অর্থকাগজ প্রতিবেদন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন মালয়েশিয়া সফরে দেশটির শ্রমবাজারে আরও বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আল সিয়াম। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, বর্তমানে মালয়েশিয়ায় নতুন করে কর্মী পাঠানোর কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
শনিবার (২০ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর উপলক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, মালয়েশিয়ার কাছে বাংলাদেশ আরও কর্মী নিয়োগের অনুরোধ জানাবে। তবে বর্তমানে দেশটি শুধু বাংলাদেশের নয়, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ ব্যবস্থা পর্যালোচনা করছে। এ প্রক্রিয়া শেষ হলে বাংলাদেশ অগ্রাধিকার পাবে বলে আশা করছে সরকার।
তিনি বলেন, “মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে দুই দেশের সম্পর্ককে শুধু শ্রমবাজারের দৃষ্টিকোণ থেকে না দেখে বৃহত্তর অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বের প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করতে হবে।”
আসাদ আল সিয়াম বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়াই প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। এছাড়া আসিয়ানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক জোরদার এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে দেশটি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে ভূমিকা পালন করছে।
সফরকালে দুই দেশের মধ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে সম্ভাব্য মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরুর লক্ষ্যে ‘টার্মস অব রেফারেন্স’ বিনিময়ের বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও জনশক্তি খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণই এই সফরের অন্যতম লক্ষ্য। একই সঙ্গে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরির বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
বর্তমানে মালয়েশিয়া বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার। সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশটিতে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ বাড়লে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
সর্বশেষ হালনাগাদ 5 hours আগে

