Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    জিডিপির অনুপাতে বিনিয়োগের হার অনেকটাই স্থবির

    মে ২৮, ২০২৪ ৯:০০ পূর্বাহ্ণUpdated:মে ২৮, ২০২৪ ৯:০০ পূর্বাহ্ণ2
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে মোট দেশজ উত্পাদনের (জিডিপি) অনুপাতে বিনিয়োগ হিসাব করা হয়েছে ৩০ দশমিক ৯৮ শতাংশ। গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে যা ছিল ৩০ দশমিক ৯৫ শতাংশ। অর্থাত্ এক বছরের ব্যবধানে দেশের জিডিপির অনুপাতে বিনিয়োগের হার অনেকটাই স্থবির অবস্থায় রয়েছে।

    সম্প্রতি প্রকাশিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জিডিপি প্রবৃদ্ধির সাময়িক হিসাবে এই তথ্য উঠে এসেছে। এর আগের দুই বছরের পরিসংখ্যানের সঙ্গে তুলনা করলে, এই হ্রাসমান পরিস্থিতি আরো স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বিবিএসের তথ্যমতে, ২০২১-২২ অর্থবছরে জিডিপির অনুপাতে বিনিয়োগের হার ছিল ৩২ দশমিক ০৫ শতাংশ; এর আগের অর্থবছর ২০২০-২১ এ ছিল ৩১ দশমিক ০২ শতাংশ। সরকারের ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুযায়ী লক্ষ্য অর্জন করতে হলে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মধ্যে জিডিপির অনুপাতে বিনিয়োগের হার হতে হবে ৩৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

    অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা জানান, বাজেটে বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হলেও দীর্ঘদিন ধরেই এটি জিডিপির ৩০ থেকে ৩১ শতাংশের মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছে। সরকারের বিনিয়োগ বেশ বাড়লেও বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ছে না। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে অস্থিরতা, অন্যদিকে দেশের ভেতরে গ্যাস-বিদ্যুতের সংকটের কারণে ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগে যাচ্ছেন না। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এবং চীন-যুক্তরাষ্ট্র দ্বন্দ্ব যেভাবে প্রকট হচ্ছে, তাতে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি কবে বিনিয়োগকারীদের জন্য অনুকূল হবে, তা বলা যাচ্ছে না। এই অবস্থায় ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগের সাহস পাচ্ছেন না। দেশের অভ্যন্তরে এখন ডলারের দরে অস্থিরতা চলছে।

    অর্থমন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, আগের অর্থবছরের ধারাবাহিকতায় চলতি অর্থবছরও সরকার কৃচ্ছ্রসাধন নীতি অনুসরণ করছে। এর প্রতিফলন সরকারি বিনিয়োগেও দেখা যাচ্ছে। চলতি বছরের বাজেটে সরকারি বিনিয়োগ এর আগের অর্থবছরের তুলনায় হ্রাস পেয়েছে। সরকার মূলত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিনিয়োগ করে থাকে। আগামী অর্থবছরের বাজেটে এখাতে বরাদ্দের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় মাত্র ২ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৬৫ হজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ফলে এডিপি বাস্তবায়ন পরিস্থিতি চলতি অর্থবছরের তুলনায় ভালো না হলে আগামী অর্থবছরেও সরকারি বিনিয়োগ বাড়ার কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা।

    তবে নতুন অর্থবছরে বেসরকারি বিনিয়োগের হার কিছুটা বাড়তে পারে বলে মনে করছে অর্থ মন্ত্রণালয়। অভ্যন্তরীণভাবে ব্যবসার পরিবেশ সহজ করার পাশাপাশি গ্যাস-বিদ্যুত্ পরিস্থিতির উন্নতি হলে ব্যবসায়ীরা কিছুটা আস্থা পাবেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, শিল্পের জন্য নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুতের অভাবেও অনেকে বিনিয়োগে নিরুত্সাহিত হচ্ছেন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতি। আর এই সমস্যাগুলোকে আরো জটিল করে তুলেছে দেশে ব্যবসা পরিচালনার ক্রমবর্ধমান ব্যয় ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি। এতে কমে যাচ্ছে ব্যবসায়ের মুনাফা। সবকিছু মিলিয়ে বিনিয়োগে উত্সাহ পাচ্ছেন না সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীরা।

    পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে সঞ্চয় প্রবণতায় কিছু উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি বাস্তবায়ন এবং ব্যাংক ঋণের ওপর আরোপিত ক্যাপ প্রত্যাহারের কারণে সঞ্চয়ের প্রবণতা বাড়ছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। ২০১৫-১৬ অর্থবছর থেকে ২০১৯-২০ অর্থবছর পর্যন্ত বাংলাদেশের ডমেস্টিক সেভিংস বা অভ্যন্তরীণ সঞ্চয়ের হার জিডিপির অনুপাতে ২৬ থেকে ২৭ শতাংশের মধ্যে ছিল।

    ২০২০ সালে আমানতের সুদহার সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ নির্ধারণ করে দেওয়ার পর আগের বছরের ২৭ দশমিক ০৮ শতাংশ থেকে তা ২০২০-২১ অর্থবছরে ২৫ দশমিক ৩৪ শতাংশে নেমে আসে। এর পরের অর্থবছরে এই হার আরো কমে ২৫ দশমিক ২২ শতাংশ হয়। গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ সঞ্চয়ের হার সামান্য বেড়ে ২৫ দশমিক ৭৬ শতাংশ এবং সুদহারের ক্যাপ তুলে নেওয়ার কারণে চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে এই হার বৃদ্ধি পেয়ে ২৭ দশমিক ৬১ শতাংশে উন্নীত হবে বলে পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। একইভাবে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ন্যাশনাল সেভিংস বা জাতীয় সঞ্চয়ের পরিমাণ ছিল জিডিপির অনুপাতে ৩১ দশমিক ৪২ শতাংশ, যা পরের অর্থবছরে কমে ৩০ দশমিক ৭৯ শতাংশে নেমে যায়। ●

    অকা/প্র/সৈই/সকাল/২৮ মে, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    দুই হাজার টাকার চামড়ার দাম ৫০০ টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.