Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধির পরিবর্তে কমছে

    সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২ ৪:০২ পূর্বাহ্ণ3
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস রপ্তানি এবং রেমিট্যান্স। এ দুই খাতে আয় বাড়ছে। এদিকে পণ্য আমদানির জন্য এলসি খোলা কমতে শুরু করেছে। এরপরও আমদানি ব্যয় কমেনি। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধির পরিবর্তে কমে যাচ্ছে। রিজার্ভ কমে গত রোববার ৩৬৮৫ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। করোনার সময় স্থগিত এলসির দেনা ও বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপে রিজার্ভ কমে যাচ্ছে।

    জানা গেছে, গত অর্থবছরে রেমিট্যান্স খাতে আয় হয়েছে ২১০৩ কোটি ডলার। রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৫২০৮ কোটি ডলার। এই দুই খাতে ৭৩১১ কোটি ডলার আয় হয়। একই অর্থবছরে আমদানি বাবদ ব্যয় হয়েছে ৮২৫০ কোটি ডলার। বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের চেয়ে বেশি ব্যয় হয়েছে ৯৩৩ কোটি ডলার। বাড়তি বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ থেকে পরিশোধ হচ্ছে। এর বাইরে বৈদেশিক বিনিয়োগ বাবদ গত অর্থবছরে এসেছে ২১৮ কোটি ডলার। একই সময়ে বিদেশে চিকিৎসা, ভ্রমণ ও পড়াশোনায় এর চেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হচ্ছে। সব মিলে আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হচ্ছে। এ কারণে ডলারের সংকটও প্রকট হচ্ছে।

    আগে রপ্তানি আয় দিয়ে ৬০ শতাংশ আমদানি ব্যয় মেটানো যেত। বাকি ৪০ শতাংশ আমদানি ব্যয় মেটানো হতো রেমিট্যান্স দিয়ে। এই ব্যয় মিটিয়ে আরও কিছু ডলার থেকে যেত। সেগুলো রিজার্ভে যোগ হয়েছে। গত বছরের আগস্ট থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম হু-হু করে বাড়া ও রেমিট্যান্স কমার কারণে রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স দিয়েও আমদানি ব্যয় পুরোপুরি মেটানো যাচ্ছে না। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর ফলে পণ্যের দাম আরও বেড়ে যাওয়ায় এ খাতে সংকট আরও প্রকট হয়।

    এ প্রসঙ্গে পলিসি রিসার্স ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুর বলেন, প্রধান সংকট হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রা আয় কমে গেছে, ব্যয় বেড়ে গেছে। এখন এই সংকট মোকাবিলা করতে দুটি পদক্ষেপ নিতে হবে। এক. বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় কমাতে হবে এবং দুই. বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়াতে হবে। অথবা একই সঙ্গে দুটি নিতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সেদিকেই হাঁটছে। বিধিনিষেধ আরোপের ফলে এখন আমদানি কমছে। কিন্তু আগের স্থগিত এলসির দেনাগুলো এখন পরিশোধ করতে হচ্ছে। এ কারণে রিজার্ভে চাপ বেশি। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম কমে গেলে রিজার্ভে চাপও কমবে।

    সূত্র জানায়, দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস এখন রপ্তানি খাত। চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট এই দুই মাসে এ খাতে আয় বেড়েছে ২৫ দশমিক ৩১ শতাংশ। গত অর্থবছরে বেড়েছিল ৩৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ। বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম খাত প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহ গত অর্থবছরে কমেছিল ১৫ দশমিক ১২ শতাংশ। তবে চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট এই দুই মাসে বেড়েছে ১২ দশমিক ২৯ শতাংশ।

    অন্যদিকে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয়ের প্রধান খাত আমদানিতে গত মে থেকে এলসি খোলার হার কমতে শুরু করেছে। ওই সময় থেকে আমদানি খাতে নানা ধরনের বিধিনিষেধ আরোপিত হওয়া এবং ডলার সংকটের কারণে এলসি খোলা কমেছে। যে কারণে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) জুলাই আগস্টের দেনা কমে ১৭৬ কোটি ডলার হয়েছে। এর আগের দুই মাসে অর্থাৎ মে-জুনে এ খাতে ১৯৬ কোটি ডলার এবং মার্চ-এপ্রিলে ২০৯ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়েছিল। আমদানি কমায় এ খাতে দেনাও কমেছে। তবে সার্বিক আমদানি ব্যয় বেড়ে গেছে। গত অর্থবছরে আমদানি ব্যয় বেড়েছে ৩৬ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে বেড়েছে ২৩ দশমিক ২৩ শতাংশ। গত জুলাই-আগস্টে এলসি খোলা প্রবৃদ্ধি কমে ১০ শতাংশ হয়েছে। আগে এ খাতে প্রবৃদ্ধি ছিল ৩৪ শতাংশ।

    সূত্র জানায়, গত মে থেকে এলসি খোলার হার কমলেও করোনার সময় গত ২০২০, ২০২১ ও ২০২২ সালের শুরুর দিকে অনেক এলসির দেনা পরিশোধ স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনেক বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধও স্থগিত ছিল। বিশেষ করে ৩ থেকে দুই বছর মেয়াদে ওইসব দেনা পরিশোধ স্থগিত করা হয়। এখন ওইসব দেনা পরিশোধ করতে হচ্ছে। যে কারণে সার্বিকভাবে আমদানি ব্যয় বেশি হচ্ছে। এছাড়া বৈদেশিক ঋণের কিস্তিও এখন পরিশোধ করা হচ্ছে। এসব মিলে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় বেড়ে গেছে।

    #

    অকা/প্র/ সকাল, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধির পরিবর্তে কমছে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.