Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ২৭ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১২ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    আতঙ্কে কেনাকাটা, বাজারে তেল–চিনির চাপ

    মার্চ ১২, ২০২৬ ১০:৫৭ পূর্বাহ্ণ4
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে নতুন ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ভোজ্য তেল ও চিনির মতো গুরুত্বপূর্ণ পণ্য নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে আতঙ্কজনিত কেনাকাটা বাড়তে শুরু করেছে। ফলে দেশে পর্যাপ্ত আমদানি ও মজুত থাকা সত্ত্বেও রাজধানীর অনেক খুচরা বাজারে এসব পণ্যের সাময়িক সংকট দেখা যাচ্ছে।

    বর্তমানে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে ইসরায়েল–ইরান সংঘাত ঘিরে। এই পরিস্থিতির প্রভাব বিশ্ববাজারে পড়ার আশঙ্কায় অনেক ভোক্তা আগেভাগেই বেশি পরিমাণে খাদ্যপণ্য কিনে মজুত করছেন। ব্যবসায়ীদের মতে, এই আতঙ্ক থেকেই বাজারে তেল ও চিনির চাহিদা হঠাৎ করে বেড়ে গেছে।

    ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদের ভাষ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থায় সাময়িক অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও দেশের বাজারে এখনো তেল ও চিনির পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তাদের দাবি, অন্তত এক মাসের চাহিদা মেটানোর মতো ভোজ্য তেল ও চিনি বর্তমানে দেশে সংরক্ষিত আছে এবং আমদানির কার্যক্রমও স্বাভাবিকভাবেই চলছে।

    রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, খোলা সয়াবিন তেল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১৭৮ থেকে ১৯৩ টাকার মধ্যে। পাঁচ লিটারের বোতলজাত তেলের দাম পড়ছে ৯৪০ থেকে ৯৫৫ টাকার মধ্যে, আর দুই লিটারের বোতল বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৩৯০ থেকে ৩৯৫ টাকায়। এছাড়া পাম তেল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১৫৮ থেকে ১৬২ টাকায় এবং প্রতি কেজি চিনি পাওয়া যাচ্ছে ১০০ থেকে ১০৫ টাকার মধ্যে।

    তবে খুচরা পর্যায়ে ভিন্ন চিত্রও দেখা যাচ্ছে। অনেক পাড়ার দোকানে চাহিদা অনুযায়ী সয়াবিন তেলের সরবরাহ নেই। বিশেষ করে পাঁচ লিটারের বোতল অনেক জায়গায় পাওয়া যাচ্ছে না। খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে এ ধরনের পরিস্থিতি চলছে।

    ঢাকার শাহজাদপুর এলাকার এক দোকানি জানান, কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে আগের মতো সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। তার ভাষায়, “মানুষের চাহিদা হঠাৎ অনেক বেড়ে গেছে। কিন্তু কোম্পানিগুলো সেই অনুযায়ী তেল সরবরাহ করতে পারছে না।”

    ক্রেতাদের মধ্যেও এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেকেই ভবিষ্যতে সংকট বা মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কায় আগাম পণ্য কিনে রাখছেন। ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার এক বাসিন্দা জানান, যুদ্ধ শুরুর পর তিনি দুই মাসের বাজার একসঙ্গে করে রেখেছেন, যাতে ভবিষ্যতে সংকট তৈরি হলেও সমস্যায় পড়তে না হয়।

    তবে পাইকারি বাজারের ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাস্তবে বড় ধরনের কোনো ঘাটতি নেই। রাজধানীর কারওয়ানবাজারের এক পাইকারি বিক্রেতার মতে, মাঝখানে দুই–একদিন সরবরাহে কিছু সমস্যা থাকলেও বর্তমানে তেল ও চিনির পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে।

    সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে প্রায় ২৫ লাখ টন সয়াবিন ও পাম তেলের চাহিদা রয়েছে। অন্যদিকে চিনির বার্ষিক চাহিদা প্রায় ২০ থেকে ২১ লাখ টন। এর মধ্যে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত চিনি খুবই সীমিত—প্রায় ৩০ থেকে ৩৭ হাজার টনের মতো। তাই দেশের অধিকাংশ চাহিদা পূরণ হয় আমদানির মাধ্যমে। বিশেষ করে রমজান মাসে এই দুই পণ্যের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

    আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তারাও বলছেন, প্রকৃত অর্থে দেশে তেল ও চিনির কোনো ঘাটতি নেই। তাদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ভোক্তাদের মধ্যে অতিরিক্ত কেনাকাটার প্রবণতা তৈরি হওয়ায় খুচরা বাজারে সাময়িক চাপ তৈরি হয়েছে।

    দেশের শীর্ষ ভোগ্যপণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ জানিয়েছে, তারা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে বেশি পরিমাণে তেল ও চিনি আমদানি করেছে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের মতে, বর্তমানে মাসে প্রায় ৫০ হাজার টনের বেশি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে, ফলে বাজারে প্রকৃত সংকট হওয়ার কথা নয়।

    একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছে সিটি গ্রুপ-ও। তাদের মতে, কিছু ছোট কোম্পানি এলসি খোলার জটিলতার কারণে আমদানি করতে না পারায় বাজারে সামান্য চাপ তৈরি হতে পারে। তবে সামগ্রিকভাবে বড় কোম্পানিগুলো নিয়মিত সরবরাহ বজায় রেখেছে।

    অন্যদিকে ভোক্তা অধিকার সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, বাজার পরিস্থিতির পেছনে শুধু আতঙ্কজনিত কেনাকাটাই দায়ী নয়। অনেক ক্ষেত্রে কিছু ডিলার বা খুচরা ব্যবসায়ী সংকটের সুযোগ নিয়ে পণ্য মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে পারেন। এ কারণে বাজারে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এর নেতাদের মতে, দেশে পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং পাইপলাইনে থাকা কাঁচামালসহ মোট মজুত কয়েক মাসের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। তাই বাজারে যদি সংকট দেখা যায়, তাহলে তা অনেক ক্ষেত্রে কৃত্রিমভাবে তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

    সব মিলিয়ে ব্যবসায়ী, আমদানিকারক এবং বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি মূলত আতঙ্ক ও গুজবের প্রভাবে তৈরি হয়েছে। বাস্তবে দেশে তেল ও চিনির সরবরাহ এখনও স্বাভাবিক রয়েছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারকে বাজার তদারকি আরও জোরদার করতে হবে, যাতে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি বা কৃত্রিম সংকট তৈরি না হয়। ●

    অকা/প্র/ই/সকাল/১২ মার্চ, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 hours আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও তেলের দামে বাংলাদেশের নতুন মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কায় তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়াল

    মজুত থাকলেও খাতুনগঞ্জে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে কেন?

    ইইউ বাজারে পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    আতঙ্কে কেনাকাটা, বাজারে তেল–চিনির চাপ

    শেয়ারবাজারে নারীর আগ্রহ কমছে

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    এলসি নিষ্পত্তিতে ডলারের দাম বাড়াচ্ছে ব্যাংকগুলো

    ঈদ কেনাকাটায় ফ্রিজ বিক্রিতে উচ্ছ্বাস – ক্রেতার পছন্দে ওয়ালটনের আধিপত্য

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও তেলের দামে বাংলাদেশের নতুন মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা

    দুদকের জালে আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
    এমডি ফরমান ও রাফাত উল্লাহের বিরুদ্ধে ঋণ জালিয়াতি ও দুর্নীতির অভিযোগ (১ম পর্ব)

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কায় তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়াল

    মজুত থাকলেও খাতুনগঞ্জে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে কেন?

    কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স পিএলসির এশিয়া ইন্স্যুরেন্স পুরস্কার অর্জন

    ব্যাংক ঋণে ঢাকার আধিপত্য, দুই বিভাগেই প্রায় ৮৭ শতাংশ

    এলপি গ্যাস বাজারে অস্থিরতা, চড়া মূল্য দিচ্ছেন ভোক্তারা

    হরমুজ প্রণালী ও বাংলাদেশের ভবিষ্যত

    কাতারের এলএনজি সংকটে গ্যাস সরবরাহে অনিশ্চয়তা

    ইইউ বাজারে পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.