Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বিদেশি মুদ্রায় ঋণধারীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ

    সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২২ ৪:৪৭ পূর্বাহ্ণ2
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    অস্থির ডলার বাজার। দফায় দফায় বাড়ছে দাম। এতে বিদেশি মুদ্রায় ঋণধারীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ জমেছে। কারণ সাত মাসের কম সময়ে দেশের মুদ্রার দরপতন হয়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ। ফলে ৫ বছর আগে যারা বিদেশি উৎস থেকে ঋণ নিয়েছেন তাদের ধারণার চেয়ে বেশি টাকা পরিশোধ করতে হচ্ছে।

    শিল্পে উৎপাদন বেড়ে যাওয়ায় অর্থায়নের জন্য দেশি উৎসের পাশাপাশি এখন বেশিসংখ্যক উদ্যোক্তা বিদেশি ঋণে ঝুঁকছেন। কম সুদের বলে বিদেশি ঋণ গ্রহণ করা ব্যবসায়ীরা ডলারের দর বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন। ফলে দেশি ব্যাংক থেকে ঋণ নিলে সুদ-আসলে যে টাকা পরিশোধ করতে হতো, এখন কোনো কোনো ক্ষেত্রে তার চেয়ে বেশি পরিশোধ করতে হবে।

    বলা হচ্ছে, দেশের তুলনায় বিদেশি ঋণে সুদহার কম। তবে ঋণের অর্থ ডলার বা অন্য কোনো মুদ্রায় দেশে আসে আর তা পরিশোধও করতে হয় বিদেশি সেই মুদ্রায়। এ কারণে বিদেশি মুদ্রার বিনিময় হার যদি বেড়ে যায়, তাহলে ঋণগ্রহীতাদের বেশি দামে তা কিনতে হবে। ফলে তাদের প্রত্যাশিত অর্থের চেয়ে বেশি পরিশোধ করতে হতে পারে। বিদেশি ঋণের বাড়তি এ বোঝাকে অর্থনীতির জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

    ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘ডলারের বাজার ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় বিদেশি ঋণের চাপ সামাল দেয়া কঠিন হয়ে যাবে। আর এই চাপ সামাল দিতে ব্যর্থ হলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।’

    গত কয়েক বছরে সরকারি-বেসরকারি খাতে যে পরিমাণ বিদেশি ঋণ এসেছে, সেটি স্বাভাবিক নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছে বেসরকারি খাত। টাকার দরপতনে বিদেশি ঋণের বোঝা অনেক বেড়ে গেছে। কারণ যারা প্রতি ডলার ৮৪-৮৫ টাকা হিসাব ধরে ঋণ নিয়েছে, তাদের এখন ১০৬-১০৭ টাকা দিয়ে ডলার কিনে সেই ঋণের সুদ-আসল পরিশোধ করতে হচ্ছে।’ এ থেকে পরিত্রাণের উপায় হিসেবে তিনি রাজস্ব বাড়ানোর ওপর জোর দেন। বলেন, সরকার যদি দ্রুততার সঙ্গে রাজস্ব আদায় বাড়াতে পারে, তাহলে ভালো সমাধান আসবে।

    ব্যবসায়ীদের সংগঠন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (ডিসিসিআই) সাবেক প্রেসিডেন্ট শামস মাহমুদ বলেন, ‘এখান থেকে ৭-৮ বছর আগে দেশি ঋণে ১৭ থেকে ১৮ শতাংশ সুদ গুনতে হতো। তখন বিদেশি ঋণের সুদ ছিল ৫ বা ৬ শতাংশ। ফলে অনেকে বিদেশি ঋণে ঝুঁকে যায়। লোকাল কারেন্সিতে ঋণ যারা নিয়েছে ডলার দর ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় তাদের এখন চড়া মূল্য দিতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘মুদ্রার বিনিময় হার যেকোনো সময় বেড়ে যেতে পারে, এই বিষয়টি তাদের মাথায় থাকে। এ কারণে লোকাল কারেন্সিতে ঋণ নিলে এসব ঋণ তারা দ্রুত পরিশোধ করার চেষ্টা করেন।’

    বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে আন্তব্যাংক লেনদেনে দেখা গেছে, এক ডলার কিনতে ব্যাংকগুলোকে গুনতে হয়েছে ১০৬ টাকা ৯০ পয়সা। ব্যাংকগুলো যে দামে ডলার কেনাবেচা করে, সেটিকে আন্তব্যাংক দাম বলা হচ্ছে। এতদিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে দামে ডলার কেনাবেচা করত, সেটি আন্তব্যাংক দর হিসেবে উল্লেখ করা হতো। এতদিন সেই দামই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে আসছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এক বছর আগে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর টাকা-ডলারের বিনিময় হার ছিল ৮৫ টাকা ২০ পয়সা। খোলাবাজারে ডলার আরও চড়া দামে ১১৪ টাকার ওপরে বিক্রি হয়েছে।

    গত ৩০ জুন শেষ হওয়া ২০২১-২২ অর্থবছরে বিদেশি উৎস থেকে সরকারি-বেসরকারি খাতের মোট ঋণ দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৫০০ কোটি ডলার। অথচ ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৫৮১ কোটি (৪৫ দশমিক ৮১ বিলিয়ন) ডলার। দেশের মোট জিডিপির ১৫ দশমিক ৬ শতাংশ। ৫ বছরের ব্যবধানে এই ঋণ বেড়ে দ্বিগুণের বেশি হয়েছে। সর্বশেষ ২০২০-২১ অর্থবছরে বিদেশি ঋণের প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১৯ শতাংশ। ওই সময়ে দেশে মোট বিদেশি ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ৮১ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার।

    সরকারের পাশাপাশি দেশের বেসরকারি খাতেও বিদেশি ঋণ বেড়েছে । ২০১৭ সালের ডিসেম্বর শেষে দেশের বেসরকারি খাতে বিদেশি ঋণ ছিল ১২ দশমিক ২৮ বিলিয়ন ডলার। পাঁচ বছরে এ ঋণ প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলারে গিয়ে ঠেকেছে। চলতি বছরের মার্চ শেষে বেসরকারি খাতে বিদেশি ঋণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪৯৮ কোটি ডলারে। বিদেশ থেকে দেশি উদ্যোক্তাদের ঋণ সংগ্রহের সুযোগ দিতে ১৯৮৫ সালে ‘অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট’ নামে ব্যাংকের আলাদা বিভাগ গঠন করা হয়। বর্তমানে ৩৬টি ব্যাংক এই বিভাগ গঠন করে ঋণ বিতরণ করছে।

    প্রথম দিকে তৈরি পোশাক খাতের ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিলেও পরে অন্য খাতের উদ্যোক্তারাও এই সুবিধা নিতে শুরু করেন। ২০২১ সালের ১৯ জানুয়ারি বিদেশি ঋণ নেয়ার পথ আরও প্রশস্ত করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে বিদেশি মালিকানাধীন সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানও মূল কোম্পানি (প্যারেন্ট) থেকে ঋণ নিতে পারবে। তবে এ সুবিধা ট্রেডিং ব্যবসার জন্য প্রযোজ্য হবে না। উৎপাদন ও সেবা কার্যক্রম শুরু থেকে ছয় বছর পর্যন্ত নেয়া যাবে। আগে এই সুবিধা তিন বছর পর্যন্ত নেয়া যেত।

    বিদেশি উৎস থেকে ঋণ নিতে বড় জোগানদাতা বা মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে দেশে কার্যরত বিদেশি ব্যাংকের শাখাগুলো। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে রয়েছে এইচএসবিসি ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড। অন্যদিকে দেশি ব্যাংকগুলোর মধ্যে শীর্ষপর্যায়ে রয়েছে ইস্টার্ন, সিটি, ব্র্যাক, এবি ও ইসলামী ব্যাংক।

    অগ্রণী, আল-আরাফাহ, ব্যাংক এশিয়া, ঢাকা, ডাচ্-বাংলা, এক্সিম, আইএফআইসি, যমুনা, মার্কেন্টাইল, মিডল্যান্ড, মধুমতি, মিউচুয়াল ট্রাস্ট, ন্যাশনাল, এনসিসি, ওয়ান, প্রিমিয়ার, প্রাইম, পূবালী, শাহজালাল, সোশ্যাল ইসলামী, সাউথইস্ট, স্ট্যান্ডার্ড, ট্রাস্ট, ইউসিবি, উত্তরা, সিটি এনএ, কমার্শিয়াল ব্যাংক অফ সিলন, স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া ও উরি ব্যাংকের মাধ্যমেও এ ঋণ দেয়া হয়।

    #

    অকা/প্র/ দুপুর, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    বিদেশি মুদ্রায় ঋণধারীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.