Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    দ্রব্যমূল্যের চাপে পিষ্ঠ মধ্যবিত্ত

    এপ্রিল ১১, ২০২২ ৭:৩৯ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দামে এখন মানুষ চোখে সর্ষেফুল দেখার মত অবস্থা। দ্রব্যমূল্যের চাপে পিষ্ঠ মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণী। সাধারণ আয় বা মধ্যবিত্তের জন্য জীবনযাপন তাদের প্রচলিত ছন্দে রাখা মুশকিল হয়ে পড়েছে। মানুষ আছে ত্রিশঙ্কু অবস্থায়। দিন দিন বাড়ছে দ্রব্যমূল্য, কিন্তু বাড়ছে না উপার্জন। তার মানে উচ্চমধ্যবিত্ত মধ্যবিত্ত সবার অবনমন হচ্ছে। একটি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার দুর্দশার প্রকট চিত্র হয়ে ওঠে সেদেশের মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজারে।

    দৈনিক বাজার করতে আসা একজন বলেন, গত জানুয়ারি মাসে তার বাসা ভাড়া ৫০০ টাকা বেড়েছে। সন্তানের স্কুলে যাওয়া আসার জন্য দিনে রিকশা ভাড়া লাগত ২০ টাকা থেকে ৪০ টাকা। এখন হয়েছে ৬০ টাকা। চাল, ডাল, তেল, চিনিসহ সব পণ্যের দামই বাড়তি। অফিসে যাওয়া আসা করতেও বাসভাড়া বেশি দিতে হচ্ছে। কিন্তু তার আয় দুই বছর আগে যা ছিল, এখনো তা-ই আছে। সংসার চালাতে এখন প্রতি মাসেই ধারকর্জ করে চলতে হচ্ছে।

    টিসিবির বাজার দর বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মোটা চালের দাম ১৫, মোটা দানার মসুর ডাল ৭৭, খোলা সয়াবিন তেল ৫৪, চিনি ৪৯ ও আটার দাম ২১ শতাংশ বেড়েছে। মধ্যম আয়ের পাঁচজনের একটি পরিবারে গড়ে ৫ লিটার সয়াবিন তেল লাগে। টিসিবির হিসাবে, ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি পাঁচ লিটারের এক বোতল সয়াবিন তেলের দাম ছিল ৪৬৫ থেকে ৫১০ টাকা, এখন সেটি ৭৪০ থেকে ৭৮০ টাকা। শুধু সয়াবিন তেল কিনতে একটি পরিবারের ব্যয় বেড়েছে ৫৬ শতাংশ। কাঁচাবাজারে মাছ, মাংস ও সবজির দাম নিয়মিত ওঠানামা করে। তবে বিগত এক বছর ধরে দেখা যাচ্ছে, ফার্মে উৎপাদিত মুরগির দাম বছর জুড়েই বেশি থাকছে। যেমন ব্রয়লার মুরগির দাম এখন বছরের বেশির ভাগ সময় প্রতি কেজি ১৫০ টাকার বেশি থাকে। করোনার আগেও এই দর ১৩০ টাকার আশপাশে থাকত। বিক্রেতাদের দাবি, মুরগির বাচ্চা, খাবারের দাম ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে গেছে। তাই আর আগের দামে ফেরার আশা কম।

    ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) ১৮টি সবজির দাম বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছে, ২০২০ সালে সবজির দাম গড়ে ১০ শতাংশ বেড়েছে। ২০২১ সালের হিসাবটি তারা এখনও তৈরি করেননি। ক্যাবের কর্মকর্তা আনোয়ার পারভেজ বাজার ঘুরে নিয়মিত দামের তথ্য সংগ্রহ করেন। তিনি বলেন, প্রতি বছর ভরা শীত মৌসুমে সবজির দাম যতটা কমে, এ বছর ততটা কমেনি। সবখানেই জিনিসপত্রের দাম নিয়ে মানুষের হতাশা দীর্ঘায়িত হচ্ছে। ক্রেতার নাভিশ্বাস কথাটা সবার কাছে পরিচিত ছিল এতোদিন, এখন বিক্রেতারাও বলছেন নাভিশ্বাস উঠে গেছে তাদের। ৩ বেলা খাবারের জন্য দরকারি এমন কোন পণ্য নেই যার দাম গত ২ সপ্তাহে কমেছে। দাম বেড়েছে সাবান, শ্যাম্পুসহ প্রায় সব ধরনের প্রসাধন সামগ্রীরও।

    পরিকল্পনামন্ত্রী স্বীকার করেছেন, দারুণ কষ্টে আছেন মানুষ। গত ৩ মাস ধরে পরিসংখ্যান ব্যুরোর দেয়া তথ্য বলছে, মূল্যস্ফীতির গ্রাফ ওপরের দিকেই ছুটেছে। মালিবাগ এবং হাতিরপুল কাঁচাবাজারের দোকানীরা হতাশার চিত্র আরো উসকে দিলেন।

    মূল্যস্ফীতির চাপ সাধারণ মানুষের ওপর কতোটা প্রভাব ফেলে তার আরো স্বচ্ছ ধারনা পাওয়া যায় বিবিএস এর জাতীয় মজুরি সূচক থেকে। বিবিএস বলছে, জাতীয় মজুরি বৃদ্ধির হার ৫.৯২%। আর মূল্যস্ফীতিও ৬ শতাংশের কাছাকাছি। কাজেই ধার-কর্জ কিংবা সঞ্চয়ে হাত দিতে হচ্ছে কম আয়ের মানুষকে। বিক্রেতাদের শংকা, এখনই তৎপর না হলে রমজান মাসে জিনিসপত্রের দাম নিয়ে অরাজক পরিস্থিতির মুখে পড়তে পারে সরকার। আমরা মনে করি, সরকার যদি এই বিষয়টিকে হালকা এবং উন্নয়নের সূচক হিসেবে দেখে তবে বিষয়টি দেশকে ভয়াবহ অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেবে। তাতে সরকারের এত বছরের উন্নয়নের ছবি স্থির চিত্র হয়ে ঝুলতে থাকবে মরা সভ্যতার নোনা দেয়ালে। মধ্যবিত্ত ক্রমশ তার অবস্থান থেকে নেমে যাচ্ছে।

    #
    অকা/প্র/দুপুর, ১১ এপ্রিল, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    দ্রব্যমূল্যের চাপে পিষ্ঠ মধ্যবিত্ত

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    আমদানিনির্ভর বাজারে নিরব মন্দা

    পাইকারদের ‘কারসাজি’তে ডিমের বাজার

    ওয়ালটনের সর্ববৃহৎ আইকনিক কর্পোরেট অফিস নির্মাণ

    কোরবানির চামড়া সংরক্ষণে লবণ দেবে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

    ওয়ালটন প্লাজা ইয়ারলি অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রামে প্লাজা ও কর্মকর্তা পুরস্কৃত

    ঈদ কেনাকাটায় ফ্রিজ বিক্রিতে উচ্ছ্বাস – ক্রেতার পছন্দে ওয়ালটনের আধিপত্য

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.