Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বুধবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৪ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ব্যাংকিং খাতে মুনাফার নতুন সূত্র
    ঋণ নয়, সরকারি বন্ডই এখন লাইফলাইন

    নভেম্বর ৩, ২০২৫ ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ1
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    ২০২৫ সালের শুরুতে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতকে ঘিরে ছিল এক ধরনের নৈরাশ্য। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বাড়তি আমানত ব্যয়, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং ঋণচাহিদার অবসাদ—সব মিলিয়ে ব্যাংকগুলোর মুনাফা সঙ্কুচিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু বাস্তব চিত্র উল্টো। বছরের প্রথম নয় মাসে দেখা গেছে, একাধিক বেসরকারি ব্যাংক রেকর্ড পরিমাণ মুনাফা করেছে—ঋণ সম্প্রসারণ বা নতুন ব্যবসায়িক সাফল্যের কারণে নয়, বরং সরকারি বন্ড ও ট্রেজারি বিল থেকে প্রাপ্ত আয়ের কারণে। সরকারি সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ এখন ব্যাংকগুলোর জন্য একপ্রকার “নতুন নিরাপদ ব্যবসা মডেল”—যা খাতটির আয়ের কাঠামো ও ঝুঁকির ধরন পুরোপুরি বদলে দিয়েছে।

    ২০২৪ সালে ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, এমটিবি, প্রাইম ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া এবং ডাচ-বাংলা ব্যাংক—সবক’টির আয়ের উল্লেখযোগ্য অংশ এসেছে সরকারি বন্ড ও বিল থেকে। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই আয়ের হার গড়ে মোট পরিচালন আয়ের অর্ধেকেরও বেশি, যেখানে ২০২২ সালে তা ছিল এক-তৃতীয়াংশেরও নিচে। ব্র্যাক ব্যাংকের পরিবর্তন সবচেয়ে নাটকীয়। ২০২০–২২ সালে যেখানে বিনিয়োগ আয় ছিল ৭০০–৮০০ কোটি টাকার মধ্যে, ২০২৪ সালে তা লাফিয়ে দাঁড়ায় ২,৮৮০ কোটি টাকায়—মাত্র দুই বছরে প্রায় চারগুণ বৃদ্ধি। ২০২৫ সালের প্রথম নয় মাসে নিট মুনাফা ৫০% বেড়ে দাঁড়ায় ১,৫৫৩ কোটি টাকায়, যদিও নেট ইন্টারেস্ট ইনকাম (ঋণ-আমানতের সুদ পার্থক্য) কমেছে ৭%। অর্থাৎ ব্যাংকের মুনাফা এখন প্রায় পুরোপুরি ট্রেজারি আয়ের ওপর নির্ভরশীল। জানুয়ারি–সেপ্টেম্বরে এই আয় ৭৩% বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩,৩৯৪ কোটি টাকায়, যা অপারেটিং ইনকামের ৫৫%। ব্যাংকের এমডি তারেক রেফাত উল্লাহ খান সতর্ক করে বলেছেন, “বন্ডের এই উচ্চ আয় অস্থায়ী—এটি স্থায়ী ব্যবসায়িক সমাধান নয়।”

    সিটি ব্যাংকের আয়ের ধরন এখন প্রায় একমুখী। ২০২৫ সালের প্রথম নয় মাসে ব্যাংকটির কর-পরবর্তী মুনাফা বেড়েছে ৬০%, পৌঁছেছে ৭২২ কোটি টাকায়—এর প্রায় পুরোটাই এসেছে সরকারি সিকিউরিটিজ থেকে। বিনিয়োগ আয় এক বছরে দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২,৭৭৫ কোটি টাকায়, যা এখন মোট আয়ের ৭৭%। বিপরীতে, নিট সুদ আয় ৮৭% হ্রাস পেয়ে ১,১৭২ কোটি টাকা থেকে নেমেছে ১৫০ কোটিতে। অর্থাৎ ঋণ ব্যবসা প্রায় নিস্তেজ। একজন পুঁজিবাজার বিশ্লেষক মন্তব্য করেন, “সিটি ব্যাংকের প্রকৃত সাফল্য ট্রেজারি ডেস্কে—ঋণ পোর্টফোলিও নয়।”

    ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড (ইবিএল) সাধারণত রক্ষণশীল বিনিয়োগ নীতির জন্য পরিচিত। কিন্তু তারাও বন্ড বাজারের ঢেউ থেকে বাদ যায়নি। ২০২০–২৪ সময়ে বিনিয়োগ আয় ৫০৫ কোটি থেকে বেড়ে হয়েছে ১,০১৭ কোটি টাকা। ২০২৫ সালের প্রথম নয় মাসে তা আরও ৩৯% বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,০৯৫ কোটিতে—এখন ব্যাংকের মোট আয়ের ৪৮% এই উৎস থেকে আসে। অন্যদিকে, নিট সুদ আয় ১০% কমে ৭১২ কোটি টাকায় নেমেছে। ইবিএলের ৮৬% বিনিয়োগ এখন সরকারি সিকিউরিটিজে, যা ২০২০ সালে ছিল ৭৯%।

    মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের (এমটিবি) নিট সুদ আয় ২০২৫ সালের প্রথম নয় মাসে ৫৮% কমে ২৬৩ কোটিতে নেমেছে, কিন্তু বিনিয়োগ আয় প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে ৯৭৩ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। ফলে মোট পরিচালন আয়ের ৬০% এখন আসে ট্রেজারি থেকে—যেখানে এক বছর আগে এই হার ছিল ৩৭%। ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “ঋণচাহিদা কমে গেছে, খেলাপি ঋণ বেড়েছে—ফলে মূল ব্যাংকিং আয়ের জায়গা একেবারেই সংকুচিত হয়ে পড়েছে।”

    প্রাইম ব্যাংকও একই পথে হেঁটেছে। ২০২৪ সালে ব্যাংকটির বিনিয়োগ আয় দ্বিগুণ বেড়ে হয়েছে ১,০২৭ কোটি টাকা, যা ট্রেজারি বিল ও বন্ডের উচ্চ রিটার্ন থেকে এসেছে। ২০২৫ সালের প্রথম নয় মাসে নিট সুদ আয় ৭৩৯ কোটি থেকে নেমে ৩৭৫ কোটিতে এলেও মোট অপারেটিং আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,৯৬২ কোটি টাকায়। এই প্রবৃদ্ধির ৬০% এসেছে বিনিয়োগ আয়ের উল্লম্ফন থেকে।

    ব্যাংক এশিয়ার নিট সুদ আয় ২০২৫ সালের প্রথম ছয় মাসে নেতিবাচক হয়ে গেছে—৩৫৩ কোটি টাকার মুনাফা থেকে ক্ষতি হয়েছে ১১০ কোটি। তবু ব্যাংকটি টিকে আছে কারণ বিনিয়োগ আয় প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে ১,২৪৮ কোটিতে পৌঁছেছে। এখন ব্যাংকের মোট আয়ের ৯০% এরও বেশি আসে সরকারি বন্ড থেকে—যা কাঠামোগত ঝুঁকির ইঙ্গিত দেয়।

    ডাচ-বাংলা ব্যাংক ২০২৪ সালে ১,০৪৭ কোটি টাকার বিনিয়োগ আয় করেছে, যা ৩০% বৃদ্ধি নির্দেশ করে। কিন্তু ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে ট্রেজারি আয় ১২৭% বেড়ে ৯৩৫ কোটিতে পৌঁছেছে, আর নিট সুদ আয় ১৩% কমেছে। এখন ব্যাংকের মোট পরিচালন আয়ের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি বন্ড থেকে আসে। ব্যাংকের এমডি আবুল কাশেম মো. শিরিন বলেন, “সরকারি সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ মানে উচ্চ মুনাফা, শূন্য ঝুঁকি—এই বাস্তবতায় ব্যাংকগুলোর বিকল্প কম।”

    ব্যাংকগুলোর এই ঝোঁকের পেছনে রয়েছে সরকারের ঋণগ্রহণের নীতি। ২০১৯–২০ অর্থবছরে ২.৯ লাখ কোটি টাকার সরকারি সিকিউরিটিজ ২০২৩–২৪ অর্থবছরে বেড়ে হয়েছে ৫.৮ লাখ কোটি টাকা—অর্থাৎ পাঁচ বছরে দ্বিগুণের বেশি। ট্রেজারি বন্ড বেড়েছে ৮৮% হয়ে ৪.০৭ লাখ কোটি টাকায়, আর ট্রেজারি বিল দ্বিগুণ হয়ে ১.৩৩ লাখ কোটি টাকায়। একইসঙ্গে সুদের হারও এক দশকের সর্বোচ্চে পৌঁছেছে—মাঝারি ও দীর্ঘমেয়াদি বন্ডে ১২–১৩% পর্যন্ত। বাংলাদেশ ব্যাংকের রেপো অপারেশন ও তারল্য সহায়তা পাঁচ বছরে ছয়গুণ বেড়ে ৩ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। বাহ্যিক ঋণও প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৯.৮১ লাখ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা জিডিপির ১৯.৫%। তবে সেপ্টেম্বর থেকে বন্ডের সুদের হার কিছুটা কমেছে—৯১ দিনের ট্রেজারি বিল ১০.০৮% থেকে নেমে এসেছে ৯.৯১%-এ, যা তারল্যের সামান্য উন্নতির ইঙ্গিত দেয়।

    বেশিরভাগ ব্যাংক এমডি এবং ট্রেজারি প্রধানরা আশাবাদী যে, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে ঋণচাহিদা বাড়বে। ব্র্যাক ব্যাংকের তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, “রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরলে অবকাঠামো ও শিল্পখাতে বিনিয়োগ ফিরে আসবে।” এমটিবির সৈয়দ মাহবুবুর রহমানের ভাষায়, “সবাই অপেক্ষা করছে নির্বাচনের ফলাফলের জন্য—আস্থা ফিরলেই ঋণচাহিদা বাড়বে।”

    তবে অর্থনীতিবিদদের সতর্কবার্তা ভিন্ন। সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন মনে করেন, বন্ডে বিনিয়োগ ব্যাংকগুলোর জন্য স্বল্পমেয়াদি নিরাপদ আশ্রয় হলেও, এটি দীর্ঘমেয়াদে ব্যাংকিং খাতের কাঠামোগত দুর্বলতার প্রতিফলন। তিনি বলেন, “যদি রাজস্ব আহরণ বাড়ানো না যায়, তাহলে অভ্যন্তরীণ ঋণভার দ্রুত বাড়বে এবং তা রাজস্ব স্থিতিশীলতার ওপর চাপ সৃষ্টি করবে।”

    বাংলাদেশের ব্যাংক খাত এখন কার্যত ঋণনির্ভর অর্থনীতির বদলে ‘বন্ডনির্ভর’ মডেলে প্রবেশ করেছে। এটি স্বল্পমেয়াদে মুনাফা টিকিয়ে রাখলেও দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকি বহন করছে—কারণ অর্থনীতির আসল চালিকা শক্তি, বেসরকারি ঋণ প্রবৃদ্ধি, তাতে স্থবির হয়ে পড়েছে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, শিল্প বিনিয়োগ এবং ঋণচাহিদা পুনরুদ্ধার না হলে, ট্রেজারির এই কাগজ-নির্ভর মুনাফা অচিরেই বাস্তব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বিকল্প হতে পারবে না। ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/সকাল/৩ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ঈদের আগেই ছয় প্রতিষ্ঠানের অবসায়ন শুরু
    এনবিএফআই খাতে অবসায়নের পথে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    মার্কিন রায়ে শুল্ক-ঝুঁকি কমার ইঙ্গিত, তবে চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.