Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    বুধবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ১০ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    জনশক্তিতে এগিয়ে থাকলেও রেমিট্যান্স প্রবাহ সে অনুপাতে বাড়েনি

    আগস্ট ২৩, ২০২৩ ৪:১৩ পূর্বাহ্ণUpdated:আগস্ট ২৩, ২০২৩ ৪:১৩ পূর্বাহ্ণ2
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) বিভিন্ন দেশ থেকে যাওয়া মোট ৯০ লাখ প্রবাসী বসবাস করেন। যার মধ্যে বাংলাদেশী মানুষের সংখ্যা সাড়ে ৭ লাখ। জনশক্তি বিবেচনায় প্রবাসীদের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়। অর্থাৎ দেশটিতে বসবাসরত ১ কোটির কিছু বেশি সংখ্যক লোকের মধ্যে ৭ দশমিক ৪ শতাংশই বাংলাদেশী। কিন্তু দেশটিতে এত পরিমাণ বাংলাদেশী বসবাস করলেও রেমিট্যান্স প্রবাহ সে অনুপাতে বাড়েনি।

    আরব আমিরাত সরকারের তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় বছরেই প্রায় দেড় লাখ বাংলাদেশী অভিবাসী হয়েছেন আমিরাতে। তবুও রেমিট্যান্স পাঠানোর দিক থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থান করা বাংলাদেশী শ্রমিকদের অবস্থান ষষ্ঠ। সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠান ভারতীয়রা। দ্বিতীয় স্থানটি পাকিস্তানিদের। সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স পাঠানোর দিক থেকে তৃতীয় ফিলিপাইন, চতুর্থ ইরান ও ও পঞ্চম স্থানে মিসর।

    অভিযোগ রয়েছে, আরব আমিরাতে বসবাসকারী বাংলাদেশীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের বড় একটি অংশই আসছে অবৈধ হুন্ডির মাধ্যমে। মধ্যপ্রাচ্যের সমৃদ্ধ অর্থনীতির দেশটি এখন বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচারেরও অন্যতম প্রধান গন্তব্য হয়ে উঠছে।

    সেন্ট্রাল ব্যাংক অব ইউএইর (সিবিইউএই) ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি রিপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে আরব আমিরাত থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রেমিট্যান্স হিসেবে গেছে ১৪৫ দশমিক ৭ বিলিয়ন দিরহাম (সর্বশেষ বিনিময় হার অনুযায়ী প্রায় ৩৯ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ)। এর অর্ধেকেরও বেশি গেছে ভারত, পাকিস্তান ও ফিলিপাইনে। কেবল ভারতেই গেছে প্রায় সাড়ে ৩০ শতাংশ, যার পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৪ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন দিরহামের মতো। সর্বশেষ বিনিময় হারের ভিত্তিতে হিসাব করলে দেখা যায়, ইউএই থেকে ২৮ লাখ ভারতীয় গত বছর ১২ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স নিজ দেশে পাঠিয়েছেন।

    একই সময়ে আরব আমিরাত থেকে বের হওয়া রেমিট্যান্সের ১২ দশমিক ২ শতাংশ গেছে পাকিস্তানে, যার পরিমাণ প্রায় ১৭ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন দিরহাম। ডলারে রূপান্তর করলে এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪৮৪ কোটি বা ৪ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন ডলার। মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে বসবাসরত পাকিস্তানির সংখ্যা ১২ লাখ ৯০ হাজার। একই সময়ে ইউএইর বহির্মুখী রেমিট্যান্সের ৮ দশমিক ৪ শতাংশ গেছে ফিলিপাইনে। সে অনুযায়ী দেশটিতে গত বছর ইউএই থেকে রেমিট্যান্স গেছে প্রায় ১২ দশমিক ২৪ বিলিয়ন দিরহাম। ডলারে এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৩৩৩ কোটি বা ৩ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন। ইউএইতে ফিলিপাইনের নাগরিক রয়েছেন ৫ লাখ ৭০ হাজার।

    ইউএইতে ৪ লাখ ৮০ হাজার অভিবাসী আছে ইরানের। আর মিসরের অভিবাসী শ্রমিকের সংখ্যাও ৪ লাখ ৩০ হাজারের মতো। কিন্তু এ দুটি দেশের অভিবাসীরা নিজ দেশে বাংলাদেশীদের চেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠান। মিসরের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে আরব আমিরাত প্রবাসী মিসরীয়রা ৩৪০ কোটি বা ৩ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার নিজ দেশে পাঠিয়েছেন। ইরানও প্রায় কাছাকাছি রেমিট্যান্স আহরণ করছে ইউএই থেকে। অথচ ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশটি থেকে মাত্র ২০৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স পেয়েছে বাংলাদেশ। ২০২২-২৩ অর্থবছরে তা কিছুটা বাড়লেও সেটি ৩০৩ কোটি ডলারেই সীমাবদ্ধ ছিল।

    আরব আমিরাতে বিশেষ করে দেশটির দুবাইয়ের বিভিন্ন খাতে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশীদের বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগের তথ্য উঠে এসেছে। দেশের অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানই এখন দুবাইকে বেছে নিয়েছে ব্যবসায়িক কার্যক্রমের কেন্দ্র হিসেবে। ডলার সংকটের কারণে বাংলাদেশ থেকে অনেক ব্যবসায়ী ওই শহরে অনানুষ্ঠানিক অফিস খুলে সেখান থেকে ব্যবসা পরিচালনা করছেন বলে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে উঠে এসেছে।

    দুবাই তথা আরব আমিরাত থেকে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় রেমিট্যান্স না আসার পেছনে এটিকে বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, হুন্ডি-হাওলার এজেন্টরা সেখানে বাড়তি সুবিধা দিয়ে প্রবাসী শ্রমিকদের কাছ থেকে রেমিট্যান্সের অর্থ সংগ্রহ করছে। আর দেশে তাদের সহযোগীরা বাংলাদেশী টাকায় সমপরিমাণ অর্থ পৌঁছে দিচ্ছে প্রবাসীদের পরিবারের কাছে।

    জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, আরব আমিরাতে গত কয়েক বছরে বাংলাদেশী শ্রমিকের সংখ্যা বেড়েছে। ২০২১ সালে সংস্থাটির সনদ নিয়ে ২৯ হাজারের বেশি বাংলাদেশী শ্রমিক আমিরাত প্রবাসী হয়েছেন। ২০২২ সালে গেছেন ১ লাখ ১ হাজার ৭৭৫ জন। আর চলতি বছরের জুন পর্যন্ত গেছেন ৪২ হাজারেরও বেশি। আবার উচ্চ শিক্ষার উদ্দেশ্যে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশী শিক্ষার্থীও এখন আরব আমিরাত যাচ্ছেন। তাদের অনেকে পড়ালেখা শেষ করে দেশটির কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করছেন। কিন্তু এত বিপুলসংখ্যক লোক এ দেশ থেকে আমিরাত গেলেও রেমিট্যান্স প্রবাহে তার প্রভাব দৃশ্যমান হচ্ছে না। উল্টো ২০২১-২২ পর্যন্ত টানা তিন অর্থবছর ধরে বাংলাদেশে ইউএই থেকে রেমিট্যান্স কমেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরেও দেশটি থেকে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৪৭ কোটি ডলারের বেশি। পরের বছর তা কিছুটা কমে দাঁড়ায় প্রায় ২৪৪ কোটিতে। ২০২১-২২ অর্থবছরে তা আরো কমে ২০৭ কোটি ডলারে নেমে আসে। তবে ২০২২-২৩ অর্থবছরের শেষের দিকে ইউএই থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহে কিছুটা উন্নতি ঘটেছে। এ কারণে অর্থবছর শেষে দেশটি থেকে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ দাঁড়ায় ৩০৩ কোটি ডলার।

    অকা/প্র/ সকাল, ২২ আগস্ট, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    জনশক্তিতে এগিয়ে থাকলেও রেমিট্যান্স প্রবাহ সে অনুপাতে বাড়েনি

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.