Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    রবিবার, ১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ | ৩০ নভেম্বর, ২০২৫
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    চাহিদার ৪০% ঘাটতি
    গ্যাস-সংকটের চরম দুঃসময়

    নভেম্বর ২৯, ২০২৫ ১:১২ অপরাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    দেশে গ্যাস-সংকট এখন আর শুধু অসুবিধার নাম নয়, এটি একটি জাতীয় দুর্ভোগে রূপ নিয়েছে। টানা দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলে আসা সরবরাহ ঘাটতি গত কয়েক বছরে এসে প্রকট আকার ধারণ করেছে। গত নয় বছর ধরে স্থানীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন ক্রমাগত হ্রাস পাওয়ায় শিল্প-কারখানা ও আবাসিক খাতে চাহিদাও স্বাভাবিক হারে বাড়তে পারেনি। এর মধ্যেও যে পরিমাণ চাহিদা রয়েছে, তার বিপরীতে সরকারি বিতরণ কোম্পানিগুলো দৈনিক মাত্র ৬০ শতাংশের মতো গ্যাস সরবরাহ করতে সক্ষম হচ্ছে। ফলে আবাসিক গ্রাহক থেকে শুরু করে শিল্প, সার কারখানা ও পরিবহন খাত—সবাই গভীর অনিশ্চয়তা ও ভোগান্তির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

    জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, পেট্রোবাংলা এবং শিল্প খাতের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রতিদিন প্রায় ৪২০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে সরবরাহ হচ্ছে মাত্র ২৫০-২৬০ কোটি ঘনফুট। সর্বশেষ গত বুধবার সরবরাহ করা হয়েছে ২৫৩.৪ কোটি ঘনফুট। অর্থাৎ চাহিদার প্রায় ৪০ শতাংশই ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। এই বিশাল ফারাকের কারণে রাজধানীসহ সারা দেশের অধিকাংশ বাসাবাড়িতে চুলায় আগুন জ্বলছে নিভু নিভু অবস্থায়। প্রায় অর্ধেক শিল্প-কারখানা পূর্ণ সক্ষমতায় চলতে পারছে না। বেশ কিছু কারখানা ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যবসায়িক সংকটের সঙ্গে জ্বালানি-সংকট যুক্ত হওয়ায় অনেক উদ্যোক্তা পুরো কারখানাই বিক্রি করে দিতে বাধ্য হয়েছেন। আরও অনেকে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়ার চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।

    তিতাসসহ অন্যান্য বিতরণ কোম্পানির কর্মকর্তারা জানান, গত চার বছর ধরে প্রতি বছর গড়ে ১৫-২০ কোটি ঘনফুট করে স্থানীয় উৎপাদন কমছে। স্থানীয় ক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন ক্রমাগত হ্রাস, আর্থিক সংকটে এলএনজি আমদানি কমে যাওয়া এবং চাহিদা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি হওয়ায় সংকট এখন চরমে পৌঁছেছে। পেট্রোবাংলার সর্বশেষ প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত প্রায় এক বছর ধরে দৈনিক ৩০০ কোটি ঘনফুটের বেশি সরবরাহ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ দৈনিক ৩৫০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা গেলে পরিস্থিতি কিছুটা সহনীয় থাকে।

    বর্তমানে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে দৈনিক গড়ে মাত্র ১৮০ কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন হচ্ছে, যা ২০১৭ সালে ছিল প্রায় ২৭০ কোটি ঘনফুট। অর্থাৎ মাত্র আট বছরের ব্যবধানে স্থানীয় উৎপাদন ৩৩ শতাংশ কমে গেছে। বিদ্যমান দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল দিয়ে দৈনিক গড়ে ১০০ কোটি ঘনফুটের বেশি রিগ্যাসিফাই করা সম্ভব নয়। ফলে মোট সক্ষমতা সর্বোচ্চ ২৮০ কোটি ঘনফুটের আশপাশে আটকে আছে। কখনো স্থানীয় ক্ষেত্রে উৎপাদন গড়ের নিচে নেমে গেলে বা এলএনজি আমদানি কমে গেলে সংকট আরও তীব্র হয়। গত এক বছরে রেকর্ড পরিমাণ এলএনজি আমদানি করা হলেও বর্তমানে তা থেকে দৈনিক ৯০ কোটি ঘনফুটের নিচে নেমে এসেছে। এ কারণে সাম্প্রতিক সময়ে সংকট আরেক ধাপ বেড়েছে।

    এই পরিস্থিতিতে শিল্পের উৎপাদন গড়ে অর্ধেকে নেমে এসেছে। উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় অনেক কারখানা প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না। আবাসিক খাতে পাইপলাইনে গ্যাস না আসায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের খরচ আকাশছোঁয়া বেড়েছে। বাধ্য হয়ে অনেক শিল্পই এখন উচ্চমূল্যের বোতলজাত এলপিজি বা সিএনজি ব্যবহার করছে। বাসাবাড়িতেও একই চিত্র—রাজধানীর অসংখ্য এলাকায় মানুষ হোটেল থেকে খাবার এনে খাচ্ছেন বা এলপিজি সিলিন্ডার কিনে রান্না করছেন। কেউ কেউ আবার কেরোসিন বা বিদ্যুতের চুলায় ফিরে গেছেন। সিএনজি স্টেশনগুলোতে গাড়ির লম্বা লাইন এখন নিত্যদিনের দৃশ্য।

    শিল্পাঞ্চলগুলোর অবস্থা আরও করুণ। আশুলিয়া, সাভার, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, টাঙ্গাইল—এসব এলাকার পোশাক ও অন্যান্য কারখানায় গ্যাসের চাপ নেমে এসেছে ৩-৪ পিএসআইতে। অথচ বয়লার-জেনারেটর চালাতে কমপক্ষে ১৫ পিএসআই চাপ প্রয়োজন। অনেক জায়গায় ৭-১০ পিএসআইতেও মেশিন ধুঁকে ধুঁকে চলছে। ফলে উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

    আবাসিক খাতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন সীমিত আয়ের মানুষ। রায়েরবাগ, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডির কিছু অংশ, গ্রিনরোড, কলাবাগান, মুগদা, যাত্রাবাড়ী, পল্লবী, মিরপুর, রামপুরা, মালিবাগ, লালবাগ—এসব এলাকার বাসিন্দারা প্রায় গ্যাসবিহীন জীবন কাটাচ্ছেন। ঢাকার বাইরেও একই অবসহনীয় পরিস্থিতি।

    জ্বালানি বিভাগের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, সম্প্রতি দুটি পুরোনো কূপ সংস্কার করে কিছুটা সরবরাহ বাড়ানো গেছে। ২০২৫-২৬ সালের মধ্যে ৫০টি এবং ২০২৬-২৮ সালের মধ্যে আরও ১০০টি কূপের ওয়ার্কওভার ও নতুন খননের কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তবে পুরোনো কূপ থেকে বাড়তি গ্যাস এলেও তা সীমিত। নতুন কূপে গ্যাস পাওয়া গেলেও গ্রিডে আনতে কয়েক বছর লাগবে। তাইবহেতু দ্রুততম সমাধান হতে পারে নতুন এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ। সেটি হলে দেড়-দুই বছরের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব। তবে তার জন্য বৈদেশিক মুদ্রার বড় চাপ নিতে হবে।

    বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার স্থানীয় উৎপাদন ও আমদানি—দুই দিক থেকেই সংকট মোকাবিলার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা কঠিন: পরবর্তী নির্বাচিত সরকার যত দ্রুত ও জোরালোভাবে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে, তত দ্রুত সুফল মিলবে। তবু বিশেষজ্ঞদের হিসেবে, চাহিদা না বাড়লেও বিদ্যমান ঘাটতি সহনীয় পর্যায়ে আনতে কমপক্ষে তিন বছর লেগে যাবে।

    এই দীর্ঘ অপেক্ষার মধ্যে দেশের লাখো পরিবার ও হাজারো কারখানা প্রতিদিন নতুন করে হিসেব কষছে—কীভাবে বেঁচে থাকা যায়, কীভাবে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা যায়। গ্যাসের এই সংকট শুধু জ্বালানির নয়, এটি এখন জীবন ও জীবিকার সংকটে পরিণত হয়েছে। ●
    অকা/প্র/ই/দুপুর/২৯ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 day আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    পেঁয়াজের বাজারে স্থায়ী অস্থিরতা

    নন-লাইফ বীমায় এজেন্ট কমিশন শূন্য করার সিদ্ধান্ত

    ২০১৬ সালের পর বাংলাদেশে দারিদ্র্য হ্রাসে গতি কমেছে

    রফতানিতে ডিজিটাল চ্যানেল উন্মুক্ত করল বাংলাদেশ ব্যাংক

    পতনধারা ভাঙার সম্ভাবনায় শেয়ার বাজারে নতুন প্রত্যাশা
    সরকারি সহায়তায় আইসিবির পুনরাগমন

    রিটার্ন জমার সময়সীমা বাড়ল ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    পেঁয়াজের বাজারে স্থায়ী অস্থিরতা

    ওষুধ শিল্পে মূল্য স্থবিরতা ও ব্যয় চাপের দ্বিমুখী সংকট

    ব্যাংকিংয়ে ডিজিটাল বিপ্লবের মধ্যেও ৭৫% গ্রাহক এখনো অন্ধকারে

    চাহিদার ৪০% ঘাটতি
    গ্যাস-সংকটের চরম দুঃসময়

    পদ্মা ব্যাংকের ‘অর্থ পাচার’
    নাফিস সরাফাতসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ১৬১৩ কোটি টাকার মামলা

    লায়ন মাধবী সাহার শ্রাদ্ধবাসর আজ

    এনবিএফআই খাতে বিলুপ্তির ঝুঁকি ও বিনিয়োগকারীদের অনিশ্চয়তা

    ব্যাংক খাতে লুকানো খেলাপির বিস্ফোরণ

    পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ২৫ বছর পূর্তি উদযাপন
    স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতাই বীমা খাতের টিকে থাকার মূল শক্তি – আমির খসরু

    নন-লাইফ বীমায় এজেন্ট কমিশন শূন্য করার সিদ্ধান্ত

    ২০১৬ সালের পর বাংলাদেশে দারিদ্র্য হ্রাসে গতি কমেছে

    রফতানিতে ডিজিটাল চ্যানেল উন্মুক্ত করল বাংলাদেশ ব্যাংক

    পতনধারা ভাঙার সম্ভাবনায় শেয়ার বাজারে নতুন প্রত্যাশা
    সরকারি সহায়তায় আইসিবির পুনরাগমন

    দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি গ্রাহকের মৃত্যুদাবির ৫ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর

    রিটার্ন জমার সময়সীমা বাড়ল ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত

    আমানত সুরক্ষা অধ্যাদেশে ব্যাংকিং খাতে নতুন সুরক্ষা বাস্তবতা

    শেয়ার বাজারে প্রভিশন ঘাটতিতে বিপর্যস্ত ৩১১ বাজার প্রতিষ্ঠান

    এডিপি বাস্তবায়নে অগ্রগতি কম, ব্যয়ে বড় পতন

    রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধি, তবু লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বড় ঘাটতি

    আন্তর্জাতিক মূল্যপতন সত্ত্বেও কমছে না দেশের চাল ও গমের বাজার

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.