Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বুধবার, ৫ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ৫০ শতাংশের নিচে নেমেছে চিংড়ির রফতানি

    সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৪ ৪:৪৩ অপরাহ্ণ16
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    বিশ্ব বাজারে হিমায়িত চিংড়ির চাহিদার কারণে প্রায় দুই যুগ আগে বাংলাদেশী উদ্যোক্তারা পণ্যটি রফতানিতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। এ সময় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চিংড়ি প্রক্রিয়াকরণ কারখানা স্থাপন করা হয়। কিন্তু ২০০৮ সাল-পরবর্তী অর্থনৈতিক মন্দার কারণে দাম কমে যায়। তখন থেকেই বিশ্ব বাজারে ভেনামি চিংড়ির চাহিদা বাড়তে থাকে। অন্যদিকে দেশে উৎপাদিত বাগদা বা গলদা চিংড়ির চাহিদা কমতে শুরু করে। এক যুগ আগেও বছরে ৫০ হাজার টন চিংড়ি বিশ্ব বাজারে রফতানি হতো। কিন্তু সমাপ্ত অর্থ বছরে তা নেমেছে প্রায় ২৪ হাজার টনে, যা অর্ধেকেরও কম। একই সময়ে হিমায়িত চিংড়ি থেকে রফতানি আয় ৫৭ কোটি থেকে কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৪ কোটি ডলারে। এদিকে বিশ্ব বাজারে চিংড়ির চাহিদা ক্রমান্বয়ে কমতে থাকায় সমাপ্ত অর্থ বছরের শুরুতে রফতানির ল্যমাত্রা কমিয়ে আনা হয়। তবুও অর্থ বছরের শেষে সেই ল্য অর্জন সম্ভব হয়নি।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মূলত ভেনামি চিংড়ির উৎপাদন ও বাজারজাত শুরু না করা, চাষের জমি কমে যাওয়া এবং কাঁচামালের সংকটের কারণে বিশ্ব বাজারে চিংড়ি রফতানি কমে যাচ্ছে। ফলে বন্ধ হয়ে গেছে চিংড়ি প্রক্রিয়াকরণ অনেক কারখানা।

    বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএফইএ) ও রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যমতে, ২০১২-১৩ অর্থ বছরে প্রায় ৫০ হাজার টন চিংড়ি রফতানি হয়েছিল। যার বাজারমূল্য ছিল আনুমানিক ৫৭ কোটি ডলার। অন্যদিকে ঠিক এক যুগের ব্যবধানে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে রফতানি হয়েছে মাত্র ২৪ হাজার টন, আর্থিক অংকে যা প্রায় ২৪ কোটি ডলার। অর্থাৎ এক যুগের ব্যবধানে চিংড়ি রফতানি কমেছে প্রায় ২৭ হাজার টন বা ৫২ শতাংশ। আর্থিক অংকে যার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৩ কোটি ডলার বা ৫৭ শতাংশ। বিগত এক যুগের হিমায়িত চিংড়ি রফতানির তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ধারাবাহিকভাবে প্রতি বছরই কমেছে চিংড়ির রফতানি।

    অন্যদিকে ২০২২-২৩ অর্থ বছরে প্রায় ৫০ কোটি ডলারের চিংড়ি রফতানির ল্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু অর্থবছর শেষে মাত্র ৩০ কোটি ডলারের চিংড়ি রফতানি করা সম্ভব হয়। যে কারণে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ল্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ২৯ কোটি ৭৯ লাখ ডলারের। বছর শেষে সেটা নেমে আসে মাত্র ২৪ কোটি ডলারে। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে চিংড়ি রফতানি ল্যমাত্রা ৪০ শতাংশ কমিয়ে আনলেও সেই পরিমাণ অর্থের চিংড়ি রফতানি করা যায়নি।

    ল্যমাত্রার পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বিগত পাঁচ বছরে চিংড়ি রফতানির ল্যমাত্রা ছিল যথাক্রমে ৩৬ কোটি ১০ লাখ ডলার, ৪১ কোটি ৫০ লাখ, ৩৩ কোটি, ৫০ কোটি এবং ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ২৯ কোটি ৭৯ লাখ ডলার।

    গত এক যুগের মধ্যে শুধু ২০২১-২২ অর্থ বছরে ল্যমাত্রার চেয়ে বেশি চিংড়ি রফতানি সম্ভব হয়েছে। এ সময়ে ৩৩ কোটি ডলারের ল্যমাত্রা থাকলেও ৪০ কোটি ৭২ লাখ ৫০ হাজার ডলারে ৩০ হাজার ৫৭১ টন চিংড়ি রফতানি হয়। মূলত কভিড মহামারীকালে বিশ্ব বাজারে চিংড়ির সরবরাহ কমে যাওয়ায় এবং মূল্যবৃদ্ধির কারণে তখন ল্যমাত্রার চেয়ে বেশি রফতানি সম্ভব হয়েছিল।

    বিএফএফইএ সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আশরাফ হোসাইন বলেন, ‘হিমায়িত চিংড়ির রফতানি কমে যাওয়ায় আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। প্রতি বছর বিশ্ব বাজারের চাহিদা বাড়লেও বাংলাদেশে ভেনামি জাতের চিংড়ি উৎপাদন না হওয়ায় আমরা বাজার হারিয়েছি। প্রক্রিয়াকরণ কারখানাগুলো কাঁচামালের অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। শ্রমিকরা বেকার হয়ে গেছেন। ব্যাংকের সুদ দিতে না পেরে অনেকে কারখানাও বিক্রি করে দিয়েছেন।’

    তথ্যমতে, দেশে চিংড়ি চাষের উপযোগী প্রায় আড়াই লাখ হেক্টর জমি রয়েছে। যার মধ্যে ২ লাখ হেক্টরে চাষ হয় বাগদা চিংড়ি। এছাড়া হিমায়িত মাছ রফতানি খাতে সম্পৃক্ত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১১০। এসব কারখানার বার্ষিক উৎপাদনমতা সাড়ে ৩ লাখ টন। মৎস্য অধিদপ্তরের আওতাধীন কক্সবাজার জেলার চকরিয়া-রামপুরা মৌজায় চিংড়ি চাষের উপযোগী সাত হাজার একর জমি অনাবাদি পড়ে রয়েছে। এ এলাকাটিকে চিংড়ি চাষের জোন হিসেবে ঘোষণা করা হলে এখান থেকে প্রক্রিয়াকরণ কারখানাগুলোর চাহিদার ৮০ শতাংশ কাঁচামাল সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

    ব্যবসায়ীরা বলছেন, চকরিয়া-রামপুরা এলাকায় যে চিংড়ি এলাকা আছে তাতে বড় পরিসরে চিংড়ি উৎপাদন সম্ভব। এ জমিকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার না করে শুধু চিংড়ি উৎপাদনে ব্যবহার করা হোক এবং রফতানিকারকদের অনুকূলে দীর্ঘমেয়াদি লিজ প্রদান করে চিংড়ি চাষের সুযোগ চান তারা। এছাড়া যেসব ব্যবসায়ী পাইলট প্রকল্পের অধীনে রফতানির জন্য ভেনামি চিংড়ি উৎপাদন করছেন, তাদের প্রণোদনা ও সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করে দেয়ার দাবি জানান তারা।

    এমইউ সি ফুডস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ্যামল দাস বলেন, ‘সারা বিশ্বে যেখানে চিংড়ি রফতানির প্রায় ৮০-৮২ শতাংশই হয় ভেনামি চিংড়ি, সেখানে আমরা ২০ শতাংশের বাগদা বা গলদা চিংড়ি নিয়ে কাজ করছি। প্রতি বছর এ রফতানি কমে আসছে। দেশের প্রথম ভেনামি চিংড়ি চাষের পাইলট প্রকল্পটি আমার হাত ধরেই শুরু হয়। হেক্টরপ্রতি যেখানে আমরা আট হাজার কেজি ভেনামি চিংড়ি উৎপাদন করি, সেখানে বাগদার উৎপাদন হেক্টরপ্রতি ৬০০-৮০০ কেজি। বিশ্ব বাজারে এ চিংড়ির চাহিদা বেশি।

    ভেনামি চিংড়ি চাষের পরিকল্পনা করতে করতেই রফতানি খাতটি হাতছাড়া হয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বৃহৎ উদ্যোক্তারা এ চিংড়ি চাষে না এলে মাঠ পর্যায়ের চাষীদের দিয়ে বড় পরিসরে উৎপাদন সম্ভব নয়। তাছাড়া চিংড়ি উৎপাদনে কোনো বৃহৎ দিকনির্দেশনাও বিগত সরকারের প থেকে আসেনি। আমরা চাই সরকার কৃষিপণ্যের মতো চিংড়ি চাষকে গুরুত্ব দিক। তাহলে এ খাতটির বড় সম্ভাবনা আছে।’

    খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্ব বাজারে এখন ৯৫ শতাংশই ভেনামি চিংড়ি। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে রফতানি হওয়া চিংড়ির মধ্যে ৯৫ শতাংশই বাগদা চিংড়ি। ভেনামি জাতের চিংড়ি চাষে উৎপাদন খরচ ২৫-৩০ শতাংশ কম। তাই কম উৎপাদনশীল গলদা ও বাগদা চিংড়ি দিয়ে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন। এ অবস্থায় ভেনামি চিংড়ির রফতানি বৃদ্ধি করতে উদ্যোগ প্রয়োজন। এছাড়া বাগদা চিংড়ির স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যকে বিবেচনায় নিয়ে এটিকেও নতুনভাবে ব্র্যান্ডিং করারও পরামর্শ দিয়েছেন তারা। ●

    অকা/শিবা/ফর/রাত/২২ সেপ্টেম্বও, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    চিংড়ি রফতানি

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    টেক্সটাইল খাতে মন্দার চাপ

    সিন্ডিকেট বন্ধ হলে ভোক্তার স্বার্থ রা পাবে এবং বিনিয়োগ বাড়বে

    বিকল্প কী ধরনের সুবিধা দেয়া যায়, সে বিষয়ে আমরা ভাবছি-বাণিজ্য সচিব

    শিল্পায়নের নতুন সুযোগ গ্রিন শিপবিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রি-শিল্প উপদেষ্টা

    প্রস্তুত হচ্ছে বাংলাদেশ
    অর্ডার বাড়াতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীরা

    সম্ভাবনা সত্ত্বেও পিছিয়ে চামড়াশিল্প

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইউরোপে মূল্যচাপে বাংলাদেশের পোশাক খাত

    এডিপিতে নজিরবিহীন ধীরগতি

    এক দিনের মধ্যেই জেনিথ ইসলামী লাইফের মৃত্যুদাবীর চেক পরিশোধ

    এলপি গ্যাসে ভ্যাট কমলো – দামে স্বস্তির ইঙ্গিত

    ব্যাংকিং খাতে গভীর ক্ষত
    সংকোচন নীতির চাপে প্রবৃদ্ধি

    রমজান ঘিরে আমদানি বাড়লেও বাজারে দামের চাপ

    সড়ক দুর্ঘটনায় আর্থিক সুরক্ষা
    কেন অচল মোটর লায়াবিলিটি বীমা?

    দেশের ভেতরে নগদ অর্থ বহনে কোনো সীমা নেই – বাংলাদেশ ব্যাংক

    মধ্য এশিয়ায় ৬ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধির জোয়ার

    আস্থা সংকটে পুঁজি বাজার – সংস্কার ছাড়া স্থিতিশীলতা অনিশ্চিত

    রেমিট্যান্স ও উচ্চ সুদে ৫০ মাসের সর্বোচ্চ আমানত প্রবৃদ্ধি

    ব্যাংক খাতে বাড়ছে ঝুঁকি ও প্রকট হচ্ছে লুটপাটের দীর্ঘ ছায়া

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে বাংলাদেশি রফতানিতে নতুন গতি

    মুদ্রানীতি ঘোষণাকালে গভর্নর
    বড় অঙ্কের ঋণ প্রদান করা হয়নি, সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে

    নির্বাচন ঘিরে এমএফএস লেনদেনে কড়াকড়ি

    মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি থামছে না – চাপে সাধারণ মানুষ

    সঞ্চয়পত্রে কর বিভ্রান্তির অবসান

    ভোটের উত্তাপ ও শেয়ার বাজারের নতুন সমীকরণ

    রোজার বাজারে সরবরাহ স্বস্তি – দামে শঙ্কা

    রাজস্ব চাপে ভবিষ্যৎ সরকার

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.