Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    মঙ্গলবার, ২৫ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১০ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পরই বড় ধরনের শুল্ক বাধায় পড়তে যাচ্ছে রফতানি খাত

    এপ্রিল ১৮, ২০২৪ ৪:৪২ অপরাহ্ণUpdated:এপ্রিল ১৮, ২০২৪ ৪:৪২ অপরাহ্ণ2
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link
    স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশ বের হবে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ। তবে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পরই বড় ধরনের শুল্ক বাধায় পড়তে যাচ্ছে রফতানি খাত। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া আর কোনো দেশে পণ্য রফতানিতে শুল্ক দিতে হয় না। তবে এলডিসি থেকে উত্তরণের পর যুক্তরাজ্য ছাড়া প্রায় সব বাজারেই পণ্য রফতানিতে দিতে হবে শুল্ক। এতে রফতানি খাত বড় ধরনের ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সম্প্রতি প্রকাশিত ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক: এপ্রিল ২০২৪’ প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এতে ২০২২-২৩ অর্থবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের রফতানি খাতের অংশ, সেসব বাজারে বর্তমান শুল্কহার এবং এলডিসি উত্তরণের পরের সম্ভাব্য শুল্কহার তুলে ধরা হয়েছে। এর ভিত্তিতে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ২০২২ সালের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের রফতানি আয় ১৪ শতাংশ কমে যাবে। প্রতিবেদনের তথ্যমতে, ২০২২-২৩ অর্থবছর বাংলাদেশের রফতানি আয়ের ৪৫ দশমিক ৪০ শতাংশই ছিল ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলো থেকে। এ দেশগুলোয় পণ্য রফতানিতে বর্তমানে বাংলাদেশের কোনো ধরনের শুল্ক দিতে হয় না। তবে এলডিসি থেকে উত্তরণের পর ওই বাজারে বাংলাদেশের পণ্য রফতানিতে ১২ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে। তবে ইইউতে রফতানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনেক বছর ধরেই জিএসপি প্লাস সুবিধা চেয়ে আসছে। এ সুবিধা পেলে এলডিসি থেকে উত্তরণের পর ৬৬ শতাংশ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশ। এতে ইইউতে রফতানির ক্ষেত্রে ১২ শতাংশের পরিবর্তে মাত্র চার শতাংশ শুল্ক দিতে হবে। বাংলাদেশের রফতানির অন্যতম বৃহৎ বাজার যুক্তরাষ্ট্র। যদিও সেখানে বাংলাদেশ কোনো ধরনের শুল্কমুক্ত সুবিধা পায় না। ২০২২-২৩ অর্থবছর দেশটিতে বাংলাদেশের রফতানি পণ্যের সাড়ে ১৭ শতাংশ গেছে। ওই বাজারে বর্তমানে ১৫ শতাংশ হারে শুল্ক দিতে হয়, যা এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও বহাল থাকবে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অনেক বছর ধরেই শুল্কমুক্ত পণ্য রফতানির সুবিধা চেয়ে আসছে বাংলাদেশ। তবে দেশটি এ বিষয়ে এখনও সাড়া দেয়নি। ২০২২-২৩ অর্থবছর বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহৎ রফতানির গন্তব্য ছিল যুক্তরাজ্য। ওই বছর রফতানি আয়ের ৯ দশমিক ৬০ শতাংশ এসেছে দেশটি থেকে। রফতানির এ বাজারে বর্তমানে শুল্কমুক্ত সুবিধা পায় বাংলাদেশ। এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও ২০২৯ সাল পর্যন্ত এ সুবিধা বহাল থাকছে। তৈরি পোশাকসহ ৯২ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা বহাল রাখবে যুক্তরাজ্য। তবে দেশটি রুলস অব অরিজিনের ক্ষেত্রে আরও কঠোর হবে। যদিও ২০৩২ সাল পর্যন্ত এ সুবিধা বর্ধিত করার জন্য যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারের কাছে চিঠি দিয়েছে তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। এডিবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২-২৩ অর্থবছর বাংলাদেশের পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে পরের অবস্থানে ছিল প্রতিবেশী দেশ ভারত। দেশটিতে ওই অর্থবছর রফতানি পণ্যের তিন দশমিক ৮০ শতাংশ গেছে। বর্তমানে ভারতে পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা পায় বাংলাদেশ। তবে এলডিসি থেকে উত্তরণের পর এ বাজারে শুল্ক দিতে হবে আট দশমিক ৬১ শতাংশ হারে। অনেকটা একই ধরনের চিত্র জাপানের ক্ষেত্রেও। দেশটিতে ২০২২-২৩ অর্থবছর রফতানি পণ্যের তিন দশমিক ৪০ শতাংশ গেছে। বর্তমানে জাপানে রফতানির ক্ষেত্রে ৯৮ শতাংশ পণ্যেই শুল্কমুক্ত সুবিধা পায় বাংলাদেশ। তবে এলডিসি থেকে উত্তরণের পর এ বাজারে শুল্ক দিতে হবে আট দশমিক ৭১ শতাংশ হারে। আর কানাডায় ২০২২-২৩ অর্থবছর রফতানি পণ্যের তিন দশমিক ১০ শতাংশ গেছে। বর্তমানে দেশটিতে পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা পায় বাংলাদেশ। তবে এলডিসি থেকে উত্তরণের পর এক্ষেত্রে শুল্ক দিতে হবে ১৭ শতাংশ হারে। এদিকে বর্তমানে চীনে বাংলাদেশের রফতানি পণ্যের খুবই সামান্যই যায়। ২০২২-২৩ অর্থবছর দেশটিতে রফতানি পণ্যের মাত্র এক দশমিক ২০ শতাংশ গেছে। বর্তমানে চীনে রফতানির ক্ষেত্রে ৯৮ শতাংশ পণ্যেই শুল্কমুক্ত সুবিধা পায় বাংলাদেশ। তবে এলডিসি থেকে উত্তরণের পর এ বাজারে শুল্ক দিতে হবে ১৬ দশমিক ২০ শতাংশ হারে। এলডিসি থেকে উত্তরণের পর এভাবেই শুল্কারোপ বাংলাদেশের রফতানিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। এডিবি বলছে, এলডিসি থেকে উত্তরণের পর অনেক আন্তর্জাতিক সহায়তা হ্রাস পাবে। এ উত্তরণ তিন ধরনের প্রভাব ফেলবে, যা বাংলাদেশের রফতানি আয় ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ হ্রাস করবে। তিনটি প্রভাবের প্রথমটি হলো, ডব্লিউটিওর বিশেষ চুক্তির আওতায় পাওয়া বিভিন্ন দেশের নীতিগত ছাড় বাতিল হয়ে যাবে। এলসিডি উত্তরণ ডব্লিউটিওর আওতায় থাকা নীতিসহায়তার ছাড় সীমিত করবে বিভিন্ন দেশ। এছাড়া ডব্লিউটিওর নীতিমালার আওতায় রফতানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে ভর্তুকি বন্ধ করতে হবে। এলডিসি উত্তরণের ফলে বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে। বর্তমানে পেটেন্ট আইনে ছাড়ের কারণে বাংলাদেশ ওষুধের নিজস্ব চাহিদার ৯৮ শতাংশ নিজেরাই উৎপাদন করছে। তবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইটস পূর্ণ বাস্তবায়নের ফলে তা ঝুঁকিতে পড়ে যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, এলডিসি উত্তরণের পর বিভিন্ন উন্নয়ন সহায়তা ঋণে রূপান্তর হবে। এছাড়া ঋণের শর্ত সহজ থেকে কঠিন হয়ে উঠবে। যদিও সহযোগিতার ধরনের ওপর নির্ভর করে কিছু অনুদান পেতে পারে বাংলাদেশ। তবে তা কমে আসবে। তৃতীয়ত, এলডিসির রুলস অব অরিজিন হিসেবে যেসব গন্তব্যে বাংলাদেশ পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে বাণিজ্য অগ্রাধিকার পায়, তা বাতিল হয়ে যেতে পারে। এডিবির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ৭০ শতাংশের বেশি তৈরি পোশাক রফতানি বর্তমানে বাণিজ্য অগ্রাধিকার সুবিধা ভোগ করে। এলডিসি উত্তরণ প্রক্রিয়া এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা তৈরি করছে। বিশেষত বাংলাদেশের রফতানি পণ্যের ৮৩ শতাংশ তৈরি পোশাক। বাণিজ্য সুবিধা ব্যবহার করে এ খাতটি দ্রুত প্রসার লাভ করে। তবে এলডিসি উত্তরণের পর বাণিজ্য অগ্রাধিকার ন্যূনতম পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। বিভিন্ন দেশে শুল্ক ও বাণিজ্য নীতির কারণে নতুন শুল্কারোপ হতে পারে রফতানি পণ্যে। এতে রফতানি ১৪ শতাংশ কমে যেতে পারে বলে প্রক্ষেপণ করেছে ডব্লিউটিও। এদিকে বাংলাদেশ এলডিসি তালিকা থেকে বের হওয়ার পরের বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালে ব্যাপক রফতানি ক্ষতির মুখে পড়বে বলে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। গত বছর প্রণীত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৭ সালে রফতানির ক্ষতির পরিমাণ সাত বিলিয়ন বা ৭০০ কোটি ডলার দাঁড়াতে পারে। জিইডির ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাজারসুবিধার আওতায় বাংলাদেশের পণ্য যে দেশে রফতানি হয়, সেখানে শূন্য বা ন্যূনতম কিছু কর দিয়ে প্রবেশ করতে হয়। প্রতিবছর যত পণ্য রফতানি হয়, এর মধ্যে ইইউর দেশগুলোয় ৭২ শতাংশ অগ্রাধিকারমূলক বাজারসুবিধায় যায়। জিইডির প্রতিবেদনে একটি উদাহরণ দিয়ে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালে যদি রফতানিতে বাজারসুবিধা না থাকত, তাহলে তৈরি পোশাক খাতে ১০০ থেকে ৪০০ কোটি ডলারের ক্ষতি হতো। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৭ সাল নাগাদ রফতানি বাড়বে, পাশাপাশি ডলারের দামও বাড়বে। তখন বাজারসুবিধা উঠে গেলে সব মিলিয়ে ৭০০ কোটি ডলারের রফতানি ক্ষতি হতে পারে। অকা/শিখা/সকাল/১৭ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ  

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    টেক্সটাইল খাতে মন্দার চাপ

    সিন্ডিকেট বন্ধ হলে ভোক্তার স্বার্থ রা পাবে এবং বিনিয়োগ বাড়বে

    বিকল্প কী ধরনের সুবিধা দেয়া যায়, সে বিষয়ে আমরা ভাবছি-বাণিজ্য সচিব

    শিল্পায়নের নতুন সুযোগ গ্রিন শিপবিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রি-শিল্প উপদেষ্টা

    প্রস্তুত হচ্ছে বাংলাদেশ
    অর্ডার বাড়াতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীরা

    সম্ভাবনা সত্ত্বেও পিছিয়ে চামড়াশিল্প

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কায় তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়াল

    মজুত থাকলেও খাতুনগঞ্জে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে কেন?

    কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স পিএলসির এশিয়া ইন্স্যুরেন্স পুরস্কার অর্জন

    ব্যাংক ঋণে ঢাকার আধিপত্য, দুই বিভাগেই প্রায় ৮৭ শতাংশ

    এলপি গ্যাস বাজারে অস্থিরতা, চড়া মূল্য দিচ্ছেন ভোক্তারা

    হরমুজ প্রণালী ও বাংলাদেশের ভবিষ্যত

    কাতারের এলএনজি সংকটে গ্যাস সরবরাহে অনিশ্চয়তা

    ইইউ বাজারে পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.