অর্থকাগজ ডেস্ক>
শেষ হাসি হাসল প্যারাগুয়ে। ১২০ মিনিটের লড়াইয়েও নিষ্পত্তি না হওয়া ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হলো টাইব্রেকারে। সেখানেই চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ১৬-এ জায়গা করে নিয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। নির্ধারিত ৯০ মিনিট ও অতিরিক্ত সময়ের খেলা শেষ হয়েছিল ১-১ সমতায়।

বোস্টনের গিলেট স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল রেখে খেলতে থাকে জার্মানি। একের পর এক আক্রমণ করলেও জমাট রক্ষণ আর গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিলের দৃঢ়তায় গোলের দেখা পায়নি তারা। বরং প্রথমার্ধে নিজেদের প্রথম উল্লেখযোগ্য আক্রমণ থেকেই এগিয়ে যায় প্যারাগুয়ে। ৪২তম মিনিটে মাতিয়াস গালারসার কর্নার থেকে হেডে জালে বল পাঠান হুলিও এনসিসো। সেই এক গোলেই বিরতিতে এগিয়ে যায় প্যারাগুয়ে।

দ্বিতীয়ার্ধে বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। ৫৪তম মিনিটে ফ্লোরিয়ান ভির্টজের নিখুঁত ক্রসে দারুণ এক হেডে সমতা ফেরান কাই হাভার্টজ। এরপর আক্রমণের পর আক্রমণ চালায় জুলিয়ান নাগেলসমানের দল। কিন্তু জয়সূচক গোলের দেখা মেলেনি। অতিরিক্ত সময়ের ১০২তম মিনিটে জোনাথান তাহের হেড জালে জড়ালেও ভিএআর পর্যালোচনার পর গোলটি বাতিল করেন রেফারি। শেষ দিকে তাহ ও ভালদেমার আন্তনের হেডও দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক গিল।
ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। শুরুতেই কাই হাভার্টজের শট ফিরিয়ে দিয়ে জার্মানিকে চাপে ফেলে দেন গিল। প্রথম পাঁচ শটে দুই দলই ৩-৩ সমতায় ছিল। সাডেন ডেথে জোনাথান তাহের পেনাল্টি লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে সুযোগ পেয়ে যায় প্যারাগুয়ে। পরের শটে হোসে কানালে গোল করে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে দলকে রাউন্ড অব ১৬-এ তুলে নেন।

২০১৪ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর ২০২৬ আসরেই প্রথম নকআউট পর্বে খেলেছিল জার্মানি। তবে প্রত্যাবর্তনের সেই অভিযান থেমে গেল প্রথম নকআউট ম্যাচেই। অপরদিকে, ২০১০ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউট জিতে শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিল প্যারাগুয়ে।

সর্বশেষ হালনাগাদ 3 hours আগে

Leave A Reply

Exit mobile version