Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    খেলাপি ঋণ সংকটে আংশিক অবলোপন নীতি

    ডিসেম্বর ৬, ২০২৫ ৩:১৮ অপরাহ্ণ10
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    দেশের ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘদিন ধরে গোপন থাকা খেলাপি ঋণের প্রকৃত চিত্র গত বছরের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর স্পষ্ট হয়ে উঠতে শুরু করে। ব্যালান্স শিটে প্রকৃত ঝুঁকি লুকিয়ে রাখার প্রবণতা সামনে আসায় মন্দ ও ক্ষতিজনক শ্রেণির ঋণের বাস্তবতা প্রকাশ পেতে থাকে। এমন পরিবেশেই বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন নীতিমালা জারি করেছে, যেখানে আদায়ের সম্ভাবনা ক্ষীণ—এমন ঋণ আংশিক অবলোপনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

    গত বুধবার (৪ ডিসেম্বর) জারি করা সার্কুলারেই নির্দেশনা কার্যকর করা হয়। এর মাধ্যমে আগের নীতিমালা সংশোধিত হলো, যেখানে এ সুযোগ ছিল না। মূল যুক্তি হলো—ব্যালান্স শিটে প্রকৃত অনাদায়ী ঋণ দেখাতে গেলে খেলাপির পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বড় হয়ে যায়, যা সম্পদের মান নির্ধারণে জটিলতা তৈরি করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাসেল নীতি ও আইএফআরএস অনুযায়ী আংশিক অবলোপন একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রক্রিয়া, এবং ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কাসহ বহু দেশে এটি নিয়মিত অনুসৃত।

    নীতিমালাটি এসেছে ব্যাংকিং খাতের সর্বোচ্চ সংকট মুহূর্তে। হাসিনা সরকারের পতনের আগেই খেলাপি ঋণ দ্রুত বাড়ছিল—২০২৪ সালের জুনে যেখানে খেলাপি ২.১১ লাখ কোটি টাকা (১২.৫ শতাংশ), সেখানে ডিসেম্বরেই তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩.৪৫ লাখ কোটি টাকা (২০.২০ শতাংশ)। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বলছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর শেষে এই অঙ্ক আরও বেড়ে হয়েছে ৬.৪৪ লাখ কোটি টাকা, যা মোট বিতরণকৃত ঋণের ৩৫.৭৩ শতাংশ—দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

    নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই গভর্নর আহসান এইচ মনসুর সতর্ক করে বলেছিলেন, খেলাপি ৩৫ শতাংশ ছাড়াতে পারে। তাঁর মতে, গত ১৫ বছরে এস আলম, বেক্সিমকোর মতো কিছু গ্রুপ প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা নিয়ে গেছে—যা বৈশ্বিক মানদণ্ডেও নজিরবিহীন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রানীতিতেও বলা হয়েছিল, পদ্ধতিগত দুর্বলতা, নিয়ন্ত্রণগত ঘাটতি, অর্থ পাচার ও লুণ্ঠনমূলক চর্চাই খেলাপির বিস্ফোরণের প্রধান কারণ।

    নীতিমালায় বলা হয়েছে—যে ঋণের বিপরীতে বিশ্বস্ত জামানত আছে, সেই অংশ অবলোপন করা যাবে না; শুধু আদায়-অযোগ্য অংশই অবলোপনের আওতায় থাকবে। ব্যাংক নিজস্ব মূল্যায়ন বা পেশাদার প্রতিষ্ঠান দিয়ে জামানতের প্রকৃত বাজারমূল্য নির্ধারণ করতে পারবে। পাশাপাশি আগে সুদের আরোপিত অংশ অবলোপন করতে হবে এবং অনারোপিত সুদ আলাদাভাবে হিসাবায়ন করতে হবে। পরবর্তী আদায় হলে প্রথমে অবলোপিত অংশ সমন্বয় হবে এবং অবশিষ্ট থাকলে বাকিতে সমন্বয় হবে। অবশিষ্ট পাওনার ক্ষেত্রে পুনঃতফসিল অথবা এক্সিট সুবিধা দেওয়া যাবে।

    দেশের শীর্ষ ব্যাংকাররা এই নীতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। ব্যাংক এশিয়ার এমডি সোহেল আর কে হুসেইন মনে করেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এই নীতি ব্যাংকের প্রভিশন-চাপ কমাবে এবং বাস্তব খেলাপির চিত্র পরিষ্কার করবে। অগ্রণী ব্যাংকের এমডি আনোয়ারুল ইসলামও একে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন, যদিও তিনি কঠোর নজরদারির ওপর জোর দেন। অন্যদিকে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান নির্দিষ্ট কিছু শর্ত নিয়ে ব্যবহারিক জটিলতার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন—বিশেষ করে আগে সুদ অবলোপনের বাধ্যবাধকতা ঋণ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়াকে কঠিন করতে পারে।

    অর্থনীতিবিদরা আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চা গ্রহণকে স্বাগত জানালেও সতর্ক করেছেন যে নীতির প্রয়োগে স্বচ্ছতা অপরিহার্য। সিপিডির সিনিয়র রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হলে এই নীতি খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। তাঁর মতে, কোন ঋণগ্রহীতা আংশিক অবলোপনের যোগ্য হবেন—এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংককে স্পষ্ট নির্দেশনা দিতে হবে, যাতে নীতিটি কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থে অপব্যবহার না হয়, বিশেষ করে নির্বাচনের সময়ে।

    সমগ্র পরিস্থিতি ইঙ্গিত করে—আংশিক অবলোপন একটি প্রযুক্তিগত সমাধান হলেও এর কার্যকারিতা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করবে সুশাসন, কঠোর তদারকি এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত প্রয়োগের ওপর। এ নীতি খাতকে স্বস্তি দিতে পারে, তবে পুনর্গঠন ছাড়া খেলাপি সংকটের মূল রোগ নিরাময় হবে না। ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/দুপুর/৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 7 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ইউসিবির ৭৭৫ কোটি টাকার রাইট শেয়ার অনুমোদন

    আকুর বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ ৩৬.৫২ বিলিয়ন ডলার

    জেট ফুয়েলের দাম আবার কমালো বিইআরসি

    ‘আমরা নারী’ ও ‘অরোরা’-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

    মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ, স্বস্তির ইঙ্গিত অর্থনীতিতে

    দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৭.৮৫ বিলিয়ন ডলার

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    বিশ্বকাপে মেসির অনন্য রেকর্ড, স্মরণীয় ১৫ মিনিট

    অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

    গুগলের ৫টি গোপন সার্চ কৌশল

    স্যামসাংয়ের নতুন ৫জি স্মার্টফোন

    ছেলের আত্মহত্যা: ওপেনএআইর বিরুদ্ধে মায়ের মামলা

    বন্ধ শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠান চালু করতে ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল

    প্রযুক্তি নিয়ে প্রচলিত ২৪টি ভুল ধারণা, যেগুলো সত্য নয়

    ইউসিবির ৭৭৫ কোটি টাকার রাইট শেয়ার অনুমোদন

    আকুর বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ ৩৬.৫২ বিলিয়ন ডলার

    শাহজালালে ১৮ কেজি স্বর্ণ জব্দ; নজরদারিতে বিমানের ৪ কর্মকর্তা

    বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক হলেন লোটন একরাম

    জেট ফুয়েলের দাম আবার কমালো বিইআরসি

    ৩ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল
    উত্তরবঙ্গে হচ্ছে কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক অঞ্চল

    কাজল মাখা চোঁখের ভাঁজে তিল কণ্যা সঙ্গীতশিল্পী রোক্সার রহমানের জন্মদিন

    ‘আমরা নারী’ ও ‘অরোরা’-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

    প্রথমবারের মতো নারীর নেতৃত্বে মার্কিন শেয়ারবাজার

    মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ, স্বস্তির ইঙ্গিত অর্থনীতিতে

    দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৭.৮৫ বিলিয়ন ডলার

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর আনিছুর রহমান

    গ্রাহক মহাসমাবেশের ঘোষণা
    ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.