Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ব্যাংকিং খাতের দুর্দশা কাটবে কি?

    আগস্ট ৩০, ২০২৪ ১:৩২ অপরাহ্ণUpdated:আগস্ট ৩০, ২০২৪ ১:৩২ অপরাহ্ণ14
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    দেশের ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরেই নানা অনিয়মের কারণে দেশের অর্থনীতি ভঙ্গুর অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে মন্দ ঋণ এবং অর্থ পাচারের মতো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে ব্যাংককে ব্যবহারের মাধ্যমে। উপরের নির্দেশ মান্য করতে গিয়েই ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তারা এসব অনিয়মকে প্রশ্রয় দিয়েছেন, কিছু ক্ষেত্রে  তারা লাভবানও হয়েছেন। ফলে দেশের ব্যাংকিং খাতের সমস্যাগুলো আমাদের সবারই জানা। তবে সেটি আরো গভীরভাবে, সুনির্দিষ্ট তথ্য যাচাই করে একটি সমাধান বের করতে হবে।

    ৩০ আগস্ট ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজের আয়োজনে ‘ব্যাংকিং খাতে দখলদারিত্ব উচ্ছেদ: দুর্দশা কাটবে কি?’ শীর্ষক ওয়েবিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। ওয়েবিনার সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক মনির হায়দার।

    অর্থনীতি বিশ্লেষক মামুন রশিদ বলেন, অনেক দিন যাবত আমরা দেখতে পাচ্ছি, এস আলম, হলমার্ক, বিসমিল্লাহসহ বিভিন্ন বড় বড় ঋণগ্রহীতার কথা শুনতে পাচ্ছি। সরকার তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলেও সরকার বলছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর তিনটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন। একটি হচ্ছে, মন্দ ঋণ বা বড় ঋণ যেগুলোর সিকিউরিটি দুর্বল ছিল, সেগুলোকে রিস্ট্রাকচার করা, ব্যাংকের তারল্য কীভাবে বাড়ানো যায় এবং দখলদারত্ব বা যেগুলো পরিবর্তন হয়েছে সেগুলোর সমস্যা সমাধান। দ্বিতীয় হচ্ছে, সরকার যে একশো বিলিয়ন ডলারের ওপর সরকারের ঋণ রিস্ট্রাকচার করা, ঋণের সুদ হার কমানো এবং ফেরত দেয়ার সময় বাড়ানো। তৃতীয়টি হচ্ছে, যে টাকা পাচার হয়েছে সেটি ফিরিয়ে আনা। টাকা পাচারের েেত্র প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, এমনও হয়েছে, সকাল বেলা ডিজবাস্টিং হয়েছে, বিকাল বেলা সেটি হুন্ডি হয়ে বাইরে চলে গেছে। এমনও আমরা দেখেছি যে আমরা জানি কোথায় কোথায় সমস্যা। সমস্যাগুলো সাধারণত মন্দ ঋণ, বেনামি ঋণ, সিকিউরিটি যাচাই না করে দেয়া ঋণ, যে উদ্দেশ্যে ঋণ নেয়া হয়েছে, সে উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করে অন্য কাজে ব্যবহার করা। এছাড়া বাংলাদেশের ব্যাংকিংয়ে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা খুবই দুর্বল। এ েেত্র ফরমায়েশি ঋণ বা আগের থেকে ঠিক করে রাখা কাকে দেব, কাকে দেব না এমন সিদ্ধান্তগুলো।

    মামুন রশিদ বলেন, এমনও অনেক ঋণ হয়েছে, ঋণ অনুমোদনের বিষয়ে পরিচালকরা আলোচনারও সুযোগ পাননি। জনতা ব্যাংক, সোনালি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা চেয়ারম্যানরা বলেছেন অন্যান্য যারা ডিপে যেতে চান, ঋণ কীভাবে গ্রহণ করবে, সিকিউরিটি কী, কী কাজে ব্যবহার করবেন, কীভাবে ফেরত দেবেন এসব জানতে চেয়েছেন। কিন্তু গত ১৫ বছর সময়ে জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান, সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান বলেছেন, উপর থেকে নির্দেশ আছে, এটা নিয়ে আমি বেশি কথা বলতে পারব না। এখন আমাদের এ উপরের নির্দেশটাকে আলোচনায় আনতে হবে। অভ্যন্তরীণ সুশাসন, নিরীা, টাকা কোথায় গেল, কীভাবে ব্যবহৃত হলো, এত টাকা দরকার ছিল কিনা এসব তথ্য যাচাই করা।

    অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, দেশের ছাপা পত্রিকাগুলো ব্যাংকিং খাতের অসংগতি নানা সময় ধরে নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও আমাদের অনেক কিছু জানিয়েছে। কিন্তু এ সমস্যার ব্যপকতা আমরা এখনো সঠিকভাবে জানি না। কিন্তু এটা আমরা জানি এটা আসলে কিছু সংখ্যক ব্যক্তির মধ্যেই দুর্নীতিগুলো হয়েছে। তাই এখানে যদি ফরেনসিক অডিট হয়, তাহলে আমরা বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারব। একই সঙ্গে তখন করণীয়ও জানা যাবে। দ্বিতীয়ত, ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে কারা জড়িত এবং কাদের স্বার্থ হাসিল হয়েছে। আমরা যদি খেয়াল করি, বাংলাদেশের মন্দ ঋণের পরিমাণ প্রায় চার হাজার ট্রিলিয়নের মতো। বাংরাদেশ ব্যাংক থেকে আমরা যে তথ্য পাচ্ছি, তাতে দেখা যাচ্ছে একজন আমানতকারী বাংলাদেশের ব্যাংকে যদি টাকা রাখেন, তাহলে তার আমানদের খেয়ানত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ব্যাংক যারা পরিচালনা করেন, তারা কিন্তু এর মালিক নন। যারা ব্যাংকে আমানত রাখেন, তারাই এর মালিক। ফলে অন্য প্রতিষ্ঠানের চেয়ে এর পরিচালন কাঠামো অন্য প্রতিষ্ঠানের চেয়ে আলাদা হওয়া উচিত। এখানে আমানতকে খেয়ানতের হাত থেকে রা করার জন্য যে প্রতিষ্ঠানগুলো ছিল তারা সেটি করতে পারেনি। ইসলামী ব্যাংকগুলোর দিকে যদি তাকাই, সেখানে তাদের যে মৌলিক যে দর্শন সেটি থেকে বিরাট আকারে চ্যুতি ঘটেছে। এই চ্যুতিটা কীভাবে হয়েছে, কখন হয়েছে, এ ১৫ বছরেই হয়েছে নাকি তার আগে থেকেই ঘটছে। এর সব কিছুই কিন্তু পরিষ্কারভাবে জানা দরকার। ●

    অকা/ব্যাংখা/ফর/সন্ধ্যা/৩০ আগস্ট, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    দুর্দশা ব্যাংকিং খাত

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    এক মিনিটেই মিলবে ৫ লাখ টাকা

    ব্যাংক কর্মকর্তাদের মামলা নিষ্পত্তি দুই মাসে

    কমিউনিটি উন্নয়নে এসডিজি অ্যাওয়ার্ড জিতল বিকাশ

    ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহারে জনসচেতনতায় রূপালী ব্যাংক

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    সাউথইস্ট ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৬৪ শতাংশ, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ৯ শতাংশ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    বাধ্যতামূলক অবসরে ৩২ ডিসি

    আত্মসমর্পণের পর জামিন পেলেন আশিয়ান চেয়ারম্যান

    এক মিনিটেই মিলবে ৫ লাখ টাকা

    নতুন সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ প্রশাসনকে কার্যকর করা

    ২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক : তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল ১০ আগস্ট

    ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে এমইপি হাই-টেক

    সকালটা হোক প্রশান্তির

    ওয়ালটন গ্লোবাল বিজনেস নেটওয়ার্কে লিবিয়া

    পরিবেশবান্ধব প্যাকেজিং পণ্য উৎপাদনে ব্র্যাক

    ১০ লাখ টাকার ঋণ সুবিধা পাবেন তরুণ উদ্যোক্তারা

    লেনদেন সহজ হলো ফ্রিল্যান্সারদের

    মিউজিক থেরাপি: মানসিক চাপ কমায়; ঘুম বাড়ায়

    হাম উপসর্গে একদিনে ৪ মৃত্যু

    টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়ন
    বাংলাদেশের প্রয়োজন আরও ৪২১ বিলিয়ন ডলার

    ডিজিটাল বাণিজ্য নীতিমালা; বাড়বে রাজস্ব আদায়

    ব্যাংক কর্মকর্তাদের মামলা নিষ্পত্তি দুই মাসে

    সূর্যবংশীর তাণ্ডবে জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করল ভারত

    আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিনেত্রী স্নিগ্ধার মারধরের অভিযোগ

    ভারতের রিয়্যালিটি শোতে বিশেষ অতিথি জয়া আহসান

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.