Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় ও আমদানি অর্থায়নের সুদহার বাজারভিত্তিক করতে হবে

    জুলাই ১৪, ২০২২ ৫:৪২ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত ৪০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে গেছে। রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল (ইডিএফ), গ্রিন ট্রান্সফরমেশন ফান্ডসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে দেওয়া অর্থ বাদ দিলে বৈদেশিক মুদ্রার মজুতের পরিমাণ আরও কম। বর্তমানে প্রতি মাসে গড়ে আমদানি দায় বাবদ ৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি পরিশোধ করতে হচ্ছে। রপ্তানি আয় থেকে ৪ বিলিয়ন ও রেমিট্যান্স থেকে ২ বিলিয়নের কিছু কম পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আসছে। ফলে প্রতি মাসে এক বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যমূল্য স্বাভাবিক না হলে আমদানির এই চাহিদা সহসাই কমবে না। অন্যদিকে রপ্তানি অর্ডার কমছে বলে দাবি করছেন ব্যবসায়ীরা। আবার রেমিট্যান্স প্রবাহও আগের চেয়ে কমেছে। এ পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞরা বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় ও ব্যবস্থাপনায় আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

    বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সরকার আমদানি নিরুৎসাহিত করতে কিছু উদ্যোগ নিয়েছে ঠিকই; কিন্তু সেগুলোর প্রভাব এখনই পড়বে না। এ জন্য বিকল্প উদ্যোগও নিতে হবে। বিশেষ করে বিনিময় হার বাজারভিত্তিক, আমদানি অর্থায়নের সুদহার বাড়ানো, ব্যাংকগুলোর ওপেন পজিশন কমানো ও বেসরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে বহুজাতিক সংস্থা থেকে সহজ শর্তে বাজেট সহায়তা নেওয়া ও জ্বালানির মূল্য সমন্বয়ের পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।

    রপ্তানি ও রেমিট্যান্স আয়ের তুলনায় আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় কয়েক মাস ধরে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত চাপে রয়েছে। ধারাবাহিকভাবে কমে আসছে দেশের অর্থনীতির শক্তির পরিচায়ক এই অন্যতম সূচকের সামর্থ্য। অবশেষে গত মঙ্গলবার বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত কমে দাঁড়িয়েছে ৩৯ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলারে। গত দুই বছরের মধ্যে এই প্রথম বৈদেশিক মুদ্রার মজুত ৪০ বিলিয়নের নিচে নামল। মজুত কমে আসায় সরকার বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় কমানোর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়িত যেসব উন্নয়ন প্রকল্পে আমদানি ব্যয় আছে, সেগুলো ধীরে বাস্তবায়নের নীতি নেওয়া হয়েছে। গাড়ি কেনা বন্ধ এবং বিদেশ ভ্রমণ বাবদ বরাদ্দের অর্ধেক খরচ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কয়েকশ বিলাসপণ্য ও জরুরি নয় এমন পণ্য আমদানিতে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক্ক বাড়িয়েছে সরকার। গাড়ি, টিভি, ফ্রিজ, স্বর্ণসহ ২৭ ধরনের পণ্য আমদানিতে শতভাগ মার্জিন তথা এলসি খোলার সময় নগদ জমা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অতি প্রয়োজনীয় পণ্য ছাড়া অন্য ক্ষেত্রে মার্জিনের হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৫ শতাংশ। উভয় ক্ষেত্রে ঋণের টাকায় মার্জিন নেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। আমদানি নিয়ন্ত্রণে ডলারের দর বৃদ্ধি করা হচ্ছে। বর্তমানে আন্তঃব্যাংকেই প্রতি ডলারের দর উঠেছে ৯৩ টাকা ৪৫ পয়সা। এক বছর আগে যা ৮৪ টাকা ৮০ পয়সা ছিল। এ ছাড়া সরকার আইএমএফ থেকে তিন বছর মেয়াদে সাড়ে চার থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলার এবং বিশ্বব্যাংক থেকে দুই বিলিয়ন ডলারের বাজেট সহায়তা নেওয়ার চেষ্টা করছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন থেকে ৪০ বিলিয়নে নেমে গেছে কয়েক মাসের মধ্যে। এটা অবশ্যই ভাবনার বিষয়। তবে বাংলাদেশ কোনো দুর্যোগে পড়েছে, সে রকম নয়। কিন্তু রিজার্ভ কমে আসায় টাকার মূল্যমান কমে যাচ্ছে। এতে বিনিয়োগ কমবে। মূল্যস্ম্ফীতি বাড়ছে। তবে টাকার মূল্যমান ধরে রাখতে বিনিময় হার বেঁধে দেওয়া ঠিক হবে না। এ জন্য আমদানি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। রপ্তানি আয় সময়মতো প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। ইডিএফ তহবিলের ঋণ সময়মতো ফেরত আসা নিশ্চিত করতে হবে। মুদ্রা পাচার বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি ব্যাংকগুলোর নেট ওপেন পজিশন কমিয়ে দেওয়া যেতে পারে। বেসরকারি খাতে বৈদেশিক ঋণ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, শতভাগ রপ্তানিমুখী খাতে বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার সুযোগ রেখে অন্য ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করতে হবে।

    বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউশনের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, বৈদেশিক মুদ্রার মজুত ৪০ বিলিয়ন ডলার বলা হলেও প্রকৃত মজুত ৩২ বিলিয়ন ডলার। আমদানি ব্যয়ের বিবেচনায় এই মজুত দিয়ে সাড়ে চার মাস চলা যাবে। এর সঙ্গে সেবা খাতের দায় পরিশোধ, সরকারি-বেসরকারি ঋণ ও ঋণের সুদ পরিশোধ যোগ করলে আমদানি দায়ের জন্য আরও কম রিজার্ভ থাকবে। তবে এখন পর্যন্ত রিজার্ভের লেভেল ঠিক আছে। রিজার্ভ কমে যাচ্ছে- এটা আশঙ্কাজনক। রিজার্ভ যাতে না কমে, সে জন্য আমদানি নিরুৎসাহিত করতে হবে। তাই আমদানি অর্থায়নের সুদহার ও মুদ্রা বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করতে হবে। সেবা খাতে দায় কমানোর চেষ্টা করতে হবে। বেসরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ নিরুৎসাহিত করতে হবে। এগুলো করা কঠিন। তবে সরকার যত দ্রুত করবে, ততই মঙ্গল। বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন বলেন, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের জন্য সরকার কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। তবে সেসব উদ্যোগের প্রভাব এখনই লেনদেনের ভারসাম্যে পড়বে না। যে কারণে চলতি হিসাবের ঘাটতি কমার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ যে পর্যায়ে নেমেছে, সেটা উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো না হলেও সতর্ক হতে হবে। রিজার্ভের ওপর চাপ কমানোর চেষ্টা করতে হবে। সরকার বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ থেকে বাজেট সহায়তা নেওয়ার চেষ্টা করছে। এই সহায়তা যত দ্রুত নেওয়া যাবে, ততই ভালো। পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারকে বাজার ও বাস্তবভিত্তিক করতে হবে। এখন যেভাবে চলছে, তাতে আন্তঃব্যাংক বাজার প্রকৃতপক্ষে কাজ করছে না।

    #
    অকা/প্র/দুপুর, ১৪ জুলাই, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় ও আমদানি অর্থায়নের সুদহার বাজারভিত্তিক করতে হবে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.