Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    শনিবার, ৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২০ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    অর্থ ঋণ মামলা কী, কীভাবে হয় বিচার?

    জুন ২০, ২০২৬ ৫:০৫ অপরাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ ডেস্ক 

    ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া ঋণ সময়মতো পরিশোধ না করলে ঋণগ্রহীতার বিরুদ্ধে অর্থ ঋণ মামলা করা হতে পারে। দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ আদায়ের জন্য বিশেষ আইনি কাঠামোর আওতায় এ ধরনের মামলা পরিচালিত হয়।

    আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যাংক বা নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান তাদের বকেয়া ঋণ আদায়ের জন্য অর্থঋণ আদালতে মামলা দায়ের করতে পারে। এ উদ্দেশ্যে দেশে পৃথক অর্থঋণ আদালত গঠন করা হয়েছে, যা একটি বিশেষায়িত দেওয়ানি আদালত হিসেবে কাজ করে। দেওয়ানি আদালতের মতোই এ আদালতের রয়েছে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা ও এখতিয়ার।

    কার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়?

    অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ অনুসারে, ঋণ আদায়ের মামলা দায়েরের সময় মূল ঋণগ্রহীতার পাশাপাশি ঋণের বিপরীতে জামিনদার বা তৃতীয় পক্ষের বন্ধকদাতা থাকলে তাদেরও বিবাদী করা হয়। আদালতের রায় বা ডিক্রি সব বিবাদীর বিরুদ্ধে যৌথভাবে এবং পৃথকভাবেও কার্যকর করা যায়।

    ফলে ঋণের দায় কেবল মূল ঋণগ্রহীতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; সংশ্লিষ্ট জামিনদার বা বন্ধকদাতাকেও দায় বহন করতে হতে পারে।

    আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ

    মামলা দায়েরের পর বিবাদীরা আদালতে হাজির হয়ে লিখিত জবাব দাখিল করতে পারেন। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার এবং আইনগত প্রতিরক্ষা উপস্থাপনের সুযোগ পান।

    এ ছাড়া দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া এড়াতে আইনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা মধ্যস্থতার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। উভয় পক্ষের সম্মতিতে অনেক ক্ষেত্রে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা সম্ভব।

    কারাগারে আটকের বিধান

    অর্থঋণ আদালত আইনের অন্যতম আলোচিত বিধান হলো দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটকের ক্ষমতা। আইনের ৩৪ ধারা অনুযায়ী, আদালত ডিক্রির অর্থ পরিশোধে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে একজন দায়িককে সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখার আদেশ দিতে পারেন।

    তবে এটি ফৌজদারি সাজা নয়। ডিক্রির অর্থ আদায়ে চাপ সৃষ্টির জন্য আইন এ ব্যবস্থা রেখেছে।

    কীভাবে মুক্তি মিলবে?

    আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বকেয়া অর্থ পরিশোধ করলে আটক ব্যক্তি তাৎক্ষণিকভাবে মুক্তি পেতে পারেন। এছাড়া ছয় মাসের নির্ধারিত সময় শেষ হলেও মুক্তি লাভের সুযোগ রয়েছে।

    আইনে আরও বলা হয়েছে, যদি কোনো দায়িক বকেয়া পাওনার অন্তত ২৫ শতাংশ নগদ পরিশোধ করে অবশিষ্ট অর্থ ৯০ দিনের মধ্যে পরিশোধের অঙ্গীকার করেন, তাহলে আদালত তাকে মুক্তির আদেশ দিতে পারেন।

    আপিলের জন্য বিশেষ শর্ত

    অর্থঋণ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা গেলেও এর জন্য নির্দিষ্ট শর্ত রয়েছে। ডিক্রিকৃত অর্থের ৫০ শতাংশ সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা দেওয়া অথবা আদালতে জামানত হিসেবে রাখা ছাড়া আপিল গ্রহণ করা হয় না।

    আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এ বিধান অযৌক্তিক ও বিলম্বমূলক আপিল নিরুৎসাহিত করার পাশাপাশি ঋণ আদায়ের প্রক্রিয়াকে গতিশীল করতে সহায়তা করে।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ অর্থঋণ আদালত?

    বাংলাদেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দীর্ঘদিন ধরেই ব্যাংক খাতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এ প্রেক্ষাপটে অর্থঋণ আদালত ঋণ আদায়ের জন্য দ্রুত ও কার্যকর আইনি ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করছে। একই সঙ্গে ঋণগ্রহীতা, জামিনদার ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অধিকার ও দায়বদ্ধতার বিষয়েও একটি সুস্পষ্ট আইনি কাঠামো নিশ্চিত করছে এই আইন।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 hours আগে

    অর্থঋণ আদালত খেলাপি ঋণ

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    জেনে নিন দুদকে অভিযোগ করার পুরো প্রক্রিয়া

    জমির বদলে পাওয়া ফ্ল্যাটেও কর

    স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়লো ৬৫৯০ টাকা

    বাজেট ২০২৬-২৭
    ৫ বছরের আয়কর রোডম্যাপ ঘোষণা

    ক্ষুদ্র ব্যবসাও আসছে ভ্যাটের আওতায়

    আবাসন খাতে মন্দা: খেলাপি ঋণের চাপে দিশেহারা ডেভেলপাররা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    জেনে নিন দুদকে অভিযোগ করার পুরো প্রক্রিয়া

    অর্থ ঋণ মামলা কী, কীভাবে হয় বিচার?

    মালয়েশিয়াকে আরও কর্মী নেওয়ার আহ্বান জানাবে ঢাকা

    যেসব কারণে চাঙ্গা হচ্ছে না পুঁজিবাজার

    অবৈধ সম্পদ অর্জন ও টাকা পাচার
    বেনজীরকে দ্রুত দেশে ফেরানো হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    বিস্ময়কর বিজ্ঞান এবং অর্থনৈতিক ভবিষ্যত

    প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর: রফতানিতে নতুন দিগন্তের প্রত্যাশা

    ৬ দিনের মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    দ্রুততম গোলের রেকর্ড প্যারাগুয়ের; তুরস্কের বিদায়

    বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়া প্রথম দল হাইতি

    জার্মানিকে হটিয়ে ফের শীর্ষস্থানে ব্রাজিল

    হাইতির বিপক্ষে ছন্দে ফিরলো ব্রাজিল

    রাত পোহালেই হাইতিকে মোকাবেলা করবে ব্রাজিল

    তৈরি পোশাক খাত
    ইউরোপে বাজার হারাচ্ছে বাংলাদেশ

    রেস্তোরাঁ ও ক্যাটারিংয়ে অভিন্ন শুল্ককর দাবি

    সোনার দাম কমলো ভরিতে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার টাকা

    ক্ল্যাসিক ও রক গানে আজ মাতাবে বিলাওয়াল ও ঘুণপোকা

    ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড
    সুইস ব্যাংকে যে কারণে টাকা রাখছে বাংলাদেশিরা

    স্বপ্নবিলাসী বাজেট দেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে: আইনমন্ত্রী

    রিজার্ভ চুরি: যেকোন সময় গ্রেপ্তার ড. আতিউরসহ ১০ জন

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.