অর্থকাগজ প্রতিবেদন>
অবশেষে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি সরবরাহে সুখবর মিলেছে। মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনালের জন্য এলএনজিবাহী একটি জাহাজ পৌঁছেছে।
শনিবার দুপুর দেড়টায় ‘ফ্লেক্স কারেজেস’ জাহাজ মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালে ভিড়েছে। আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকে কেনা এলএনজিবাহী জাহাজটি এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যামেরন পোর্ট থেকে।
রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল দিয়ে এলএনজি সরবরাহ শুরু হবে। এর মধ্য দিয়ে এলএনজি সংকট আপাতত কাটিয়ে ওঠা সম্ভব বলে আশা করছেন রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস লিমিটেডের কর্মকর্তারা।
তবে দুপুর দেড়টা থেকেই এক্সিলারেট এনার্জি টার্মিনাল দিয়ে ১শ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ শুরু হয়েছে। টার্মিনালে আগে জমা থাকা কিছু এলএনজি দিয়ে সরবরাহ শুরু হয়।
এতে দুপুর থেকেই গ্যাস সরবরাহে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। কারণ পাশে থাকা দেশীয় সামিট গ্রুপের ভাসমান টার্মিনাল দিয়েই ৫৭০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে শনিবার দুপুর আড়াইটা নাগাদ দুটি টার্মিনাল দিয়ে ৬৭০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মিলছে।
রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের উপমহাব্যবস্থাপক (এলএনজি) পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘দুটি টার্মিনালের সক্ষমতা অনুযায়ী ১১শ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পেতে রবিবার সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। শনিবার রাতে সরবরাহ বেড়ে ৮শ থেকে ৯শ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস হবে।’
এলএনজি সরবরাহে বিপত্তি ঘটে ২১ এপ্রিল থেকেই। প্রথমে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনালের বয়লারে আগুন লেগেই তৈরি হয় বিপত্তি। দুসপ্তাহ সচলের পর টার্মিনালটি পড়ে এলএনজি সংকটে। এরই মধ্যে দেশীয় সামিটের টার্মিনালও বন্ধ থাকে এলএনজি সংকটে।
রবিবার থেকে পুরোদমে দুটি টার্মিনাল ১১শ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস দিলে সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে। কিন্তু কতদিন এই সরবরাহ একইরকম থাকবে তা নিয়ে রয়েছে সংশয়। কারণ মাসের চাহিদা অনুযায়ী এলএনজি জাহাজ আসা এখনো নিশ্চিত হয়নি।
সর্বশেষ হালনাগাদ 4 hours আগে

