Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    জ্বালানি সংকটে রপ্তানি আয়ে মন্দা

    অক্টোবর ৯, ২০২২ ৫:১২ পূর্বাহ্ণ1
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    করোনাভাইরাস মহামারির ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা। ঠিক সেই সময়ে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। মহামারি ও যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে। আন্তর্জাতিক বাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ে জ্বালানি তেলের দাম। এর প্রভাব পড়ে বাংলাদেশেও। সঙ্গে বিষফোড়া হয়ে দেখা দেয় মার্কিন ডলারের সংকট। দেশেও রেকর্ড দাম বাড়ানো হয় জ্বালানির। গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদনেও ভাটা পড়ে। এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং শুরু করে সরকার। এমন বহুমুখী সংকটে রীতিমতো ধুঁকছে দেশের ভারী শিল্প। ফলে একদিকে কমেছে উৎপাদন, অন্যদিকে বেড়েছে খরচ। এতে বিপাকে পড়েছেন রফতানিমুখী উদ্যোক্তারা। রফতানিমুখী প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তৈরি পোশাক, সার, সিমেন্ট, সিরামিক ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য প্রস্তুতকারকদের উৎপাদন কমেছে ৩০-৫০ শতাংশ। গ্যাস সংকট ও লোডশেডিংয়ের সময়ও ডিজেলচালিত জেনারেটরে কারখানা সচল রাখতে হচ্ছে। ফলে উৎপাদন খরচ বেড়েছে ৫০-৬০ শতাংশ। অপর্যাপ্ত জ্বালানিতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় অর্ডার থাকলেও সময়মতো পণ্য রফতানি করতে পারছেন না তারা। দ্বারে দ্বারে ঘুরেও তারা আশার কথা শুনতে পারছেন না। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে ভাবমূর্তি হারাতে বসেছেন বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা।

    পেট্রোবাংলা সূত্র জানিয়েছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম এখনো চড়া। সেই সঙ্গে দেশে মার্কিন ডলারের সংকট। এ কারণে সরকার খোলাবাজার থেকে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানি বন্ধ রেখেছে। এতে গ্যাসের সরবরাহ ৭-৮ শতাংশ কমেছে। জ্বালানি সংকটে বিদ্যুতের উৎপাদন কমেছে। ফলে দেশজুড়ে বেড়েছে লোডশেডিং।
    গ্যাস সংকট ও লোডশেডিংয়ে শিল্প কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বিকল্প উপায়ে কারখানা চালু রাখাও কঠিন হয়ে পড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায়। এজন্য তেলের দাম কমানোর অনুরোধ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। চিঠিতে বলা হয়, ‘পোশাক কারখানাগুলোতে চরম বিদ্যুৎ সংকট চলছে। সাপ্তাহিক ছুটি দুদিন করা হয়েছে। কর্মঘণ্টা এক ঘণ্টা কমিয়ে আনা হয়েছে। লোডশেডিং চলাকালে উৎপাদন অব্যাহত রাখতে উচ্চমূল্যের ডিজেলে জেনারেটর ব্যবহারে বাধ্য হচ্ছেন মালিকরা।’
    এতে আরও বলা হয়, গত বছরের ৮০ টাকা লিটারে কেনা ডিজেল এখন ১০৯ টাকায় কিনতে হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে ডিজেলের দাম সমন্বয় করে পুনর্নির্ধারণ করা হলে পোশাক শিল্পসহ সংশ্লিষ্ট সবাই উপকৃত হবেন। কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন অব্যাহত রাখার স্বার্থে ডিজেলের মূল্য সমন্বয় ও সরবরাহ ঠিক রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি।

    নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা অ্যাপারেলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলে শামীম এহসান। তিনি বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সহ-সভাপতি। জ্বালানি সংকটে তার কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। তার মতো আরও অনেক কারখানার মালিক লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত। ব্য
    ফজলে শামীম এহসান বলেন, ‘পোশাক কারখানায় গ্যাসের চাপ ১৫ পিএসএ থাকতে হয়। এটা আমার এখানে থাকতো শূন্য বা এক থেকে দুই পিএসএ। কিছুদিন হলো এটার অবস্থা একটু ভালো হয়েছে। কিন্তু সেটাও বলার মতো নয়। মাসে আমার গ্যাস বিল আসে ৭০ লাখ টাকার মতো। আবার লোডশেডিংয়ের জন্য প্রতিদিন ছয়-সাত লাখ টাকার ডিজেল কিনতে হচ্ছে। গত মাসে প্রায় দুই কোটি টাকার ডিজেল কিনতে হয়েছে। অথচ কারখানায় উৎপাদন হয়েছে আগের চেয়ে অর্ধেকেরও কম।’

    সময়মতো অর্ডার অনুযায়ী পণ্য রফতানি করতে পারছেন না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ইউরোপে এখন চরম মূল্যস্ফীতি। ফলে অর্ডার আগের চেয়ে অনেক কম। যেটুকু অর্ডার হচ্ছে, সেই অর্ডার অনুযায়ীও ক্রেতাদের (বায়ার) পণ্য সরবরাহ করতে পারছি না। ফলে তাদের (বিদেশি বায়ার) কাছে আমাদের সম্পর্কে ভুল বার্তা যাচ্ছে, প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে।’
    ফজলে শামীম বলেন, ‘সরকারকে বলেছি, বিকল্প উপায়ে সমস্যার সমাধান নিয়ে আমাদের সঙ্গে বসুন। অনেক বিকল্প আছে। যেমন- ডিজেল কিংবা ফার্নেস ওয়েলে ভ্যাট, ট্যাক্স মওকুফ করা যেতে পারে। সরকারের অনেক ফান্ড রয়েছে। এক্সপোর্টের অনেক ফান্ড আছে, যেগুলো ব্যবহারই হচ্ছে না। সেগুলো জ্বালানি আমদানিতে ডাইভার্ট (স্থানান্তর) করা যেতে পারে। সরকার আমাদের সফট (স্বল্প সুদে) লোন দিতে পারে। কিছু একটা করা যেতেই পারে। এজন্য সমস্যাটা আগে অনুধাবন করতে হবে।’
    জ্বালানি সংকট ও খরচ বাড়ায় অনেক কারখানা বন্ধ রেখেছেন মালিকরা। অর্ডার থাকলেও তারা পণ্য উৎপাদনে অনাগ্রহী। এসব কারখানায় রফতানিমুখী পণ্য তৈরি হতো।
    উৎপাদন বন্ধ রাখা একাধিক কারখানার মালিকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বেশি দামে জ্বালানি কিনে পণ্য উৎপাদনে তাদের আগ্রহ নেই। জ্বালানি না থাকায় কাঁচামালের অপচয় বাড়ছে। বিকল্প উপায়ে জ্বালানির ব্যবস্থা করতে গেলে উৎপাদন খরচ অন্তত ৫০-৬০ শতাংশ বেড়ে যাবে। এতে বড় লোকসান গুনতে হচ্ছে। সার্বিক দিক বিবেচনায় তারা উৎপাদন বন্ধ রাখাই শ্রেয় মনে করছেন।
    গ্যাস সংকটে অর্ধেকে নেমেছে টাইলস ও সিরামিক পণ্যের উৎপাদন। রাজধানীর মিরপুর, বাংলামোটর, নদ্দার একাধিক টাইলস ও সিরামিকের দোকানে গিয়ে দেখা গেছে, ক্রেতাদের পর্যাপ্ত পণ্য ডেলিভারি দিতে পারছেন না বিক্রেতারা।
    মিরপুর-১০ নম্বরের এবিসি টাইলসের স্বত্বাধিকারী পারভেজ মাসুদ বলেন, ‘ফ্রেশ কোম্পানিকে দুই সপ্তাহ আগে বেশকিছু অর্ডার দিয়েছিলাম। তারা পণ্য দিতে পারেননি। অন্য কোম্পানিও অর্ডারের পণ্য দিতে গড়িমসি করছে। পণ্য দিতে না পারলে তো ক্রেতাদের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হবেই, হচ্ছেও তাই।’

    এক্সিলেন্ট সিরামিক আইএনডি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল হাকিম সুমন। তিনি বাংলাদেশ সিরামিক ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিএমইএ) পরিচালক পদেও রয়েছেন।
    আবদুল হাকিম সুমন বলেন, গ্যাস সংকট কাটছেই না। এর প্রভাবে কারখানায় উৎপাদন কমে গেছে। আগে যে পরিমাণ উৎপাদন হতো, এখন তার অর্ধেক হয়। গ্যাসের যে চাহিদা, তার ৫০ শতাংশও সরকার দিতে পারছে না। এজন্য উৎপাদনও ৫০ শতাংশ কমে গেছে। এটা গ্যাসনির্ভর কারখানা, এখানে অন্য জ্বালানি দিয়ে পোষানো সম্ভব নয়।

    তিনি বলেন, ‘আমরা জ্বালানি উপদেষ্টা, মন্ত্রী, তিতাস, পেট্রোবাংলাসহ সবার সঙ্গে কথা বলেছি। কেউই কোনো আশ্বাস দিতে পারেননি। বরং ক্রাইসিস আগামীতে আরও বাড়তে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। গ্যাস নেই, তারা (সরকার) কোথা থেকে দেবে? ইন্ডাস্ট্রিটা কীভাবে যে চালাবো, সেটা নিয়ে কোনো গাইডলাইনও আমরা পাইনি। এভাবে চলতে থাকলে কারখানা বন্ধ করে দিতে হবে। তখন কর্মী ছাঁটাই ছাড়া বিকল্প থাকবে না।’
    এই ব্যবসায়ী নেতা বলেন, ‘দিন দিন আমরা ঋণগ্রস্ত হচ্ছি। ব্যাংকে মাসে মাসে ইনস্টলমেন্ট দিতে হচ্ছে। সেটা দিতে গিয়ে হিমশিম অবস্থা। অনেকে দিতেও পারছে না। প্রতিদিন লোকসান গুনছি। এভাবে চললে দেউলিয়া হতে খুব বেশি সময় লাগবে না।’
    গ্যাস সংকট, লোডশেডিং ও ডিজেলের দাম বাড়ায় কারখানায় উৎপাদন কমেছে। এর প্রভাব পড়েছে রপ্তানিতেও। একবছর ধরে রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি দেখা গেলেও গত জুলাই থেকে মন্দাভাব।
    কারখানার মালিকরা বলছেন, দিনে কর্মঘণ্টার মধ্যে ৫-৬ ঘণ্টা লোডশেডিং থাকছে। ফলে বাড়তি দামে কেনা ডিজেল দিয়ে জেনারেটর চালাতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন খরচ দ্বিগুণ হচ্ছে। অথচ ইউরোপ ও আমেরিকায় রপ্তানি কমেছে।
    জানা গেছে, সর্বশেষ সেপ্টেম্বরে ৩৯০ কোটি ৫০ লাখ বা ৩ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করা হয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ কম। ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে আগের বছরের (২০২১-২২) জুলাইয়ের চেয়ে রপ্তানি আয় কমেছে ৬ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ।
    ২০২১-২২ অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর- এ তিনমাসের চেয়ে চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে অনেক পণ্যের রপ্তানি আয় কমেছে। এর মধ্যে কৃষিপণ্যে ১৭ দশমিক ৯৮ শতাংশ, কেমিক্যালের পণ্যে ২৩ দশমিক ২৮ ও কাচজাতীয় পণ্যে ৫২ দশমিক ৭৯ শতাংশ রপ্তানি কম হয়েছে। একই সময়ে তৈরি পোশাক, প্লাস্টিকসহ অনেক পণ্যের প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তবে তা খুব বেশি আশাব্যঞ্জক নয় বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
    রপ্তানি খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, রপ্তানির প্রধান বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যম্ফীতির কারণে ভোক্তাপর্যায়ে চাহিদা কিছুটা কম। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের পর পাঁচমাস ধরে কয়েকটি পণ্যের রপ্তানি স্থগিত আছে। সবমিলিয়ে রপ্তানিতেও এমন নিম্নমুখী ধারা আরও কয়েক মাস অব্যাহত থাকতে পারে।ক্তিপর্যায় ও সংগঠনকেন্দ্রিক যোগাযোগ করেছেন সরকারের উচ্চমহলের সঙ্গে। তবে চলমান সংকট সমাধানে তিনি কোনো প্রতিশ্রুতি পাননি।

    #

    অকা/প্র/ সকাল, ৯ অক্টোবর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    জ্বালানি সংকটে রপ্তানি আয়ে মন্দা

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.