Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    আইএমএফের দুটি কিস্তির ১৩০ কোটি ডলার পেয়ে রিজার্ভে স্বস্তির ছোঁয়া

    জুন ২৫, ২০২৫ ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ5
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচির আওতায় তৃতীয় ও চতুর্থ কিস্তির মোট ১৩০ কোটি মার্কিন ডলার একসঙ্গে পেয়েছে বাংলাদেশ। এ অর্থ মঙ্গলবার (২৪ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে যোগ হওয়ায় দেশের গ্রোস রিজার্ভ বা মোট রিজার্ভ ফের ২৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ওই দিনের শেষে গ্রোস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৭ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের হিসাব পদ্ধতি ব্যালান্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল-৬ (BPM6) অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ২২ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার।
    আইএমএফ পদ্ধতি অনুসারে রিজার্ভের পরিমাণ নির্ধারণে কিছু নির্দিষ্ট অংশ বাদ দেওয়া হয়, যেমন আইএমএফের বিশেষ ড্রইং রাইটস (SDR), ব্যাংকগুলোর ফরেন কারেন্সি ক্লিয়ারিং হিসাব, এবং আঞ্চলিক মুদ্রা নিষ্পত্তি ব্যবস্থা আকুর বিল। তবে বাস্তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে যে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহারযোগ্য থাকে, তা ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ হিসেবে বিবেচিত হয়, যদিও বাংলাদেশ ব্যাংক এ হিসাব আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করে না। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, বর্তমানে সেই ব্যয়যোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ প্রায় ১৭ বিলিয়ন ডলার। এটি দিয়ে বাংলাদেশ প্রায় তিন মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় নির্বাহ করতে পারবে, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে নিরাপদ স্তর হিসেবে বিবেচিত হয়।
    এর আগে চলতি মাসের শুরুতে, ৪ জুন পর্যন্ত, দেশের মোট রিজার্ভ ছিল ২৬ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ডলার এবং আইএমএফের পদ্ধতিতে ২০ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার। তখন ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ ছিল ১৬ বিলিয়ন ডলারের আশপাশে। নতুন দুই কিস্তির অর্থ যোগ হওয়ায় রিজার্ভের চিত্র কিছুটা উন্নত হয়েছে, যা বৈদেশিক লেনদেনে দেশের সক্ষমতা ও স্থিতিশীলতা বাড়াবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
    আইএমএফ-এর বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয় সোমবার বাংলাদেশ সময় রাতে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে। সভায় বাংলাদেশকে দেওয়া ঋণ কর্মসূচির আওতায় তৃতীয় ও চতুর্থ পর্যালোচনার প্রতিবেদন উপস্থাপন ও অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদনের পরপরই দুই কিস্তির অর্থ ছাড় করা হয় এবং তা পরদিন বাংলাদেশের রিজার্ভে যুক্ত হয়।
    বাংলাদেশের রিজার্ভ ২০২১ সালের আগস্টে সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছিল। তবে কোভিড-পরবর্তী আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, দুর্নীতিজনিত অর্থপাচার এবং বৈদেশিক উৎস থেকে অর্থ প্রবাহ কমে যাওয়ায় রিজার্ভ দ্রুতগতিতে কমতে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে চলমান বাণিজ্য ঘাটতি এবং চলতি হিসাবের ভারসাম্যহীনতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। একই সঙ্গে টাকার বিপরীতে ডলারের দরপতনে আমদানি ব্যয় বেড়ে গিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে রিজার্ভ থেকে বিপুল পরিমাণ ডলার বিক্রি করতে হয়। একপর্যায়ে রিজার্ভ ২০২৪ সালের প্রথমার্ধে ২০ বিলিয়নের কাছাকাছি নেমে আসে, যা নিয়ে দেশে ও আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়।
    এই পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং বৈদেশিক লেনদেন নির্বিঘ্ন রাখতে বাংলাদেশ ২০২২ সালের জুলাইয়ে আইএমএফ-এর কাছে ঋণ সহায়তার জন্য আনুষ্ঠানিক আবেদন করে। দীর্ঘ আলোচনার পর ২০২৩ সালে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচি অনুমোদন করে আইএমএফ, যার মধ্যে এরই মধ্যে তিনটি কিস্তি ছাড় হয়েছে। নতুন এ কিস্তির অর্থ দেশে আসায় সাময়িক স্বস্তি ফিরলেও, টেকসই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য কাঠামোগত সংস্কার, রাজস্ব আদায়ে দক্ষতা বৃদ্ধি, রপ্তানি বৈচিত্র্য এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের ওপর জোর দিতে হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।
    বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকও রিজার্ভ ব্যবস্থাপনায় অধিকতর স্বচ্ছতা এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে হিসাব উপস্থাপন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখা এবং রিজার্ভ ব্যবহারে দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি করাও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জন্য এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/সকাল/২৫ জুন, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ব্যাংকে অলস অর্থের পাহাড়

    ইউসিবির ৭৭৫ কোটি টাকার রাইট শেয়ার অনুমোদন

    আকুর বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ ৩৬.৫২ বিলিয়ন ডলার

    জেট ফুয়েলের দাম আবার কমালো বিইআরসি

    ‘আমরা নারী’ ও ‘অরোরা’-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

    মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ, স্বস্তির ইঙ্গিত অর্থনীতিতে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ৭২ বছর পর বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ড

    বিশ্বকাপে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু ফিফা

    এফডিআইয়ে আফ্রিকার কাছেও পিছিয়ে বাংলাদেশ

    ব্যাংকে অলস অর্থের পাহাড়

    বিশ্বকাপে মেসির অনন্য রেকর্ড, স্মরণীয় ১৫ মিনিট

    অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

    গুগলের ৫টি গোপন সার্চ কৌশল

    স্যামসাংয়ের নতুন ৫জি স্মার্টফোন

    ছেলের আত্মহত্যা: ওপেনএআইর বিরুদ্ধে মায়ের মামলা

    বন্ধ শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠান চালু করতে ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল

    প্রযুক্তি নিয়ে প্রচলিত ২৪টি ভুল ধারণা, যেগুলো সত্য নয়

    ইউসিবির ৭৭৫ কোটি টাকার রাইট শেয়ার অনুমোদন

    আকুর বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ ৩৬.৫২ বিলিয়ন ডলার

    শাহজালালে ১৮ কেজি স্বর্ণ জব্দ; নজরদারিতে বিমানের ৪ কর্মকর্তা

    বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক হলেন লোটন একরাম

    জেট ফুয়েলের দাম আবার কমালো বিইআরসি

    ৩ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল
    উত্তরবঙ্গে হচ্ছে কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক অঞ্চল

    কাজল মাখা চোঁখের ভাঁজে তিল কণ্যা সঙ্গীতশিল্পী রোক্সার রহমানের জন্মদিন

    ‘আমরা নারী’ ও ‘অরোরা’-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

    প্রথমবারের মতো নারীর নেতৃত্বে মার্কিন শেয়ারবাজার

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.