অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর আগামী সরকারকে আর্থিক খাতে শৃংখলার রক্ষার ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। নির্বাচনী প্রচারণায় রাজনীতিবিদরা ব্যাংক সংস্কারে যেসব সুপারিশ করেছেন তা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। মুদ্রানীতি ঘোষণা করতে গিয়ে ৯ ফেব্রুয়ারি দুপুরে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক উচ্চ নির্বাহী ভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে মিলিত হন।
তিনি বলেন, কর আদায় না বাড়িয়ে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা হলে ব্যাংক ঋণের বোঝা সরকারের আবারও বাড়বে, যা মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দিতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
তিনি আরও বলেন, ব্যাংকিং খাতকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার সংশোধনের প্রয়োজন। সব কেন্দ্রীয় ব্যাংককেই চাপ মোকাবিলা করতে হয়। আশা করি, নির্বাচনের প্রতিশ্রুতিতে আর্থিক খাতের সংস্কার বিষয়ে দলগুলো প্রতিশ্রুতিশীল থাকবে। তিনি বলেন, দেড় বছরে বড় অঙ্কের ঋণ প্রদান করা হয়নি, সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এ সময়ে। তা টেকসই হওয়া প্রয়োজন। ঋণের মান বাড়তে হবে।
চলতি অর্থবছরে বাজার থেকে ৪ বিলিয়ন ডলার কেনার তথ্য প্রকাশ করে গভর্নর বলেন, গত এক বছরে ডলার কেনা হয়েছে, তবে কোনো রিজার্ভ বিক্রি হয়নি। চার বছরে আইএমএফ যে ঋণ দেয়ার কথা ছিল, তার থেকেও বেশি ডলার আমাদের রিজার্ভে রয়েছে। আমরা অন্যের মুখাপেক্ষী থাকতে চাই না।
জানুয়ারি-জুনের মুদ্রানীতি মূল্যায়নে গভর্নর উল্লেখ করেন, মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশে নামানো ছাড়া অন্যান্য সূচকে মুদ্রানীতি সফল হয়েছে। আমরা ভালো করেছি, শুধু মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছি। তবে আশাবাদী, এটি কমবে। অর্থনীতির বিশ্ব পূর্বাভাস অনুযায়ী সামনের দিনগুলোতে আমাদের অর্থনীতি আরও ভালো হবে, ফলে মূল্যস্ফীতিও কমবে।
সর্বশেষ হালনাগাদ 17 hours আগে

