Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    সোমবার, ২৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৮ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    কঠিন সংস্কার ছাড়া অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন

    মে ১৯, ২০২৬ ১০:২৯ পূর্বাহ্ণ2
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন

    বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে দীর্ঘমেয়াদি চাপ ও অনিশ্চয়তার এক জটিল পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে সতর্ক করেছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির মতে, ধারাবাহিকভাবে কমে আসা প্রবৃদ্ধি, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দুর্বল ব্যাংকিং ব্যবস্থা এবং বেসরকারি বিনিয়োগে স্থবিরতা মিলিয়ে সামষ্টিক অর্থনীতিতে গভীর চাপ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকারকে কঠোর কাঠামোগত সংস্কার ও কিছু অজনপ্রিয় হলেও প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অন্যথায় অর্থনীতিকে স্থিতিশীল পথে ফিরিয়ে আনা কঠিন হয়ে পড়বে।

    সোমবার ১৮ মে বিশ্বব্যাংক ও Policy Research Institute আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট : স্পেশাল ফোকাস’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতারা বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা এবং ভবিষ্যৎ ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা করেন।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, আর্থিক খাতের দুর্বলতা, বেসরকারি বিনিয়োগের নিম্নমুখিতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাবে চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ৯ শতাংশে নেমে আসতে পারে। এতে টানা তৃতীয় বছরের মতো অর্থনৈতিক মন্থরতা অব্যাহত থাকার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কয়েক দশক ধরে ৭ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধির যে ধারা ছিল, বর্তমান পরিস্থিতি তা থেকে বড় ধরনের বিচ্যুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, অর্থনীতির চারটি বড় সংকট—মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগে স্থবিরতা, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা এবং বৈদেশিক চাপ—মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে আরও তীব্র হয়েছে। বিশেষ করে বেসরকারি বিনিয়োগ গত ৩৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যাওয়া অর্থনীতির জন্য সবচেয়ে উদ্বেগজনক সংকেত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একই সঙ্গে শিল্প ও কৃষি—দুই প্রধান উৎপাদন খাতেই প্রবৃদ্ধি কমে আসায় সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ বাড়তে থাকায় অর্থনীতিকে রক্ষা করার মতো নীতিগত সক্ষমতা ক্রমেই সীমিত হয়ে পড়ছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের প্রকৃত আয় কমে যাচ্ছে, ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বাড়ছে। ২০১৮ সালে যেখানে দারিদ্র্যের হার ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ, সেখানে ২০২৫ সালে তা বেড়ে ২১ দশমিক ৪ শতাংশে পৌঁছানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ সময়ে অতিরিক্ত প্রায় ১৪ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যেতে পারে।

    বিশ্বব্যাংক আশঙ্কা প্রকাশ করেছে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা দীর্ঘায়িত হলে রেমিট্যান্স প্রবাহে ধাক্কা লাগতে পারে। একই সঙ্গে আমদানি ব্যয় বাড়বে এবং মূল্যস্ফীতির চাপ পরিবারের ব্যয়ক্ষমতাকে আরও সংকুচিত করবে। ফলে দারিদ্র্য কমানোর প্রক্রিয়াও বাধাগ্রস্ত হতে পারে। কঠোর মুদ্রানীতি অনুসরণ করা হলেও মূল্যস্ফীতির হার প্রত্যাশিতভাবে কমছে না বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সেমিনারে অংশ নেওয়া অর্থনীতিবিদরা মূল্যস্ফীতির পেছনে সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতা, বাজারে অস্বচ্ছতা এবং দুর্নীতিকে বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন। তাদের মতে, কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতে নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষের মজুরি বাস্তব অর্থে কমে যাওয়ায় তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

    তারা সতর্ক করে বলেন, এই পরিস্থিতিতে অতিদ্রুত মুদ্রানীতি শিথিল করলে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়তে পারে। তাই দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ ব্যবস্থার সংস্কার এবং কাঠামোগত পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

    অন্যদিকে ব্যাংকিং খাতও গভীর চাপের মুখে রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঋণ শ্রেণিবিন্যাসে কঠোরতা আরোপ এবং কয়েকটি ব্যাংক পুনর্গঠনের উদ্যোগের ফলে খেলাপি ঋণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এতে ব্যাংকগুলোর সম্পদের গুণগত মান দুর্বল হয়েছে এবং বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ সংকুচিত হয়েছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাংক খাতকে স্থিতিশীল করতে দ্রুত মূলধন জোগান বৃদ্ধি, খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ, তদারকি জোরদার এবং সুশাসন নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে রাজস্ব আয় কমে যাওয়ায় সরকারের সামাজিক খাতে ব্যয়ও কমে এসেছে, যা দীর্ঘমেয়াদে মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দারিদ্র্য মোকাবিলায় নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 weeks আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    ফের দাম বাড়ল পেট্রোল-অকটেনের

    কষ্টে থাকা মানুষের গল্প

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    দুই হাজার টাকার চামড়ার দাম ৫০০ টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.