি এলাকার দোকানদার এনাম উদ্দিন দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, গত সপ্তাহে বাজারে চিনির দাম ১৪০–১৪৫ টাকা থেকে বেড়ে বর্তমানে ১৪৫–১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    এর আগে ৮ ফেব্রুয়ারি সরকার চিনি আমদানির ওপর নির্ধারিত শুল্ক টনপ্রতি দেড় হাজার টাকা থেকে কমিয়ে এক হাজার টাকা করে। অর্থাৎ প্রতি কেজিতে ৫০ পয়সা কমানো হয়েছে।

    আমদানিকারকেরা বলছেন, প্রতি কেজিতে ৫০ পয়সা করে নির্ধারিত শুল্ক কমানোর ফলে চিনির দামে তেমন প্রভাব পড়েনি। তারা বলছেন, সরকারের অতিরিক্ত শুল্ক আদায়ের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ দামে স্থানীয় বাজারে চিনি বিক্রি করতে হচ্ছে।

    চিনি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সিটি গ্রুপের ডিজিএম (বিক্রয়) প্রদীপ করণ বলেন, 'সাম্প্রতিক শুল্ক কমানোয় প্রতি কেজির দাম কমেছে মাত্র ৫০ পয়সা। তবে আমদানি করা চিনির প্রতি কেজিতে এখনও ৪২ টাকা শুল্ক নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৫ শতাংশ ভ্যাট, ৩০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক ও ২ শতাংশ অগ্রিম আয়কর।'

    অতিরিক্ত শুল্ক এবং আমদানিতে ডলারের বাড়তি মূল্য পরিশোধের কারণে দেশীয় বাজারে চিনির দাম কমছে না, ব্যাখ্যা করেন তিনি।

    তথ্যপোর্টাল ইনডেক্সমুন্ডি অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি কেজি চিনির বর্তমান বুকিং দর গড়ে ৫৭ দশমিক ৭৫ সেন্ট (৬৯ টাকা)।

    চিনি শিল্প বিষয়ক একটি পোর্টাল চিনিমান্ডি অনুসারে, এমনকি প্রতিবেশী ভারতের বিভিন্ন রাজ্যেও চিনি বিক্রি হচ্ছে ৩৮–৪৩ টাকায় (৫০–৫৭ টাকার সমতুল্য)। তবে বাংলাদেশের বাজারে চিনি বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায়।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ব্যবসায়ী বলেন, 'আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি কেজি চিনির ক্রয়মূল্য ৬৯ টাকা। কিন্তু ৪২ টাকা শুল্ক আরোপ এবং পরিবহন ও পরিশোধন ব্যয় ১২ টাকা মিলিয়ে পাইকারি বাজারে চিনি পৌঁছাতে আমাদের খরচ হচ্ছে ১২৩ টাকা। তাহলে আন্তর্জাতিক বাজার কিংবা পাশের দেশের সঙ্গে দেশীয় বাজারের চিনির দামের তুলনা কীভাবে হবে?'
    ভোগ্যপণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেঘনা গ্রুপের ডিজিএম তাসলিম শাহরিয়ার বলেন, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে চিনির দামের তফাৎ দ্বিগুণ হওয়ায় বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন আমদানিকারকেরা। 'এ সুযোগে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে দেশে চিনি পাচার হচ্ছে। ফলে আমদানিকৃত চিনির বিক্রি কমেছে,' বলেন তিনি।

    এমনকি আমদানি খরচের সঙ্গে দামের সমন্বয় না হলেও চোরাই চিনির চাপে আমদানিকৃত চিনির দাম কমে যাচ্ছে বলে জানান তিনি। 'এতে ডলারের বাড়তি মূল্য দিয়ে চিনি আমদানি করে লোকসানের ঝুঁকিতে রয়েছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো,' বলেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৪০০ ট্রাক চিনি দেশে প্রবেশ করছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চিনি সিলেট, মৌলভীবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, জামালপুর ও ফেনী সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করে বলে জানান তসলিম শাহরিয়ার।

    স্বাভাবিক সময়ে মেঘনা গ্রুপ প্রতিদিন ৬০–৭০ হাজার বস্তা চিনি বিক্রি করলেও চোরাই চিনির প্রভাবে বর্তমানে তা ৪০ হাজারে নেমে এসেছে বলে দাবি করেন এ কর্মকর্তা।

    সীমান্ত দিয়ে দেশে চোরাই চিনি প্রবেশ বাড়ার প্রমাণ মিলেছে পুলিশের তথ্যেও। গত সপ্তাহে বাজার অস্থির হওয়ার পরপরই সিলেটের তেমুখী এলাকা থেকে ১৪০ বস্তা ভারতীয় চিনি জব্দ করেছে পুলিশ।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট মহানগর পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, 'সম্প্রতি সীমান্ত দিয়ে অবৈধ চিনির সরবরাহ বেড়েছে। তাই আমরা বিষয়টি নিয়ে খুব সতর্ক আছি।'

    ২০২৩ সালের আগস্টে অবৈধ পথে চিনি সরবরাহ বন্ধের অনুরোধ জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সরকারের বিভিন্ন বিভাগে চিঠি দেয় বাংলাদেশ সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

    চিঠিতে বলা হয়, সম্প্রতি ভারত থেকে অবৈধভাবে নিম্নমানের চিনি দেশে প্রবেশ করছে। এতে একদিকে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে দেশীয় চিনি শিল্পের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।

    কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অভ বাংলাদেশের (ক্যাব) সহ-সভাপতি এসএম নাজের হোসাইন বলেন, দেশে রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি চিনি কারখানায় উৎপাদন কম। 'এর ফলে চিনি এখন আমদানি নির্ভর খাত। তাই এ প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের দাম কমাতে সরকারকে যৌক্তিক শুল্ক নির্ধারণ করতে হবে,' বলেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, '৭০ টাকা আমদানি মূল্যের এক কেজি চিনিতে ৪২ টাকা শুল্ক আদায় ভোক্তাদের ওপর জুলুমের শামিল।' বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলো বাস্তবতার চেয়ে বেশি লোক দেখানো বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    তবে নাজের হোসাইন বলেন, 'চিনির চোরাচালান বন্ধ করতে হলে আমদানিকারকদেরও অতিরিক্ত মুনাফা থেকে বেরিয়ে এসে যৌক্তিক মূল্যে পণ্য বিক্রি করতে হবে।'

    খাদ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে চিনির বার্ষিক চাহিদা প্রায় ১৮–২০ লাখ টন। এর মধ্যে সরকারি মিলগুলো একসময় দেড়–দুই লাখ টন চিনি উৎপাদন করত। তবে ১৫টি সরকারি চিনিকলের মধ্যে ৬টির উৎপাদন বন্ধ থাকায় বর্তমানে উৎপাদন ৫০ হাজার টনের নিচে নেমে এসেছে। এ কারণে দেশের চিনি খাতের প্রায় পুরোটাই বেসরকারি মিলগুলোর ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।

    অকা/প্র/সকাল/৩ মার্চ, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    চিনি আমদানিতে নির্ধারিত শুল্ক কমানের পদক্ষেপকে ব্যর্থ করে দিয়ে দাম বেড়েছে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.