Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    মঙ্গলবার, ২৬ মাঘ, ১৪৩২ | ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    আইপিও কোটায় বড় পরিবর্তন আনছে বিএসইসি

    নভেম্বর ২, ২০২৫ ১০:৩৪ পূর্বাহ্ণ5
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    বাংলাদেশের পুঁজি বাজারে নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তির অন্যতম প্রধান ধাপ হলো প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও (Initial Public Offering)। এই প্রক্রিয়ায় একটি কোম্পানি প্রথমবারের মতো জনসাধারণের কাছ থেকে মূলধন সংগ্রহ করে এবং প্রাতিষ্ঠানিক ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দ করা হয় নির্ধারিত কোটার ভিত্তিতে। দীর্ঘদিন ধরে ফিক্সড প্রাইস ও বুক বিল্ডিং—উভয় পদ্ধতির আইপিওতেই সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্রাধান্য পেয়ে আসছিলেন, যেখানে তাদের কোটা ছিল ৭০ শতাংশ পর্যন্ত। তবে এবার সেই ঐতিহ্যিক ভারসাম্যে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

    সম্প্রতি কমিশন প্রকাশ করেছে ‘Public Offer of Equity Securities Rules, 2025’-এর খসড়া, যেখানে বিদ্যমান কোটার কাঠামো পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। খসড়াটি এখন জনমত যাচাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে, এবং মতামত সংগ্রহ শেষে এটি চূড়ান্ত বিধিমালা হিসেবে গৃহীত হবে।

    ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে সাধারণ বিনিয়োগকারীর কোটা অর্ধেকে

    নতুন খসড়া অনুযায়ী, ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতির আইপিওতে সাধারণ বিনিয়োগকারীর কোটা ৭০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি বিদ্যমান ‘Public Issue Rules, 2015’ (২০২১ সালের আগস্ট পর্যন্ত সংশোধিত) বিধিমালার তুলনায় একটি মৌলিক পরিবর্তন।
    প্রস্তাবিত কোটার নতুন কাঠামো হলো:

    • সাধারণ বিনিয়োগকারী: ৩৫%

    • যোগ্য বিনিয়োগকারী (Eligible Investors): ৩০%

    • মিউচুয়াল ফান্ড: ২০%

    • প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী কর্মচারী: ৫%

    • অনিবাসী বাংলাদেশি (NRB) ও অন্যান্য অনিবাসী: ৫%

    • উচ্চসম্পদশালী ব্যক্তি (High Net-worth Individual): ৫%

    বিদ্যমান বিধিমালায় ইআইদের কোটা ছিল ২০%, মিউচুয়াল ফান্ডের জন্য ৫%, এবং অনিবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ৫%—যা থেকে বোঝা যায়, এবার প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হচ্ছে।

    বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতেও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কোটা কমছে

    বুক বিল্ডিং পদ্ধতির ক্ষেত্রেও সাধারণ বিনিয়োগকারীর অংশ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে—৭০ শতাংশ থেকে নামিয়ে ২৫ শতাংশে আনা হচ্ছে। নতুন কাঠামোয় ইআইদের জন্য ৪০%, মিউচুয়াল ফান্ডের জন্য ২০%, স্থায়ী কর্মীদের জন্য ৫%, অনিবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ৫% এবং উচ্চসম্পদশালী বিনিয়োগকারীদের জন্যও ৫% বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
    বিদ্যমান নিয়মে ইআই ও মিউচুয়াল ফান্ডের কোটা ছিল ২৫ শতাংশ করে, অর্থাৎ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের প্রভাব এখানে আরও বিস্তৃত হতে যাচ্ছে।

    নতুন খসড়ায় লকইন ও সময়সীমায় পরিবর্তন

    আইপিও-পরবর্তী শেয়ার লকইনের ক্ষেত্রেও নতুন খসড়ায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন এসেছে। বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ার পাওয়া যোগ্য বিনিয়োগকারীদের (ইআই) জন্য ১৮০ দিনের লকইন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা আগে ছিল না।
    একই সঙ্গে, উদ্যোক্তা, পরিচালক ও ১০ শতাংশের বেশি শেয়ারধারীদের ক্ষেত্রে তিন বছরের লকইন আগের মতোই বহাল থাকছে। তবে আইপিও অনুমোদনের চার বছর আগে ইস্যুকৃত শেয়ারের জন্য লকইন মেয়াদ এক বছরই থাকবে, কিন্তু শেয়ার ইস্যুর সময়সীমা চার বছর থেকে কমিয়ে তিন বছর করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

    তালিকাভুক্তি প্রক্রিয়া ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতে নতুন ধারা

    খসড়া অনুযায়ী, কোনো কোম্পানি আইপিও আবেদন জমা দেওয়ার পর ৪৫ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষকে তালিকাভুক্তির সুপারিশ বা বাতিলের সিদ্ধান্ত জানাতে হবে।
    এছাড়া, কোনো আবেদন যদি নেতিবাচক মত পায়, তবুও সেটিকে বিডিং প্রক্রিয়ার আওতায় বিবেচনা করা যেতে পারে—যা বিনিয়োগ আকর্ষণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।

    ন্যূনতম আইপিও আকার ও অর্থ ব্যবহারে কঠোরতা

    আইপিওর আকার সম্পর্কিত বিদ্যমান শর্তগুলো অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে কোম্পানিকে ন্যূনতম ৩০ কোটি টাকা এবং বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ৭৫ কোটি টাকা মূলধন উত্তোলন করতে হবে।
    অতিরিক্তভাবে, ইস্যু ব্যবস্থাপককে আইপিও-পরবর্তী সময়ে সংগৃহীত অর্থ প্রসপেক্টাসে ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যয় করা হচ্ছে কিনা তা নিয়ে প্রতি মাসে বিএসইসিতে অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

    সম্ভাব্য প্রভাব ও বাজার বিশ্লেষণ

    বিশ্লেষকদের মতে, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কোটা অর্ধেকে নামিয়ে আনলে স্বল্প-মেয়াদি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ কিছুটা কমে যেতে পারে, তবে এতে বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতা বাড়তে পারে। কারণ, ইআই ও মিউচুয়াল ফান্ডের বড় অংশগ্রহণ সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে।
    তবে সমালোচকরা বলছেন, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের অংশ কমানো হলে আইপিওতে তাদের আগ্রহ কমে যেতে পারে, যা বাজারের তরলতা বা liquidity প্রভাবিত করতে পারে। এই প্রস্তাবিত বিধিমালা কার্যকর হলে বাংলাদেশের আইপিও বাজারে একটি নতুন ভারসাম্য কাঠামো তৈরি হবে—যেখানে মূল ফোকাস হবে বিনিয়োগকারীর গুণগত মান ও বাজারের স্থিতিশীলতা, কেবল পরিমাণ নয়। ●
    অকা/পুঁবা/ই/সকাল/২ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মুদ্রানীতি ঘোষণাকালে গভর্নর
    বড় অঙ্কের ঋণ প্রদান করা হয়নি, সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে

    মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি থামছে না – চাপে সাধারণ মানুষ

    ভোটের উত্তাপ ও শেয়ার বাজারের নতুন সমীকরণ

    রোজার বাজারে সরবরাহ স্বস্তি – দামে শঙ্কা

    রফতানিতে গতি ফিরলেও চ্যালেঞ্জ কাটেনি

    অনিশ্চয়তার মধ্যেও ওষুধ খাতে মুনাফার উত্থান

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    মুদ্রানীতি ঘোষণাকালে গভর্নর
    বড় অঙ্কের ঋণ প্রদান করা হয়নি, সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে

    নির্বাচন ঘিরে এমএফএস লেনদেনে কড়াকড়ি

    মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি থামছে না – চাপে সাধারণ মানুষ

    সঞ্চয়পত্রে কর বিভ্রান্তির অবসান

    ভোটের উত্তাপ ও শেয়ার বাজারের নতুন সমীকরণ

    রোজার বাজারে সরবরাহ স্বস্তি – দামে শঙ্কা

    রাজস্ব চাপে ভবিষ্যৎ সরকার

    রফতানিতে গতি ফিরলেও চ্যালেঞ্জ কাটেনি

    ভ্যাট বাড়লেও গতি ফিরছে না অর্থনীতিতে

    টেক্সটাইল খাতে মন্দার চাপ

    অনিশ্চয়তার মধ্যেও ওষুধ খাতে মুনাফার উত্থান

    ইইউ–ভারত চুক্তিতে বাড়ছে পোশাক প্রতিযোগিতা

    স্থবির শেয়ার বাজারে তলানিতে সরকারি রাজস্ব

    রেকর্ড দামে স্বর্ণ – অনিশ্চয়তায় ঝুঁকছে বিশ্ব বাজার

    চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাস
    ঋণ প্রতিশ্রুতি কম – পরিশোধ বেশি

    ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের পথে অগ্রগতি

    কমোডিটি মার্কেট চালুর দ্বারপ্রান্তে সিএসই

    বন্ড অটোমেশনে ধীরগতি – রফতানিতে নতুন জটিলতা

    প্রায় সকল বিষয়ে জেনিথ ইসলামী লাইফের উল্লেখযোগ্য সাফল্য

    বিনিয়োগ স্থবিরতায় বেসরকারি খাতে ব্যাংক ঋণের প্রবৃদ্ধি নিম্নমুখী

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.