Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বুধবার, ২১ মাঘ, ১৪৩২ | ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    আমদানি নির্ভরতার ছায়ায় বাংলাদেশের বীজ নিরাপত্তা

    অক্টোবর ২৩, ২০২৫ ১০:১৫ পূর্বাহ্ণ8
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    বাংলাদেশ আজ খাদ্যে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও, সেই উৎপাদনের প্রাণভিত্তি—বীজ—নিয়ে দেশটি ক্রমেই হয়ে পড়ছে আমদানিনির্ভর। ধান থেকে ভুট্টা, পাট থেকে সবজি—প্রায় সব ফসলের ক্ষেত্রেই বিদেশি বীজ এখন দেশের কৃষি ব্যবস্থার নীরব নিয়ামক।

    দুই দশক আগেও দেশের বীজের বড় অংশই আসত কৃষকের নিজস্ব সংরক্ষণ বা সরকারি সংস্থা বিএডিসি থেকে। তখন বীজ সংরক্ষণ ছিল গ্রামীণ কৃষি সংস্কৃতির অংশ। এখন সেই ঐতিহ্য প্রায় হারিয়ে গিয়ে জায়গা নিচ্ছে বিদেশি বীজ।

    বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা তখনই টেকসই হবে, যখন বাংলাদেশ ‘বীজে স্বয়ংসম্পূর্ণ’ হতে পারবে।

    বীজ আমদানির ঊর্ধ্বগতি

    কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট বীজ চাহিদা ছিল প্রায় ১৩.১৪ লাখ টন। এর মধ্যে আলু ও ধানের বীজের বড় অংশ দেশীয়ভাবে উৎপাদিত হলেও, পাট, ভুট্টা, শাকসবজি, তৈলবীজ ও ডালের ক্ষেত্রে প্রধান উৎস এখন বিদেশ।

    কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) তথ্য অনুযায়ী,

    • ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ আমদানি করেছে ৩২,৩৮৫ টন বীজ,

    • ২০২৩–২৪ অর্থবছরে ৩৬,৪৯২ টন,

    • ২০২২–২৩ অর্থবছরে ৩১,৬৯৪ টন।

    কিছু মূল খাতের চিত্র—

    • পাটবীজ: বার্ষিক চাহিদা ৬,০০০–৬,৪০০ টন, যার ৭৫–৮০% আমদানিকৃত।

    • ভুট্টা: বছরে প্রয়োজন ১৫ হাজার টন, এর ৯০–৯৫% বিদেশ থেকে আসে।

    • সবজি: বছরে ৪,০০০–৪,৫০০ টন বীজ লাগে, যার প্রায় ৬০% আমদানি নির্ভর।

    • তৈলবীজ: চাহিদা ২৬,৯৪৭ টন, যার ৮৫–৯০% আমদানি করা হয়।

    • ডাল: ২৩,১২৭ টনের চাহিদার ৮০% আসে বিদেশ থেকে।

    • হাইব্রিড ধান: মোট চাহিদা ২৬ হাজার টন, এর প্রায় ২০% বিদেশি উৎস থেকে।

    সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো এখন সরবরাহ করে মোট চাহিদার প্রায় ৩৩%, বেসরকারি খাত দেয় ৩০%, আর কৃষকরা নিজেরা উৎপাদন করেন ৩৭%।

    দেশীয় বীজ সরবরাহে এগিয়ে থাকা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে লাল তীর সিড, এসিআই সিড, সুপ্রিম সিড, ব্র্যাক সিড অ্যান্ড অ্যাগ্রো, ইস্পাহানি অ্যাগ্রো ও মেটাল অ্যাগ্রো।

    পাটবীজে ভারতের ওপর নির্ভরতা

    বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাট উৎপাদক, কিন্তু নিজের পাটবীজের যোগান দিতে পারছে না। বছরে ৬,০০০–৬,৪০০ টন চাহিদার মধ্যে ৪,০০০–৫,০০০ টন আসে ভারত থেকে।

    বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই) এখন পর্যন্ত ৫৭টি জাত উদ্ভাবন করেছে, তবে উৎপাদন ব্যয় বেশি হওয়ায় কৃষকরা সেগুলোতে আগ্রহী নন। অধিকাংশ কৃষক এখনও ভারতীয় জেআরও ৫২৪ জাতের বীজ ব্যবহার করেন। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে শুধুমাত্র ভারত থেকেই ৪,১১৬ টন জেআরও ও কেনাফ বীজ আমদানি হয়েছে।

    বিজেআরআইয়ের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক নার্গীস আখতার বলেন, “কৃষকরা ধান ও সবজি চাষে বেশি লাভ পান, তাই পাটবীজ উৎপাদনে আগ্রহ কম। বিএডিসি ও ডিএই-এর সঙ্গে সমন্বয় করলে আমরা পাটবীজে স্বনির্ভর হতে পারব।”

    ভুট্টার সাফল্যের আড়ালে বিদেশি বীজ

    গত এক দশকে বাংলাদেশের ভুট্টা উৎপাদন বেড়েছে প্রায় আড়াই গুণ। এখন বছরে উৎপাদন হচ্ছে প্রায় ৭৩ লাখ টন, যেখানে ২০১৫–১৬ অর্থবছরে তা ছিল মাত্র ২৭.৬ লাখ টন।

    তবে এই সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি বিদেশি বীজ। বছরে ১৫ হাজার টন চাহিদার বিপরীতে ১৪,৮১৭ টন বীজ আমদানি হয়, যার ৮৫–৯০% ভারত থেকে এবং বাকিটা থাইল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে।

    সবজি, হাইব্রিড ধান ও তৈলবীজ: ক্রমবর্ধমান নির্ভরতা

    বাংলাদেশে বছরে প্রায় ৮০ লাখ টন সবজি উৎপাদিত হয়। কিন্তু উচ্চফলনশীল ও হাইব্রিড জাতের অধিকাংশ বীজ আসে বিদেশ থেকে। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে সবজির বীজ আমদানি হয়েছে ১,৮০০ টন, আর শাকের বীজ ৮৫০ টন।

    প্রধান আমদানিকৃত বীজের মধ্যে রয়েছে মুলা (১,১২৬ টন), ঢেঁড়স (৩৪১ টন), মরিচ (৯০ টন) ও করলা (৩৯ টন)। বাঁধাকপি, ফুলকপি, ব্রকলি ও বিটের মতো ফসলের বীজ প্রায় সম্পূর্ণই বিদেশি।

    অন্যদিকে, হাইব্রিড ধান বর্তমানে মোট আবাদি জমির ১৬ শতাংশে চাষ হয়, যা উৎপাদনের ২১ শতাংশ দেয়। এর প্রায় ২০ শতাংশ বীজ সরাসরি আমদানি করা হয়।

    বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. খালেকুজ্জামান জানান, “আমরা এখন পর্যন্ত আটটি হাইব্রিড জাত উদ্ভাবন করেছি, আরও দুটি অনুমোদনের অপেক্ষায়। বিএডিসি ও বেসরকারি কোম্পানির মাধ্যমে সেগুলোর সম্প্রসারণের পরিকল্পনা চলছে।”

    বীজ নিরাপত্তা ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা টেকসই নয়

    কৃষি অর্থনীতিবিদ জাহাঙ্গীর আলম খান সতর্ক করে বলেন, “খাদ্য উৎপাদনের মূল উপাদান হচ্ছে বীজ। এটি সময়মতো ও মানসম্মত না পেলে পুরো উৎপাদনব্যবস্থা ব্যাহত হয়। তাই খাদ্য নিরাপত্তার পরবর্তী ধাপ হলো বীজ নিরাপত্তা।”

    তার মতে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে শুধু আমদানির ওপর নির্ভর না করে নিজস্ব গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিনিয়োগ করতে হবে। আর সরকারকে বিএডিসির সক্ষমতা বাড়াতে হবে—যাতে পাঁচ থেকে সাত বছরের মধ্যে বীজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন সম্ভব হয়।

    বেসরকারি খাতের দাবি: সহায়তা ও নীতিগত সংস্কার

    লাল তীর সিড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব আনাম বলেন, “বিদেশে পাটবীজ সস্তা কারণ তাদের উৎপাদন ব্যয় কম। বাংলাদেশে জমি ও প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আবার বীজ ছাড়করণ প্রক্রিয়ায়ও জটিলতা আছে, যা সহজ করতে হবে।”

    সুপ্রিম সিড কোম্পানির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাসুম মনে করেন, “সরকারি গবেষণার ফলাফল বেসরকারি খাতের জন্য উন্মুক্ত করা গেলে আমদানি নির্ভরতা কমবে। তবে এখনো হাইব্রিড সবজি বীজ স্থানীয়ভাবে উৎপাদন করা কঠিন।”

    এসিআই অ্যাগ্রিবিজনেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এফএইচ আনসারী বলেন, “দেশে স্থানীয়ভাবে হাইব্রিড বীজ উৎপাদন দ্রুত বাড়ছে। সরকারি–বেসরকারি যৌথ প্রচেষ্টায় কয়েক বছরের মধ্যেই আমরা বীজে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারব।”

    শেষকথা: খাদ্য নিরাপত্তার মূলে বীজ নিরাপত্তা

    বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও, বীজে আমদানিনির্ভরতা সেই অর্জনকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। জলবায়ু পরিবর্তন, বৈদেশিক সম্পর্ক বা সরবরাহ ব্যাহত হলে পুরো কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থাই বিপর্যস্ত হতে পারে।

    তাই কৃষি বিশেষজ্ঞদের অভিমত—যতক্ষণ না বীজে স্বনির্ভরতা আসে, ততক্ষণ খাদ্য নিরাপত্তা কেবল পরিসংখ্যানেই সীমাবদ্ধ থাকবে। ●
    অকা/প্র/ই/সকাল/২৩ অক্টোবর, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    রফতানিতে গতি ফিরলেও চ্যালেঞ্জ কাটেনি

    ভ্যাট বাড়লেও গতি ফিরছে না অর্থনীতিতে

    ইইউ–ভারত চুক্তিতে বাড়ছে পোশাক প্রতিযোগিতা

    রেকর্ড দামে স্বর্ণ – অনিশ্চয়তায় ঝুঁকছে বিশ্ব বাজার

    বন্ড অটোমেশনে ধীরগতি – রফতানিতে নতুন জটিলতা

    প্রায় সকল বিষয়ে জেনিথ ইসলামী লাইফের উল্লেখযোগ্য সাফল্য

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    রফতানিতে গতি ফিরলেও চ্যালেঞ্জ কাটেনি

    ভ্যাট বাড়লেও গতি ফিরছে না অর্থনীতিতে

    টেক্সটাইল খাতে মন্দার চাপ

    অনিশ্চয়তার মধ্যেও ওষুধ খাতে মুনাফার উত্থান

    ইইউ–ভারত চুক্তিতে বাড়ছে পোশাক প্রতিযোগিতা

    স্থবির শেয়ার বাজারে তলানিতে সরকারি রাজস্ব

    রেকর্ড দামে স্বর্ণ – অনিশ্চয়তায় ঝুঁকছে বিশ্ব বাজার

    চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাস
    ঋণ প্রতিশ্রুতি কম – পরিশোধ বেশি

    ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের পথে অগ্রগতি

    কমোডিটি মার্কেট চালুর দ্বারপ্রান্তে সিএসই

    বন্ড অটোমেশনে ধীরগতি – রফতানিতে নতুন জটিলতা

    প্রায় সকল বিষয়ে জেনিথ ইসলামী লাইফের উল্লেখযোগ্য সাফল্য

    বিনিয়োগ স্থবিরতায় বেসরকারি খাতে ব্যাংক ঋণের প্রবৃদ্ধি নিম্নমুখী

    খেলাপি ঋণ রুখতে বড় ঋণে কড়াকড়ি
    বন্ড মার্কেট জোরদারের পথে বাংলাদেশ ব্যাংক

    সুতা আমদানি বিতর্কে মুখোমুখি টেক্সটাইল–পোশাক খাত

    আর্থিক শৃঙ্খলায় কড়াকড়ি
    ১৮ তালিকাভুক্ত কোম্পানির বিরুদ্ধে বিএসইসির অসন্তোষ

    সতর্ক সংকেতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা
    রফতানি আয় কমছে

    ২০২৫ সালের প্রথম নয় মাস
    প্রিমিয়াম আদায় বাড়লেও দাবি নিষ্পত্তিতে ব্যর্থ বীমা খাত

    মুক্ত বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষায় নতুন অধ্যায়: ভারত–ইইউ সম্পর্কের বড় মোড়

    বেতন বৃদ্ধির বড় প্রতিশ্রুতি, বাস্তবতায় রাজস্বের কঠিন পরীক্ষা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.