Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বৈদেশিক মুদ্রার আমানতে সুদ হারের সীমা থাকছে না

    নভেম্বর ২, ২০২৪ ৬:০২ পূর্বাহ্ণUpdated:নভেম্বর ২, ২০২৪ ৬:০২ পূর্বাহ্ণ6
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট (আরএফসিডি) হিসাবের ওপর বেঁধে দেওয়া সুদ হারের সীমা তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে এই আমানতের সুদহার নির্ধারণ করা যাবে।

    বৈদেশিক মুদ্রার আমানতে সুদের সীমা থাকছে নাসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এত দিন সোফর রেটের সঙ্গে সর্বোচ্চ দেড় শতাংশ যুক্ত করে (৫.১৪+১.৫) গ্রাহকদের সুদের হার নির্ধারণ হতো। কিন্তু এখন আর সেই সীমা থাকল না।

    এই উদ্যোগের ফলে ব্যাংকে ডলারের প্রবাহ বাড়বে। কেননা বিদেশফেতর যে কেউ এখন ব্যাংকে ডলার রাখলে আগের তুলনায় বেশি মুনাফা দাবি করতে পারবে। ফলে ঘরে ফেলে রাখা ডলার ব্যাংকে ফিরে আসবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ও নীতি বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

    এতে বলা হয়, ‘রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট (আরএফসিডি) হিসাবের বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নির্ধারিত সুদহারের সীমা আর থাকবে না। এখন থেকে সুদহার নির্ধারণ হবে ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে।’
    বাংলাদেশ ব্যাংক গত বছরের ৩ ডিসেম্বর থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করে মানুষের ঘরে রাখা ডলার ব্যাংকে ফেরাতে আবাসিক বৈদেশিক মুদ্রা আমানত বা রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট (আরএফসিডি) হিসাবের ওপর সুদসহ বাড়তি সুবিধা দেওয়ার সুযোগ করে দেয়। এর পরই দি সিটিসহ কিছু ব্যাংক বাড়তি উদ্যোগ নিয়ে এই হিসাব খুলতে শুরু করে।

    বর্তমানে নগদ ডলারের বড় অংশ মজুদ আছে ইস্টার্ন, দি সিটি, ব্র্যাক, ডাচ্-বাংলা, প্রাইম, পূবালী, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড, এইচএসবিসি, ইসলামীসহ আরো কয়েকটি ব্যাংকে। মার্কিন ডলারের পাশাপাশি পাউন্ড, ইউরো, অস্ট্রেলিয়ান ডলার, কানাডিয়ান ডলার, সিঙ্গাপুরি ডলারেও আরএফসিডি হিসাব খোলা যায়।
    বিদেশ থেকে এসেছেন ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে এমন যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিক ব্যাংকে গিয়ে আরএফসিডি হিসাব খুলতে পারেন। এ ক্ষেত্রে কবে বিদেশ ভ্রমণ করেছেন, এটা মুখ্য বিষয় নয়। মুখ্য বিষয় হলো, বিদেশ গেছেন তার প্রমাণপত্র অর্থাৎ পাসপোর্ট ও ভিসার নথিপত্র ব্যাংকে জমা দিতে হবে।

    হিসাব খোলার জন্য আরো প্রয়োজন দুই কপি ছবি, নমিনি, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন)। এই হিসাবের বিপরীতে ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের কোনো চেক বই না দিয়ে ডেবিট কার্ড দেয়, যা থেকে খরচে কোনো অনুমোদন লাগে না।

    একজন নাগরিক প্রতিবার বিদেশ ভ্রমণের জন্য ১০ হাজার ডলার পর্যন্ত আরএফসিডি হিসাবে জমা রাখতে পারবেন। ফলে গত এক বছরে যদি কেউ ১০ বার বিদেশ ভ্রমণ করে থাকেন, তিনি চাইলে তাঁর হিসাবে কোনো নথিপত্র ছাড়াই এক লাখ ডলার জমা দিতে পারবেন। তবে প্রতিবার ভ্রমণের ক্ষেত্রে এর বেশি পরিমাণ ডলার জমা দিতে চাইলে তাঁকে বেশি ডলার দেশে আনার জন্য কাস্টমসের ঘোষণাপত্র জমা দিতে হবে।
    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো এখন এই হিসাবের বিপরীতে ৭ শতাংশ পর্যন্ত সুদ দিচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়, এই হিসাবে জমা অর্থের ওপর ব্যাংকগুলো বেঞ্চমার্ক রেটের সঙ্গে আরো অন্তত দেড় শতাংশ সুদ দেবে। সিকিউরড ওভারনাইট ফিন্যানসিং রেট (সোফর) এখন ৫.৩১ শতাংশ। সে অনুযায়ী আরএফসিডি হিসাবে সুদহার দাঁড়ায় ৬.৮১ শতাংশ।

    বর্তমানে দেশের প্রত্যেক নাগরিক এক বছরে বিদেশে গিয়ে সর্বোচ্চ ১২ হাজার ডলার খরচ করতে পারেন। যাঁরা দেশে বসে ই-কমার্সে কেনাকাটা করেন তাঁরা একবারে ৩০০ ডলারের বেশি মূল্যের পণ্য কিনতে পারেন না। তবে আরএফসিডি হিসাবের বিপরীতে নেওয়া কার্ড দিয়ে বিদেশে গিয়ে খরচের কোনো সীমা নেই। হিসাবের পুরো অর্থই খরচ করা যায়। পাশাপাশি এই কার্ড দিয়ে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খরচের জন্য বিভিন্ন ধরনের অনুমোদনেরও প্রয়োজন পড়ে না। প্রতিবার ভ্রমণের ক্ষেত্রে ব্যাংক থেকে নগদ পাঁচ হাজার ডলার নেওয়া যায়।
    এ ধরনের গ্রাহকরা চাইলে দেশে বসেই বা বিদেশ গিয়ে যেকোনো মূল্যের পণ্য কিনতে পারছেন। ব্যাংকগুলোকে হিসাবের বিপরীতে প্রতিটি কার্ডের সঙ্গে অতিরিক্ত দুটি কার্ড দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সন্তান বা ভাই-বোনসহ গ্রাহকের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিও সেই কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন। ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/ সকাল, ২ নভেম্বর ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ব্যাংকে অলস অর্থের পাহাড়

    ইউসিবির ৭৭৫ কোটি টাকার রাইট শেয়ার অনুমোদন

    আকুর বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ ৩৬.৫২ বিলিয়ন ডলার

    জেট ফুয়েলের দাম আবার কমালো বিইআরসি

    ‘আমরা নারী’ ও ‘অরোরা’-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

    মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ, স্বস্তির ইঙ্গিত অর্থনীতিতে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    এফডিআইয়ে আফ্রিকার কাছেও পিছিয়ে বাংলাদেশ

    ব্যাংকে অলস অর্থের পাহাড়

    বিশ্বকাপে মেসির অনন্য রেকর্ড, স্মরণীয় ১৫ মিনিট

    অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

    গুগলের ৫টি গোপন সার্চ কৌশল

    স্যামসাংয়ের নতুন ৫জি স্মার্টফোন

    ছেলের আত্মহত্যা: ওপেনএআইর বিরুদ্ধে মায়ের মামলা

    বন্ধ শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠান চালু করতে ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল

    প্রযুক্তি নিয়ে প্রচলিত ২৪টি ভুল ধারণা, যেগুলো সত্য নয়

    ইউসিবির ৭৭৫ কোটি টাকার রাইট শেয়ার অনুমোদন

    আকুর বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ ৩৬.৫২ বিলিয়ন ডলার

    শাহজালালে ১৮ কেজি স্বর্ণ জব্দ; নজরদারিতে বিমানের ৪ কর্মকর্তা

    বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক হলেন লোটন একরাম

    জেট ফুয়েলের দাম আবার কমালো বিইআরসি

    ৩ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল
    উত্তরবঙ্গে হচ্ছে কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক অঞ্চল

    কাজল মাখা চোঁখের ভাঁজে তিল কণ্যা সঙ্গীতশিল্পী রোক্সার রহমানের জন্মদিন

    ‘আমরা নারী’ ও ‘অরোরা’-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

    প্রথমবারের মতো নারীর নেতৃত্বে মার্কিন শেয়ারবাজার

    মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ, স্বস্তির ইঙ্গিত অর্থনীতিতে

    দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৭.৮৫ বিলিয়ন ডলার

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.