Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ডলারের সংকটের নেপথ্যে

    মে ১৯, ২০২২ ৪:৩৮ পূর্বাহ্ণ3
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    র্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    রফতানি আয়ের তুলনায় আমদানি ব্যয় অতিরিক্ত মাত্রায় বাড়তে শুরু করা এবং সেই তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহ না বাড়ায় তৈরি হয়েছে ডলারের সংকট। এমন পরিস্থিতিতে ছোট ব্যবসায়ীদের অনেকেই ঋণপত্র (এলসি) খুলতে পারছেন না। বিশেষ করে দেশের ছোট ও মাঝারি মানের আমদানিকারকরা ঋণপত্র খুলতে হিমশিম খাচ্ছেন।

    এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, যদি গত দুই বছরের ডলারের বাজার বিশ্লেষণ করি, তাহলে আমরা দেখবো- ওই সময় আমাদের আমদানি চাপ কম ছিল। এমনকি ওই সময় আমদানি হওয়া অনেক পেমেন্ট বকেয়া ছিল; যা এখন পরিশোধ করতে হচ্ছে।

    তিনি উল্লেখ করেন, ‘বছরে দেশের মোট আমদানি হচ্ছে প্রায় ৮০ বিলিয়ন ডলার। এর বিপরীতে আমাদের রফতানি থেকে আসে ৫০ বিলিয়ন। আমদানি-রফতানি আয়ের মধ্যে ব্যবধান ৩০ বিলিয়ন। এই ৩০ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আসে ২০ থেকে ২১ বিলিয়ন। অর্থাৎ প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার ঘাটতি থাকে।  তিনি বলেন, এই বছরের ১০ ডলারের ঘাটতি মোকাবেলায় এফডিআই বা সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ থেকে আসে ৬ থেকে ৭ বিলিয়ন ডলার। বাকি ৩ থেকে ৪ বিলিয়ন যে ঘাটতি থাকে তার জোগান দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।  বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, এই অর্থবছরে এ পর্যন্ত ৫ বিলিয়ন ডলার বাজারে সরবরাহ করা হয়ে গেছে।

    আমদানিতে চাহিদা বৃদ্ধি ও সংকটের সুযোগ নিচ্ছে কিছু কিছু ব্যাংক। সংকটের এই সুযোগে ব্যাংকগুলো ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আমদানি পেমেন্টে (এলসি নিষ্পত্তি) ইচ্ছামতো রেট আদায় করছে। বর্তমানে আমদানি পেমেন্টের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের প্রতি ডলারের জন্য গুণতে হচ্ছে ৯৪ থেকে ৯৫ টাকা। নতুন এলসি খুলতেও বেশি রেট দাবি করছে ব্যাংকগুলো।

    ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এলসি খোলার সময় ব্যাংকগুলো ডলারের যে রেট ধরেন, পেমেন্টের দিনে সেই রেট নিচ্ছেন না। এমনকি পেমেন্টের তারিখে যে রেট থাকে, সেই রেটেও ডলার দিচ্ছেন না। নতুন এলসি খুলতেও বেশি রেট দাবি করা হচ্ছে। এ বিষয়ে চট্টগ্রাম চেম্বারের পক্ষ থেকে সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি চিঠিও পাঠানো হয়েছে।

    চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এক্সেঞ্জ হাউজগুলো ডলার মজুত করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এমনিতেই খোলা বাজারের ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোনও হাত নেই। তবে ব্যাংকগুলো বেশি দামে ডলার বিক্রি করলে বাংলাদেশ ব্যাংক হস্তক্ষেপ করে থাকে। কেননা কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আন্তব্যাংক দরে ডলার কিনে সেই ডলার বিক্রি করে থাকে ব্যাংকগুলো। তবে এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপ দেখা যায়নি।

    এছাড়া অনেকেই পুঁজিবাজারে শেয়ার বিক্রি করে ডলার কিনে মুনাফা লুটছে। ডলারের দাম আরও বাড়বে- এই আশায় অনেকেই ডলার কিনতে ঝুঁকছেন।

    ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, বর্তমানে ডলারের দাম বেড়েছে অস্বাভাবিক। অনেক ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ ব্যাংকের বেঁধে দেওয়া দামে এলসি খোলা সম্ভব হচ্ছে না। আবার মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে ৯৫ টাকা দরে রেমিট্যান্স কিনতে হচ্ছে ব্যাংকগুলোকে। এ কারণে এলসি খুলতে আসা ব্যবসায়ীদের অনেককেই ফেরত দিতে হচ্ছে।

    দেশের আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত প্রতি ডলারের মূল্য ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা। যদিও এ দামে কোনও ব্যাংকেই ডলার পাওয়া যাচ্ছে না। ব্যাংকগুলো বড় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ডলারপ্রতি ৯০-৯৫ টাকা পর্যন্ত আদায় করছে। আর মাঝারি ও ছোট ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আদায় করছে ৯৮ টাকার কাছাকাছি।

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে ডলার ও টাকার বিনিময় হার স্বাধীনতার পর থেকে সরকার নির্ধারণ করে দিতো। টাকাকে রূপান্তরযোগ্য ঘোষণা করা হয় ১৯৯৪ সালের ২৪ মার্চ। আর ২০০৩ সালে এই বিনিময় হারকে করা হয় ফ্লোটিং বা ভাসমান। এরপর থেকে আর ঘোষণা দিয়ে টাকার অবমূল্যায়ন বা পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না। তবে বিনিময় হার ভাসমান হলেও পুরোপুরি তা বাজারভিত্তিক থাকেনি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সবসময়ই এতে পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ রেখে আসছে। অর্থাৎ, বাংলাদেশ ব্যাংক এক্ষেত্রে ‘ম্যানেজড ফ্লোটিং রেট’ নীতি অনুসরণ করে আসছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় আমদানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ। রেকর্ড পরিমাণ এই আমদানি প্রবৃদ্ধি দেশের ২ হাজার ৪৯০ কোটি ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি তৈরি করেছে। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অর্থে দেশের বাণিজ্য ঘাটতি পূরণ হতো। কিন্তু চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি কমেছে ১৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ। তবে আশার কথা হলো, বর্তমানে রফতানি আয় বেশ ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দুই মাস বাকি থাকতেই চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি পণ্য রফতানি হয়েছে। এই অর্থবছরে পণ্য রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ৪ হাজার ৩৫০ কোটি ডলার। আর চলতি অর্থবছরের ১০ মাসে রফতানি হয়েছে ৪ হাজার ৩৩৪ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য।

    তবে রপ্তানি বাণিজ্যে বেশ উল্লম্ফন ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। এই ১০ মাসে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে ৪৩ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে দেশ, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৫ দশমিক ১৪ শতাংশ বেশি।
    #

    অকা/প্র/দুপুর, ১৯ মে, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    ডলারের সংকটের নেপথ্যে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.