Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    অর্থ ঋণ মামলা কী, কীভাবে হয় বিচার?

    জুন ২২, ২০২৬ ১:০০ পূর্বাহ্ণUpdated:জুন ২২, ২০২৬ ১:০০ পূর্বাহ্ণ29
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    রুনা হোসেন>

    ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া ঋণ সময়মতো পরিশোধ না করলে ঋণগ্রহীতার বিরুদ্ধে অর্থ ঋণ মামলা করা হতে পারে। দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ আদায়ের জন্য বিশেষ আইনি কাঠামোর আওতায় এ ধরনের মামলা পরিচালিত হয়।

    আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যাংক বা নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান তাদের বকেয়া ঋণ আদায়ের জন্য অর্থঋণ আদালতে মামলা দায়ের করতে পারে। এ উদ্দেশ্যে দেশে পৃথক অর্থঋণ আদালত গঠন করা হয়েছে, যা একটি বিশেষায়িত দেওয়ানি আদালত হিসেবে কাজ করে। দেওয়ানি আদালতের মতোই এ আদালতের রয়েছে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা ও এখতিয়ার।

    কার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়?

    অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ অনুসারে, ঋণ আদায়ের মামলা দায়েরের সময় মূল ঋণগ্রহীতার পাশাপাশি ঋণের বিপরীতে জামিনদার বা তৃতীয় পক্ষের বন্ধকদাতা থাকলে তাদেরও বিবাদী করা হয়। আদালতের রায় বা ডিক্রি সব বিবাদীর বিরুদ্ধে যৌথভাবে এবং পৃথকভাবেও কার্যকর করা যায়।

    ফলে ঋণের দায় কেবল মূল ঋণগ্রহীতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; সংশ্লিষ্ট জামিনদার বা বন্ধকদাতাকেও দায় বহন করতে হতে পারে।

    আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ

    মামলা দায়েরের পর বিবাদীরা আদালতে হাজির হয়ে লিখিত জবাব দাখিল করতে পারেন। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার এবং আইনগত প্রতিরক্ষা উপস্থাপনের সুযোগ পান।

    এ ছাড়া দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া এড়াতে আইনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা মধ্যস্থতার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। উভয় পক্ষের সম্মতিতে অনেক ক্ষেত্রে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা সম্ভব।

    কারাগারে আটকের বিধান

    অর্থঋণ আদালত আইনের অন্যতম আলোচিত বিধান হলো দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটকের ক্ষমতা। আইনের ৩৪ ধারা অনুযায়ী, আদালত ডিক্রির অর্থ পরিশোধে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে একজন দায়িককে সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখার আদেশ দিতে পারেন।

    তবে এটি ফৌজদারি সাজা নয়। ডিক্রির অর্থ আদায়ে চাপ সৃষ্টির জন্য আইন এ ব্যবস্থা রেখেছে।

    কীভাবে মুক্তি মিলবে?

    আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বকেয়া অর্থ পরিশোধ করলে আটক ব্যক্তি তাৎক্ষণিকভাবে মুক্তি পেতে পারেন। এছাড়া ছয় মাসের নির্ধারিত সময় শেষ হলেও মুক্তি লাভের সুযোগ রয়েছে।

    আইনে আরও বলা হয়েছে, যদি কোনো দায়িক বকেয়া পাওনার অন্তত ২৫ শতাংশ নগদ পরিশোধ করে অবশিষ্ট অর্থ ৯০ দিনের মধ্যে পরিশোধের অঙ্গীকার করেন, তাহলে আদালত তাকে মুক্তির আদেশ দিতে পারেন।

    আপিলের জন্য বিশেষ শর্ত

    অর্থঋণ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা গেলেও এর জন্য নির্দিষ্ট শর্ত রয়েছে। ডিক্রিকৃত অর্থের ৫০ শতাংশ সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা দেওয়া অথবা আদালতে জামানত হিসেবে রাখা ছাড়া আপিল গ্রহণ করা হয় না।

    আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এ বিধান অযৌক্তিক ও বিলম্বমূলক আপিল নিরুৎসাহিত করার পাশাপাশি ঋণ আদায়ের প্রক্রিয়াকে গতিশীল করতে সহায়তা করে।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ অর্থঋণ আদালত?

    বাংলাদেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দীর্ঘদিন ধরেই ব্যাংক খাতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এ প্রেক্ষাপটে অর্থঋণ আদালত ঋণ আদায়ের জন্য দ্রুত ও কার্যকর আইনি ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করছে। একই সঙ্গে ঋণগ্রহীতা, জামিনদার ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অধিকার ও দায়বদ্ধতার বিষয়েও একটি সুস্পষ্ট আইনি কাঠামো নিশ্চিত করছে এই আইন।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 months আগে

    অর্থঋণ আদালত খেলাপি ঋণ

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    হোয়াটসঅ্যাপ লগ-ইনে সমস্যা? জেনে নিন সমাধান

    অনলাইনে যাচাই করা যাবে পাসপোর্ট

    সময়মতো রিটার্ন জমা দিলে মিলবে কর ছাড়

    বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি কর্মীদের জরুরি নির্দেশনা

    আগে রিটার্ন, কম কর; দেরি করলেই জরিমানা

    খেলাপি ঋণ: প্রায় ৪৬ লাখ অ্যাকাউন্ট ঝুঁকিতে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    আস্থা ফেরানোর পথে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক

    মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

    হলিউডের পরবর্তী ধাপে প্রিয়াঙ্কা

    আইপিডিসির ব্যবসায় ধস বাড়ছে খেলাপি ঋণ

    রিজার্ভ চুরির প্রতিবেদন পেছাল ৯৭ বার

    চার আর্থিক প্রতিষ্ঠান অকার্যকর ঘোষণা

    এরা শুধু বিশ্বাসঘাতকই না, এরা জুলুমবাজও

    ভারতীয় ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

    ৮ দিনে প্রবাসী আয় ৯১৫ মিলিয়ন ডলার

    এম এ কাশেম সাউথইস্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যান পুনর্নির্বাচিত

    আইসিসি এমার্জিং এশিয়া ব্যাংকিং অ্যাওয়ার্ড পেল এনসিসি ব্যাংক

    শূন্য মিমি বর্ডারলেস কনসেপ্ট আনল টেকনো

    হাজার ছাড়াল সুপারশপ স্বপ্নের আউটলেট

    মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম হোসেন

    ইতিহাসের ছবিতে সব আছে, নেই শুধু একাত্তরের জামায়াত

    নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী

    অবসায়নের তালিকায় ফারইস্ট

    স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসি.-এর টাউন হল মিটিং-২০২৬ অনুষ্ঠিত

    মেঘনা ব্যাংকের ১৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    গুলশানে ব্র্যাক ব্যাংকের ডিজিটাল সার্ভিস সেন্টার

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.