Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    মঙ্গলবার, ২৫ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১০ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বড় শিল্পের উদ্যোক্তাদের টিকে থাকার চেষ্টা ও ছোটরা নানা প্রতিকূলতায় পিছিয়ে

    জানুয়ারি ৪, ২০২৪ ৪:২৫ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    করোনার ধাক্কা, ডলার সংকট এবং বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাবে শিল্প খাতের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বড় শিল্পের উদ্যোক্তারা শত প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে টিকে থাকার চেষ্টা করছেন। তারা আগের ক্ষতি কাটিয়ে পুনরুদ্ধারের চেষ্টায় রয়েছেন। কুটির, ছোট, মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্পের উদ্যোক্তারা পরিস্থিতি মোকাবিলা করে সামনে এগোতে পারছেন না। নানা প্রতিকূলতায় পিছিয়ে পড়ছেন। সার্বিকভাবে বড় শিল্পে উৎপাদন কিছুটা বেড়েছে, তবে ছোট মাঝারি ও অতি ক্ষুদ্র ও কটেজ শিল্পে উৎপাদন কমে যাচ্ছে। 

    গত অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বরের তুলনায় সার্বিকভাবে চলতি অর্থবছরের একই সময়ে শিল্পে উৎপাদন বাড়লেও চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে কমছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যের আলোকে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক গবেষণা প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

    সূত্র জানায়, ডলার সংকটের কারণে শিল্পের যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ডলারের দাম ও আন্তর্জাতিক বাজারে এসব পণ্যের দাম বৃদ্ধি, দেশের বাজারে জ্বালানিসহ প্রায় সব ধরনের উপকরণের দায় বৃদ্ধিতে শিল্পে উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে। এতে শিল্পপণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বিনিয়োগ মন্দায় নতুন শিল্প স্থাপন হচ্ছে কম। এতে ভাটা পড়েছে কর্মসংস্থানে। একদিকে পণ্যের দাম বৃদ্ধি, অন্যদিকে মন্দা ও চড়া মূল্যস্ফীতিতে মানুষের আয় কমেছে। এসব কারণে পণ্যের বিক্রি যেমন কমেছে, তেমনই কমেছে শিল্পে উৎপাদন। শিল্পপণ্যের মধ্যে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য যেমন আছে, তেমনই রয়েছে বিলাসী পণ্য। দুই খাতেই পণ্যের উৎপাদন ও বিক্রি কমেছে। 

    ২০২০ সালে করোনার সংক্রমণের সময় থেকেই শিল্প খাতে মন্দা যাচ্ছে। ২০২১ সালে মন্দা কিছুটা পুনরুদ্ধার হলেও ২০২২ সালে ফেব্রুয়ারির শেষদিকে রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করলে বৈশ্বিক মন্দা দেখা দেয়। এতে দেশের শিল্প খাতে সংকট আরও বেড়ে যায়। এখন শিল্প খাতে বড় সংকট হিসাবে দেখা দিয়েছে ডলার ও মানুষের আয় কমে যাওয়া। ফলে ভোক্তারা এখন জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অন্য পণ্য কেনা কমিয়ে দিয়েছেন। এতে কোম্পানিগুলোর পণ্যের বিক্রি কমে যাওয়ায় এখন কিছু পণ্যের দাম যেমন কমানো হয়েছে, তেমনই পণ্যের ওজন বা ইউনিট কমিয়ে কম দামে বিক্রি করা হচ্ছে। 

    প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, ২০২১-২২ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বরে শিল্পে উৎপাদন কমেছিল ২ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই সময়ে তা কমার গতি রোধ করে বেড়েছিল সাড়ে ৭ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে তা দ্বিগুণ বেড়ে ১৫ দশমিক ২৯ শতাংশ হয়েছে। তবে চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে উৎপাদন বৃদ্ধির হার কমছে। গত জুলাইয়ে বেড়েছিল ২০ দশমিক ০৮ শতাংশ, আগস্টে তা কমে বৃদ্ধির হার দাঁড়ায় ১১ দশমিক ৪৫ শতাংশে এবং সেপ্টেম্বরে সামান্য বেড়ে ১৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ উৎপাদন বেড়েছে। গত জুলাই-আগস্ট দুই মাসে শিল্পে উৎপাদন বেড়েছিল ১৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ। জুলাই-সেপ্টেম্বরে তিন মাসে বৃদ্ধির হার কমে দাঁড়িয়েছে ১৫ দশমিক ২৯ শতাংশ। অর্থাৎ জুলাই থেকে ধারাবাহিকভাবে শিল্পে উৎপাদন কমে যাচ্ছে। 

    এর কারণ হিসাবে জানা গেছে, ডলার সংকটের কারণে শিল্পের মৌলিক কাঁচামাল, মধ্যবর্তী কাঁচামাল ও বাণিজ্যিক কাঁচামাল আমদানি কমেছে। এ কারণে বাজারে চাহিদা অনুযায়ী কাঁচামাল পাওয়া যাচ্ছে না। এর মধ্যে রপ্তানিকারকদের নিজস্বভাবে ডলারের সংস্থান তারা তাদের চাহিদা অনুযায়ী কাঁচামাল আমদানি করতে পারে। কিন্তু বাণিজ্যিক আমদানিকারকদের মধ্যে যাদের রপ্তানি নেই, তারা ডলারের সংস্থান করতে পারছে না। ফলে আমদানির এলসিও খুলতে পারছে না। ব্যাংকও চাহিদা অনুযায়ী ডলারের জোগান দিতে পারছে না। এমন শিল্পই এখন বড় সংকটে পড়েছে বেশি। অতি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পগুলোর নিজেদের কাঁচামাল আমদানির সক্ষমতা নেই। তারা বাজার থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ করে। তাদের চাহিদা মেটাতে বাণিজ্যিক উদ্যোক্তারা এসব কাঁচামাল আমদানি করে। তারা ডলার সংকটের কারণে পারছে না এলসি খুলতে। 

    এদিকে রফতানি খাতে ডলারের সংস্থান থাকলেও পণ্যের আদেশ কমে যাওয়ায় এ খাতের কাঁচামাল আমদানি কমে গেছে। গত অর্থবচরের জুলাই-নভেম্বরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই সময়ে আমদানি কমেছে ২৪ দশমিক ১৮ শতাংশ। এলসি কমেছে ১ শতাংশ। দুই অর্থবছর ধরে এ খাতে কাঁচামাল আমদানি কমছে। এর প্রভাবে রফতানিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।  

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, গত অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই সময়ে শিল্পের মধ্যবর্তী কাঁচামাল আমদানি কমেছে ১১ শতাংশ, এলসি খোলা কমেছে ১৭ শতাংশ। মৌলিক কাঁচমালের আমদানি ৩৪ শতাংশ ও এলসি কমেছে ১২ শতাংশ। শিল্পের যন্ত্রপাতি আমদানি ৩৬ শতাংশ এবং এলসি কমেছে ১৭ শতাংশ। বিবিধ শিল্পের যন্ত্রপাতির এলসি ৬ শতাংশ এবং আমদানি ২৫ শতাংশ কমেছে। প্রায় সব শিল্পের কাঁচামালের আমদানিই কমেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমেছে বস্ত্র খাতের কাঁচামাল। অথচ মোট শিল্প উৎপাদনের এ খাত থেকেই আসে প্রায় ৭২ শতাংশ। ফলে এ খাতের কাঁচামালের সরবরাহ কমায় সার্বিক শিল্প উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। একই সঙ্গে রফতানিও কমছে। 

    প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বরে বড় শিল্পের উৎপাদন বেড়েছে ১৪ দশমিক ৬ শতাংশ। এর আগের দুই প্রান্তিকে বেড়েছিল যথাক্রমে ১০ শতাংশ ও ৮ দশমিক ৬ শতাংশ। ছোট, মাইক্রো ও মাঝারি শিল্পের ৫ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। আগের প্রান্তিকে বেড়েছিল ৮ দশমিক ৮ শতাংশ। কুটিরশিল্পের ৭ শতাংশ বেড়েছে। আগের প্রান্তিকে কমেছিল ২ দশমিক ৩ শতাংশ। বড়, ছোট, মাঝারি ও মাইক্রো শিল্পের খাদ্যপণ্য উৎপাদন গত তিন প্রান্তিকেই কমেছে। কুটিরশিল্পের গত দুই প্রান্তিকে বেড়েছে। আগের প্রান্তিকে কমেছে। বড় উদ্যোক্তারা প্রণোদনা ও ব্যাংকিং সুবিধা পেলেও ছোটরা পাচ্ছে না। ফলে তারা পিছিয়ে পড়েছে। অনেকে খেলাপি হয়ে পড়েছে। ঋণ নবায়ন করতে পারছে না।

    শিল্প খাত যখন পুনরুদ্ধারের চেষ্টায় লিপ্ত, তখন বাড়ছে ঋণের সুদহার। আগে যেখানে ৮ থেকে ৯ শতাংশ ছিল, এখন তা বেড়ে ১২ থেকে ১৪ শতাংশে উঠেছে। ফলে এ খাতে খরচ বেড়েছে। কিন্তু পণ্য বিক্রিতে খরচ বাড়ার তুলনায় বাড়তি দাম পাচ্ছে না। এছাড়া গ্যাস, বিদ্যুৎ, জ্বালানি তেলসহ বিভিন্ন সেবা দাম বাড়ানোর কারণেও খরচ বেড়েছে।

    অকা/শিখা/ সকাল/৪ জানুয়ারি, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    বড় শিল্পের উদ্যোক্তাদের টিকে থাকার চেষ্টা ও ছোটরা নানা প্রতিকূলতায় পিছিয়ে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    টেক্সটাইল খাতে মন্দার চাপ

    সিন্ডিকেট বন্ধ হলে ভোক্তার স্বার্থ রা পাবে এবং বিনিয়োগ বাড়বে

    বিকল্প কী ধরনের সুবিধা দেয়া যায়, সে বিষয়ে আমরা ভাবছি-বাণিজ্য সচিব

    শিল্পায়নের নতুন সুযোগ গ্রিন শিপবিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রি-শিল্প উপদেষ্টা

    প্রস্তুত হচ্ছে বাংলাদেশ
    অর্ডার বাড়াতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীরা

    সম্ভাবনা সত্ত্বেও পিছিয়ে চামড়াশিল্প

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কায় তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়াল

    মজুত থাকলেও খাতুনগঞ্জে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে কেন?

    কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স পিএলসির এশিয়া ইন্স্যুরেন্স পুরস্কার অর্জন

    ব্যাংক ঋণে ঢাকার আধিপত্য, দুই বিভাগেই প্রায় ৮৭ শতাংশ

    এলপি গ্যাস বাজারে অস্থিরতা, চড়া মূল্য দিচ্ছেন ভোক্তারা

    হরমুজ প্রণালী ও বাংলাদেশের ভবিষ্যত

    কাতারের এলএনজি সংকটে গ্যাস সরবরাহে অনিশ্চয়তা

    ইইউ বাজারে পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.