Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    চাল সংকট : আমদানিই সমাধান

    জুন ৫, ২০২২ ৪:৫৪ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    দেশব্যাপী অভিযান চালালেও চালের বাজারে সুখবর পাচ্ছেন না ক্রেতারা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চালের বাজার ঠিক রাখতে খাদ্য মন্ত্রণালয় সঠিক সময়ে পদক্ষেপ নেয়নি। হঠাৎ করে অভিযান চালালেও প্রত্যাশিত সুফল মিলছে না।

    অভিযানের কারণে বাজারে সাময়িক প্রভাব পড়লেও দীর্ঘমেয়াদে সুফল দেবে না। বর্তমান পরিস্থিতিতে চাল আমদানির প্রক্রিয়া শুরু করলে চালের বাজার প্রত্যাশিত অবস্থানে যাবে বলে মনে করছেন মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারক, বিশেষজ্ঞ ও মাঠপর্যায়ের পর্যবেক্ষকরা।

    তারা বলছেন, করপোরেট ব্যবসায়ী ও মিল মালিকরা পরিকল্পিতভাবে চালের বাজার উত্তপ্ত করেছে। সেটা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

    খাদ্য সচিব ড. নাজমানারা খানুম বলেন, ‘চালের বাজার যে পর্যায়ে চলে গেছে সেখান থেকে আমাদের (অর্থাৎ সরকার) প্রত্যাশিত পর্যায়ে আনতে বেসরকারিভাবে চাল আমদানি প্রয়োজন বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি।’

    তিনি বলেন, ‘চাল আমদানির বিষয়টা আমরা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এককভাবে নিতে পারি না। সোমবার ফুড প্ল্যানিং অ্যান্ড মনিটরিং কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হলে চাল আমদানির বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

    খাদ্য সচিব যুক্তি দিয়ে বলেন, ‘প্রান্তিক পর্যায়ের অনেক কৃষক তাদের ধান বিক্রি করে ফেলেছেন। এখন বড় কৃষকদের মধ্যে যাদের হাতে ধান আছে তারাও বিক্রি করে দিচ্ছেন। সরকার চাল আমদানি করার প্রক্রিয়া শুরু করতে করতে কৃষকের হাতে কোনো ধান থাকবে না। তাই তখন চাল আমদানিতে কোনো সমস্যা আছে বলে আমার মনে হয় না।’

    দ্য মন্ত্রণালয়ের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, যেভাবে হুট করে অভিযানে নামা হয়েছে তাতে ভালো ফল আসার সম্ভাবনা কম। একাধিক কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, দেশের মিল মালিক, করপোরেট ব্যবসায়ী, মধ্যম মানের ব্যবসায়ী এবং কৃষকদের কার কাছে কত শতাংশ ধান-চাল মজুত আছে তার সঠিক পরিসংখ্যান সরকারের হাতে নেই।

    অন্যদিকে করপোরেট ব্যবসায়ীরা চাল ব্যবসায় আসার পর থেকে অনেক মিল মালিক তাদের বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে আলোচনা বা নীতিমালা করার কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

    এখন অভিযান চালানোর মধ্যেই তাদের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছে ভোক্তা অধিদপ্তর। জেলা পর্যায়ের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেছেন, অভিযান আর আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সাময়িক ফল পাওয়া গেলেও দীর্ঘমেয়াদি ফল পেতে গেলে চাল আমদানির বিকল্প নেই।

    তাদের মতে, অনেক করপোরেট ব্যবসায়ী ও মিল মালিকরা প্রতিযোগিতা করে ধান কিনেছেন। তারা সাময়িক চাপে অল্প দাম কমালেও কয়েকদিন পরই আবার আগের রূপে ফিরে যাবেন।

    তাই এখন আন্তর্জাতিক বাজার ইতিবাচক আছে, কিছু আমদানির অনুমতি দিলেই চালের বাজার শান্ত হয়ে যেতে বাধ্য। উদাহরণ দিয়ে একজন কর্মকর্তা বলেন, সাধারণ কৃষকদের মধ্যে যারা ধান বিক্রি করার তারা করে ফেলেছেন।

    তাই এখন চাল আমদানি করলেও কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না। সংশ্লিষ্টরা আরও বলেছেন, ধানের আগামী মৌসুমের উৎপাদন প্রায় ৬ মাস সময় লাগবে। এর মাঝে চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে আমদানির পথেই হাঁটতে হবে সরকারকে।

    এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব আবদুল লতিফ মণ্ডল বলেন, ‘পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে সরকারকে চাল আমদানি করতে হবে, এটা ঠিক। কিন্তু বোরোর ভরা মৌসুমে এমন সিদ্ধান্তের দিকে যাওয়া খুবই দুঃখজনক বিষয়।’তিনি বলেন, ‘মিল মালিকরা ধান কিনে প্রয়োজনীয় চাল উৎপাদন করছে না। যতটুকু চাল উৎপাদন হচ্ছে তাও করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোকে দিচ্ছে। ফলে বাজারে নতুন চাল না আসায় চালের দাম কমছে না।’তিনি বলেন, ‘মিল মালিকরা যে বাজারে চাল ছাড়ছে না সেটা মন্ত্রী নিজেই বলেছেন। এই বিষয়টা মন্ত্রণালয় বাজার তদারকির মাধ্যমে কেন আগে বুঝতে পারল না। চালের দাম বৃদ্ধির পর সেটা বুঝলে তো হবে না।’

    ঢাকার বাদামতলী ও বাবুবাজার চাল আড়তদার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজি মো. নিজামউদ্দিন ৪০ বছরের বেশি সময় চালের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তিনি বলেন, বোরোর এমন সময় চালের দামের চিত্র খুবই বিস্ময়কর। এটা কোনোভাবেই মানা যায় না। অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বলেন, ব্যবসায় এক টাকা-পঞ্চাশ পয়সা ব্যবসা হলেই আমরা অনেক খুশি হয়ে যেতাম। কিন্তু এখন বড় বড় ব্যবসায়ী ও মিল মালিকরা শুধু চালটা প্যাকেটে ভরেই কয়েক টাকা দাম বাড়িয়ে দেন। এমন পরিস্থিতির সঙ্গে আমরা পরিচিত নই। এ অবস্থাটা সরকারকেই সামাল দিতে হবে।

    রাজধানীর কাওরান বাজারের আল্লাহর দান রাইস এজেন্সির কর্ণধার সিদ্দিকুর রহমান বলেন, অভিযান চললেও খুচরা বাজারে চালের দামে এখনো প্রভাব পড়েনি। তিনি বলেন, মোটা চাল আর চিকন চাল যাই বলেন, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে।

    ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) এএইচএম সফিকুজ্জামানের কাছে দেশে ধান-চালের বর্তমান মজুত পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে কোনো পরিসংখ্যান জানাতে পারেননি। তিনি বলেন, এটা সাধারণত খাদ্য মন্ত্রণালয় করে থাকে। আমরা সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের ডেকেছি। তাদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী করণীয় ঠিক করব।

    খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ফুড প্ল্যানিং অ্যান্ড মনিটরিং ইউনিট (এফপিএমইউ) সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে প্রতিবছর পৌনে ৪ কোটি টন চালের চাহিদা আছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে ৩ কোটি ৭৬ লাখ টন চাল উৎপাদন হয়েছে।

    খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রগুলো বলছে, বাংলাদেশে চাল উৎপাদন ও চাহিদার সঠিক কোনো পরিসংখ্যান নেই। উল্লিখিত পরিসংখ্যান ধরে হিসাব করা হলেও প্রতিবছরই কিছু না কিছু চাল আমদানি হয়। এই বিষয় নিয়ে খোদ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে মতপার্থক্য আছে।

    বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশে চালের চাহিদার তুলনায় উদ্বৃত্ত আছে। অভিযোগ উঠেছে, মিল মালিক ও করপোরেট ব্যবসায়ীরা ধান মজুত রাখার কারণে বাজারে চালের দাম বেড়ে গেছে।

    মূলত ধান নিয়ন্ত্রণকারী বড় বড় মিলার সিন্ডিকেটরা তাদের হাতে থাকা আগের চাল বেশি দামে বিক্রি করার জন্য এই কারসাজির আশ্রয় নিয়েছে। যে কারণে বোরোর ভরা মৌসুমে চালের দরে ঊর্ধ্বগতি।

    এ অবস্থায় সরকার চাল আমদানির কথা চিন্তা করছে। খাদ্যমন্ত্রী সম্প্রতি বোরো সংগ্রহের তদারকিসংক্রান্ত মাঠপর্যায়ের একাধিক বৈঠকেও প্রয়োজনে চাল আমদানি করা হবে বলে জানিয়েছেন।
    #

    অকা/প্র/দুপুর, ৫ জুন, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    চাল সংকট : আমদানিই সমাধান

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.