Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ৫ দশমিক ২৫ শতাংশ নির্ধারণ

    ডিসেম্বর ৩, ২০২৪ ৪:১০ পূর্বাহ্ণ3
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    রাষ্ট্র পরিচালনায় সাম্প্রতিক পরিবর্তনের পর আর্থিক সংকট, ব্যবসায়িক স্থবিরতা ও রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে ২০২৪–২৫ অর্থবছরের জিডিপি (মোট দেশজ উৎপাদন) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ৫ দশমিক ২৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এর আগে এ হার ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ ধরা হয়েছিল।

    অক্টোবর থেকে মূল্যস্ফীতি দুই অঙ্কে অবস্থান করছে। আশা করা হচ্ছে, অর্থবছরের শেষে এটি কিছুটা কমে ৯ শতাংশে নামবে। তবে ২০২৪–২৫ অর্থবছরের জন্য ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের তৈরি করা বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য ছিল ৬ দশমিক ৫ শতাংশ।

    সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে আর্থিক, মুদ্রা ও বিনিময় হার-সংক্রান্ত সমন্বয় কাউন্সিলের অনুুষ্ঠিত সভায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) থেকে রাজনৈতিক বিবেচনায় নেওয়া প্রকল্প বাদ দিয়ে বাজেট ৩০ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে সাত লাখ ৬৭ হাজার কোটি টাকায় প্রাক্কলন করা হয়েছে।

    একইসঙ্গে আগামী ২০২৫–২৬ অর্থবছরের জন্য প্রাথমিক বাজেট আট লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে, যা চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটের তুলনায় ২ দশমিক ৯ শতাংশ কম হলেও সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ৬ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। সভার সূত্রমতে, এটি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বাজেট বৃদ্ধির উদাহরণ।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সভায় শুধু বাজেট সংশোধনের বিষয়ে নয়, ব্যাংকিং খাত ও পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতার দিকেও বেশ গুরুত্ব আলোচনা হয়েছে। অর্থ উপদেষ্টা মন্ত্রণালয়গুলোকে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    তিনি আরও বলেন, সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ব্যাংকিং খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানও স্বীকার করেন, রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন বাস্তবসম্মত হবে না।

    ১ জুলাই শুরু হওয়া ২০২৪–২৫ অর্থবছরের বাজেট আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রণীত হয়েছিল। এরপর ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে সরকারের পতনের পর অর্থবছরের এক মাস আট দিনের মাথায় ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে।

    আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অধিকাংশ উন্নয়ন প্রকল্প কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে। স্থানীয় ঠিকাদারেরা কাজ বন্ধ করে দেন এবং বিদেশি অনেক ঠিকাদার দেশ ছেড়ে চলে যান। সেপ্টেম্বরে কিছু প্রকল্প পুনরায় শুরু হলেও অগ্রগতি অত্যন্ত ধীর।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, এডিপি থেকে আরও সাশ্রয় করা সম্ভব হলেও ঋণের সুদ পরিশোধ, বিক্ষোভে হতাহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা এবং অবকাঠামো মেরামতের জন্য বাড়তি ব্যয় দরকার হবে।

    ২০২৪–২৫ অর্থবছরে সুদ পরিশোধ বাবদ ব্যয় প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিভিন্ন সরকারি বন্ডে উচ্চ সুদের হার (১২ দশমিক ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত) এবং বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার বৃদ্ধি এর প্রধান কারণ।

    চলতি অর্থবছরে বাজেটে সুদ পরিশোধের জন্য বরাদ্দ ছিল এক লাখ ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, যার মধ্যে দেশীয় ঋণের জন্য ৯৩ হাজার কোটি টাকা এবং বিদেশি ঋণের জন্য ২০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা রাখা হয়।

    ওই কর্মকর্তা জানান, সরকার উন্নয়ন ব্যয় খুব বেশি কমাবে না। কারণ জিডিপি প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।

    অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, সংশোধিত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাসও বর্তমান পরিস্থিতির তুলনায় অত্যধিক আশাবাদী এবং বাস্তবায়ন কঠিন।

    বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, মূল্যস্ফীতির হার ৯ শতাংশ প্রাক্কলন করা হলে তা অত্যন্ত 'আশাবাদী' হবে।

    তিনি বলেন, বর্তমানে মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের ওপরে। যদিও আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম কমতির দিকে রয়েছে, তবুও গত দুই বছরের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম কমলেও তার সুফল বাংলাদেশ পায় না।

    তিনি আরও বলেন, গত দুবছরে জ্বালানি তেল, গ্যাস, কয়লা, লৌহজাত পণ্যের দাম অনেক কমলেও বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। এর কারণ আমাদের বিনিময় হার হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

    'এক–দেড় মাস ধরে বিনিময় হার স্থিতিশীল আছে, মুদ্রানীতিও মূল্যস্ফীতি কমাতে সহায়ক। কিন্তু আমাদের খাদ্য মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির পেছনের কারণ বাজারে প্রতিযোগিতার অভাব ও সরবরাহ ব্যবস্থায় চাঁদাবাজি। এ পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতিতে বড় কোনো পরিবর্তনের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না,' বলেন তিনি।

    ৫ দশমিক ২৫ শতাংশ জিডিপির প্রবৃদ্ধি অর্জনকে আরও বেশি আশাবাদী বলে মনে করেন জাহিদ হোসেন।

    তিনি বলেন, 'জিডিপি প্রবৃদ্ধি হওয়ার পক্ষে মাত্র দুটি ইতিবাচক লক্ষণ আছে—রেমিট্যান্স বৃদ্ধি এবং রপ্তানির ভালো অবস্থা। জুলাই–নভেম্বর পর্যন্ত রেমিটেন্স ১৪ শতাংশ বেড়েছে এবং অক্টোবরে রপ্তানি শক্তিশালী ছিল। তবে রাজস্ব আহরণ স্থবির, বন্যায় ফসলের ক্ষতি হয়েছে, এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা শিল্পখাতকে স্থবির করেছে।'

    এমন পরিস্থিতিতে ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধিও ইতিবাচক ফলাফল বলে বিবেচিত হবে বলে মনে করেন ড. জাহিদ হোসেন।

    বাজেট প্রণয়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানান, কো-অর্ডিনেশন কাউন্সিলের দ্বিতীয় সভা আগামী বছরের এপ্রিল মাসে অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে ২০২৪–২৫ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট এবং ২০২৫–২৬ অর্থবছরের নতুন বাজেট চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করা হবে।

    তিনি বলেন, আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করাই সরকারের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার। অভ্যন্তরীণভাবে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি অব্যাহত থাকবে এবং সরকারের ব্যয়েও কৃচ্ছ্রতা দেখা যাবে।

    পাশাপাশি চীন ও ভারতসহ বড় আমদানি বাজারে মূল্যস্ফীতি কমলে আমদানি পণ্যের দাম কমবে বলেও প্রত্যাশা করা হচ্ছে। তবে মোট আমদানি কমবে না, ফলে সরবরাহ বাড়বে।

    এদিকে, রেমিট্যান্স প্রবাহে ১০–১২ শতাংশ এবং রপ্তানি আয়েও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আইএমএফ-এর (আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল) বেঁধে দেওয়া লক্ষ্যে রাখা সম্ভব হবে।

    চলতি অর্থবছরে সরকার বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকসহ (এডিবি) বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীর কাছ থেকে চার বিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা পাওয়ার আশা করছে, যার মধ্যে দুই বিলিয়ন ডিসেম্বরের মধ্যে পাওয়া যেতে পারে।

    এছাড়া ঘাটতি অর্থায়নের জন্য সরকার ব্যাংক ব্যবস্থার বাইরের উৎস, যেমন সঞ্চয়পত্র ও ট্রেজারি বিলকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা। ●
    অকা/প্র/ই/ সকাল, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    দুই হাজার টাকার চামড়ার দাম ৫০০ টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.